সারাদেশ

পাঁচ আসনে ধানের শীষের জয়, তবু মন্ত্রিসভায় জায়গা পেল না নোয়াখালী

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিজয় অর্জনের পরও নতুন মন্ত্রিসভায় নোয়াখালীর কোনো প্রতিনিধি স্থান না পাওয়ায় দলীয় নেতা–কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক হতাশা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

 

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯১ সালের পর একতরফা নির্বাচনগুলো বাদ দিলে নোয়াখালীর অধিকাংশ আসনই বরাবরই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দখলে ছিল। এমনকি ২০০৮ সালের নির্বাচনে দলের ভরাডুবির মধ্যেও জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে চারটিতে জয় আসে। এবারের নির্বাচনে পাঁচটি আসনে বিজয়ী হওয়ায় স্থানীয় নেতা–কর্মীদের মধ্যে আশা তৈরি হয়েছিল যে অন্তত একজন হলেও মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-১ আসনে এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২ আসনে জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩ আসনে বরকতউল্লা বুলু, নোয়াখালী-৪ আসনে মো. শাহজাহান এবং নোয়াখালী-৫ আসনে মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন। শুধুমাত্র নোয়াখালী-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী এনসিপি প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন।

 

জয়নুল আবদিন ফারুক সর্বোচ্চ ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বরকতউল্লা বুলু ও মো. শাহজাহান পাঁচবার করে নির্বাচিত হয়েছেন। মাহবুব উদ্দিন খোকন দ্বিতীয়বার এবং মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

 

স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় সব সরকারেই নোয়াখালীর প্রতিনিধিত্ব ছিল মন্ত্রিসভায়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর সময় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ফলে এবারও জেলার মানুষ একই ধরনের প্রতিনিধিত্বের প্রত্যাশা করেছিলেন।

 

জেলা সদরের শ্রীপুরের বাসিন্দা ক্রীড়া সংগঠক মো. জহীর উদ্দিন বলেন, পাঁচটি আসনে ধানের শীষের বিজয়ের পর আমরা আশা করেছিলাম, নোয়াখালীর পরীক্ষিত নেতাদের কেউ না কেউ মন্ত্রী হবেন। দেশনায়ক তারেক রহমান-এর কাছে আমাদের এ প্রত্যাশা রইল।

 

ব্যবসায়ী আশরাফুল এজাজ বলেন, নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা হয়েছে, এটি ইতিবাচক। তবে নোয়াখালী থেকে কাউকে না রাখায় আমরা আশাহত।

 

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, নোয়াখালী বরাবরই দলকে আসন উপহার দিয়েছে। এত বর্ষীয়ান নেতা থাকার পরও এবার মন্ত্রী না হওয়াটা দুঃখজনক।

লন্ডনপ্রবাসী সাংবাদিক সাহেদ শফিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, দুঃসময়ে রাজপথে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের কেউই মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাননি।

 

গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য আব্দুজ জাহের বলেন, অন্তত দুই-তিনজন মন্ত্রী হওয়ার আশা ছিল। বর্ধিত মন্ত্রিসভায় নোয়াখালীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হলে বিভাগ, সিটি করপোরেশন ও বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আসবে।

 

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর বলেন, হৃদয়টা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত। আমাদের প্রতি সুবিচার করা হয়নি। নেতা–কর্মীদের ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া উচিত ছিল।

 

তবে হতাশার মধ্যেও অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন মন্ত্রিসভা দক্ষতার পরিচয় দেবে এবং ভবিষ্যতে বর্ধিত মন্ত্রিসভায় নোয়াখালীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হতে পারে। স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার মন্ত্রিসভায় নোয়াখালীর কেউ স্থান না পাওয়ায় জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও মূল্যায়নের দাবি উঠেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

সারাদেশ

View more
বাংলাদেশ পুলিশের লোগো
নতুন আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় যাঁরা

বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস মিলছে। বিশেষ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার পদকে ঘিরে প্রশাসনিক অন্দরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার ও মাঠপর্যায়ের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে নতুন নেতৃত্ব বসানোর সম্ভাবনা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা–কল্পনা।   নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, আইজিপি পদে কয়েকজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তার নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি দেলোয়ার হোসেন মিঞা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত আইজিপি আলী হোসেন ফকির, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)–এর মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানের নাম উল্লেখযোগ্য। পেশাগত দক্ষতা, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং সরকারের আস্থার প্রশ্ন—এই তিন সূচকে তাদের নাম সামনে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।   বিশেষ করে এ কে এম শহিদুর রহমানকে নিয়ে প্রশাসনে আলাদা আলোচনা চলছে। চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের পর বাহিনী পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তার নেতৃত্বে র‌্যাবের কার্যক্রমে গতি এসেছে—এমন মূল্যায়নও রয়েছে। আগামী ১৫ মার্চ তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকায় তাকে পুলিশের সর্বোচ্চ পদে আনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।   অবসরপ্রাপ্ত হলেও আলোচনায় রয়েছেন সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মতিউর রহমান শেখ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক আনসার উদ্দিন খান পাঠান। অতীতে তাদের দায়িত্ব পালন ও তদন্ত–অভিজ্ঞতা নতুন সরকারের জন্য কাজে লাগতে পারে—এমন ধারণা থেকেই তাদের নাম সামনে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।   তবে বর্তমান আইজিপি বাহারুল আলমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এখনো বহাল রয়েছে। ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর তাকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ফলে তাকে সরিয়ে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন আনা হবে, নাকি মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে—এ নিয়েও প্রশাসনের ভেতরে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ক্ষেত্রে সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ভূমিকা রাখবে।   ডিএমপি কমিশনার পদ নিয়েও কম আলোচনা হচ্ছে না। রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, রাজনৈতিক কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা এবং কূটনৈতিক নিরাপত্তা—সব মিলিয়ে এ পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্ভাব্য নতুন কমিশনার হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ এবং র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদের নাম আলোচনায় রয়েছে। মাঠপর্যায়ে নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার কারণে তাদের এগিয়ে রাখা হচ্ছে।   বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা আগামী ২১ নভেম্বর। সরকার চাইলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পরিবর্তন আনতে পারে, আবার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পরও নতুন নিয়োগ দিতে পারে—এমন ধারণা করা হচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে আস্থাভাজন কর্মকর্তাদের বসানো একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এতে নীতি বাস্তবায়ন সহজ হয় এবং মাঠপর্যায়ে সমন্বয় বাড়ে। তবে হঠাৎ বড় ধরনের রদবদল বাহিনীর ভেতরে মানসিক চাপও তৈরি করতে পারে—এ বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।   সব মিলিয়ে পুলিশের শীর্ষ পদে সম্ভাব্য রদবদল এখন সময়ের অপেক্ষা। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও প্রশাসনের অন্দরমহলে হিসাব–নিকাশ শুরু হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত সরকারের অগ্রাধিকার, পেশাগত দক্ষতা এবং পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতার সমন্বয়েই নির্ধারিত হবে পুলিশের নতুন নেতৃত্ব।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0

‘গুম-খুনের আতঙ্কমুক্ত বাংলাদেশ চাই’—নাগরিকের কণ্ঠে নতুন প্রত্যাশা

ছবি: সংগৃহীত

পাঁচ আসনে ধানের শীষের জয়, তবু মন্ত্রিসভায় জায়গা পেল না নোয়াখালী

সৌদি আরবে রমজানের চাঁদ দেখা, বুধবার শুরু পবিত্র মাস—বাংলাদেশে সম্ভাব্য শুরু বৃহস্পতিবার

