ডলার

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের শীর্ষ নেতাদের তথ্য দিলে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ নেতাদের সম্পর্কে তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পরিচালিত রিওয়ার্ড ফর জাস্টিস কর্মসূচির ওয়েবসাইটে এই ঘোষণা প্রকাশ করা হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মতে, আইআরজিসি এবং এর বিভিন্ন শাখার গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের অবস্থান, কার্যক্রম এবং নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করাই এই পুরস্কার ঘোষণার মূল উদ্দেশ্য। ওয়াশিংটনের দাবি, আইআরজিসি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সহায়তা দিয়ে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা বাড়াচ্ছে, তাই তাদের নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   রিওয়ার্ড ফর জাস্টিস কর্মসূচি দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে পুরস্কার ঘোষণা করে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং প্রয়োজনে তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।   বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই পুরস্কার ঘোষণা কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা চাপ বাড়ানোর একটি অংশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্সে জোয়ার, দিনে গড়ে ১২ কোটি ডলার
ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্সে জোয়ার, দিনে গড়ে ১২ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২১৩ কোটি ডলার। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ডলার।   এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাসে দিনের সংখ্যা কম হলেও মোট রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর আগে টানা দুই মাস—ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে—৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল।   বাংলাদেশ ব্যাংক–এর তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ফেব্রুয়ারির একই সময়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছিল ১৬৭ কোটি ডলার। সেই তুলনায় এবার প্রায় ৪৬ কোটি ডলার বেশি এসেছে, যা প্রবৃদ্ধির হার ২৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ।   চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৫৬ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭৬৩ কোটি ডলার।   অর্থাৎ বছরওয়ারি হিসাবে বেড়েছে ৩৯৩ কোটি ডলার বা ২২ দশমিক ২৯ শতাংশ। উল্লেখ্য, গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ছিল ৬৪২ কোটি ডলার, যা শতাংশের হিসাবে ২৬ দশমিক ৮৩।   দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড হয় গত বছরের মার্চে—৩৩০ কোটি ডলার। রমজান ও ঈদকে ঘিরে সে সময় প্রবাসীরা বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠান। পরে ডিসেম্বরে আসে ৩২২ কোটি ডলার এবং জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ডলার। সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স বৃদ্ধির পেছনে নির্বাচন ও রোজাকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।   কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, অর্থ পাচার রোধে কঠোর নজরদারি এবং অবৈধ হুন্ডি কার্যক্রম দমনে উদ্যোগের ফলে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বেড়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। গত বৃহস্পতিবার দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার, যা গত ৩৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
দুই দিনের ব্যবধানে আরও ১৭ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

দুই দিনের ব্যবধানে দেশের ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৭ কোটি ১০ লাখ (১৭১ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।    বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ক্রয় করা এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। ডলার কেনার ক্ষেত্রে কাট-অফ হারও ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   এর আগে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত আরও ২১ কোটি ৮৫ লাখ (২১৮.৫০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। এর ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ৩৮৯.৫০ মিলিয়ন বা ৩৮ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার। আর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।   একই দরে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৫ কোটি ৫০ লাখ (৫৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ২০ জানুয়ারি দুই বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১২ জানুয়ারি ১০ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, ৬ জানুয়ারি ১৪টি ব্যাংক থেকে ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।   বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আজ আমরা ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১২২.৩০ টাকা কাট-অফ রেটে মোট ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার ক্রয় করেছি। এর ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ৩৮৯.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ক্রয় দাঁড়াল ৪ হাজার ৩২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।  

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
মার্কিন ডলাররয়টার্স ফাইল ছবি
বিশ্ববাজারে ডলারের দাম চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

