খেলাধুলা

বিশ্বকাপ না খেললে কত টাকা ক্ষতি হবে বিসিবির?

মোহাইমিনুল ইসলাম জানুয়ারী ২৩, ২০২৬ 0

নিরাপত্তার প্রশ্নে ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কারণে কেবল ক্রিকেটীয় নয়, বরং বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম এনডিটিভি এবং সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বয়কটের ফলে বিসিবির বার্ষিক আয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ ধূলিসাৎ হতে পারে।

 

আইসিসি ইভেন্ট বয়কট করলে একটি বোর্ড কী পরিমাণ আর্থিক লোকসানের শিকার হয়, তার একটি হিসাব তুলে ধরা হয়েছে:

  • ৩২০ কোটি টাকার ধাক্কা: বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করলে সম্প্রচার স্বত্ব (Broadcasting Rights), আইসিসি স্পন্সরশিপ এবং লভ্যাংশ মিলিয়ে বিসিবি আনুমানিক ২৭ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩২০ কোটি টাকা হারাতে পারে।

  • বার্ষিক আয়ের ধস: এটি বিসিবির সামগ্রিক বার্ষিক আয়ের অর্ধেকেরও বেশি। এমন আর্থিক ক্ষতি বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেট এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন প্রকল্পের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

বিসিবি ও বাংলাদেশ সরকার বারবার আইসিসিকে অনুরোধ করেছিল ভারতের মাটিতে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর হুমকির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে সাফ জানিয়ে দেয়—খেলতে হলে ভারতেই যেতে হবে।

  • মুস্তাফিজ ইস্যু: আইপিএল নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কেকেআর-এ দল পাওয়ার পরও বিসিসিআই-এর নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাটি নিরাপত্তা ইস্যুতে নতুন মাত্রা যোগ করে। এরপরই নিরাপত্তা নিয়ে আরও বেশি সোচ্চার হয় বিসিবি।

 

বাংলাদেশ যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ বয়কট করে, তবে র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী বিকল্প দল হিসেবে বিশ্বকাপে জায়গা পেতে পারে স্কটল্যান্ড। যদিও আইসিসি এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু জানায়নি। স্কটল্যান্ড ক্রিকেটের সিইও ট্রুডি লিন্ডব্লেডও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচ (তিনটি কলকাতায় ও একটি মুম্বাইয়ে) খেলার কথা ছিল। বিসিবির এই ‘না’ বলার অর্থ হলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের একচ্ছত্র আধিপত্যকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করা। লজিস্টিক ও বাণিজ্যিক কারণে আইসিসি ভারতের বাইরে ম্যাচ নিতে নারাজ হলেও, বাংলাদেশ তাদের খেলোয়াড়দের প্রাণের ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ
অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

যুক্তরাষ্ট্রে ধেয়ে আসছে বিশাল বরফ ও তুষার ঝড় — সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত থেকে কম বিপদগ্রস্ত রাজ্য

