সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

দাবানলের ধোঁয়ায় ওয়াশিংটন ডিসির বায়ু অস্বাস্থ্যকর , ঘরে থাকার পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ১৭, ২০২৬ ৫:২২
দাবানলের  ধোঁয়া। ছবি: সংগৃহীত
দাবানলের ধোঁয়া। ছবি: সংগৃহীত

কানাডার দাবানলের ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি এবং আশপাশের মেরিল্যান্ড ও ভার্জিনিয়া অঞ্চলে পৌঁছানোয় বায়ুমানের অবনতি হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় এয়ার কোয়ালিটি অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে এবং বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। 

 

ফক্স ৫ ডিসির আবহাওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডার অন্টারিও প্রদেশের দাবানল থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া দক্ষিণমুখী হয়ে ডিসি মহানগর এলাকায় প্রবেশ করছে। এতে আকাশে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে এবং বাতাসে ক্ষতিকর সূক্ষ্ম কণার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় বায়ুমানের অবনতি ঘটেছে। 

 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং হাঁপানি, হৃদ্‌রোগ বা ফুসফুসের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি। তাদের দীর্ঘ সময় বাইরে অবস্থান, দৌড়ঝাঁপ বা ভারী শারীরিক কাজ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে মানসম্মত এন৯৫ বা সমমানের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

একই সময়ে অঞ্চলটিতে তীব্র তাপপ্রবাহও বিরাজ করছে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিনের তাপমাত্রা প্রায় ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে এবং তাপমাত্রা অনুভূত হতে পারে আরও বেশি। ফলে গরম ও দূষিত বাতাস একসঙ্গে জনস্বাস্থ্যের জন্য অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি করছে। 

 

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সপ্তাহের শেষ দিকে বৃষ্টিপাত ও বাতাসের গতিপথ পরিবর্তন হলে ধোঁয়ার ঘনত্ব কিছুটা কমতে পারে। তবে ততক্ষণ পর্যন্ত বায়ুমানের অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

কানাডায় বর্তমানে শতাধিক দাবানল জ্বলছে। এসব দাবানলের ধোঁয়া বাতাসের প্রবাহে ভেসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিমাঞ্চল থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে নিউইয়র্ক, শিকাগো, ডেট্রয়েট, ফিলাডেলফিয়াসহ বহু শহরে বায়ুমান ‘অস্বাস্থ্যকর’ থেকে ‘বিপজ্জনক’ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি রয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
রাইড বুক করে পিছন থেকে ১১ বার ছুরিকাঘাত করে গাড়ি ছিনতাই করার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে
রাইড বুক করে পিছন থেকে ১১ বার ছুরিকাঘাত করে গাড়ি ছিনতাই করার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনায় এক লিফট চালককে ১১ বার ছুরিকাঘাত করে তার গাড়ি ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত নাজিহা ওয়েদারঅলকে জামিন দেননি আদালত।   গ্রিনভিল কাউন্টির আদালতের নথি অনুযায়ী, গত ২২ এপ্রিল এ ঘটনা ঘটে। ওয়েদারঅলের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, গাড়ি ছিনতাই এবং সহিংস অপরাধে অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।   শুক্রবারের জামিন শুনানিতে প্রসিকিউটররা ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেন। তাদের দাবি, লিফট চালক নিজের কাজ করছিলেন, এমন সময় অভিযুক্ত তাকে ১১ বার ছুরিকাঘাত করেন এবং পরে তার গাড়ি নিয়ে চলে যান।   আহত চালকের স্ত্রী আদালতে উপস্থিত হয়ে বলেন, তার স্বামী এখনো ওই ঘটনার মানসিক আঘাত কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তিনি বলেন, কাজ করার সময় এমন হামলার শিকার হওয়ায় পরিবারের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও তারা উদ্বিগ্ন।   তবে অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, ঘটনার সময় ওয়েদারঅল তীব্র মানসিক সংকটের মধ্যে ছিলেন। তার মধ্যে সন্দেহপ্রবণতা তৈরি হয়েছিল এবং তিনি বিশ্বাস করছিলেন, কেউ তাকে নজরদারি করছে ও ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।   আইনজীবীর ভাষ্য, ওয়েদারঅল পুলিশকে নিজের আশঙ্কার কথা জানাতে লিফট ডেকেছিলেন। কিন্তু গাড়িতে ওঠার পর তার মানসিক সংকট আরও বেড়ে যায়। তিনি নিজেকে পাচারের শিকার বলেও বিশ্বাস করছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।   আদালতে প্রতিরক্ষা পক্ষ জানায়, ওয়েদারঅলের আগে কোনো অপরাধের অভিযোগ ছিল না। বর্তমানে তিনি ওষুধ গ্রহণ করছেন, স্থিতিশীল রয়েছেন এবং চিকিৎসার জন্য একটি প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে তার পরিবারের সদস্য ও সমাজকর্মীরা প্রস্তুত।   ওয়েদারঅলের মা আদালতে চালকের পরিবারের কাছে ক্ষমা চান। একই সঙ্গে মেয়ের মানসিক অবস্থার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ করেন।   আদালতের নথি অনুযায়ী, জুনে ওয়েদারঅলের মানসিক সক্ষমতা যাচাই ও পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে শুক্রবার বিচারক তার জামিন আবেদন নাকচ করে দেন। আগামী সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়ন পর্যন্ত তাকে কারাগারেই রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   এদিকে লিফট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং তদন্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা হচ্ছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, আহত চালক ও তার পরিবারের সহায়তাকে তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছে।   সূত্র: Fox News Digital, FOX Carolina ও আদালতের নথি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৩১, ২০২৬ ১৮:৩৫
যুক্তরাষ্ট্রে ভোট জালিয়াতি তদন্তে বড় অভিযান

