আমেরিকা

গাড়ির গতি বাড়ালে কি সত্যিই জ্বালানি খরচ কমে? গবেষণা কি বলছে!

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ১৭, ২০২৬ ৫:৫৪
গাড়ি ড্রাইভিং। ছবি:সংগৃহীত
গাড়ি ড্রাইভিং। ছবি:সংগৃহীত

গাড়ি দ্রুত চালিয়ে গন্তব্যে আগে পৌঁছানোর চেষ্টা অনেক চালকেরই অভ্যাস। তবে নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, গতিসীমা অতিক্রম করে গাড়ি চালালে জ্বালানির খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও সময় সাশ্রয় হয় খুবই সামান্য। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে পরিচালিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, অধিকাংশ চালকের ক্ষেত্রে প্রতিদিন গড়ে এক মিনিটেরও কম সময় বাঁচে। 

 

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার গবেষকরা ২০২১ সালের ১২ কোটিরও বেশি গাড়ি ভ্রমণের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ ফলাফল প্রকাশ করেছেন। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী কমিউনিকেশনস সাসটেইনেবিলিটিতে। 

 

গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্লেষণ করা ভ্রমণের ৪৩ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে অন্তত একবার গতিসীমা অতিক্রম করা হয়েছে। চালকেরা তাদের মোট ভ্রমণসময়ের প্রায় ১২ শতাংশ সময় নির্ধারিত গতিসীমার চেয়ে বেশি গতিতে গাড়ি চালিয়েছেন। 

 

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, সব চালক যদি নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলতেন, তাহলে প্রতিদিন প্রায় ৬ দশমিক ৭ মিলিয়ন গ্যালন জ্বালানি সাশ্রয় হতো। সেই সঙ্গে জ্বালানি বাবদ প্রায় ২২ মিলিয়ন ডলার খরচ কমানো সম্ভব হতো এবং প্রায় ৫৭ হাজার মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন এড়ানো যেত। এই পরিমাণ নির্গমন কমানো প্রায় ৫৫ লাখ যাত্রীবাহী গাড়ি সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার সমতুল্য। 

 

অন্যদিকে সময়ের হিসাবে লাভ খুবই সীমিত। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন গড়ে ২৮ দশমিক ৬ মাইল গাড়ি চালানো একজন চালক গতিসীমা মেনে চললে তার গন্তব্যে পৌঁছাতে গড়ে মাত্র ৫৪ সেকেন্ড বেশি সময় লাগতে পারে। 

 

গবেষণায় ক্যালিফোর্নিয়ায় বৈদ্যুতিক গাড়ির তথ্যও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, কম গতিতে চললে বৈদ্যুতিক গাড়ির শক্তি ব্যবহারের দক্ষতাও উন্নত হয়। 

 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম তুলনামূলকভাবে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এএএর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের জাতীয় গড় মূল্য প্রায় ৩ দশমিক ৯৪ ডলার। এমন পরিস্থিতিতে গতিসীমা মেনে গাড়ি চালানো চালকদের জ্বালানি ব্যয় কমানোর একটি কার্যকর উপায় হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা এবং উইসকনসিন, অঙ্গরাজ্যের কিছু অংশের একটি আবহাওয়া বা সতর্কতার মানচিত্র। ছবি:সংগৃহীত
মিনেসোটার আবহাওয়া আপডেট: টুইন সিটিজে জরুরি সতর্কতা

