পাঁচ বছরের শিশু লিয়াম রামোস। পরনে ছিল তার প্রিয় খরগোশ আকৃতির টুপি। স্কুল থেকে ফিরে বাবার সঙ্গে দেখা হওয়ার আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়, যখন মার্কিন অভিবাসন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) কর্মকর্তারা তার বাবাকে আটকের পাশাপাশি এই শিশুটিকেও নিজেদের হেফাজতে নেয়। এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি এখন মার্কিন রাজনীতির উত্তপ্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
গত মঙ্গলবার মিনেসোটার কলাম্বিয়া হাইটসে এই অভিযান পরিচালিত হয়। লিয়ামের বাবা অ্যাড্রিয়ান আলেক্সান্ডার কোনেখো আরিয়াস একজন ইকুয়েডরীয় অভিবাসী, যিনি ২০২৪ সালে সপরিবারে আশ্রয় চাইতে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।
আইসিই ও স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দাবি: ডিএইচএস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা কোনো শিশুকে লক্ষ্যবস্তু করেনি। তাদের অভিযোগ, কর্মকর্তারা কাছে আসতেই লিয়ামের বাবা তাকে ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। তীব্র শীতে শিশুটিকে বিপদমুক্ত রাখতেই তারা হেফাজতে নিয়েছেন।
স্কুল কর্তৃপক্ষ ও আইনজীবীর দাবি: প্রত্যক্ষদর্শী স্কুল বোর্ড সদস্য মেরি গ্রানলান্ড জানান, তিনি নিজে শিশুটিকে নিজ জিম্মায় নেওয়ার প্রস্তাব দিলেও কর্মকর্তারা তা শোনেননি। বরং একজন কর্মকর্তা লিয়ামকে দিয়ে বাড়ির দরজায় নক করিয়ে দেখেন ভেতরে আর কেউ আছে কি না। আইনজীবীদের দাবি, এই পরিবার কোনো পালানোর চেষ্টা করেনি, বরং তারা নিয়মিত অভিবাসন প্রক্রিয়ার মধ্যেই ছিলেন।
কলাম্বিয়া হাইটস পাবলিক স্কুলসের সুপারিনটেনডেন্ট জেনা স্টেনভিক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, “একটি পাঁচ বছরের শিশুকে কোন যুক্তিতে আটক কেন্দ্রে নেওয়া হলো? সে কি কোনো সহিংস অপরাধী?” বর্তমানে লিয়াম ও তার বাবা টেক্সাসের সান অ্যান্টোনিওর একটি আটক কেন্দ্রে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
মিনেসোটা সফররত মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আইসিই-এর এই পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, “বাবা যখন সন্তানকে ফেলে পালিয়ে যান, তখন কর্মকর্তাদের আর কী করার ছিল? তারা কি শিশুটিকে ঠান্ডায় জমে মরতে দিত? শুধু সন্তান আছে বলে কি কোনো অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হবে না?”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পথচারীদের তোলা লিয়ামের ব্যাকপ্যাক হাতে দাঁড়িয়ে থাকার ছবি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। মিনেসোটার গভর্নর এবং স্থানীয় ডেমোক্র্যাট নেতারা এই ঘটনাকে ‘রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রায় ২,০০০ মাইল দীর্ঘ এক ভয়াবহ বরফ ও তুষার ঝড় দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। আবহাওয়াবিদদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, এই ঝড়ে বরফ, তুষারপাত ও হিমশীতল বৃষ্টির সম্মিলিত প্রভাব পড়তে পারে দেশের মধ্য-পশ্চিম, দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বহু রাজ্যে। ঝড়ের আগেই শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। CNN–এর আবহাওয়া প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঝড়ের তীব্রতা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হলেও কিছু রাজ্যে পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। সবচেয়ে বেশি বিপদগ্রস্ত রাজ্য (High Impact) টেক্সাস (Texas) ঝড়ের সূচনা এখান থেকেই। ভারী বরফ জমে বিদ্যুৎ লাইন ভেঙে পড়া, ব্ল্যাকআউট ও মহাসড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ওকলাহোমা (Oklahoma) বরফালার সঙ্গে তীব্র ঠান্ডা। গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কা। আর্কানসাস (Arkansas) হিমশীতল বৃষ্টি ও বরফের স্তর জমে চলাচল প্রায় অচল হতে পারে। কেন্টাকি (Kentucky) মধ্য-পশ্চিম থেকে পূর্বাঞ্চলের সংযোগস্থল হওয়ায় তুষারপাত ও বরফের যুগপৎ প্রভাব পড়তে পারে। ওহাইও (Ohio) ভারী তুষার ও তীব্র ঠান্ডায় বিমান ও সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা। মাঝারি ঝুঁকির রাজ্য (Moderate Impact) টেনেসি (Tennessee) – বরফ ও তুষারের মিশ্র প্রভাব জর্জিয়া (Georgia) – বিশেষ করে উত্তর জর্জিয়ায় বরফ ঝড়ের সতর্কতা নর্থ ক্যারোলিনা (North Carolina) – হিমশীতল বৃষ্টি ও বরফ জমার ঝুঁকি সাউথ ক্যারোলিনা (South Carolina) – সীমিত এলাকায় বরফালার সম্ভাবনা ভার্জিনিয়া (Virginia) – তুষার ও ঠান্ডার প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে তুলনামূলক কম ঝুঁকির রাজ্য (Lower Impact) মেরিল্যান্ড (Maryland), ওয়াশিংটন ডিসি, পেনসিলভানিয়া (Pennsylvania), নিউ ইয়র্ক (New York), ম্যাসাচুসেটস (Massachusetts) — এসব রাজ্যে ঝড় পৌঁছালেও প্রভাব তুলনামূলক কম হতে পারে, তবে তুষারপাত ও শীতজনিত দুর্ভোগ পুরোপুরি এড়ানো যাবে না। পরিবহন ও জনজীবনে প্রভাব ঝড়ের আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন বড় বিমানবন্দরে শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সড়কে না নামার পরামর্শ দিচ্ছে। প্রস্তুতি ও সতর্কতা জরুরি খাবার, পানি ও ওষুধ মজুত রাখুন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার প্রস্তুতি নিন স্থানীয় আবহাওয়া সতর্কতা ও নির্দেশনা নিয়মিত অনুসরণ করুন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঝড় আগামী কয়েক দিন ধরে ধাপে ধাপে বিভিন্ন রাজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতির অবনতি হলে আরও জরুরি সতর্কতা জারি করা হতে পারে।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই দীর্ঘ ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। এ উপলক্ষে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) হওয়ায়, মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের অবকাশ উপভোগ করা সম্ভব হবে। কারণ ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার—সাপ্তাহিক ছুটি। এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষে সরকার ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে এখানেও টানা চার দিনের ছুটি মিলছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে। নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, বছরটিতে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি এবং ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্রবার ও শনিবারের সঙ্গে মিলেছে। এছাড়া, ২০২৬ সালে ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন; হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন; খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন; বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়াতে পারে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী,সতর্ক করলেন বিজ্ঞানীরা স্নেইল ফিভার’ নামে পরিচিত এক ধরনের পরজীবী বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। ত্বকের ভেতর দিয়ে মানবদেহে প্রবেশ করা এই পরজীবী দীর্ঘদিন রক্তে নীরবে অবস্থান করে এবং পরে ডিম পাড়ে,যা লিভার, ফুসফুসও যৌনাঙ্গসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে জমা হতে পারে। ভয়াবহ বিষয় হলো,বছরের পর বছর শরীরে অবস্থান করলেও অনেক ক্ষেত্রে এটি শনাক্তই নাও হতে পারে। শামুকের মাধ্যমে ছড়ানোএ পরজীবীর কারণেই রোগটির নামকরণ করা হয়েছে স্নেইল ফিভার।