সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের হুমকিমূলক বক্তব্যে ডেমোক্র্যাটদের তীব্র সমালোচনা

Unknown প্রকাশ: এপ্রিল ৩, ২০২৬ ২:৫৭
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ইরান যুদ্ধ নিয়ে হোয়াইট হাউসে বক্তব্য দেন। ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ইরান যুদ্ধ নিয়ে হোয়াইট হাউসে বক্তব্য দেন। ছবি: রয়টার্স

ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেওয়ার’ হুমকিমূলক বক্তব্যের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টি। দলটির শীর্ষ নেতারা ট্রাম্পের ভাষণকে ‘নিন্দনীয়’, ‘ভয়াবহ’ এবং ‘অশুভ মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

 

গত বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দেন। তবে চলমান যুদ্ধের অবসান কবে হবে—সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেননি তিনি।

 

এ অবস্থায় মার্কিন সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নীতি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে বড় ধরনের ভুল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তাঁর অভিযোগ, ট্রাম্প কৌশল নির্ধারণে ব্যর্থ হচ্ছেন, মিত্রদের দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন এবং দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকটকে উপেক্ষা করছেন।

 

একই সুরে সমালোচনা করেছেন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হলেন। তিনি ট্রাম্পকে ‘বিভ্রান্ত’ আখ্যা দিয়ে বলেন, তাঁর সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ব—উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। কংগ্রেসওম্যান ইয়াসমিন আনসারি ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘অমানবিক’ উল্লেখ করে বলেন, একটি দেশের কোটি কোটি মানুষকে ধ্বংসের হুমকি দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে Council on American-Islamic Relations ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘মুসলিমবিদ্বেষী ও বর্ণবাদী’ বলে সমালোচনা করেছে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-সংকটকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের মধ্যেও অসন্তোষ বাড়ছে। এদিকে ট্রাম্প ইরানকে যুদ্ধবিরতির জন্য একাধিক সময়সীমা বেঁধে দিলেও এখনো কোনো সমঝোতা হয়নি। বরং পাল্টাপাল্টি হুমকি ও হামলার মধ্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
নিউইয়র্কে মেডিকেইডের ভুয়া বিল জমা দিয়ে ৩ লাখ ডলারের বেশি আত্মসাতের অভিযোগে ডেন্টিস্ট সুলেমান নাসিমি গ্রেপ্তার। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে স্বাস্থ্যবিমা জালিয়াতির অভিযোগে বাংলাদেশি চিকিৎসকসহ গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মেডিকেইডে না দেওয়া চিকিৎসার বিল জমা দিয়ে তিন লাখ ডলারের বেশি আত্মসাতের অভিযোগে ডেন্টিস্ট সুলেমান নাসিমিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পৃথক আরেক মামলায় রোগী পরিবহনের ভুয়া বিল দিয়ে ১৬ লাখ ডলারের বেশি আত্মসাতের ঘটনায় দোষ স্বীকার করেছেন দুই ভাই। গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল ও কম্পট্রোলারের দপ্তর পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।   অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের দপ্তর জানিয়েছে, ৪৬ বছর বয়সী নাসিমি নাসাউ কাউন্টির হিকসভিলের বাসিন্দা। কুইনসে তাঁর ‘টুথ ফ্রেশ মেডোজ’ ডেন্টাল ক্লিনিকের মাধ্যমে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত অন্তত ৩৫ জন মেডিকেইড সদস্যের নামে না দেওয়া চিকিৎসার বিল জমা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব বিলের মধ্যে রুট ক্যানাল ও দাঁতে ক্রাউন বসানোর মতো চিকিৎসাও ছিল।   তদন্তকারীদের অভিযোগ, ২০২২ সালের জুলাইয়েই ক্লিনিক বন্ধ থাকা এবং নাসিমির ইউরোপে ছুটি কাটানোর সময়ে এক লাখ ৪০ হাজার ডলারের বেশি চিকিৎসার বিল জমা দেওয়া হয়। ভুয়া বিলের কারণে কয়েকজন রোগী পরে অন্য ডেন্টিস্টের কাছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অনুমোদন পাননি। মেডিকেইডের নথিতে তাঁদের সেই চিকিৎসা আগেই দেওয়া হয়েছে বলে দেখানো ছিল।   নাসিমি ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে ৪০টি করে অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে অর্থ আত্মসাৎ, হেলথ কেয়ার জালিয়াতি ও মিথ্যা নথি জমা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। মামলার অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।    অন্যদিকে নিউইয়র্কের ক্লিফটন পার্কের বাসিন্দা জাওয়াদ চৌধুরী ও জুনাইদ চৌধুরী রোগী পরিবহনের বিল জালিয়াতির মামলায় অ্যালবানি কাউন্টি আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন। রাজ্যের কম্পট্রোলার টমাস পি. ডিনাপোলির দপ্তর জানিয়েছে, তাঁরা আত্মসাৎ করা অর্থ পুরোপুরি ফেরত দেবেন। সাজা ঘোষণার জন্য আগামী ১৪ ডিসেম্বর তাঁদের আদালতে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে।   তদন্তে উঠে এসেছে, একই গাড়িতে একাধিক রোগী পরিবহন করেও আলাদা যাত্রার বিল দেখানো হতো। কখনো রোগী পরিবহন না করেই বিল জমা দেওয়া হয়েছে। ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে জুনাইদের এ১ রাইডসের মাধ্যমে ১০ লাখ ডলারের বেশি এবং জাওয়াদের এনওয়াই জেট ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে চার লাখ ডলারের বেশি ভুয়া দাবি জমা দেওয়া হয়। তদন্তে রাইড টু রিকভারি নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতাও পাওয়া যায়।   দেশজুড়ে হেলথ কেয়ার জালিয়াতিবিরোধী অভিযানের বিষয়ে বিচার বিভাগের ২৩ জুনের ঘোষণায় ৪৫৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার তথ্য রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৯০ জন চিকিৎসক ও অন্যান্য লাইসেন্সধারী চিকিৎসা পেশাজীবী। বিভিন্ন মামলায় মোট ৬৫০ কোটি ডলারের বেশি ভুয়া দাবির অভিযোগ আনা হয়েছে। এই হিসাব অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা; সবাইকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা নয়।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ৯:৫২
জ্বালানি ও গ্যাসোলিনের দাম বাড়ায় সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩.৭ শতাংশে পৌঁছেছে। ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানির দাম বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ! চাপে পরিবারগুলো