মিনেসোটার বিস্তীর্ণ এলাকায় দাবানলের ঘন ধোঁয়ার সঙ্গে তীব্র গরম ও আর্দ্রতা জনজীবনে ঝুঁকি তৈরি করেছে। টুইন সিটিজ মেট্রোসহ অঙ্গরাজ্যের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে বায়ুর মান অস্বাস্থ্যকর থেকে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে পৌঁছানোর পর শুক্রবার পর্যন্ত বায়ুদূষণ ও তাপমাত্রা নিয়ে পৃথক সতর্কতা জারি রেখেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।    মিনেসোটা পলিউশন কন্ট্রোল এজেন্সি জানিয়েছে, উত্তর মিনেসোটা ও দক্ষিণ কানাডার বড় দাবানল থেকে আসা ধোঁয়া অঙ্গরাজ্যের মধ্য, উত্তর-পশ্চিম, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এর প্রভাবে সূক্ষ্ম ধূলিকণার মাত্রা বেড়ে কিছু এলাকায় বায়ুর মান বিপজ্জনক এবং কিছু এলাকায় অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে ওঠে।    টুইন সিটিজসহ মধ্য মিনেসোটার জন্য বায়ুর মানসংক্রান্ত সতর্কতা শুক্রবার বেলা ১১টা পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা। মিনিয়াপোলিস, সেন্ট পল, ব্লুমিংটন, ব্রুকলিন পার্ক, ইডেন প্রেইরি, ম্যাপল গ্রোভ, প্লাইমাউথ, রোজভিল, উডবারি ও আশপাশের বেশ কয়েকটি শহর এর আওতায় রয়েছে। উত্তর-পূর্ব মিনেসোটার কিছু এলাকায় ধোঁয়ার প্রভাব আরও কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে।    জাতীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার দক্ষিণ দিকের বাতাস ও একটি শীতল ফ্রন্টের প্রভাবে টুইন সিটিজসহ মিনেসোটার বড় অংশে ধোঁয়ার ঘনত্ব ধীরে ধীরে কমতে পারে। তবে বাতাসের দিক পরিবর্তন হলে কিছু এলাকায় আবারও ধোঁয়া ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তর-পূর্ব মিনেসোটা ও পশ্চিম উইসকনসিনে এর প্রভাব তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে।    ধোঁয়ার পাশাপাশি টুইন সিটিজ মেট্রো এলাকায় শুক্রবার রাত ৯টা পর্যন্ত চরম তাপ সতর্কতা জারি রয়েছে। অ্যানোকা, কারভার, ডাকোটা, হেনেপিন, রামসি, স্কট ও ওয়াশিংটন কাউন্টিতে তাপমাত্রার অনুভূতি ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। দিনের তাপমাত্রা ৯০ ডিগ্রির ঘরে এবং রাতে ৭০ ডিগ্রির ওপরে থাকায় শরীর স্বাভাবিকভাবে ঠান্ডা হওয়ার সুযোগ কমে যাচ্ছে।    দাবানলের ধোঁয়া ও তীব্র গরম একসঙ্গে থাকায় বাইরে দীর্ঘ সময় কাজ করা বা ব্যায়াম করা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ধোঁয়ার কারণে চোখ, নাক ও গলায় জ্বালা, কাশি, বুক চাপ ধরা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। তীব্র গরমে পানিশূন্যতা, হিট এক্সহশন ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।   কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের যতটা সম্ভব ঘরের ভেতরে থাকতে, জানালা বন্ধ রাখতে এবং শীতাতপনিয়ন্ত্রণ বা ফিল্টার করা বাতাস ব্যবহার করতে বলেছে। গাড়ি চালানোর সময় বাইরের বাতাস প্রবেশের বদলে ভেতরের বাতাস পুনঃসঞ্চালনের ব্যবস্থা চালু রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাইরে যেতে হলে ভারী শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং ছায়া বা ঠান্ডা স্থানে ঘন ঘন বিরতি নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।    শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং হাঁপানি, ফুসফুস, হৃদ্‌রোগ বা ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের বাড়তি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেও শ্বাস নিতে কষ্ট, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা বুকে অস্বস্তি দেখা দিলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে যেতে হবে। হিট স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে জরুরি সহায়তার জন্য ৯১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলেছে জাতীয় আবহাওয়া দপ্তর।    শুক্রবার সন্ধ্যায় ঠান্ডা ফ্রন্ট অতিক্রমের সময় বিচ্ছিন্ন বজ্রঝড় হতে পারে। কোনো কোনো ঝড়ে শিলাবৃষ্টি ও শক্তিশালী বাতাসের আশঙ্কা রয়েছে। শনিবার তাপমাত্রা কিছুটা কমে ৮০ ডিগ্রির ঘরে নামতে পারে। তবে রোববার আবার গরম ও আর্দ্রতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং রোববার রাত থেকে সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টির সুযোগ তৈরি হতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ১৭, ২০২৬ ৬:৪২
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পাকিস্তান দিবসের সামরিক কুচকাওয়াজে শাহীন-৩ সারফেস-টু-সার্ফেস ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন দেশটির সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। ছবি:সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে পাকিস্তান