খুলনার তেরখাদায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৯

খুলনার তেরখাদায় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন।   মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।   স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৪ আসনের বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল ও জামায়াত প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসেনকে নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।   সংঘর্ষে আহতরা হলেন— সুজন (২৫), এমরান শেখ (৬০), এরাদত মোল্যা, আনোয়ার মোল্যা, কমরুল শেখ (৩২), হুমায়ুন মোল্যা, সাদী শেখ, সাইফুল মোল্যা (৩০) ও রাসেল মোল্যা। আহতরা সবাই বিএনপির সমর্থক বলে জানা গেছে।   তেরখাদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল্লাহ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য খুলনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস: ভোটের অর্ধেক আস্থা, হার-জিতেই গণতন্ত্র

সংগৃহীত ছবি

কুষ্টিয়ায় বিএনপি যুবদলের দুই নেতা বহিষ্কার, চাঁদাবাজি ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনা: বাস ও ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ১৫ জন

সংগৃহীত ছবি
নির্বাচনের নামে ভোট ডাকাতি, এলডিপি’র জয়ের সুযোগ লোপ পেয়েছে: কর্নেল (অব.) অলি আহমদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ–এর নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি)। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দিয়ে সাতটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও একটিতেও জয় পায়নি দলটি।   নিজের নির্বাচনী দুর্গ চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনেও পরাজয় বরণ করেছেন তার ছেলে ওমর ফারুক। নির্বাচন-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল অলি আহমদ বলেন, নির্বাচনের নামে আমাদের ধোঁকা দেওয়া হয়েছে, সমগ্র জাতিকে বোকা বানানো হয়েছে। দিন-রাত সমানতালে ভোট ডাকাতি হয়েছে। যেসব প্রার্থী সাড়ে ৪টা থেকে ৬টার মধ্যে বেশি ভোট পেয়েছেন, তাদের ব্যালটে ডাবল সিল মেরে বাতিল করা হয়েছে। কোথাও ভোট কম পড়লে নতুন করে সিল মেরে বাক্স ভর্তি করা হয়েছে। এসব কাজে অনেক প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সরাসরি জড়িত, যা দেশদ্রোহিতার শামিল।   নিজের ছেলে ওমর ফারুকের পরাজয় প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওমর ফারুককে ভোট দিলেও প্রশাসন সেই ভোট ‘হাইজ্যাক’ করে তাকে হারিয়ে দিয়েছে। তিনি এটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ন্যক্কারজনক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন।   সংবাদ সম্মেলনে অলি আহমদ জামায়াতে ইসলামীসহ জোটের শরিকদের প্রতি একীভূত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এখন আমরা ১১ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতায় আছি। তবে এই ঐক্যকে সুদৃঢ় করতে আমাদের নতুন নাম ও নতুন প্রতীক প্রয়োজন। এলডিপির ‘ছাতা’, জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ কিংবা ‘শাপলা কলি’ নয়—সবাইকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এক ছাতার নিচে আসতে হবে। এতে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরো শক্ত হবে এবং দলগুলোর মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি দূর হবে।   অলি আহমদ জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ১৪০০ মেধাবী সন্তান জুলাই আন্দোলনে শাহাদাত বরণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও হাজার হাজার প্রাণ ঝরেছে। আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। কেউ এসে হেলায় হেলায় রাজত্ব করবে আর আমরা বসে থাকব, তা হতে পারে না।   সর্বশেষে তিনি দাবি করেন, এলডিপি’র প্রার্থীরা হারেননি, বরং কারচুপির মাধ্যমে তাদের হারানো হয়েছে এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন এখনও এলডিপির পাশে রয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশি ফিশিং বোট আটক, ২৮ জেলেকে নিয়ে গেল ভারতীয় কোস্টগার্ড

চাঁদাবাজি বা অপকর্মের বিষয়ে জানাতে অভিযোগ বাক্স বসিয়েছেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। সোমবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার নাঙ্গলকোট বাজারের বটতলা এলাকায়। ছবি: সংগৃহীত

জনগণের নিরাপত্তায় কঠোর অবস্থানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। ছবি: সংগৃহীত

কড়া নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠান, প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

0 Comments