বাঘের হামলায় তরুণের মৃত্যুর ঘটনার ভিডিও শেয়ারের পর বাঘের সঙ্গে খেলার কৃত্রিম ভিডিও পোস্ট করে বিতর্কে ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের চিড়িয়াখানায় বাঘের হামলায় শিশুশিল্পীর মৃত্যুর পর বাঘ বশ করার এআই ভিডিও পোস্ট ট্রাম্পের

প্রযুক্তি প্রতিযোগিতার নতুন নাম ঘোষণা করলেন মেলানিয়া ট্রাম্প

এআই নিয়ে ট্রাম্পের আপত্তির পর শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতার নাম বদলালেন মেলানিয়া ট্রাম্প

বাফলো থেকে তিন শহরে সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে
বাফলো থেকে তিন শহরে সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে ব্রিজ এয়ারওয়েজ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বাফলো নায়াগ্রা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণাঞ্চলের তিন শহরে সরাসরি ফ্লাইট চালুর ঘোষণা দিয়েছে স্বল্পমূল্যের বিমান সংস্থা ব্রিজ এয়ারওয়েজ। নতুন এই রুটগুলোতে নর্থ ক্যারোলাইনার র‍্যালি-ডারহাম এবং সাউথ ক্যারোলাইনার মার্টল বিচ ও চার্লসটনে যাতায়াত করতে পারবেন যাত্রীরা। ২০২৭ সালের জুনের শেষ দিকে শুরু হবে ফ্লাইট চলাচল। এরপর জুলাইয়ের প্রথম দুই দিনে বাকি দুটি রুট চালু হবে। নতুন ফ্লাইটগুলোর টিকিট বুকিংও শুরু হয়েছে।   বিমান সংস্থাটির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, র‍্যালি-ডারহাম রুটে ফ্লাইট শুরু হবে ২০২৭ সালের ২৯ জুন। এ রুটে সপ্তাহে চার দিন—সোমবার, বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও রোববার বিমান চলাচল করবে। এরপর ১ জুলাই থেকে মার্টল বিচ রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু হবে। এ রুটে বৃহস্পতিবার ও রোববার যাতায়াতের সুযোগ থাকবে। সবশেষে ২ জুলাই চার্লসটন রুটে ফ্লাইট শুরু হবে। সেখানে সপ্তাহে সোমবার ও শুক্রবার বিমান চলবে। নতুন রুটগুলো চালু হলে বাফলো থেকে এসব শহরে যাওয়ার জন্য যাত্রীদের সরাসরি ফ্লাইটের বিকল্প বাড়বে। বিশেষ করে যারা ছুটি কাটাতে দক্ষিণ ক্যারোলাইনার সমুদ্রসৈকত এলাকায় যেতে চান, তাদের জন্য মার্টল বিচের রুটটি সুবিধাজনক হতে পারে। অন্যদিকে, র‍্যালি-ডারহাম ও চার্লসটনের সঙ্গে সরাসরি বিমান যোগাযোগ ব্যবসা, ব্যক্তিগত ভ্রমণ এবং পরিবার-পরিজনের সঙ্গে দেখা করার যাত্রাকে সহজ করতে পারে। কোন রুটে কত ভাড়া ব্রিজ এয়ারওয়েজের ঘোষণায় নতুন রুটগুলোর জন্য প্রচারমূলক একমুখী ভাড়ার তথ্যও দেওয়া হয়েছে। র‍্যালি-ডারহাম রুটে ভাড়া শুরু হচ্ছে ৪৯ ডলার থেকে। মার্টল বিচ রুটে প্রাথমিক ভাড়া ৫৯ ডলার এবং চার্লসটন রুটে ৬৯ ডলার থেকে শুরু। তবে এসব ভাড়া নির্দিষ্ট প্রচারমূলক বুকিংয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কম ভাড়ার টিকিটের শর্ত, যাত্রার তারিখ এবং আসনসংখ্যার ওপর নির্ভর করে প্রকৃত মূল্য পরিবর্তিত হতে পারে। বিমান সংস্থার প্রকাশিত শর্ত অনুযায়ী, প্রচারমূলক ভাড়াগুলো নতুন বুকিংয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং নির্ধারিত রুটে যাত্রার জন্য ২০২৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। কর