বিশ্ববাজারে সোনার দাম তরতর করে বাড়ছে। দুই দিন আগেই সোনার দাম ইতিহাসে প্রথম আউন্সপ্রতি পাঁচ হাজার ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে কমে গেছে ডলারের দাম। বাস্তবতা হলো, বিশ্বের প্রধান ছয়টি মুদ্রার নিরিখে ডলারের মান এখন চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।   পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে যত অস্ত্র আছে, সম্ভবত তার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হলো আর্থিক ব্যবস্থা। আরও স্পষ্ট করে বললে, তার মুদ্রা ডলার। কেননা বিশ্বের সিংহভাগ বাণিজ্যই হয় এই মার্কিন মুদ্রা ডলারে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সেই ডলারের মান কমলেও তিনি নির্বিকার। তাঁর ভাষ্য, ডলারের মান অনেক উঁচুতে। এর পেছনে অবশ্য কৌশলগত কারণ আছে। খবর রয়টার্সের।   বিভিন্ন কারণেই ডলারের মান কমছে। সংবাদে বলা হয়েছে, ফেডারেল রিজার্ভ নীতি সুদহার আরও কমাতে পারে—এমন প্রত্যাশা, শুল্কনীতি ঘিরে অনিশ্চয়তা, নীতিনির্ধারণে অস্থিরতা—এসব নানা কারণেই ডলারের দাম কমছে। পাশাপাশি ফেডের স্বাধীনতা নিয়ে সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের আশঙ্কা ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান রাজস্বঘাটতির প্রভাবও বাজারে পড়েছে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট হচ্ছে।   ডলারের দর কমলে অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানিকারকদের সুবিধা হয়। কেননা এতে মার্কিন পণ্য বিদেশি বাজারে তুলনামূলকভাবে প্রতিযোগিতামূলক হয়ে ওঠে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ডলারের মূল্য আরও কমে যাক—এমনটা তিনি চান না। তাঁর চাওয়া, ডলার নিজের জায়গাতেই থাক।   আইওয়ায় এক ভাষণের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব মন্তব্য করেন ট্রাম্প। এ ভাষণে অর্থনৈতিক বিষয়গুলোই প্রাধান্য পাওয়ার কথা। বিষয়টি হলো, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে গ্রামীণ ভোটব্যাংককে সক্রিয় করতে চাইছেন ট্রাম্প। ডলারের মূল্য খুব বেশি কমে গেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমি মনে করি, ডলার দারুণ অবস্থানেই আছে। ডলারের মূল্য…ডলার ভালোই করছে।’   কিন্তু ট্রাম্পের কপাল খারাপ। এসব মন্তব্যের পর ডলার ইনডেক্স বা ডলারের পতন আরও ত্বরান্বিত হয়েছে। ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের সমান নির্ণয়কারী এই সূচক ৯৫ দশমিক ৫৬৬-এ নেমে এসেছে—২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির পর যা সর্বনিম্ন।   ট্রাম্প আরও বলেন, ‘চীন ও জাপানের দিকে তাকালে দেখবেন, তাঁদের সঙ্গে আমাকে একসময় প্রচণ্ড লড়াই করতে হতো, তারা সব সময় নিজেদের মুদ্রার মান কমাতে চাইত।’   বিষয়টি হলো, দীর্ঘদিন ধরেই ডলার দুর্বল—এমন প্রেক্ষাপটেই এ মন্তব্য করেন তিনি। সম্প্রতি ডলারের ওপর চাপ বেড়েছে। কারণ হিসেবে সংবাদে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করতে পারে—ব্যবসায়ীরা এমন সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। লক্ষ্য, দুর্বল হয়ে পড়া ইয়েনকে শক্তিশালী করা।   যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান রেট চেক (যখন কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা অর্থ মন্ত্রণালয় বড় ব্যাংক ও ডিলারদের কাছে সরাসরি জানতে চায়, এখন বাজারে ডলার-ইয়েন বা অন্য মুদ্রা ঠিক কোন দরে লেনদেন হচ্ছে) করতে পারে—এমন রটনা ছড়িয়ে পড়ার পর গত দুই অধিবেশনে ইয়েনের দর সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। বাজারে সাধারণত এ ধরনের পদক্ষেপকে সরকারি হস্তক্ষেপের পূর্বাভাস হিসেবে দেখা হয়।   নিউইয়র্কে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের গ্লোবাল জি-১০ বৈদেশিক মুদ্রা গবেষণা ও উত্তর আমেরিকা ম্যাক্রো কৌশল বিভাগের প্রধান স্টিভেন ইংল্যান্ডার বলেন, ‘বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের অংশগ্রহণকারীরা সব সময়ই এমন কোনো প্রবণতার খোঁজ করেন, যার সঙ্গে যুক্ত হওয়া যায়। সাধারণত মুদ্রার হঠাৎ বড় ধরনের ওঠানামার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ বাধা দেয়। যখন প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে উদাসীনতা দেখান বা উল্টোভাবে সমর্থন জানান, তখন ডলার বিক্রেতারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন।’   ডলারের দুর্বলতার সুফলও আছে বাস্তবতা হচ্ছে, ডলারের দরপতন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির শক্তি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের প্রতিফলন। সেই সঙ্গে আমদানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় তা মূল্যস্ফীতির চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এতে আবার কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উপকৃতও হয়। দুর্বল ডলারের ফলে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর জন্য বিদেশে অর্জিত মুনাফা ডলারে রূপান্তর করা তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হয়। একই সঙ্গে মার্কিন রপ্তানিপণ্যের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান শক্তিশালী হয়।   ডলারের দর কমলে ডলারে ঋণ নেওয়া দেশ ও করপোরেশনগুলোর চাপও হালকা হয়। এ পরিস্থিতিতে ঋণ পরিশোধে তাদের নিজস্ব মুদ্রা তুলনামূলকভাবে কম খরচ করতে হয়।   নিউ জার্সিভিত্তিক মানিকর্পের ট্রেডিং ও স্ট্রাকচার্ড প্রোডাক্টস বিভাগের প্রধান ইউজিন এপস্টাইন বলেন, প্রশাসন দুর্বল ডলারই চায়। এতে বাণিজ্যঘাটতি কমানো সহায়ক হয়। মূল কথা হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথাব্যথার মূল কারণ হলো বাণিজ্যঘাটতি। সে কারণেই ডলারের দুর্বলতা নিয়ে প্রেসিডেন্টের উদ্বেগ নেই।   কানেকটিকাটের গ্রিনউইচে অবস্থিত ইন্টারঅ্যাকটিভ ব্রোকার্সের বাজার কৌশলবিদ স্টিভ সসনিক বলেন, দুর্বল ডলার হলো ‘দুধারী তলোয়ার’।   সসনিক বলেন, ‘একদিকে এটি বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর জন্য ভালো। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাদের কার্যক্রম আছে এবং যারা বিভিন্ন মুদ্রায় আয় করে, ডলারে রূপান্তরের সময় তারা দুর্বল ডলারের সুবিধা পায়। অন্যদিকে এতে আমদানিপণ্যের দাম বেড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ সৃষ্টি হতে পারে।’   দেশের বাজারে ডলার স্থিতিশীল ২০২৫ সালে বিশ্ববাজারে ডলারের বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। ৯ শতাংশের বেশি দরপতন হয়েছে এ মুদ্রার। কিন্তু বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘদিন ধরেই ডলারের মান স্থিতিশীল। বিশ্ববাজারে এ পতনের প্রভাব দেশের বাজারে পড়ছে না। দেশের বাজারে ডলারের মান অনেক দিন ধরেই ১২২ টাকায় স্থিতিশীল।   জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কিনে এ মুদ্রার দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে।    

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0