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, রোগটি এখন বৈশ্বিক উদ্বেগে পরিণত হয়েছে। কারণ পরজীবীটির গঠন ও বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন ঘটছে, যার ফলে এটি নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন এক সময়ে এই সতর্কবার্তা এলো,যখন৩০ জানুয়ারি ওয়ার্ল্ড নেগলেক্টেড ট্রপিক্যাল ডিজিজ ডে পালন করছে ডব্লিউএইচও।এ দিবসের লক্ষ্য হচ্ছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, পরজীবীও ছত্রাকজনিত রোগগুলোর বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো,যা সাধারণত দরিদ্র অঞ্চলের শত কোটিরও বেশি মানুষকে আক্রান্ত করে। কীভাবে ছড়ায় স্নেইল ফিভার : এই পরজীবী বহন করে নির্দিষ্ট এক ধরনের শামুক।যেসব পানিতে ওই শামুক বসবাস করে,সেখানে পরজীবীর লার্ভা ছড়িয়ে পড়ে। কেউ যদি সেই পানিতে গোসল করেন বা সংস্পর্শে আসেন,তবে লার্ভা ত্বকের ভেতর প্রবেশ করতে পারে। পরজীবীগুলো এমন এনজাইম নিঃসরণ করে,যা ত্বক ভেদ করতে সক্ষম। দেহে প্রবেশের পর লার্ভাগুলো ধীরে ধীরে পূর্ণবয়স্ক কৃমিতে পরিণত হয় এবং রক্তনালিতে বাসা বাঁধে।স্ত্রী কৃমিগুলো ডিম পাড়ে। কিছু ডিম মল বা প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে গেলেও বহু ডিম শরীরের ভেতরের টিস্যুতে আটকে থাকে। এতে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে আশপাশের সুস্থ টিস্যুকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে বিভিন্ন অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়। বিশেষ করে তলপেট যৌনাঙ্গে ডিম জমে থাকলে ইউরোজেনিটাল স্কিস্টোসোমিয়াসিস নামের জটিল রোগ দেখা দেয়। এতে পেটব্যথা, ক্যানসার এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। চিকিৎসাওনতুন উদ্বেগ: সাধারণত অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক ওষুধে স্নেইল ফিভার চিকিৎসাযোগ্য। ডব্লিউএইচও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী—যেমন শিশু কৃষিশ্রমিকও জেলেদের প্রতি বছর এই ওষুধ গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে আসছে। তবে মালাউই লিভারপুল ওয়েলকাম ক্লিনিক্যাল রিসার্চ প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক জানেলিসা মুসায়া সতর্ক করেছেন, নতুন কিছু ধরন শনাক্ত হয়েছে, যেগুলো প্রচলিত পরীক্ষায় ধরা নাও পড়তে পারে। হাইব্রিড পরজীবীর আশঙ্কা: গবেষণায় দেখা গেছে,মানুষের শরীরের পরজীবীওপ্রাণীর শরীরের পরজীবী একে অপরের সঙ্গে মিশে ‘হাইব্রিড’ বা মিশ্র ধরন তৈরি করছে। এসব হাইব্রিড পরজীবী মানুষ ওপ্রাণী—উভয়কেই আক্রান্ত করতে পারে।মালাউইতে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, নমুনার সাত শতাংশ পরজীবীই ছিল হাইব্রিড,যা গবেষকদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। অধ্যাপক মুসায়া বলেন,এভাবে যদি প্রকৃতিতে সংক্রমণ চলতেই থাকে, তাহলে সংখ্যাটা এক সময় বেশ বড় হয়ে যাবে।তিনি আরও বলেন, গবেষণা যেহেতু নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় করা হয়েছে,এজন্য এটি হয়তো হিমশৈলের চূড়া মাত্র। শনাক্তকরণে জটিলতা: গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, হাইব্রিড পরজীবীগুলো মানুষের যৌনাঙ্গে সংক্রমণ ঘটালেও তা শনাক্ত করা কঠিন। কারণ এসব ডিম মাইক্রোস্কোপে সাধারণ পরজীবীর মতো দেখায় না। অনেক সময় উপসর্গগুলোকে যৌনবাহিত রোগ ভেবে ভুল করা হয়।চিকিৎসা না হলে বন্ধ্যত্ব, যৌনাঙ্গে ক্ষত এবং এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এপ্রসঙ্গে অধ্যাপক মুসায়া বলেন,“ভাবুন তো,কোনো নারী যদি সন্তান ধারণ করতে না পারেন... আমাদের সংস্কৃতিতে সন্তান হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সন্তান না হলে ওই নারীকে নানাভাবে কটূক্তি করেন মানুষরা। যা খারাপ এবং খুবই কষ্টের একটি রোগ। বৈশ্বিক প্রস্তুতি: ডব্লিউএইচও’র স্কিস্টোসোমিয়াসিস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রধান ডা.আমাদু গারবা জিরমে বলেন,রোগটি একটি বৈশ্বিক উদ্বেগ।