ফ্যামিলি কার্ড

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
চলতি বছরে ৩০ হাজার পরিবার পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরের শেষ তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও সচল হবে।   বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী। এটি তার প্রথম সংসদীয় প্রশ্নোত্তর, যেখানে তিনি সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন।   ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গত ১০ মার্চ থেকে দেশের ১৩টি জেলা এবং ৩টি সিটি করপোরেশন/ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৩৭ হাজার ৮১৪টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই কার্ডের মাধ্যমে ভাতা প্রদান করা হয়েছে।   প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারকে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, কার্ডটি নারীপ্রধানের নামে প্রদত্ত হওয়ায় পরিবারের সম্পদের ওপর নারীর নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এর মাধ্যমে পরিবারের খাদ্য, পুষ্টি, জরুরি চিকিৎসা এবং শিক্ষার খাতে সহায়তা সরাসরি পৌঁছাবে।   ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়ন এবং পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যও ধরা হয়েছে।  

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
দায়িত্বের এক মাসেই ফ্যামিলি কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচি চালু: শামা ওবায়েদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসের মধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচি চালু করা সম্ভব হয়েছে। জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং জাতীয়তাবাদী দল কথা দিয়ে কথা রাখে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের বলেরবাগ থেকে সোনাখোলা ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। লক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লা।   শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, দেশের প্রতিটি নির্বাচনি এলাকার মানুষ সমানভাবে সরকারি সুবিধা পাবেন। যারা ভোট দিয়েছেন বা দেননি—সবার জন্যই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচির সুবিধা থাকবে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে কোনো দল-মত বিবেচনা করা হবে না বলেও তিনি জানান।   তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদও জাতীয়তাবাদী দল সরকারের হাত ধরে বাস্তবায়িত হবে।   অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল। তিনি বলেন, নদ-নদী ও খাল-বিল বাংলাদেশের প্রাণ এবং কৃষিকে টিকিয়ে রাখতে এসব খাল ও নদী নিয়মিত খনন করা প্রয়োজন।   সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেস আলী ইসা, আব্দুল্লাহ আবু জাহের, সাদরুল আলম ও আইয়ুব মোল্লাসহ অনেকে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আল্লাহর রহমতে প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী

নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করল বহুল আলোচিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ল্যাপটপে বাটনে চাপ দিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।   উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই মঞ্চের দুই পাশের বড় ডিজিটাল পর্দায় ভেসে ওঠে ফ্যামিলি কার্ডের প্রতীকী ছবি। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কার্ডপ্রাপ্ত নারীদের ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে পৌঁছে যায় নির্ধারিত ভাতার অর্থ। মুহুর্মুহু করতালি ও স্লোগানের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারে নারীপ্রধান পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, আজ তার বাস্তবায়ন শুরু হলো।   তিনি বলেন, দেশের মানুষের কাছে জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল সরকার গড়তে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের আস্থা ও প্রত্যাশার মর্যাদা দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতসহ বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। পরে মঞ্চে উপস্থিত ১৭ জন নারীর হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন উপস্থিত ছিলেন।   অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ। এতে মন্ত্রিসভার সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।   অনুষ্ঠানে ঢাকার বিভিন্ন বস্তিতে বসবাসকারী কয়েকজন কার্ডপ্রাপ্ত নারী মঞ্চে উঠে তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। জরিনা বেগম নামে একজন নারী বলেন, জীবনে কখনও ভাবেননি এমন একটি কার্ড হাতে পাবেন। এই অর্থ তার পরিবারের জন্য বড় সহায়তা হবে।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সরকার গঠনের মাত্র ২১ দিনের মধ্যেই এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হওয়াকে বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল।   প্রথম ধাপে ঢাকাসহ দেশের ১৪টি স্থানে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই কর্মসূচি চালু হয়েছে। এর আওতায় ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারী ইতোমধ্যে ভাতার অর্থ পেয়েছেন।   প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।   এ সময় তিনি কৃষক কার্ড কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন। আগামী মাসের মধ্যে কৃষকদের হাতেও কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।   তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষকদের কৃষিঋণ মওকুফের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তার অংশ হিসেবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ ইতোমধ্যে সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।   নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা ও অর্থনীতিতে শক্তিশালী না করলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
নারীদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করলেন তারেক রহমান

নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা–১৭-এ নারীদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দিয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর মহাখালীর টিএন্ডটি মাঠে কড়াইল এলাকার নারীপ্রধান পরিবারের মধ্যে এ কার্ড বিতরণ করা হয়।   মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কড়াইল এলাকার নিম্ন আয়ের নারীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্ড তুলে দেন তিনি। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নারীর ক্ষমতায়ন এবং পরিবারগুলোর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।   সরকারি সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই নারীপ্রধান পরিবারগুলোর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বাড়াতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা ছিল। বিএনপির চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারেক রহমান। সরকার গঠনের পর এখন সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   পাইলট কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে রাজধানীর কড়াইল ছাড়াও সাততলা, ভাষানটেক এবং মিরপুরের কয়েকটি এলাকায় এ কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। এতে মূলত নিম্ন আয়ের নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।   স্থানীয় কয়েকজন নারী জানান, কার্ড পাওয়ার জন্য তাদের নাম, মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পরিবারের সদস্যসংখ্যাসহ বিভিন্ন তথ্য জমা দিতে হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য পরিবারগুলোকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পাইলট প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ সময় মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে চূড়ান্তভাবে এ সুবিধার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।   সরকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতে সারা দেশে ধাপে ধাপে এই কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১০, ২০২৬ 0
রাজধানীর কড়াইল থেকে শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের পরীক্ষামূলক বিতরণ

আগামীকাল থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (৯ মার্চ) রাজধানীর কড়াইল এলাকায় নারীদের হাতে কার্ড তুলে দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন এলাকার নির্বাচিত স্থানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার বনানী অঞ্চলের কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি ও ভাষানটেক বস্তি এ তালিকায় রয়েছে। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার মিরপুরের অলিমিয়ারটেক ও বাগানবাড়ী বস্তিতেও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।   ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নেও এই কার্যক্রম চলবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এবং চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সদর পৌরসভায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।   চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নেও এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। খুলনা বিভাগের খালিশপুর থানার খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকাও এ তালিকায় রয়েছে।   বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানার আসলামপুর ইউনিয়ন, সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার কুলঞ্জ ইউনিয়ন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার শিমুলকান্দি ইউনিয়নেও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।   এছাড়া রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার বগুড়া সদর থানার শাখারিয়া ইউনিয়ন, নাটোর জেলার লালপুর থানার ঈশ্বরদী ইউনিয়ন, রংপুর বিভাগের ঠাকুরগাঁও জেলার ঠাকুরগাঁও সদর থানার রহমানপুর ইউনিয়ন এবং দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানার জয়পুর ইউনিয়নেও এ কার্যক্রম চালু করা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৯, ২০২৬ 0
কাল শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট কার্যক্রম, মাসে মিলবে ২৫০০ টাকা সহায়তা

দেশে প্রথমবারের মতো চালু হতে যাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকারের নতুন এই উদ্যোগের পাইলট কার্যক্রম শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে। রাজধানীর বনানীতে কড়াইল বস্তি সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রথম ধাপে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি চালু হচ্ছে। পাইলট পর্যায়ে সারা দেশে মোট ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।   এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে। ভবিষ্যতে এই ভাতার পরিবর্তে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।   ফ্যামিলি কার্ডে আধুনিক কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা কার্ডটিকে আরও নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী করবে। একটি কার্ডের আওতায় সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্য সুবিধা পাবেন। তবে যৌথ পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলে আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ড দেওয়ার সুযোগ থাকবে।   তবে আবেদন করলেই সবাই এই সুবিধা পাচ্ছেন না। সরকারের নির্ধারিত কিছু শর্ত রয়েছে। পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি চাকরি, স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে অথবা পেনশন পেলে তারা এই সুবিধা পাবেন না। এছাড়া পরিবারের নামে গাড়ি, এসি বা বিলাসবহুল সম্পদ থাকলেও এই কার্ডের আওতায় আসা যাবে না।   একইভাবে পাঁচ লাখ টাকা বা তার বেশি সঞ্চয়পত্র থাকলে কিংবা পরিবারের নামে বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্যিক লাইসেন্স থাকলেও ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে না। নারীপ্রধান পরিবার যদি আগে থেকেই অন্য কোনো সরকারি ভাতা পেয়ে থাকে, তাহলে ফ্যামিলি কার্ড নিলে আগের সুবিধাটি বাতিল হয়ে যাবে।   সরকার জানিয়েছে, উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়েছে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে দারিদ্র্য সূচক যাচাই করে। ফলে পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।   ভাতার অর্থ সরাসরি সরকার থেকে সুবিধাভোগীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। আগামী জুন ২০২৬ পর্যন্ত পাইলট কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ৩৮ দশমিক ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।   সরকার বলছে, এই উদ্যোগ সফল হলে ভবিষ্যতে সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৯, ২০২৬ 0
অভিযুক্ত মিলন হোসেন | ছবি: সংগৃহীত
কলারোয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের নামে এনআইডি প্রতারণা

