ইরানে হামলা

ছবি: সংগৃহীত
তিন দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান। শনিবার (১৪ মার্চ) ইরানের নৌবাহিনী জানিয়েছে যে, উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের এই হামলা ছিল সুপরিকল্পিত ও ধাপে ধাপে পরিচালিত। এই অভিযানে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং বিমানের জ্বালানি সংরক্ষণাগারগুলোকে প্রধান লক্ষ্যবস্তু করা হয়।   হামলার শিকার হওয়া ঘাঁটিগুলোর মধ্যে রয়েছে আবুধাবির আল ধাফ্রা বিমান ঘাঁটি, কুয়েতের আল আদিরি এবং বাহরাইনের শেখ ইসা বিমান ঘাঁটি। অন্যদিকে, ইরানের ইলাম প্রদেশের আইভান শহরে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় একই পরিবারের ছয়জন নিহত হয়েছেন। মর্মান্তিক এই ঘটনায় ৬ মাস বয়সী এক শিশুও প্রাণ হারিয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।   উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান সংঘাত মোকাবিলায় প্রথমবারের মতো ২৫০০ মার্কিন মেরিন সেনার একটি চৌকস দল মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থিত ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের এই সদস্যরা তাদের যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ নিয়ে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পথে রয়েছে। এই মোতায়েন ওই অঞ্চলে যুদ্ধের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি।
মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে ইরানের হামলা

মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান। শনিবার (১৪ মার্চ) দেশটির নৌবাহিনী সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং কুয়েতে এই অভিযান পরিচালনা করে। ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ-প্রধান অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরি এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।   আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবুধাবির আল-ধাফরা, কুয়েতের আল-আদিরি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা সামরিক ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন বাহিনীর ওপর কয়েক দফায় এই হামলা চালানো হয়। মূলত ওই অঞ্চলের মার্কিন সামরিক উপস্থিতি লক্ষ্য করেই এই আক্রমণ পরিচালনা করেছে ইরানি নৌবাহিনী।   অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরি জানান, এই হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত প্যাট্রিয়ট রাডার ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং বিমানের জ্বালানি মজুত রাখার বিশাল ট্যাংকগুলো। মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে ইরানের এই সরাসরি সামরিক অভিযান ওই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। মার্কিন বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। ছবি: সংগৃহীত
ইসরাইল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার স্পেনের

ইসরাইল থেকে রাষ্ট্রদূতকে স্থায়ীভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে স্পেন। ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি হামলার বিরোধিতা ঘিরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা চরম আকার ধারণ করায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাদ্রিদ।   গত সেপ্টেম্বরেই স্পেন তাদের রাষ্ট্রদূতকে দেশে তলব করেছিল। গাজায় আগ্রাসনের কারণে ইসরাইলগামী অস্ত্রবাহী বিমান ও জাহাজকে স্পেনের আকাশসীমা ও বন্দর ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়।   ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার স্পেনের এই নীতিকে ‘অ্যান্টিসেমিটিক’ বা ইহুদিবিদ্বেষী বলে মন্তব্য করেছিলেন।   মঙ্গলবার (১০ মার্চ) স্পেনের সরকারি গেজেটে রাষ্ট্রদূতের পদ অবসানের ঘোষণা প্রকাশ করা হয়। স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেল আবিবে তাদের দূতাবাস আপাতত একজন ‘চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স’ বা অস্থায়ী প্রতিনিধির মাধ্যমে পরিচালিত হবে।   ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন শুরু হলে দুই দেশের সম্পর্ক তীব্রভাবে অবনতি ঘটে। ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিবাদে গত মে মাসে ইসরাইল তাদের রাষ্ট্রদূতকে সরিয়ে নেওয়ার পর থেকে স্পেনেও ইসরাইলি দূতাবাস একজন চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।   এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি হামলা শুরু হওয়ার পর উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। মার্চের শুরুতে গিডিয়ন সার স্পেনকে যুদ্ধের বিরোধিতা করায় ‘স্বৈরাচারীদের পক্ষ নেওয়ার’ অভিযোগে অভিযুক্ত করেন।   সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১১, ২০২৬ 0
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। ছবি: সংগৃহীত
উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের হামলা ভুল কৌশল হতে পারে: তুরস্ক