তিনি জানান,কিছু দেশে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ না থাকলেও প্রাণীদের শরীরে পরজীবী রয়ে গেছে, যা ভবিষ্যতে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নতুন এই হুমকি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচও কৌশল পরিবর্তন করছে।সংস্থাটি প্রাণীদের মধ্যে রোগ নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং বিভিন্ন দেশকে হাইব্রিড পরজীবী নিয়ে আন্তর্জাতিক সতর্কবার্তা দিয়েছে। যদিও ২০০৬থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ব্যাপক ওষুধ বিতরণের ফলে সংক্রমণ ৬০শতাংশ কমেছে, তবে অর্থায়ন কমে যাওয়ায় এই অগ্রগতি হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল
জেফরি এপস্টেইন মামলার স্পর্শকাতর হাজার হাজার নথি হঠাৎ করেই নিজেদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (DOJ)। কিন্তু কেন এই নাটকীয় পদক্ষেপ? ভুক্তভোগীদের গোপনীয়তা রক্ষা নাকি অন্য কোনো রহস্য? এই ঘটনার পেছনের মূল কারণগুলো জানলে আপনিও অবাক হবেন: বিরাট ভুল: গত শুক্রবার প্রকাশিত নথিতে তথ্য গোপন রাখার (Redaction) ক্ষেত্রে বড় ধরনের ত্রুটি ধরা পড়েছে। প্রায় ১০০ জন ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত ইমেইল এবং আপত্তিকর ছবিসহ পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ: পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগীরা এই ঘটনাকে ‘জঘন্য’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাদের মতে, এটি তাদের পুনরায় ট্রমার মুখে ঠেলে দিয়েছে। আইনজীবীদের দাবি: প্রখ্যাত আইনজীবী গ্লোরিয়া অলরেড জানিয়েছেন, অনেক নথিতে নামগুলো এমনভাবে কাটা হয়েছে যা খুব সহজেই পড়া যাচ্ছে। এমনকি ভিডিও ও ছবিতেও ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। বিশাল তথ্যভাণ্ডার: গত বছর নতুন আইন হওয়ার পর ডিওজে এখন পর্যন্ত ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠা, ১ লক্ষ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও প্রকাশ করেছে। যার একটি বড় অংশ এখন পুনরায় যাচাইয়ের জন্য ব্লক করা হয়েছে। বিচার বিভাগের বক্তব্য: ডিওজে জানিয়েছে, ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সাময়িকভাবে এই নথিগুলো সরানো হয়েছে। বর্তমানে নতুন করে ‘রিডাকশন’ বা তথ্য গোপনের কাজ চলছে। এপস্টেইন মামলার এই নতুন মোড় কি সত্য আড়াল করার চেষ্টা নাকি সত্যিই কেবল কারিগরি ভুল? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।
২০২৬ সালের গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার সাবেক এফবিআই (FBI) কর্মকর্তা ড্যান বোঙ্গিনোর একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে তিনি রিপাবলিকানদের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা অন্তত ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং পুরো ব্যবস্থাকে 'জাতীয়করণ' (Nationalize) করে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, "রিপাবলিকানদের বলা উচিত যে আমরা এই ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নিতে চাই। অন্তত ১৫টি স্থানে আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থা নিজেদের হাতে নেওয়া উচিত। রিপাবলিকানদের উচিত ভোটিং প্রক্রিয়াকে জাতীয়করণ করা।" মূল কারণ ও অভিযোগ: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বরাবরের মতোই ২০২০ সালের নির্বাচনে কারচুপির ভিত্তিহীন দাবি পুনরায় উত্থাপন করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, অনেক রাজ্যে অবৈধভাবে ভোট গণনা করা হচ্ছে এবং নথিপত্র ছাড়াই অভিবাসীদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংবিধান নিয়ে প্রশ্ন: যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, ফেডারেল বা জাতীয় সরকার নয়, বরং প্রতিটি অঙ্গরাজ্য (States) তাদের নিজস্ব নির্বাচন পরিচালনা