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামে টাকার বিনিময়ে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্ধশতাধিক নারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ছবি সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে মিলন হোসেন (৪৫) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বিএনপি নেতারা শনিবার সকালে বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে তার কাছ থেকে ৫২ নারীর ছবি ও এনআইডির ফটোকপি উদ্ধার করেন।   কেরালকাতা ইউনিয়নের রহিমা খাতুন জানান, মিলন নারীদেরকে ফ্যামিলি কার্ড দ্রুত দেওয়ার কথা বলে আইডি ফটোকপি, সদ্য তোলা ছবি এবং ১০০ টাকা নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে মিলনের বাড়িতে গিয়ে তিনি স্বীকার করেন যে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রলোভনে এসব তথ্য সংগ্রহ করেছেন। মিলন আওয়ামী লীগের সমর্থক ও পূর্বে বিভিন্ন মামলায় জেল খেটেছেন।   হেলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার মুনসুর জানান, তাঁরা তাকে পুলিশে দিতে চেয়েছিলেন, তবে স্থানীয়দের অনুরোধে পরিবারের দায়িত্বে ছেড়ে দেওয়া হয়। মিলন হোসেন জানিয়েছেন, তিনি নিজ উদ্যোগে এলাকার গরিব ও অসচ্ছল মানুষের তালিকা করার জন্য এই কাজ করেছিলেন এবং এতে তার ভুল হয়েছে।   কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন জানিয়েছেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্তের পর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১, ২০২৬ 0
কারা পাচ্ছেন না ফ্যামিলি কার্ড জানুন ছয় শ্রেণির তালিকা
কারা পাচ্ছেন না ফ্যামিলি কার্ড? জানুন ছয় শ্রেণির তালিকা

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব কমাতে নিম্নআয় ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য নতুন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।   ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নামে এ উদ্যোগের পাইলট কার্যক্রম শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলায় এটি বাস্তবায়ন করা হবে।   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১০ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে সহায়তার পরিমাণ বাড়ানোরও পরিকল্পনা রয়েছে।   সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ নামে একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। নীতিমালার মূল দর্শন—উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হবে পরিবার, ব্যক্তি নয়। খুব শিগগিরই এটি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হতে পারে।   কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার, প্রতিবন্ধী সদস্য রয়েছে এমন পরিবার, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী—যেমন হিজড়া, বেদে ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী—এবং অর্ধ একর বা তার কম জমির মালিক পরিবার।   তবে সরকারি পেনশনভোগী সদস্য থাকলে সেই পরিবার এই সুবিধা পাবে না। একইভাবে যেসব পরিবারে সরকারি চাকরিজীবী আছেন, বড় ব্যবসা রয়েছে, ব্যক্তিগত গাড়ি বা এসির মতো বিলাসবহুল সামগ্রী ব্যবহার করা হয়, তারাও অযোগ্য বিবেচিত হবেন। সম্ভাব্য চূড়ান্ত নীতিমালা অনুযায়ী নিম্ন, মধ্যম ও উচ্চ আয়ের নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণিও এ সুবিধার বাইরে থাকবে।   প্রতি পরিবারে একটি করে কার্ড দেওয়া হবে এবং সহায়তার অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন জোরদার হয়। নগদ অর্থের পাশাপাশি সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হতে পারে।   কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় একটি ডেটাবেস তৈরি করা হচ্ছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিটি পরিবারের উপাত্ত সংরক্ষণ করা হবে। মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হবে। পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই চার শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।   আবেদন প্রক্রিয়া এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি। তবে আগ্রহীদের জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। পাইলট কার্যক্রম শেষ হলে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কার্যালয় থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। পাশাপাশি একটি নির্ধারিত সরকারি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও চলছে।   সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার দ্রুত এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছে। ঈদের আগেই প্রাথমিক পর্যায়ে কার্ড বিতরণ শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবার পাবে ২৫০০ টাকা