ও সরকারি ফি ঘোষিত ভাড়ার অন্তর্ভুক্ত হলেও অতিরিক্ত সেবা, ভাড়া-সংক্রান্ত শর্ত ও অন্যান্য বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হতে পারে। এ কারণে টিকিট কেনার আগে নির্দিষ্ট তারিখে ভাড়া যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় ভ্রমণের পরিকল্পনা করলে আগেভাগে বুকিংয়ের মাধ্যমে উপযুক্ত ভাড়া খুঁজে নেওয়া যেতে পারে। তবে প্রচারমূলক ভাড়া সব তারিখে পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। চার্লসটনে প্রথম সরাসরি সংযোগ চার্লসটন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ১৩ অক্টোবর প্রকাশিত ঘোষণায় জানিয়েছে, বাফলো ও চার্লসটনের মধ্যে এই রুটই হবে প্রথম সরাসরি বিমান সংযোগ। ২০২৭ সালের ২ জুলাই থেকে সপ্তাহে দুই দিন ফ্লাইট চলবে। এতে পশ্চিম নিউইয়র্কের যাত্রীদের সাউথ ক্যারোলাইনার চার্লসটন অঞ্চলে যাওয়ার জন্য নতুন বিকল্প তৈরি হবে। একইভাবে চার্লসটন এলাকার বাসিন্দারাও বাফলোতে সরাসরি যাতায়াত করতে পারবেন। চার্লসটন ঐতিহাসিক স্থাপনা, উপকূলীয় আকর্ষণ ও পর্যটনকেন্দ্রের জন্য পরিচিত। নতুন রুটটি চালু হলে দুই অঞ্চলের মধ্যে পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভ্রমণের সুযোগ বাড়তে পারে। তবে নতুন সংযোগের ফলে যাত্রীসংখ্যা কতটা বাড়বে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো পূর্বাভাস প্রকাশ করা হয়নি। বাফলো বিমানবন্দরে বাড়ছে ভ্রমণের বিকল্প ব্রিজ এয়ারওয়েজ ২০২১ সালে কার্যক্রম শুরু করে। বিমান সংস্থাটি তুলনামূলক কম ভাড়ায় সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেয়। সংস্থাটির ঘোষিত নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় ২০২৭ সালে বাফলো থেকে নতুন তিনটি রুট চালুর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি শহরে সেবা বাড়ানোর কথা রয়েছে। বিমান সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের মোট ৯৫টি শহরে সেবা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। বাফলো নায়াগ্রা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নতুন রুট চালু হওয়ায় স্থানীয় যাত্রীদের সামনে আরও বেশি সরাসরি ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হবে। এত দিন যেসব যাত্রীর গন্তব্য ছিল র‍্যালি-ডারহাম, মার্টল বিচ কিংবা চার্লসটন, তাদের জন্য নতুন সূচি অনুযায়ী সরাসরি ফ্লাইট বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে ভ্রমণের আগে ফ্লাইটের দিন, টিকিটের মূল্য, লাগেজ ও পরিবর্তন-সংক্রান্ত শর্ত যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন। নতুন তিনটি রুটের টিকিট ইতিমধ্যে বুকিংয়ের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। যাত্রীরা ব্রিজ এয়ারওয়েজের ওয়েবসাইট বা অ্যাপের মাধ্যমে নির্দিষ্ট তারিখের ফ্লাইট ও ভাড়া যাচাই করতে পারবেন। সময়সূচি ও ভাড়া পরিবর্তিত হতে পারে বলে বুকিংয়ের সময় সর্বশেষ তথ্য দেখে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ৮:৪৫
নিউইয়র্কে স্পিড ক্যামেরার টিকিট চ্যালেঞ্জের নিয়ম