গাড়ি ড্রাইভিং। ছবি:সংগৃহীত

গাড়ির গতি বাড়ালে কি সত্যিই জ্বালানি খরচ কমে? গবেষণা কি বলছে!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি:সংগৃহীত

ট্রাম্পের নির্বাচনী জালিয়াতি নিয়ে ভাষণ মাঝপথে বন্ধ করল সিবিএস, সম্প্রচারই করল না এবিসি ও এনবিসি

দাবানলের  ধোঁয়া। ছবি: সংগৃহীত
দাবানলের ধোঁয়ায় ওয়াশিংটন ডিসির বায়ু অস্বাস্থ্যকর , ঘরে থাকার পরামর্শ

কানাডার দাবানলের ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি এবং আশপাশের মেরিল্যান্ড ও ভার্জিনিয়া অঞ্চলে পৌঁছানোয় বায়ুমানের অবনতি হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় এয়ার কোয়ালিটি অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে এবং বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।    ফক্স ৫ ডিসির আবহাওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডার অন্টারিও প্রদেশের দাবানল থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া দক্ষিণমুখী হয়ে ডিসি মহানগর এলাকায় প্রবেশ করছে। এতে আকাশে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে এবং বাতাসে ক্ষতিকর সূক্ষ্ম কণার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় বায়ুমানের অবনতি ঘটেছে।    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং হাঁপানি, হৃদ্‌রোগ বা ফুসফুসের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি। তাদের দীর্ঘ সময় বাইরে অবস্থান, দৌড়ঝাঁপ বা ভারী শারীরিক কাজ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে মানসম্মত এন৯৫ বা সমমানের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   একই সময়ে অঞ্চলটিতে তীব্র তাপপ্রবাহও বিরাজ করছে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিনের তাপমাত্রা প্রায় ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে এবং তাপমাত্রা অনুভূত হতে পারে আরও বেশি। ফলে গরম ও দূষিত বাতাস একসঙ্গে জনস্বাস্থ্যের জন্য অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি করছে।    আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সপ্তাহের শেষ দিকে বৃষ্টিপাত ও বাতাসের গতিপথ পরিবর্তন হলে ধোঁয়ার ঘনত্ব কিছুটা কমতে পারে। তবে ততক্ষণ পর্যন্ত বায়ুমানের অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।   কানাডায় বর্তমানে শতাধিক দাবানল জ্বলছে। এসব দাবানলের ধোঁয়া বাতাসের প্রবাহে ভেসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিমাঞ্চল থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে নিউইয়র্ক, শিকাগো, ডেট্রয়েট, ফিলাডেলফিয়াসহ বহু শহরে বায়ুমান ‘অস্বাস্থ্যকর’ থেকে ‘বিপজ্জনক’ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ১৭, ২০২৬ ৫:২২
'ডাকা' কর্মসূচির নবায়ন জটিলতায় বোস্টন বিমানবন্দরে আইস কর্মকর্তাদের হাতে ফ্লোরিডার নারী আটক। ছবি: সংগৃহীত

কনসার্ট দেখতে ফ্লোরিডা থেকে বোস্টনে এসে আইসের হাতে আটক নারী

২০২৯ সালের পুনর্নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই ৩ লাখ ডলারের বেশি নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ করেছেন মেয়র জোহরান মামদানি। ছবি: সংগৃহীত

২০২৯ সালের পুনর্নির্বাচনের জন্য এখনই ৩ লাখ ৪ হাজার ডলার তুললেন মেয়র মামদানি

গুলিবিদ্ধ শিশুকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি বলে জানালেন চিকিৎসকরা। ছবি: সংগৃহীত

গুলিতে ২ বছরের শিশুর মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ ক্যালিফোর্নিয়া, তদন্তে পুলিশ

ইটন অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের ৩১ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিল সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া এডিসন। ছবি: গেটি ইমেজস
দাবানলে ক্ষতিগ্রস্তদের ৩১ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দিল ক্যালিফোর্নিয়ার এই বিদ্যুৎ সংস্থা!