উপসাগরীয় দেশগুলো লক্ষ্য করে ইরান–এর সাম্প্রতিক সামরিক হামলাকে ‘অবিশ্বাস্য রকমের ভুল কৌশল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন হাকান ফিদান। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নষ্ট করে আঞ্চলিক সংঘাত বাড়াতে পারে।   তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর হামলার জবাবে ইরান যে পাল্টা সামরিক অভিযান চালাচ্ছে, তা পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।   তিনি আরও মন্তব্য করেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর নির্বিচার হামলা কোনো গ্রহণযোগ্য কৌশল হতে পারে না। তাঁর ভাষায়, ইরানের বর্তমান নীতি অনেকটা এমন অবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে—নিজেরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে পুরো অঞ্চলকে একই পরিস্থিতির মুখে ঠেলে দেওয়া।   হাকান ফিদান সতর্ক করে বলেন, হামলা অব্যাহত থাকলে আক্রান্ত দেশগুলো দীর্ঘ সময় নীরব থাকবে না এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়বে। তাঁর মতে, এই ধরনের সামরিক উত্তেজনা আঞ্চলিক সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করতে পারে, যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0
গত সোমবার (২ মার্চ) কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালায় ইরান। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের হামলার পরে কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা

কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস আনুষ্ঠানিকভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। সব নিয়মিত ও জরুরি কনসুলার অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ইরানের হামলা ও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে।   গত সোমবার (২ মার্চ) কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালায় ইরান, যা কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা নাগরিকদের সতর্ক করেছে। তালিকায় রয়েছে বাহরাইন, মিশর, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, পশ্চিম তীর ও গাজা, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান ও কাতার।   এদিকে সৌদি আরবে কানাডার দূতাবাসও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার ভোরে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে কানাডা এ সিদ্ধান্ত নেয়। হামলায় সামান্য আগুন ধরে যায় এবং আংশিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।   সৌদি আরব হামলার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, তারা যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দেওয়ার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও হামলার জবাবে দ্রুত ‘পাল্টা পদক্ষেপ’ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
বাহরাইনের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ব্যাপক হামলার দাবি

বাহরাইনের শেখ ইসা এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।   আইআরজিসির দাবি, হামলায় ২০টি ড্রোন ও তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বিমানঘাঁটির প্রধান কমান্ড ও সদর দপ্তর ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংকে আগুন লেগেছে বলেও দাবি করা হয়।   তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বাহরাইন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।   উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ওই হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এরপর থেকে ইরান অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ও মিত্র স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানোর ঘোষণা দিয়ে আসছে।   পরিস্থিতি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বেড়েছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩, ২০২৬ 0
ছবি: স্ক্রিনগ্র্যাব
ইরানি হামলায় দুবাইয়ের বাণিজ্যিক কেন্দ্র আতঙ্কিত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক হামলার জবাবে শনিবার ইরান আরব উপসাগরজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। হামলার শিকার শহরগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুবাই। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগকেন্দ্র শহরটি আকাশ থেকে নেমে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে আগুন ও ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে।   দুবাই করোনার পরবর্তী সময়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি, রিমোট ওয়ার্ক এবং সুবিধাজনক কর ব্যবস্থার কারণে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। তবে শনিবারের হামলা প্রমাণ করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চিত রাজনীতি থেকে দুবাই বিচ্ছিন্ন নয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা পুনরায় বিনিয়োগের আগে সতর্ক হবেন।   হামলার সময় ফেয়ারমন্ট হোটেল প্রাঙ্গণে আগুন লাগার ভিডিও ফুটেজে ইরানি ড্রোনের সরাসরি আঘাতের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এছাড়া ‘পাম জুমেইরাহ’ এলাকায়ও ড্রোন আছড়ে পড়ার ঘটনা ধরা পড়েছে। হামলার ফলে বুর্জ খলিফা থেকে মানুষকে সরানো হয়েছে, এবং আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।   ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতে টেনে আনতে এই হামলার মাধ্যমে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে। একই সময়ে উপসাগরীয় রাজারা সংহতি প্রকাশ করেছেন এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনা দুবাইয়ের বাণিজ্যিক ভাবমূর্তি ও বিনিয়োগের আকর্ষণ দীর্ঘমেয়াদে প্রভাবিত করতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১, ২০২৬ 0
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ বিমান হামলায় খামেনির প্রাসাদ বিধ্বস্ত