নিউইয়র্কে স্পিড ক্যামেরার ৫০ ডলারের টিকিট চ্যালেঞ্জ করবেন যেভাবে

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা নিয়ে উদ্বেগে বাংলাদেশি পরিবার

যুক্তরাষ্ট্রের পরিবারভিত্তিক ভিসায় পাবলিক চার্জ নিয়ে উদ্বেগ, স্পনসরের আর্থিক যোগ্যতা নিয়ে চাপে বাংলাদেশিরা

অর্থপাচারের অভিযোগে ১২০ কোটি ডলার জরিমানার মুখে ব্যাংক অব আমেরিকা

অর্থপাচার ও নিষেধাজ্ঞা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্যাংক অব আমেরিকাকে ১২০ কোটি ডলার জরিমানা

হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে নিজের সম্পদ বাড়ানোতেই ট্রাম্পের মনোযোগ, বলছে নতুন জনমত জরিপ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশের মানুষের কল্যাণের চেয়ে নিজের সম্পদ ও ব্যক্তিগত ব্যবসার স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে মনে করেন অধিকাংশ মার্কিনি। শুধু তাই নয়, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকার সময় তিনি নিজের আর্থিক সুবিধা অর্জনে অনৈতিক কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন বলেও ধারণা অনেকের। নতুন এক জনমত জরিপে উঠে এসেছে এমন চিত্র। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ১০ জনের মধ্যে ছয়জন মনে করেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হচ্ছেন এমন উপায়ে, যা বেআইনি অথবা নৈতিকতার পরিপন্থী।   অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ও নরক সেন্টার ফর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স রিসার্চের যৌথ জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে। গত ২৪ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ২ হাজার ১৪০ জন প্রাপ্তবয়স্কের মতামত নেওয়া হয়। নরকের আমেরিস্পিক প্যানেল থেকে অংশগ্রহণকারীদের নমুনা নির্বাচন করা হয়েছিল। জরিপে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থ, ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এবং দেশের স্বার্থে তাঁর মনোযোগ নিয়ে মানুষের ধারণা তুলে ধরা হয়েছে। জরিপের ফল অনুযায়ী, প্রায় ৪০ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, প্রেসিডেন্টের পদে থেকে ট্রাম্প বেআইনি কিছু করছেন। আরও ২০ শতাংশের ধারণা, তাঁর কর্মকাণ্ড অনৈতিক হলেও তা বেআইনি নয়। অন্যদিকে, ২০ শতাংশ মনে করেন, ট্রাম্প কোনো অন্যায় করছেন না। বাকি অংশের উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে মতামত দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত তথ্য তাঁদের জানা নেই। দেশের স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত ব্যবসায় বেশি গুরুত্ব জরিপে অংশ নেওয়া মানুষের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ট্রাম্প কোন বিষয়গুলোকে কতটা গুরুত্ব দিয়েছেন। উত্তরে ৫০ শতাংশের কিছু বেশি বলেছেন, ট্রাম্প নিজের ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থকে ‘অনেক বেশি’ গুরুত্ব দিয়েছেন। অন্যদিকে, দেশের স্বার্থকে একই মাত্রায় গুরুত্ব দিয়েছেন বলে মনে করেন মাত্র ২৫ শতাংশ উত্তরদাতা। নিজেদের মতো সাধারণ মানুষের স্বার্থে ট্রাম্পের যথেষ্ট মনোযোগ রয়েছে বলে মনে করেন মাত্র ১০ শতাংশ উত্তরদাতা। অর্থাৎ, জরিপে অংশ নেওয়া মানুষের বড় একটি অংশের ধারণা, প্রেসিডেন্টের অগ্রাধিকারের তালিকায় সাধারণ মানুষের কল্যাণের চেয়ে ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থ বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। ব্যবসায়িক স্বার্থের বিষয়েও একই ধরনের মনোভাব দেখা গেছে। জরিপে ৫৬ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয় মেয়াদে ফেরার পর নিজের ব্যক্তিগত ব্যবসাকে ‘অনেক বেশি’ গুরুত্ব দিয়েছেন। একইভাবে, ৫৪ শতাংশ মনে করেন, তিনি নিজের বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের ব্যবসায়িক স্বার্থকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছেন। তবে প্রায় ২৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, ট্রাম্প নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থকে খুব সামান্য গুরুত্ব দিয়েছেন অথবা একেবারেই দেননি। এই মতের সমর্থকদের মধ্যে রিপাবলিকানদের সংখ্যাও অর্ধেকের কম। ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক বিভাজন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগের ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে বড় পার্থক্য দেখা গেছে। জরিপে প্রায় ৮০ শতাংশ ডেমোক্র্যাট মনে করেন, ট্রাম্প আইন ভেঙেছেন। স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে এই ধারণা পোষণ করেন প্রায় ৩০ শতাংশ। রিপাবলিকানদের মধ্যে এ হার প্রায় ১০ শতাংশ।   