করে। ট্রাম্পের এই 'জাতীয়করণ'-এর প্রস্তাব সাংবিধানিকভাবে কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে আইনজ্ঞরা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। অনেক ডেমোক্র্যাট নেতা একে 'গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত' এবং 'স্বৈরাচারী মনোভাব' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া: সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার ট্রাম্পের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, "ট্রাম্প কি আদৌ সংবিধান পড়েছেন? তিনি সরাসরি নির্বাচন ব্যবস্থা দখল করার কথা বলছেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।" প্রেক্ষাপট: উল্লেখ্য যে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন সম্প্রতি জর্জিয়ার ফুলটন কাউন্টিতে এফবিআই একটি তল্লাশি চালিয়েছে। ট্রাম্প দাবি করছেন, এই তল্লাশির মাধ্যমে ২০২০ সালের নির্বাচনের অনেক 'গোপন তথ্য' বেরিয়ে আসবে। সামনেই ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন, যেখানে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রাম্প মনে করছেন, নির্বাচন ব্যবস্থায় পরিবর্তন না আনলে রিপাবলিকানদের জন্য জয় কঠিন হতে পারে। এই ঘোষণার ফলে মার্কিন নির্বাচনী সুরক্ষা এবং অঙ্গরাজ্যগুলোর অধিকার নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত বহুল আলোচিত এপস্টেইন ফাইলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষণাপ্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবি এর নাম উল্লেখ রয়েছে। প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, একটি ই-মেইলে আইসিডিডিআরবিকে বাংলাদেশে একটি ‘অতি সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং সেখানে দীর্ঘমেয়াদি প্রোবায়োটিক গবেষণায় বিনিয়োগের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। নথি অনুযায়ী, ই-মেইলের বিষয় ছিল ‘আন্ত্রিক জীবাণুবিদ্যা-আইসিডিডিআরবি’। এটি জেফরি এপস্টেইনের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর পক্ষ থেকে ১৭ এপ্রিল ২০১৪ সালে পাঠানো হয়েছিল। প্রস্তাবনায় বলা হয়, বাংলাদেশে আইসিডিডিআরবিকে কেন্দ্র করে একটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে গবেষণা উদ্যোগ গড়ে তোলা যেতে পারে, যেখানে তুলনামূলক কম বিনিয়োগে ভবিষ্যতে উৎপাদিত যেকোনো প্রোবায়োটিক বা সংশ্লিষ্ট পণ্যের মুনাফা থেকে ৩ শতাংশ নিশ্চিত লাভ পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ই-মেইলে আরও উল্লেখ করা হয়, আইসিডিডিআরবি একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ৫০১(সি)(৩) কাঠামোর আওতায় বিনিয়োগ করছাড়ের সুবিধা পাওয়া সম্ভব। প্রস্তাবদাতা এটিকে ‘১০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এমন অংশীদারিত্ব একটি ‘বড় সাফল্য’ হিসেবে ধরা যেতে পারে। এপস্টেইন ফাইলে পরে পাওয়া ১৪ জুলাই ২০১৫-এর একটি iMessage কথোপকথনে এপস্টেইন লিখেছেন, “আমি একবার চেষ্টা করেছিলাম, মনে আছে—বাংলাদেশে সাহায্য করার জন্য, কলেরা ইত্যাদি নিয়ে। পরে কোটি টাকা জড়াল, কিন্তু ফলাফল ছিল ভয়াবহ—সবই খারাপ।” নথিতে আরও দেখা যায়, ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি এপস্টেইনের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী বাংলাদেশ ও ভারতে সফর করেছিলেন, যদিও সফরের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা কার্যক্রমের বিস্তারিত উল্লেখ নেই। বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন, আইসিডিডিআরবির মতো একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নাম এপস্টেইন নথিতে উঠে আসা সংবেদনশীল ও বিব্রতকর। তবে এটি মূলত ব্যক্তিগত বা তৃতীয় পক্ষের প্রস্তাব ও যোগাযোগ, যার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমের সরাসরি সম্পর্ক প্রমাণিত নয়।