ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

সুন্দরগঞ্জে জাতীয় পার্টির নির্বাচনী সভায় শামীম হায়দার পাটোয়ারী
দেশ বাঁচাতে পারে জাতীয় পার্টি: শামীম হায়দার

জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, একটি দল দেশটাকে পাকিস্তান বানাতে চায়। তারা মা-বোনদের অসম্মান করছেন এবং আজকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক পরিবর্তন করছেন। এই দেশটাকে বাঁচাতে পারে একমাত্র জাতীয় পাটি। সেই সঙ্গে সুন্দরগঞ্জের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে পারবে জাতীয় পার্টি। তাই লাঙলে ভোট দিতে হবে। মঙ্গলবার রাতে ধুবনী কঞ্চিবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে জাতীয় পার্টির নির্বাচনী সভায় প্রাধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।    তিনি বলেন, এই সরকার দেশ চালাতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। মবের ভয়ে এই সরকার বিচার করতে পারছেন না। যারা ৭১ এর চেতনাকে ধুলিসাৎ করেছেন, তাদের বিচার এই দেশের মাটিতে হবে। দেশের জন্য সকল রাজনৈতিক দল আন্দোলন করেছে। সকল দলের ভুলত্রুটি আছে, সেজন্য কোনো দলকে নিষিদ্ধ করা রাজনৈতিক সমাধান হতে পারে না।    শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, দেশে সুশাসন নেই। দেশ একটি ক্লান্তি লগ্নে দাড়িয়ে আছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য জাতীয় পার্টিকে ভোট দিতে হবে। দেড় বছরে সরকার এই দেশকে নরকে পরিণত করেছে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে মবকে মোকাবিলা করার আহ্বান জানান। সুন্দরগঞ্জের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য লাঙলে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠাতে হবে। তাহলে সুন্দরগঞ্জের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারবেন।    জাপা মহাসচিব বলেন, নির্বাচিত হলে ধুবনী কঞ্চিবাড়িকে একটি আলাদা উপজেলা করব। এটি আমার একটি অসমাপ্ত কাজ।    সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পাটির সাবেক এমপি মো. ওয়াহেদুজ্জামান সরকার বাদশা, উপজেলা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মান্নান মন্ডল প্রমুখ। 