ট্রাম্পের আচরণকে অনৈতিক কিন্তু বেআইনি নয় বলে মনে করেন প্রায় ২০ শতাংশ স্বতন্ত্র ভোটার ও রিপাবলিকান। ফলে তাঁর কর্মকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক বিভাজন স্পষ্ট। ডেমোক্র্যাটদের বড় অংশ যেখানে আইন ভাঙার অভিযোগ করছেন, সেখানে রিপাবলিকানদের মধ্যে এমন অভিযোগে বিশ্বাস করার প্রবণতা অনেক কম। তবে জরিপে উঠে আসা এসব মতামতকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বেআইনি কর্মকাণ্ডের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে দেখা যায় না। এগুলো মূলত প্রেসিডেন্টের আচরণ, ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে মার্কিনিদের ধারণা তুলে ধরে। ক্রিপ্টো ব্যবসা ও বিদেশি চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পদ নিয়ে বিতর্কের পেছনে তাঁর ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। গত জুনে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক আর্থিক বিবরণীতে তাঁর বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা থেকে ১০০ কোটি ডলারের বেশি আয়ের তথ্য উঠে আসে। এর মধ্যে তাঁর ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকে প্রায় ১২০ কোটি ডলার আয়ের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ব্যবসাগুলোর প্রসার ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন ট্রাম্প প্রশাসন ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে প্রেসিডেন্টের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং তাঁর ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থের মধ্যে সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে আর্থিক বিবরণীতে দেখানো আয়কে সরাসরি নিট মুনাফা হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। এ ছাড়া, ট্রাম্পের অন্যতম বড় ক্রিপ্টো উদ্যোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসে। ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ার পর এই বিনিয়োগ করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর ক্রিপ্টো ব্যবসা চীনের এক ধনকুবের প্রতিষ্ঠিত একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি সংগঠনের সহায়তাও পেয়েছে। ওই ধনকুবের যুক্তরাষ্ট্রে আইনি জটিলতায় রয়েছেন। রিয়েল এস্টেট ব্যবসাতেও ট্রাম্প পরিবারের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রথম বছরে ট্রাম্প অর্গানাইজেশন বিদেশে আটটি ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে। এসব ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এবং আর্থিক লেনদেন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনের সঙ্গে ব্যক্তিগত স্বার্থের সংঘাত তৈরি করছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। সব মিলিয়ে, জরিপের ফল ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পদ, ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালনের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে মার্কিন জনমতের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র তুলে ধরেছে। দেশের স্বার্থের তুলনায় নিজের ব্যবসাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগ এবং তাঁর আর্থিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন—দুই বিষয়ই ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে জনমতের আলোচনায় রয়েছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ৫:১৭
আটলান্টার শিক্ষাকর্মী হাসান জিহাদ ইবন কারিম

ক্যানসার ও গাড়ির আগুন থেকে বেঁচেও রোলার কোস্টারে প্রাণ  গেল জর্জিয়ার শিক্ষক জিহাদের

জিপ কোড দিয়ে অনলাইনে যাচাই করা যাবে ডেল দম্পতির ২৫০ ডলারের অনুদানের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকা যোগ্য কি না। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

আপনার সন্তানের ট্রাম্প অ্যাকাউন্টে জমা হতে পারে ২৫০ ডলার, জিপ কোড দিয়ে যাচাই করুন যোগ্যতা

ইন্দোনেশিয়ার মানুরুং পরিবারের সদস্যরা ট্রিচার কলিন্স সিনড্রোমের সঙ্গে বসবাস করছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের জীবন তুলে ধরছেন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

‘অভিশপ্ত পরিবার’ বলে দূরে সরিয়ে রাখা হতো, ইন্দোনেশিয়ার ‘টিকটিকি পরিবার’ এখন টিকটক তারকা

0 Comments