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রায় ২,০০০ মাইল দীর্ঘ এক ভয়াবহ বরফ ও তুষার ঝড় দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। আবহাওয়াবিদদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, এই ঝড়ে বরফ, তুষারপাত ও হিমশীতল বৃষ্টির সম্মিলিত প্রভাব পড়তে পারে দেশের মধ্য-পশ্চিম, দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বহু রাজ্যে। ঝড়ের আগেই শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।   CNN–এর আবহাওয়া প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঝড়ের তীব্রতা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হলেও কিছু রাজ্যে পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।   সবচেয়ে বেশি বিপদগ্রস্ত রাজ্য (High Impact) টেক্সাস (Texas) ঝড়ের সূচনা এখান থেকেই। ভারী বরফ জমে বিদ্যুৎ লাইন ভেঙে পড়া, ব্ল্যাকআউট ও মহাসড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ওকলাহোমা (Oklahoma) বরফালার সঙ্গে তীব্র ঠান্ডা। গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কা। আর্কানসাস (Arkansas) হিমশীতল বৃষ্টি ও বরফের স্তর জমে চলাচল প্রায় অচল হতে পারে। কেন্টাকি (Kentucky) মধ্য-পশ্চিম থেকে পূর্বাঞ্চলের সংযোগস্থল হওয়ায় তুষারপাত ও বরফের যুগপৎ প্রভাব পড়তে পারে। ওহাইও (Ohio) ভারী তুষার ও তীব্র ঠান্ডায় বিমান ও সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা। মাঝারি ঝুঁকির রাজ্য (Moderate Impact) টেনেসি (Tennessee) – বরফ ও তুষারের মিশ্র প্রভাব জর্জিয়া (Georgia) – বিশেষ করে উত্তর জর্জিয়ায় বরফ ঝড়ের সতর্কতা নর্থ ক্যারোলিনা (North Carolina) – হিমশীতল বৃষ্টি ও বরফ জমার ঝুঁকি সাউথ ক্যারোলিনা (South Carolina) – সীমিত এলাকায় বরফালার সম্ভাবনা ভার্জিনিয়া (Virginia) – তুষার ও ঠান্ডার প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে তুলনামূলক কম ঝুঁকির রাজ্য (Lower Impact) মেরিল্যান্ড (Maryland), ওয়াশিংটন ডিসি, পেনসিলভানিয়া (Pennsylvania), নিউ ইয়র্ক (New York), ম্যাসাচুসেটস (Massachusetts) — এসব রাজ্যে ঝড় পৌঁছালেও প্রভাব তুলনামূলক কম হতে পারে, তবে তুষারপাত ও শীতজনিত দুর্ভোগ পুরোপুরি এড়ানো যাবে না। পরিবহন ও জনজীবনে প্রভাব ঝড়ের আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন বড় বিমানবন্দরে শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সড়কে না নামার পরামর্শ দিচ্ছে। প্রস্তুতি ও সতর্কতা জরুরি খাবার, পানি ও ওষুধ মজুত রাখুন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার প্রস্তুতি নিন স্থানীয় আবহাওয়া সতর্কতা ও নির্দেশনা নিয়মিত অনুসরণ করুন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঝড় আগামী কয়েক দিন ধরে ধাপে ধাপে বিভিন্ন রাজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতির অবনতি হলে আরও জরুরি সতর্কতা জারি করা হতে পারে।

নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই দীর্ঘ ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। এ উপলক্ষে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) হওয়ায়, মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের অবকাশ উপভোগ করা সম্ভব হবে। কারণ ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার—সাপ্তাহিক ছুটি।   এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষে সরকার ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে এখানেও টানা চার দিনের ছুটি মিলছে।   প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে। নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল।   অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, বছরটিতে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি এবং ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্রবার ও শনিবারের সঙ্গে মিলেছে। এছাড়া, ২০২৬ সালে ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে।   সে অনুযায়ী মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন; হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন; খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন; বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়াতে পারে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী, সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানিরা

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়াতে পারে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী,সতর্ক করলেন বিজ্ঞানীরা স্নেইল ফিভার’ নামে পরিচিত এক ধরনের পরজীবী বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। ত্বকের ভেতর দিয়ে মানবদেহে প্রবেশ করা এই পরজীবী দীর্ঘদিন রক্তে নীরবে অবস্থান করে এবং পরে ডিম পাড়ে,যা লিভার, ফুসফুসও যৌনাঙ্গসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে জমা হতে পারে। ভয়াবহ বিষয় হলো,বছরের পর বছর শরীরে অবস্থান করলেও অনেক ক্ষেত্রে এটি শনাক্তই নাও হতে পারে। শামুকের মাধ্যমে ছড়ানোএ পরজীবীর কারণেই রোগটির নামকরণ করা হয়েছে স্নেইল ফিভার।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, রোগটি এখন বৈশ্বিক উদ্বেগে পরিণত হয়েছে। কারণ পরজীবীটির গঠন ও বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন ঘটছে, যার ফলে এটি নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন এক সময়ে এই সতর্কবার্তা এলো,যখন৩০ জানুয়ারি ওয়ার্ল্ড নেগলেক্টেড ট্রপিক্যাল ডিজিজ ডে পালন করছে ডব্লিউএইচও।এ দিবসের লক্ষ্য হচ্ছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, পরজীবীও ছত্রাকজনিত রোগগুলোর বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো,যা সাধারণত দরিদ্র অঞ্চলের শত কোটিরও বেশি মানুষকে আক্রান্ত করে। কীভাবে ছড়ায় স্নেইল ফিভার :  এই পরজীবী বহন করে নির্দিষ্ট এক ধরনের শামুক।যেসব পানিতে ওই শামুক বসবাস করে,সেখানে পরজীবীর লার্ভা ছড়িয়ে পড়ে। কেউ যদি সেই পানিতে গোসল করেন বা সংস্পর্শে আসেন,তবে লার্ভা ত্বকের ভেতর প্রবেশ করতে পারে। পরজীবীগুলো এমন এনজাইম নিঃসরণ করে,যা ত্বক ভেদ করতে সক্ষম। দেহে প্রবেশের পর লার্ভাগুলো ধীরে ধীরে পূর্ণবয়স্ক কৃমিতে পরিণত হয় এবং রক্তনালিতে বাসা বাঁধে।স্ত্রী কৃমিগুলো ডিম পাড়ে। কিছু ডিম মল বা প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে গেলেও বহু ডিম শরীরের ভেতরের টিস্যুতে আটকে থাকে। এতে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে আশপাশের সুস্থ টিস্যুকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে বিভিন্ন অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়। বিশেষ করে তলপেট যৌনাঙ্গে ডিম জমে থাকলে ইউরোজেনিটাল স্কিস্টোসোমিয়াসিস নামের জটিল রোগ দেখা দেয়। এতে পেটব্যথা, ক্যানসার এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। চিকিৎসাওনতুন উদ্বেগ: সাধারণত অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক ওষুধে স্নেইল ফিভার চিকিৎসাযোগ্য। ডব্লিউএইচও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী—যেমন শিশু কৃষিশ্রমিকও জেলেদের প্রতি বছর এই ওষুধ গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে আসছে। তবে মালাউই লিভারপুল ওয়েলকাম ক্লিনিক্যাল রিসার্চ প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক জানেলিসা মুসায়া সতর্ক করেছেন, নতুন কিছু ধরন শনাক্ত হয়েছে, যেগুলো প্রচলিত পরীক্ষায় ধরা নাও পড়তে পারে। হাইব্রিড পরজীবীর আশঙ্কা: গবেষণায় দেখা গেছে,মানুষের শরীরের পরজীবীওপ্রাণীর শরীরের পরজীবী একে অপরের সঙ্গে মিশে ‘হাইব্রিড’ বা মিশ্র ধরন তৈরি করছে। এসব হাইব্রিড পরজীবী মানুষ ওপ্রাণী—উভয়কেই আক্রান্ত করতে পারে।মালাউইতে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, নমুনার সাত শতাংশ পরজীবীই ছিল হাইব্রিড,যা গবেষকদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। অধ্যাপক মুসায়া বলেন,এভাবে যদি প্রকৃতিতে সংক্রমণ চলতেই থাকে, তাহলে সংখ্যাটা এক সময় বেশ বড় হয়ে যাবে।তিনি আরও বলেন, গবেষণা যেহেতু নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় করা হয়েছে,এজন্য এটি হয়তো হিমশৈলের চূড়া মাত্র। শনাক্তকরণে জটিলতা: গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, হাইব্রিড পরজীবীগুলো মানুষের যৌনাঙ্গে সংক্রমণ ঘটালেও তা শনাক্ত করা কঠিন। কারণ এসব ডিম মাইক্রোস্কোপে সাধারণ পরজীবীর মতো দেখায় না। অনেক সময় উপসর্গগুলোকে যৌনবাহিত রোগ ভেবে ভুল করা হয়।চিকিৎসা না হলে বন্ধ্যত্ব, যৌনাঙ্গে ক্ষত এবং এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এপ্রসঙ্গে অধ্যাপক মুসায়া বলেন,“ভাবুন তো,কোনো নারী যদি সন্তান ধারণ করতে না পারেন... আমাদের সংস্কৃতিতে সন্তান হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সন্তান না হলে ওই নারীকে নানাভাবে কটূক্তি করেন মানুষরা। যা খারাপ এবং খুবই কষ্টের একটি রোগ। বৈশ্বিক প্রস্তুতি: ডব্লিউএইচও’র স্কিস্টোসোমিয়াসিস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রধান ডা.আমাদু গারবা জিরমে বলেন,রোগটি একটি বৈশ্বিক উদ্বেগ।তিনি জানান,কিছু দেশে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ না থাকলেও প্রাণীদের শরীরে পরজীবী রয়ে গেছে, যা ভবিষ্যতে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নতুন এই হুমকি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচও কৌশল পরিবর্তন করছে।সংস্থাটি প্রাণীদের মধ্যে রোগ নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং বিভিন্ন দেশকে হাইব্রিড পরজীবী নিয়ে আন্তর্জাতিক সতর্কবার্তা দিয়েছে। যদিও ২০০৬থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ব্যাপক ওষুধ বিতরণের ফলে সংক্রমণ ৬০শতাংশ কমেছে, তবে অর্থায়ন কমে যাওয়ায় এই অগ্রগতি হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।   প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল

Advertisement

খেলাধুলা

View more
বিশ্বকাপের সময় চলা টুর্নামেন্টে কত টাকা পাবেন মোস্তাফিজরা?

মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের এই সময়টায় তিন দলের একটি টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলবেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। বিসিবি আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট থেকে কত আয় করবেন মোস্তাফিজ-লিটনরা?   বিসিবি জানিয়েছে, বিশ্বকাপের এই এক মাসে লিটন দাসের ধূমকেতু, নাজমুল হোসেনের দুর্বার আর আকবর আলীর নেতৃত্বে মাঠে নামবে দুরন্ত একাদশ। ৫ ফেব্রুয়ারি শুরু এই টুর্নামেন্টের জন্য অনুশীলনও শুরু করেছে দলগুলো।   টি-২০ বিশ্বকাপে না যাওয়ায় ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতির কিছুটা হলেও অদম্য বাংলাদেশ টি-২০ কাপ দিয়ে পুষিয়ে দিতে চায় বিসিবি। এ জন্য ৪ ম্যাচের এই টুর্নামেন্টে শুধু ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি আর প্রাইজমানি বাবদই বিসিবি খরচ করছে ২ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।   অদম্য বাংলাদেশ টি-২০ খেলে একজন ক্রিকেটার আসলে কত টাকা পাবেন সেটা অনেকাংশেই নির্ভর করবে তার দলের সাফল্যের ওপর। এমনিতে প্রতি ম্যাচের জন্য ক্রিকেটাররা ৫০ হাজার টাকা করে পাবেন ম্যাচ ফি হিসেবে। ম্যাচ জিতলে দলগুলো পাবে আরও ১০ লাখ টাকা।   প্রতি দলে ২০ জন করে ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফের সদস্য থাকবেন। গড় হিসাবে ক্রিকেটাররা এখান থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা পাবেন। প্রথম পর্বের দুটি ম্যাচ জিতলে ২ লাখ টাকা করে পাবেন ক্রিকেটাররা। মূল আয়টা হবে যদি তারা চ্যাম্পিয়ন হন। লিগ পর্বে তিন ম্যাচ হওয়ার পর শীর্ষ দুটি দল ফাইনাল খেলবে।   যেখানে চ্যাম্পিয়ন দল প্রাইজমানি হিসেবে পাবে ১ কোটি টাকা। গড় হিসেবেও ক্রিকেটাররা ৫ লাখ টাকা করে পাবেন। অর্থাৎ কোনো ক্রিকেটার যদি চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হন, তাহলে তিনি অন্তত ৭ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। রানার্সআপ দল প্রাইজমানি হিসেবে পাবে ৪০ লাখ টাকা। গড় হিসেবে জনপ্রতি তারা পাবেন ২ লাখ। এই দলের ক্রিকেটাররা টুর্নামেন্ট থেকে অন্তত ৪ লাখ টাকা পাবেন।   এর বাইরেও ক্রিকেটারদের জন্য অর্থের ব্যবস্থা আছে—প্রতি ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়কে পুরস্কার হিসেবে ১ লাখ টাকা দেওয়া হবে। টুর্নামেন্ট সেরা ক্রিকেটার পাবেন ৫ লাখ টাকা। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক আর উইকেটশিকারির জন্য থাকবে ৩ লাখ টাকা করে।   আগামীকাল টুর্নামেন্টের প্রথম দিন লিটনের ধূমকেতু একাদশের মুখোমুখি হবে আকবরের দুরন্ত একাদশ। পরদিন নাজমুলের দুর্বারের বিপক্ষে লড়বে ধূমকেতু। ৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্বের শেষ দিনে দুর্বার ও দুরন্ত মুখোমুখি হবে। সব কটি ম্যাচই শুরু হবে সন্ধ্যা ছয়টায়। ম্যাচগুলো ছাত্ররা তাদের আইডি কার্ড দেখিয়ে ফ্রি দেখতে পারবেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0

মোস্তাফিজের গেছে ৯ কোটি, আইসিসির ক্ষতি ৬ হাজার কোটি

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আমি দেখতে চাই অশ্বিন

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড

ভারতের বিপক্ষে না খেললেও পাকিস্তানকে শাস্তি দিতে পারবে না কেন আইসিসি, বললেন সাবেক চেয়ারম্যান