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে নবগঠিত সরকার। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি আগামী ১০ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এইদিন বগুড়ায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশব্যাপী এই প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।   গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিষয়ক কমিটির বিশেষ সভায় এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।   কারা পাবেন এবং কত টাকা? সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন সভা শেষে জানান, প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের একটি করে ওয়ার্ডকে এই পাইলট প্রকল্পের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগী নারীরা প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা ধর্মীয় বিভেদ দেখা হবে না; বরং নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নই হবে এর মূল মাপকাঠি।   পর্যায়ক্রমে সারা দেশে বিস্তার: মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, সরকার একযোগে পুরো দেশে এই সেবা চালু না করে ধাপে ধাপে এগোবে। প্রথমে একটি ওয়ার্ড, তারপর ইউনিয়ন এবং গ্র্যাজুয়ালি (ক্রমান্বয়ে) প্রতিটি উপজেলাকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের গবেষণার ফসল এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দ্রুততম সময়ে প্রতিটি অভাবী পরিবারের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।   উক্ত নীতিনির্ধারণী সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, মাহদী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এই পদক্ষেপটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।
ফ্যামিলি কার্ড বিনামূল্যে বিতরণ দেওয়া হবে

সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে এবং তথ্য সংগ্রহের কাজে কোনো রাজনৈতিক নেতাকর্মী যুক্ত থাকবেন না। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে নিজ বাসায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।   মন্ত্রী বলেন, কিছু মহল ফ্যামিলি কার্ডকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে এবং কার্ডের বিনিময়ে অর্থ দাবি করছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সকলের জন্য কার্ড বিনামূল্যে প্রদান করা হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সব পরিবারকে কার্ডের আওতায় আনা হবে এবং এটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়িত হবে।   কার্ডের কোনো ভুল ব্যবহার বা আর্থিক লোভের ক্ষেত্রে মন্ত্রী জনগণকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন বা গণমাধ্যমকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন, ‘কেউ কার্ড নিয়ে কেলেঙ্কারি করতে পারবে না; প্রমাণ মিললে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে’। মন্ত্রী জানান, কড়াইল বস্তি ও ময়মনসিংহসহ কয়েকটি এলাকায় এরকম ঘটনা নজরে এসেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
তারেক রহমান। ফাইল ছবি
১০ মার্চ চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে আগামী ১০ মার্চ পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করবে সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১৪টি উপজেলায় একটি করে ইউনিয়ন ও একটি ওয়ার্ডে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।   মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন একটি মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঈদুল ফিতরের আগেই আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচির পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করবেন।   সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের নারীরা এ কার্ডের সুবিধা পাবেন। কার্ডধারীরা প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন। কার্ড বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য রাখা হবে না এবং এটি হবে সম্পূর্ণ ‘ইউনিভার্সেল’ ব্যবস্থা।   তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে চার মাস এই পাইলটিং কার্যক্রম চলবে। এরপর ধাপে ধাপে প্রতিটি উপজেলায় কর্মসূচিটি সম্প্রসারণ করা হবে। প্রথমে একটি ওয়ার্ড, পরে একটি ইউনিয়ন এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব এলাকায় এই সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য ঘরে বসে আবেদনের সুযোগ, যে সব কাগজপত্র লাগবে
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য ঘরে বসে আবেদনের সুযোগ, যে সব কাগজপত্র লাগবে

দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে এলো প্রতীক্ষিত আপডেট। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই এই সুবিধা সরাসরি সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।  আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন। প্রাথমিকভাবে ১৩টি জেলার একটি করে ওয়ার্ডে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই বিতরণ শুরু হতে যাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য: ভাতা ও সুবিধা: প্রাথমিকভাবে প্রতিটি কার্ডধারী পরিবার প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা অথবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন। কারা পাবেন অগ্রাধিকার: দেশের হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলো এই তালিকার শীর্ষে থাকবে। তবে মনে রাখতে হবে, প্রতি পরিবারে কেবল একটি কার্ডই ইস্যু করা হবে। আবেদন প্রক্রিয়া: আপাতত পাইলট প্রকল্প শেষে ইউনিয়ন পরিষদ বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করা যাবে। তবে সুখবর হলো, দ্রুত আবেদনের জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে সরকার। প্রয়োজনীয় নথিপত্র: আবেদনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর এখনই প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে বছরে প্রায় ৫০ লাখ সুবিধাভোগীর পেছনে ১২ হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হতে যাচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ফ্যামিলি কার্ড পাইলট চালু হচ্ছে ১৩ উপজেলায়