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ ‘ইটন অগ্নিকাণ্ডে’ ক্ষতিগ্রস্তদের নিজেদের বিশেষ ক্ষতিপূরণ কর্মসূচির আওতায় ৩১ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বেশি অর্থ প্রদান করেছে ইউটিলিটি কোম্পানি ‘সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া এডিসন’। এই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে ৯ হাজার ৪০০টিরও বেশি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং প্রায় ১ হাজার ১০০টি ভবন আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ৯ মাস পর কোম্পানিটি এই দাবানল পুনরুদ্ধার ক্ষতিপূরণ কর্মসূচি চালু করেছিল।   সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া এডিসন জানিয়েছে, এই ক্ষতিপূরণের অর্থ ২ হাজার ১০০ জনেরও বেশি আবেদনকারীর মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে। এর মধ্যে একাধিক সম্পত্তির মালিক এমন এক ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১ কোটি ৫১ লাখ ডলার এবং অগ্নিকাণ্ডে সরাসরি আগুনে না পুড়লেও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এক ভাড়াটেকে সর্বনিম্ন ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে।   কোম্পানিটির মূল প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট ও সিইও পেড্রো পিজারো বলেন, "প্রতিটি দাবির পেছনে একজন ব্যক্তি, পরিবার বা ব্যবসা রয়েছে যা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।" কোম্পানিটি মোট ৭৪ কোটি ৩০ লাখ ডলারের ২ হাজার ১০০টিরও বেশি প্রস্তাব পাঠিয়েছে এবং অর্থ পাওয়া গ্রাহকদের ওপর চালানো এক জরিপে ৮২ শতাংশ মানুষ এই কর্মসূচির প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।   তবে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিনিধিত্বকারী আইনি সংস্থা ‘এলএ ফায়ার জাস্টিস’-এর অ্যাটর্নি ডগ বক্সার দাবি করেছেন, আবেদনকারীরা তাদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের মাত্র অর্ধেক পাচ্ছেন। তিনি বলেন, "অগ্নিকাণ্ডের পর মানুষ মামলা করার চেয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই খোঁজা নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকে। কোম্পানিটি মূলত এমন অসহায় মানুষদের সুযোগ নিচ্ছে যাদের মাথা গোঁজার জন্য এখনই কিছু অর্থের জরুরি প্রয়োজন।"   এই ক্ষতিপূরণ কর্মসূচির আওতায় আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। তবে অর্থ গ্রহণ করলে আবেদনকারীরা ইউটিলিটি কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবেন না। সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া এডিসন এই অগ্নিকাণ্ডের জন্য নিজেদের দায় স্বীকার করেনি এবং জানিয়েছে যে এই ক্ষতিপূরণ দেওয়া কোনো অপরাধ স্বীকার করা নয়।   এদিকে ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ড সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া এডিসনের যন্ত্রপাতির ত্রুটির কারণে লেগেছে দাবি করে ভুক্তভোগী, লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি এবং মার্কিন বিচার বিভাগ বেশ কয়েকটি মামলা করেছে। জবাবে সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া এডিসনও লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টিসহ অন্যান্য সংস্থার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করে দাবি করেছে যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো দায়িত্বশীল আচরণ করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক কমানো যেত।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: জুলাই ১৭, ২০২৬ ২:৫০
সাউথ ট্রায়ন এবং স্টিল ক্রিক রোডের সংযোগস্থলের গোলচত্বরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরেকটি গাড়ির মারাত্মক দুর্ঘটনা। ছবি: সংগৃহীত

রাস্তার এক গোলচত্বরেই একের পর এক দুর্ঘটনা! চরম আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নর্থ ক্যারোলাইনার বাসিন্দাদের

জরুরি সেবাকর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই ১০ বছর বয়সী ওই শিশুকে মৃত ঘোষণা। ছবি: সংগৃহীত

ইন্ডিয়ানায় গুলিবর্ষণে প্রান গেল  ১০ বছরের শিশুর, ব্যর্থ জরুরি সেবাকর্মীরা

সরকারি সুবিধার ওপর নির্ভরশীল অভিবাসীদের গ্রিন কার্ড দেবে না ট্রাম্প প্রশাসন। ছবি: সংগৃহীত

সরকারি সহায়তা নিলে মিলতে নাও পারে গ্রিন কার্ড, পুরোনো যে  নিয়ম ফিরিয়ে আনছে ট্রাম্প প্রশাসন

0 Comments