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
রাজনীতিতে আর মাস্তানি চলবে না: মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরে মজলিস মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, রাজনীতিতে আর মাস্তানি চলবে না। যারা ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করবে, তাদের শক্ত হাতে প্রতিরোধ করা হবে।   তিনি বলেন, দীর্ঘ ৫৪ বছর ধরে শাসনের নামে এ দেশের মানুষকে শোষণ করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের চেতনায় সবাই আজ একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ দেখতে চায়। ১৮ কোটি মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।   সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুর-২ আসনের নগরকান্দা এম এন একাডেমি মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   নির্বাচনে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে মামুনুল হক বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না হলে প্রশাসনকে জনগণের কাছে জবাব দিতে হবে। জনসভায় তিনি ফরিদপুর-২ আসনে রিকশা প্রতীকের প্রার্থী শাহ আকরাম আলীর পক্ষে ভোট চান।   সভায় জেলা জামায়াতে ইসলামী ও দশ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর বক্তব্য শুরু হলেও এর আগেই মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
সিরাজগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলীতে বিসিক শিল্প পার্ক এলাকায়
যারা বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে, তাদের ‘গুপ্ত’ বলবেন: তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যেন কোনো ষড়যন্ত্র করে কেউ আবার আপনাদের ভোটের অধিকারকে কেড়ে নিয়ে যেতে না পারে। অনেকেই এসে আপনাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে। যারা আপনাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে, দেখামাত্র তাদের বলবেন, গুপ্ত তোমরা। কারণ, তাদের গত ১৬ বছর আমরা দেখি নাই। তারা ওদের সঙ্গে মিশে ছিল, যারা ৫ তারিখে পালিয়ে গিয়েছে।’   আজ শনিবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলীতে বিসিক শিল্প পার্ক এলাকায় নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জনসভায় সিরাজগঞ্জের ছয়টি ও পাবনার পাঁচটি আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন বিএনপির চেয়ারম্যান।   তারেক রহমান বলেন, ‘এই যে আপনারা লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ এখানে একত্র হয়েছেন। আজ আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আমি হয়তো প্রতিপক্ষ সম্পর্কে অনেক কথা বলতে পারতাম; কিন্তু তাতে আপনাদের কোনো লাভ হতো না। বাংলাদেশের মানুষ এখন জানতে চায়, দেখতে চায় যে কোন রাজনৈতিক দল কী পরিকল্পনা গ্রহণ করবে দেশ ও জনগণের জন্য। বিএনপি আপনাদের সামনে পরিকল্পনা দিয়েছে এবং এই মুহূর্তে বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল, যেই দলের অভিজ্ঞতা আছে কীভাবে দেশকে সুন্দরভাবে সামনের দিকে পরিচালিত করতে হয়। মানুষ তার ওপরেই ভরসা করে, যার অভিজ্ঞতা আছে। এসব গুণ একমাত্র বিএনপির ভেতরেই আছে।’   বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় যেমন কৃষি আছে, তেমন ছোট ছোট মিল-কারখানা আছে। এই মুহূর্তে কৃষিকে যেমন আমাদের টেনে ওঠাতে হবে, কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়াতে হবে, একই সঙ্গে লক্ষ লক্ষ তরুণ–যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। নতুন নতুন শিল্প পার্ক স্থাপনের মাধ্যমে আমাদের এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। যেহেতু উত্তরাঞ্চল কৃষির সঙ্গে জড়িত বেশি, সে জন্য আমরা সেই ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় থেকে শুরু করে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত সমগ্র উত্তরাঞ্চলে আমরা কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তুলতে চাই।’   তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি তাঁতের কথা বলি, আমরা যদি লুঙ্গির কথা বলি, রঙের কথা বলি, প্রথমেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সিরাজগঞ্জ-পাবনার এই এলাকার কথা। এ এলাকার বহু মানুষ তাঁতশিল্পের সঙ্গে জড়িত। এই তাঁতশিল্পের উৎপাদিত পণ্য আমরা ইনশা আল্লাহ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হব এবং আগামী দিনে আমরা তা–ই করতে চাই।’   মা-বোনদের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের আরও অনেক কাজ করতে হবে। আমাদের মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে হবে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময় আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে যে সারা বাংলাদেশে নারীদের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য উনি একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তারপর ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস টুয়েলভ পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি হয়ে গিয়েছে। এখন আগামী বিএনপি সরকার আপনাদের এই মায়েদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চায়। এ জন্যই আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি মায়ের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই, যেই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ধীরে ধীরে আমরা মায়েদের, গৃহিণীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলব ইনশা আল্লাহ।’   কৃষকদের নিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়াতে চাই। কৃষক ভাইয়েরা সারা দিন হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেন এবং তাঁদের পরিশ্রমের ফলেই সারা বাংলাদেশের মানুষ দুই বেলা, তিন বেলা ভাত খেয়ে বেঁচে থাকেন। এই কৃষক ভাইদের পাশে আমরা দাঁড়াতে চাই। প্রয়োজনীয় সার, কীটনাশক, ফসলের বীজ আমরা তাঁদের হাতে, ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই, যাতে করে মধ্যখানে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা ফড়িয়া কোনো সুবিধা না পায়। সেই জন্য কৃষক ভাইদের জন্য আমরা একটি কৃষক কার্ড দিতে চাই।’   তরুণদের কর্মসংস্থানের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘তরুণ সমাজের যুবকদের কর্মসংস্থানের কথা আমি বলেছি। বর্তমানে তরুণ সমাজের বহু সদস্য আছে, যারা আইটিতে কাজ করে। তাদের আমরা বিশেষভাবে ট্রেনিং দিতে চাই। একইভাবে এই এলাকার বহু মানুষ বিদেশে যায়; কিন্তু তাদের কোনো ট্রেনিং থাকে না। আমরা চাই, সিরাজগঞ্জ এবং পাবনায় ট্রেনিং সেন্টার, ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট তৈরি করতে, যার ফলে আমরা আমাদের বেকার ভাইদের সেখানে ট্রেনিং দিয়ে বিদেশে পাঠাতে চাই। যাতে তারা বিদেশে ভালো বেতনে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে।’   ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা আরেকটি কাজ করতে চাই। আমাদের বিভিন্ন মসজিদ–মাদ্রাসার খতিব, ইমাম সাহেবসহ মুয়াজ্জিন সাহেবরা এবং অন্যান্য ধর্মেরও যাঁরা ধর্মগুরু আছেন, তাঁরা অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করেন। আমরা চাই, তাঁদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে এবং তাঁদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মাসিক একটি সম্মানের ব্যবস্থা করতে।’   ধানের শীষে ভোট চেয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘১২ তারিখে আপনারা ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১৩ তারিখ থেকে ধানের শীষ এই কাজগুলো শুরু করবে ইনশা আল্লাহ। এর বাইরে রাস্তাঘাটগুলো নষ্ট হয়ে গিয়েছে, স্কুল–কলেজগুলো নষ্ট হয়ে গিয়েছে, হাসপাতালগুলোতে ঠিকভাবে ডাক্তার-ওষুধ-নার্স নাই, সেগুলোর কাজেও ইনশা আল্লাহ আমরা হাত দেব।’

