ক্রিকেট বিশ্ব আজ এক নতুন বিস্ময়বালিকার সাক্ষী হলো। মাত্র ১৫ বছর ২২৩ দিন বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন রুয়ান্ডার ফ্যানি উতাগুশিমানিন্দে। নারী কিংবা পুরুষ—আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দীর্ঘ ইতিহাসে এত কম বয়সে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছোঁয়ার নজির আর দ্বিতীয়টি নেই। নাইজেরিয়া আমন্ত্রণমূলক নারী টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ঘানার বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নেমে রীতিমতো টর্নেডো বইয়ে দেন এই কিশোরী। ৬৫ বলের বিধ্বংসী ইনিংসে ১৭টি চারের সাহায্যে তিনি করেন ১১১ রান। এটি কেবল রেকর্ড বইয়ের নতুন পাতাই নয়, বরং অভিষেক ম্যাচে কোনো নারী ক্রিকেটারের করা সর্বোচ্চ রানের নতুন বিশ্বকীর্তিও বটে। এর আগে অভিষেক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৯৬ রানের রেকর্ড ছিল অস্ট্রেলিয়ার কারেন রোল্টনের। উতাগুশিমানিন্দে ভেঙে দিয়েছেন আয়ারল্যান্ডের অ্যামি হান্টারের রেকর্ড। ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজের ১৬তম জন্মদিনে হান্টার করেছিলেন ১২১ রান। এমনকি ছেলেদের ক্রিকেটে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান শহীদ আফ্রিদির রেকর্ডও এখন এই রুয়ান্ডান কিশোরীর পেছনে। আফ্রিদি ১৬ বছর ২১৭ দিন বয়সে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন। উতাগুশিমানিন্দের এই অতিমানবীয় ইনিংসের ওপর ভর করে রুয়ান্ডা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২১০ রানের বিশাল পুঁজি গড়ে। জবাবে মাত্র ৮৮ রানেই থমকে যায় ঘানার ইনিংস। ১২২ রানের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রুয়ান্ডা। বল হাতে দলটির বেলিসে মুরেকাতেতে শিকার করেন ৩টি উইকেট।
চলতি মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একের পর এক ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৭ দিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে মোট ১০টি কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। অধিকাংশ কম্পনের মাত্রা মৃদু থেকে মাঝারি হলেও জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ও ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৭ দিনেই এই ১০টি ভূমিকম্প হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫২ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা এবং রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৫.৩। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে ভারতের সিকিম থেকে উৎপত্তি হওয়া ৪.৬ মাত্রার ভূমিকম্প ঢাকাসহ দেশজুড়ে অনুভূত হয়। ফেব্রুয়ারির বিভিন্ন দিনে মিয়ানমার, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে বেশ কয়েকটি কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। বিশেষ করে ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে মিয়ানমার উৎপত্তিস্থল থেকে পরপর দুটি কম্পনে দেশের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে ওঠে, যার মাত্রা ছিল ৫.৯ ও ৫.২। ভূতত্ত্ববিদরা বলছেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত। তাই ভবন নির্মাণে নির্দিষ্ট বিধিমালা মেনে চলা, জরুরি প্রস্তুতি নেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও মৃদু কম্পনগুলো বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস কিনা তা নিশ্চিত নয়, তবু সতর্ক থাকা এখনই সময়ের দাবি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ, ভোট বিষয়ে প্রশিক্ষণ,ব্যালট ছাপানোও লজিস্টিক সহায়তা, পরিবহন, প্রচার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন, প্রযুক্তি ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, গণভোট আয়োজন, পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের কারণে এবারের সামগ্রিক খরচ হয়েছে অতীতের সব নির্বাচনের চেয়ে অনেক বেশি খরচ হয় গেছে। জাতীয় নির্বাচন ওগণভোটে মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা।এর মধ্যে কমিশনের নির্বাচন পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকাও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুকূলে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। আর গণভোট, পোস্টাল ব্যালটসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। এর আগে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে তিনটি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিতর্কিত ওই নির্বাচনগুলোয় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হলেও তা ছিল ত্রয়োদশ নির্বাচনের ব্যয়ের চেয়ে কম। নির্বাচনের ব্যয় প্রাক্কলন অনুযায়ী, এবার আসনপ্রতি গড় ব্যয় হবে সাড়ে ১০ কোটি টাকা। বিগত আওয়ামী লীগের অধীনে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ দ্বাদশ নির্বাচনে আসনপ্রতি গড় ব্যয় ছিল ৭ কোটি টাকার কিছু বেশি। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রগুলো বলছে,এবার সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া পোস্টাল ব্যালটে নেয়া হচ্ছে প্রবাসীদের ভোট। সে কারণে ব্যয় বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক। নির্বাচন কমিশনের বাজেট এবং ফাইন্যন্স শাখার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘নির্বাচনে ব্যয়৪ হাজার কোটি টাকায় উঠবে না। সর্বোচ্চ ২ হাজার ৪০০ থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় হতে পারে। সাধারণত বাজেট বেশি ধরা হয় আপৎকালীনের কথা চিন্তা করে। ত্রয়োদশ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে সে বিষয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, এখনো অনেক খরচ পূর্ণাঙ্গ হিসাব করা হয়নি। প্রায় নয় লাখের মতো জিও (গভর্নমেন্ট অর্ডার) বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ওজেলা পর্যায়ের অফিস থেকে এসে জমা হয়েছে, যেগুলো ব্যয়ের খাতায় ওঠেনি। তবে সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত নির্বাচনী ব্যয় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকার ওপর ওঠেনি।’ তবে সেটি আরো অনেক বাড়বে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। নির্বাচন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে দুই ধাপে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়।প্রথম ধাপে২ হাজার ৮০কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ১ হাজার৭০ কোটি টাকা। দ্বিতীয় ধাপের অর্থ বরাদ্দে দৈনিক খোরাকি ভাতা, মেশিনও সরঞ্জামাদির ভাড়া, প্রচারও বিজ্ঞাপন ব্যয়, ক্ষতিপূরণ, আপ্যায়ন ব্যয়, যানবাহন ব্যবহার (চুক্তিভিত্তিক), যাতায়াত ব্যয়, ভেন্যু ভাড়া, শ্রমিক মজুরি, পরিবহন ব্যয়, পেট্রল, অয়েল ও লুব্রিক্যান্ট, প্রশিক্ষণ, মুদ্রণ ও বাঁধাই, স্ট্যাম্প ওসিল, অন্যান্য মণিহারি, সম্মানী, অন্যান্য যন্ত্রপাতি, ব্যালট বাক্স ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি খাত ধরা হয়েছে। এছাড়া প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালট পাঠাতে ও পেতে এখাতে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে। প্রবাসীদের জন্য প্রতিটি ব্যালটে ৭০০ টাকা, আর অভ্যন্তরীণ পোস্টাল ব্যালটে ব্যয় হয় ২৩ টাকা। দেশের ইতিহাসে নির্বাচনে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি এবার ভোটার সংখ্যাও অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। ত্রয়োদশ নির্বাচনে মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন। নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা১হাজার ২৩২ জন। এর আগে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগের অধীনে ওই নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল ২ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা। ওই নির্বাচনে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় নিয়ে যদিও নানা ধরনের সমালোচনা হয় তখন। ২০১৮ সালে৩০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ।ওই নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলাও নির্বাচন পরিচালনার জন্য মোট৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে হওয়া ওই ভোটে মোট ব্যয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৬৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে নির্বাচন পরিচালনায় ৮১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেছনে ব্যয় হয় ১৮৩ কোটি টাকা। বিতর্কিত ওই নির্বাচনে ১৫৩ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন একক প্রার্থীরা। আর ভোট হয় কেবল ১৪৭ আসনে। নির্বাচনী মোট এলাকার অর্ধেকে ভোট হওয়ায় বরাদ্দের তুলনায় খরচ অনেক কম হয়। দেশে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ওই নির্বাচনে মোট ব্যয় হয় ১৬৫ কোটি টাকা, যেখানে নিবন্ধিত ভোটার ছিল ৮কোটি ১০ লাখ। আর ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অষ্টম সংসদ নির্বাচনে মোট ব্যয় হয়েছিল ৭২ কোটি ৭১ লাখ টাকা।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের রাজপথ কাঁপানো সেই লড়াকু মুখটি এখন দেশের নীতিনির্ধারণী আসনে। ইতিহাস গড়লেন আবদুল হান্নান মাসউদ। ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসন থেকে বড় ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে এনেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক। শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট পেয়ে তিনি প্রমাণ করলেন—তারুণ্যের শক্তিতেই পরিবর্তন সম্ভব। এই ঐতিহাসিক জয়ের নেপথ্যে যা যা থাকছে: সবচেয়ে কম বয়সী এমপি: ২০০০ সালে জন্ম নেওয়া মাসউদের বর্তমান বয়স মাত্র ২৬ বছর ১ মাস। দেশের সংসদীয় ইতিহাসে তিনিই এখন কনিষ্ঠতম প্রতিনিধি। ভোটের লড়াই: নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রভাবশালী নেতা মাহবুবের রহমান শামীমকে প্রায় ২৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন তিনি। বিপ্লব থেকে সংসদ: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির এই ছাত্রনেতা নিজের ব্যবসায়িক পরিচিতি ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দিয়ে জয় করেছেন হাতিয়ার মানুষের মন। ব্যক্তিগত জীবন: সম্প্রতি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া মাসউদের স্ত্রী শ্যামলী সুলতানা জেদনীও সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত, যিনি জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে কি তবে বদলে যাবে আগামীর বাংলাদেশ? হাতিয়ার মানুষের স্বপ্নপূরণে কতটা সফল হবেন এই তরুণ তুর্কি? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।
নির্বাচনী ইতিহাসে নতুন মাইলফলক! গত কয়েকটি নির্বাচনের তুলনায় এবার বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের উপস্থিতি বেড়েছে কয়েক গুণ। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এরই মধ্যে ঢাকায় পা রেখেছেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং ১৯৭ জন বিদেশি সাংবাদিক। কেন এই নির্বাচন বিশ্বজুড়ে এতোটা গুরুত্বপূর্ণ? বিস্ময়কর সংখ্যা: ২০২৪ সালের দ্বাদশ নির্বাচনের তুলনায় এবার পর্যবেক্ষকের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি। যেখানে ১০ম নির্বাচনে পর্যবেক্ষক ছিল মাত্র ৪ জন, সেখানে এবার সেই সংখ্যা ৩৯৪! বড় সংস্থার অংশগ্রহণ: এএনএফরেল, কমনওয়েলথ, আইআরআই এবং এনডিআই-এর মতো প্রভাবশালী সংস্থাগুলো সরাসরি মাঠে থাকছে। বিশ্বের ২১টি দেশের উপস্থিতি: পাকিস্তান, তুরস্ক, রাশিয়া, চীন এবং জাপানসহ বিশ্বের অন্তত ২১টি দেশ থেকে প্রতিনিধিরা এসেছেন এই নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণ করতে। স্বতন্ত্র সক্ষমতা: বিভিন্ন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের অন্তত ৫১ জন প্রতিনিধি নিজস্ব উদ্যোগে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে শুরু করে সার্কভুক্ত দেশগুলো—সবার চোখ এখন বাংলাদেশের দিকে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে এই বিপুল সংখ্যক আন্তর্জাতিক উপস্থিতি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এক নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।