জরুরি বৈঠক ডেকেছে আইসিসি
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, জরুরি বৈঠক ডেকেছে আইসিসি

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার থেকে পর্দা উঠতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। তবে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই বিশ্ব ক্রিকেটে বইছে ঝড়ের পূর্বাভাস। বাংলাদেশ দলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। পিসিবির এমন নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে চরম বিপাকে পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।   উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আজই একটি ভার্চ্যুয়াল জরুরি বোর্ড মিটিং ডেকেছে আইসিসি। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও সুপার এবং ভারতের এনডিটিভি এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, জয় শাহর নেতৃত্বাধীন আইসিসি এই মিটিংয়ে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ থেকে নিষিদ্ধ করার মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। উল্লেখ্য, বর্তমান আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পুত্র।   গত রাতে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানানো হয় যে, পাকিস্তান দল ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে ঠিকই, কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচটিতে তারা মাঠে নামবে না। পিসিবির পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ই-মেইল করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।   প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় আইসিসি জানিয়েছে, বেছে বেছে কিছু ম্যাচ বয়কট করা টুর্নামেন্টের মূল চেতনা ও মর্যাদাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করে। সংস্থাটি পিসিবিকে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। তবে আইসিসি কঠোর অবস্থান নিলে পাকিস্তানের ওপর শুধু বর্তমান বিশ্বকাপ নয়, ভবিষ্যতে আইসিসি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।   সম্ভাব্য শাস্তির তালিকায় আরও রয়েছে—পিসিবিকে বিশাল অঙ্কের আর্থিক জরিমানা করা, শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ সীমিত করা এবং পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে বিধিনিষেধ আরোপ করা। এছাড়া সম্প্রচারকারী সংস্থা ও বাণিজ্যিক অংশীদারদের বিশাল আর্থিক ক্ষতির দায়ভার পিসিবিকেই নিতে হতে পারে। এখন সবার নজর আইসিসির জরুরি সভার দিকে, যেখান থেকে পাকিস্তান ক্রিকেটের ভাগ্য নির্ধারিত হতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
পিসিবি-আইসিসি

পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে আইসিসি’র বক্তব্য

দুবাইয়ে অবস্থিত আইসিসি সদর দপ্তর | এক্স

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে না খেলার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের? যা বলছে আইসিসি

জাপানের আইচি–নাগোয়ায় হবে ২০২৬ এশিয়ান গেমস। এএফপি

জাপানে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত, ২৬টি খেলার দল পাঠাবে

বিশ্বকাপে খেলবে পাকিস্তান, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট

পাকিস্তান সরকার আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ এঅংশগ্রহণের অনুমোদন দিলেও ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান দল মাঠে নামবে না। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। আজ রোববার দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এক্স পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, পাকিস্তান সরকার আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ২০২৬ এঅংশগ্রহণের অনুমোদন দিলেও১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান দল মাঠে নামবে না। আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স স্কোয়াড থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেয়ার পর নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে বিশ্বকাপ ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।   তারা ম্যাচগুলো আরেক দেশ শ্রীলংকা সরিয়ে নেয়ার অনুরোধ করেছিল আইসিসিকে। যদিও বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থা কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা খুঁজে না পাওয়ায় বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বলেছিল।নয়তো বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার হুমকিও পেয়েছিল বাংলাদেশ,কিন্তু তারা তাদের সিদ্ধান্তে অটল ছিল।শেষ পর্যন্ত তাদেরকে সরিয়ে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করে দিয়েছে ক্রিকেটের শীর্ষ সংস্থা। এপুরোটা সময়ে পাকিস্তান বাংলাদেশের পাশে ছিল।সে সময় বোর্ড প্রধান মহসিন নাকভি জানান,তারাও বিশ্বকাপ বয়কটের চিন্তাভাবনা করছে,সবকিছু নির্ভর করছে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর। গত সোমবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যানও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। আইসিসি বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, সেই প্রেক্ষাপটেইএ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর নকভি জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি),সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে অবহিত করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ বিশ্বকাপে খেলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল পাকিস্তান। তবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের সঙ্গে নির্ধারিত ম্যাচটি বয়কট করেছে তারা।   প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0

বাংলাদেশের পাশে থেকে বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট করলো পাকিস্তান

স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিয়ে কঠোর হলো বিসিবি

ছবি: সংগৃহীত

এবার মিরপুর স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের প্রবেশে নানা বিধিনিষেধ

0 Comments