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক ও শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাহিনী। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রাসাদসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।   যৌথ বাহিনীর এই অভিযানে তেহরানের উচ্চপদস্থ সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়। স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ছবিতে দেখা গেছে, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সরকারি বাসভবনটি হামলায় সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।   প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও মন্ত্রীদের বাসভবনেও বিমান হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব হামলায় হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।   রাজধানীর বাইরে হোরমোজগান প্রদেশের মিনাব এলাকায় একটি বালিকা বিদ্যালয়ে চালানো হামলায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের খবর পাওয়া গেছে। ইরানি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, ওই স্কুলে হামলায় অন্তত ৪০ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পাঁচজনের মৃত্যুর কথা জানানো হলেও পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪০ জনে দাঁড়ায়।   এই আকস্মিক হামলার পর ইরানজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। তেহরানের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো পাল্টা পদক্ষেপের ঘোষণা না এলেও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জরুরি বৈঠকে বসেছেন বলে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক মহল এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা প্রকাশ করছে।   সূত্র: আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ‘একতরফা’ হামলা প্রত্যাখ্যান করলেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী

ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় উঠেছে। নরওয়ে, সুইডেন ও পাকিস্তানের পর এবার কড়া ভাষায় এই সামরিক আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছে স্পেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলাকে ‘একতরফা’ সামরিক পদক্ষেপ আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন পেদ্রো সানচেজ।   তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে এবং একটি অনিশ্চিত ও প্রতিকূল আন্তর্জাতিক পরিবেশ সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে তিনি কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমন ও সংঘাত নিরসনের আহ্বান জানান।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তিনি ইরানি সরকার ও রিভোল্যুশনারি গার্ডের কর্মকাণ্ডও প্রত্যাখ্যান করেন। তার ভাষায়, অবিলম্বে উত্তেজনা কমিয়ে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা নিশ্চিত করা জরুরি।   সূত্র: আলজাজিরা।  

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন (বিমানবাহী রণতরী) ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ। ফাইল ছবি
ইরানে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: প্রতিবেদন

যুক্তরাষ্ট্র চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ইরানে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই। তবে এই সময়সীমা পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানানো হয়।   গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিত দিয়ে একটি ‘বিশাল নৌবহর’ পাঠানোর ঘোষণা দেন। তারই অংশ হিসেবে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং তার সহায়ক যুদ্ধজাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় পৌঁছেছে।   মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এই নৌবহরটি বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে।   মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী এবং যুদ্ধজাহাজ পৌঁছানোর পর থেকেই ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এ উদ্বেগের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের গালফ অঞ্চলের কর্মকর্তাদের বরাতে দিয়ে গণমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এ হামলায় দেশটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের টার্গেট করা হতে পারে।    যদিও বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে কিছুটা মতপার্থক্য আছে বলে জানিয়েছে গণমাধ্যমটি। এছাড়া এই সময়সীমা পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানানো হয়।   যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কার মাঝে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। আলোচনায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় রক্ষায় ইসলামী দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন তিনি।   ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস সতর্ক করে বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় প্রতিবেশী কোনো দেশের ভূমি, আকাশ বা জলসীমা ব্যবহার হলে তাদের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইরানের জলসীমায় ঢুকলে তা লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে এই বাহিনী।   একইসঙ্গে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হলে নীরব না থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকিকে হিজবুল্লাহ নিজেদের বিরুদ্ধেই হুমকি হিসেবে বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।    অন্যদিকে ইরানে যদি সরকার পতন হয়ে যায় তাহলে নিজেদের সীমান্তে বাফার জোন তৈরির পরিকল্পনা করছে তুরস্ক। মিডেল ইস্ট আই-এর আরেক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানে 'যেকোনো কিছু' হতে পারে এমন আশঙ্কা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে আঙ্কারা। বৈঠকে থাকা এক সাংসদ বলেছেন, 'ইরানে সরকার পতন হলে সেখান থেকে কোনো শরণার্থী যেন তুরস্কে প্রবেশ করতে না পারে।'

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0