তাবাস্সুম জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

যুক্তরাষ্ট্রে ধেয়ে আসছে বিশাল বরফ ও তুষার ঝড় — সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত থেকে কম বিপদগ্রস্ত রাজ্য

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রায় ২,০০০ মাইল দীর্ঘ এক ভয়াবহ বরফ ও তুষার ঝড় দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। আবহাওয়াবিদদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, এই ঝড়ে বরফ, তুষারপাত ও হিমশীতল বৃষ্টির সম্মিলিত প্রভাব পড়তে পারে দেশের মধ্য-পশ্চিম, দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বহু রাজ্যে। ঝড়ের আগেই শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।   CNN–এর আবহাওয়া প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঝড়ের তীব্রতা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হলেও কিছু রাজ্যে পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।   সবচেয়ে বেশি বিপদগ্রস্ত রাজ্য (High Impact) টেক্সাস (Texas) ঝড়ের সূচনা এখান থেকেই। ভারী বরফ জমে বিদ্যুৎ লাইন ভেঙে পড়া, ব্ল্যাকআউট ও মহাসড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ওকলাহোমা (Oklahoma) বরফালার সঙ্গে তীব্র ঠান্ডা। গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কা। আর্কানসাস (Arkansas) হিমশীতল বৃষ্টি ও বরফের স্তর জমে চলাচল প্রায় অচল হতে পারে। কেন্টাকি (Kentucky) মধ্য-পশ্চিম থেকে পূর্বাঞ্চলের সংযোগস্থল হওয়ায় তুষারপাত ও বরফের যুগপৎ প্রভাব পড়তে পারে। ওহাইও (Ohio) ভারী তুষার ও তীব্র ঠান্ডায় বিমান ও সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা। মাঝারি ঝুঁকির রাজ্য (Moderate Impact) টেনেসি (Tennessee) – বরফ ও তুষারের মিশ্র প্রভাব জর্জিয়া (Georgia) – বিশেষ করে উত্তর জর্জিয়ায় বরফ ঝড়ের সতর্কতা নর্থ ক্যারোলিনা (North Carolina) – হিমশীতল বৃষ্টি ও বরফ জমার ঝুঁকি সাউথ ক্যারোলিনা (South Carolina) – সীমিত এলাকায় বরফালার সম্ভাবনা ভার্জিনিয়া (Virginia) – তুষার ও ঠান্ডার প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে তুলনামূলক কম ঝুঁকির রাজ্য (Lower Impact) মেরিল্যান্ড (Maryland), ওয়াশিংটন ডিসি, পেনসিলভানিয়া (Pennsylvania), নিউ ইয়র্ক (New York), ম্যাসাচুসেটস (Massachusetts) — এসব রাজ্যে ঝড় পৌঁছালেও প্রভাব তুলনামূলক কম হতে পারে, তবে তুষারপাত ও শীতজনিত দুর্ভোগ পুরোপুরি এড়ানো যাবে না। পরিবহন ও জনজীবনে প্রভাব ঝড়ের আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন বড় বিমানবন্দরে শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সড়কে না নামার পরামর্শ দিচ্ছে। প্রস্তুতি ও সতর্কতা জরুরি খাবার, পানি ও ওষুধ মজুত রাখুন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার প্রস্তুতি নিন স্থানীয় আবহাওয়া সতর্কতা ও নির্দেশনা নিয়মিত অনুসরণ করুন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঝড় আগামী কয়েক দিন ধরে ধাপে ধাপে বিভিন্ন রাজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতির অবনতি হলে আরও জরুরি সতর্কতা জারি করা হতে পারে।

নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই দীর্ঘ ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। এ উপলক্ষে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) হওয়ায়, মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের অবকাশ উপভোগ করা সম্ভব হবে। কারণ ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার—সাপ্তাহিক ছুটি।   এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষে সরকার ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে এখানেও টানা চার দিনের ছুটি মিলছে।   প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে। নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল।   অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, বছরটিতে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি এবং ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্রবার ও শনিবারের সঙ্গে মিলেছে। এছাড়া, ২০২৬ সালে ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে।   সে অনুযায়ী মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন; হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন; খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন; বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়াতে পারে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী, সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানিরা

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়াতে পারে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী,সতর্ক করলেন বিজ্ঞানীরা স্নেইল ফিভার’ নামে পরিচিত এক ধরনের পরজীবী বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। ত্বকের ভেতর দিয়ে মানবদেহে প্রবেশ করা এই পরজীবী দীর্ঘদিন রক্তে নীরবে অবস্থান করে এবং পরে ডিম পাড়ে,যা লিভার, ফুসফুসও যৌনাঙ্গসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে জমা হতে পারে। ভয়াবহ বিষয় হলো,বছরের পর বছর শরীরে অবস্থান করলেও অনেক ক্ষেত্রে এটি শনাক্তই নাও হতে পারে। শামুকের মাধ্যমে ছড়ানোএ পরজীবীর কারণেই রোগটির নামকরণ করা হয়েছে স্নেইল ফিভার।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, রোগটি এখন বৈশ্বিক উদ্বেগে পরিণত হয়েছে। কারণ পরজীবীটির গঠন ও বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন ঘটছে, যার ফলে এটি নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন এক সময়ে এই সতর্কবার্তা এলো,যখন৩০ জানুয়ারি ওয়ার্ল্ড নেগলেক্টেড ট্রপিক্যাল ডিজিজ ডে পালন করছে ডব্লিউএইচও।এ দিবসের লক্ষ্য হচ্ছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, পরজীবীও ছত্রাকজনিত রোগগুলোর বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো,যা সাধারণত দরিদ্র অঞ্চলের শত কোটিরও বেশি মানুষকে আক্রান্ত করে। কীভাবে ছড়ায় স্নেইল ফিভার :  এই পরজীবী বহন করে নির্দিষ্ট এক ধরনের শামুক।যেসব পানিতে ওই শামুক বসবাস করে,সেখানে পরজীবীর লার্ভা ছড়িয়ে পড়ে। কেউ যদি সেই পানিতে গোসল করেন বা সংস্পর্শে আসেন,তবে লার্ভা ত্বকের ভেতর প্রবেশ করতে পারে। পরজীবীগুলো এমন এনজাইম নিঃসরণ করে,যা ত্বক ভেদ করতে সক্ষম। দেহে প্রবেশের পর লার্ভাগুলো ধীরে ধীরে পূর্ণবয়স্ক কৃমিতে পরিণত হয় এবং রক্তনালিতে বাসা বাঁধে।স্ত্রী কৃমিগুলো ডিম পাড়ে। কিছু ডিম মল বা প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে গেলেও বহু ডিম শরীরের ভেতরের টিস্যুতে আটকে থাকে। এতে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে আশপাশের সুস্থ টিস্যুকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে বিভিন্ন অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়। বিশেষ করে তলপেট যৌনাঙ্গে ডিম জমে থাকলে ইউরোজেনিটাল স্কিস্টোসোমিয়াসিস নামের জটিল রোগ দেখা দেয়। এতে পেটব্যথা, ক্যানসার এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। চিকিৎসাওনতুন উদ্বেগ: সাধারণত অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক ওষুধে স্নেইল ফিভার চিকিৎসাযোগ্য। ডব্লিউএইচও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী—যেমন শিশু কৃষিশ্রমিকও জেলেদের প্রতি বছর এই ওষুধ গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে আসছে। তবে মালাউই লিভারপুল ওয়েলকাম ক্লিনিক্যাল রিসার্চ প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক জানেলিসা মুসায়া সতর্ক করেছেন, নতুন কিছু ধরন শনাক্ত হয়েছে, যেগুলো প্রচলিত পরীক্ষায় ধরা নাও পড়তে পারে। হাইব্রিড পরজীবীর আশঙ্কা: গবেষণায় দেখা গেছে,মানুষের শরীরের পরজীবীওপ্রাণীর শরীরের পরজীবী একে অপরের সঙ্গে মিশে ‘হাইব্রিড’ বা মিশ্র ধরন তৈরি করছে। এসব হাইব্রিড পরজীবী মানুষ ওপ্রাণী—উভয়কেই আক্রান্ত করতে পারে।মালাউইতে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, নমুনার সাত শতাংশ পরজীবীই ছিল হাইব্রিড,যা গবেষকদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। অধ্যাপক মুসায়া বলেন,এভাবে যদি প্রকৃতিতে সংক্রমণ চলতেই থাকে, তাহলে সংখ্যাটা এক সময় বেশ বড় হয়ে যাবে।তিনি আরও বলেন, গবেষণা যেহেতু নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় করা হয়েছে,এজন্য এটি হয়তো হিমশৈলের চূড়া মাত্র। শনাক্তকরণে জটিলতা: গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, হাইব্রিড পরজীবীগুলো মানুষের যৌনাঙ্গে সংক্রমণ ঘটালেও তা শনাক্ত করা কঠিন। কারণ এসব ডিম মাইক্রোস্কোপে সাধারণ পরজীবীর মতো দেখায় না। অনেক সময় উপসর্গগুলোকে যৌনবাহিত রোগ ভেবে ভুল করা হয়।চিকিৎসা না হলে বন্ধ্যত্ব, যৌনাঙ্গে ক্ষত এবং এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এপ্রসঙ্গে অধ্যাপক মুসায়া বলেন,“ভাবুন তো,কোনো নারী যদি সন্তান ধারণ করতে না পারেন... আমাদের সংস্কৃতিতে সন্তান হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সন্তান না হলে ওই নারীকে নানাভাবে কটূক্তি করেন মানুষরা। যা খারাপ এবং খুবই কষ্টের একটি রোগ। বৈশ্বিক প্রস্তুতি: ডব্লিউএইচও’র স্কিস্টোসোমিয়াসিস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রধান ডা.আমাদু গারবা জিরমে বলেন,রোগটি একটি বৈশ্বিক উদ্বেগ।তিনি জানান,কিছু দেশে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ না থাকলেও প্রাণীদের শরীরে পরজীবী রয়ে গেছে, যা ভবিষ্যতে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নতুন এই হুমকি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচও কৌশল পরিবর্তন করছে।সংস্থাটি প্রাণীদের মধ্যে রোগ নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং বিভিন্ন দেশকে হাইব্রিড পরজীবী নিয়ে আন্তর্জাতিক সতর্কবার্তা দিয়েছে। যদিও ২০০৬থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ব্যাপক ওষুধ বিতরণের ফলে সংক্রমণ ৬০শতাংশ কমেছে, তবে অর্থায়ন কমে যাওয়ায় এই অগ্রগতি হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।   প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল

Top week

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
আমেরিকা

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

তাবাস্সুম জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0