সরকার দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনার জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ১৩টি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে। আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন।   রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটি’র সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে দুটি উপজেলায় পাইলটিং পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৩টি উপজেলায় কার্যক্রম শুরু করা হবে।   মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে কাঠামোবদ্ধভাবে সহায়তা দেওয়া হবে। সুবিধাভোগী নির্বাচনে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য ব্যবহার করা হবে, তবে সরেজমিনে যাচাই-বাছাই করা হবে। পরিবারের সদস্যদের হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।   প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও অর্থ বিভাগের সচিব বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সুবিধাভোগী নির্বাচনে প্রায় ৫০ শতাংশ ত্রুটি রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে একাধিক কর্মসূচির সুবিধা একীভূত করা যাবে এবং ত্রুটি কমবে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, টিসিবি কার্ড ও ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট’ কর্মসূচি এ কার্ডের সঙ্গে একীভূত করা হবে। প্রতিটি পরিবারের পাঁচজন সদস্যকে এক কার্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না। কার্ডটি মূলত পরিবারের নারী প্রধানের নামে বিতরণ করা হবে।   প্রাথমিক পর্যায়ে পাইলটিং শুরু হবে ১৩টি উপজেলার ১৩টি নির্বাচিত ওয়ার্ডে, যা হলো: ঢাকা জেলার গুলশান-১ সংলগ্ন কড়াইল বস্তি, চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী পতেঙ্গা ও বাঞ্ছারামপুর, এছাড়া পাংশা, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জ।   প্রকল্পের আওতায় পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনুদানের অর্থ সরাসরি ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
৪ কোটি ১০ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড তথ্যমন্ত্রী
৪ কোটি ১০ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড: তথ্যমন্ত্রী

আসন্ন মাস থেকেই দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ঐতিহাসিক উদ্যোগ শুরু হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রূপকল্প বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কার্ড পাবেন ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের নারী সদস্যরা।   প্রাথমিক পর্যায়ে সরাসরি নগদ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের শুভ সূচনা হবে।   শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।   অধিকার আদায়ে আপসহীন বাংলাদেশ মন্ত্রী তার বক্তব্যে বাঙালি জাতির লড়াইয়ের ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি সংগ্রাম প্রমাণ করে যে, এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার। ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই বাংলাদেশের মূল চেতনা।   সুশাসন ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা জহির উদ্দিন স্বপন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে বলেন, কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে প্রশাসনকে ব্যবহার করার সুযোগ নেই। পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় কোনো গোষ্ঠী বা মহলের হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরের একমাত্র পথ হলো সুষ্ঠু নির্বাচন।   বরিশালে আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মঞ্জুর মোর্শেদ আলী, জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম এবং মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার আবদুল হান্নানসহ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা সৈনিকরা। আলোচনা সভা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
দেশের ৮ বিভাগের ৮ উপজেলায় পরীক্ষামূলক ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম

সরকার দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হয়েছে।   কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহদী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সাতটি মন্ত্রণালয়ের সচিব।   কমিটি ফ্যামিলি কার্ডের উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন, সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি নির্ধারণ এবং ডাটাবেজ তৈরি করবে। সুবিধাভোগীর তথ্য সংরক্ষণের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেজের আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে ডিজিটাল এমআইএস তৈরির সুপারিশ করা হবে। কমিটি ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেবে এবং প্রয়োজনে সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।   প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটি সভা প্রয়োজন অনুসারে অনুষ্ঠিত হবে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। সরকারের লক্ষ্য আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু, গঠন হলো মন্ত্রিসভা কমিটি

প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত ১৫ সদস্যের এই কমিটিতে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সরকারের উপদেষ্টা ও সচিবরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।   মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হবে। তবে নির্দিষ্ট উপজেলাগুলোর নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও আধুনিক, সমন্বিত ও যথাযথ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর উপযুক্ত ডিজাইন ও সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতির প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। পাশাপাশি নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কার্ডকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনাও যাচাই করা হবে। সুবিধাভোগীদের নির্ভুল ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেজের ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার ব্যবহার করা হবে।   ১৫ সদস্যের এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহদী আমিন। কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ফ্যামিলি কার্ড
পাঁচ কোটি পরিবার পাচ্ছে সরকারি ‘ফ্যামিলি কার্ড’, সরাসরি মিলবে নগদ টাকা!

দেশের পাঁচ কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে প্রচলিত পণ্য সহায়তার পরিবর্তে এবার এই কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় জনকল্যাণমূলক এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।   বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা এই প্রকল্পের রূপরেখা তুলে ধরেন। কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের হাতে সরাসরি নগদ টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। এই সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমাজের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং নারীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।   প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম পর্যায়ে দেশের হতদরিদ্র পরিবারগুলো এই সুবিধার আওতায় আসবে এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝেও এই কার্ড বিতরণ করা হবে।   একই অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে জনবল ছাঁটাইয়ের বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি স্পষ্ট জানান যে, বিধি বহির্ভূতভাবে কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কাউকে চাকরিচ্যুত করা যাবে না এবং 'মব' বা গণদাবীর মুখে কাউকে পদত্যাগে বাধ্য করা গ্রহণযোগ্য নয়। বাসসে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাকে তিনি অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন।   জনবান্ধব এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং আসন্ন উৎসবে দরিদ্র পরিবারগুলোর ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছে সরকার।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মঞ্জু
ফ্যামিলি কার্ডের বদলে চাঁদাবাজ থেকে বাঁচতে নিরাপত্তা কার্ড চাই: এবি পার্টির চেয়ারম্যান মঞ্জু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক বাগযুদ্ধ এখন তুঙ্গে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে ফেনী সরকারি কলেজ মাঠে জামায়াতে ইসলামীর বিশাল নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের তীব্র সমালোচনা করেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান ও ফেনী-২ আসনের প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জু।   ফ্যামিলি কার্ড বনাম নিরাপত্তা কার্ড: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিকে ব্যঙ্গ করে মঞ্জু বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে কি চাঁদাবাজি বন্ধ হবে? এটি কি নারীদের হয়রানি, গুম ও খুনের নিশ্চয়তা দিতে পারবে? সাধারণ মানুষ আজ ফ্যামিলি কার্ড চায় না, তারা চায় ‘নিরাপত্তা কার্ড’। মানুষ চায় রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে, ভয় ছাড়া ব্যবসা করতে এবং রাজপথে স্বাধীনভাবে চলতে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, দরিদ্র ও অসহায়দের সহায়তা দেওয়া রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব, এটি কোনো রাজনৈতিক দলের দয়া বা করুণা হতে পারে না।   বিগত ১৬ বছরের যাতনা ও আওয়ামী লীগের পতন: নিজের রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগের স্মৃতিচারণ করে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মঞ্জু বলেন, “১৬ বছর ধরে জেলে বন্দি সন্তানের অপেক্ষায় থেকে আমার মা চোখের জল ফেলতে ফেলতে বিদায় নিয়েছেন। আমরা দেখেছি কীভাবে শিকল পরা অবস্থায় সন্তানকে মায়ের জানাজায় আসতে হয়েছে। দাড়ি থাকার অপরাধে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে—বিশ্বজিৎ ও আবরার ফাহাদের সেই রক্ত আমরা ভুলিনি।” তিনি শেখ হাসিনার পতনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “অহংকার করে বলা হয়েছিল হাসিনা পালায় না, কিন্তু জনগণ দেখেছে ফ্যাসিবাদের আসল রূপ।”   আগে বিচার, পরে নির্বাচন: জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, “বিপ্লবের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। বহু শহীদের পরিচয় মেলেনি, বিচার কাজ এখনো শেষ হয়নি। এই অবস্থায় তাড়াহুড়া করে নির্বাচন চাপিয়ে দেওয়া শহীদদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা হতে পারে। আগে প্রয়োজন বিচারিক সংস্কার এবং ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের সুনিশ্চিত গ্যারান্টি।”   নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা: মঞ্জু স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ চিরদিনের জন্য ফ্যাসিবাদ ও দলীয়করণকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন সময় এসেছে একটি ‘মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার, যেখানে আইনের শাসন থাকবে এবং প্রশাসনের হাতে কোনো সাধারণ নাগরিক হয়রানির শিকার হবে না।   উল্লেখ্য, মজিবুর রহমান মঞ্জু ছাত্রজীবনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন এবং পরবর্তীতে সংস্কারপন্থী অবস্থানে থাকায় জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত হন। বর্তমানে তিনি এবি পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জামায়াত-এবি পার্টি জোটের প্রার্থী হয়ে ফেনী-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁর এই সাহসী ও স্পষ্টবাদী বক্তব্য এখন পুরো জেলার সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Top week

নাহিদা বৃষ্টি
আমেরিকা

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২৫, ২০২৬ 0