যুক্তরাষ্ট্রে ভোট জালিয়াতি তদন্তে বড় অভিযান, ক্যালিফোর্নিয়াসহ টার্গেটে ৯ অঙ্গরাজ্য

কর্ণাটকের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী বাসবরাজ রায়ারেড্ডি।ছবি: সংগৃহীত

‘ইসলাম অন্য ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’—কর্ণাটকের মন্ত্রীর মন্তব্যে পদত্যাগ দাবি বিজেপির

৫ দিনে উদ্ধার ১৬৩ নিখোঁজ শিশু

ফ্লোরিডায় শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভয়ংকর তথ্য: ৫ দিনে উদ্ধার ১৬৩ নিখোঁজ শিশু

সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক
মার্কিন বিচারকের রায়ে সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক ধসের ১৭১ কোটি ডলারের দাবি খারিজ

সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকের ধসের ঘটনায় ব্যাংকটির সাবেক মূল কোম্পানির করা ১ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারের দাবি খারিজ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক ফেডারেল বিচারক। রায়ে বলা হয়েছে, ব্যাংকটির সাবেক কর্মকর্তাদের ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের দায় এড়াতে পারবে না মূল কোম্পানি।   শুক্রবার দেওয়া ২০৬ পৃষ্ঠার রায়ে ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক বেথ ল্যাবসন ফ্রিম্যান বলেন, সুদের হার বাড়ার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকের কর্মকর্তারা দীর্ঘমেয়াদি সরকারি বন্ড ও মর্টগেজ-ব্যাকড সিকিউরিটিজে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন। এতে ব্যাংকটির কয়েক বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়।   আদালতের তথ্য অনুযায়ী, এসব সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাংকটির প্রায় ৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি স্থির সুদের সিকিউরিটিজে বিনিয়োগের কারণে প্রায় ৪ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।   রায়ে বিচারক ফ্রিম্যান বলেন, ব্যাংক পরিচালনায় যে ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তার পরিণতি মূল কোম্পানিকেই বহন করতে হবে। ফলে সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকের মূল কোম্পানির উত্তরসূরি এসভিবি ফাইন্যান্সিয়াল ট্রাস্ট এফডিআইসির কাছ থেকে ১ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার আদায়ের দাবি করতে পারবে না।   ২০২৩ সালের মার্চে সুদের হার বৃদ্ধির ধাক্কায় ব্যাংকটির বিনিয়োগ পোর্টফোলিওতে বড় ধরনের লোকসান হয়। এরপর গ্রাহকদের মধ্যে অর্থ তুলে নেওয়ার হিড়িক শুরু হলে সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকের পতন ঘটে। তখন ব্যাংকটির সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ২০৯ বিলিয়ন ডলার।   সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকের পতনের পর ২০২৩ সালে আরও দুটি বড় মার্কিন ব্যাংক - সিগনেচার ব্যাংক ও ফার্স্ট রিপাবলিক ব্যাংক - ধসে পড়ে। এদিকে ব্যাংকটির সাবেক প্রধান নির্বাহী গ্রেগরি বেকারসহ ১৭ জন সাবেক কর্মকর্তা ও পরিচালকের বিরুদ্ধে পৃথক আইনি পদক্ষেপও নিয়েছে এফডিআইসি।   সোর্স: Reuters, আদালতের রায় ও সংশ্লিষ্ট নথি।

বায়জিদ হাসান প্রকাশ: আগস্ট ৩১, ২০২৬ ১৫:১৯
জাল গ্রিন কার্ড রাখার দায়ে দুইজন দোষী সাব্যস্ত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাসে অভিবাসন জালিয়াতি, জাল গ্রিন কার্ড রাখার দায়ে দুইজন দোষী সাব্যস্ত

বেসবল খেলার মাঠে ১১ বছর বয়সী জিওভান্নি ক্রুজ। ছবি: সংগৃহীত

বেসবল খেলতে খেলতেই বুকে-পিঠে তীব্র ব্যথা, ১১ বছরের শিশুর বিরল রোগ শনাক্ত

ক্যালিফোর্নিয়ায় দত্তক নেওয়া ব্যক্তিদের নিজেদের আসল জন্মসনদ পাওয়ার সুযোগ দিতে নতুন আইন পাসের দাবি উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত

জন্মসনদ পাওয়ার দাবিতে ক্যালিফোর্নিয়ার দত্তক নেওয়া ব্যক্তিদের লড়াই, আইন পাসের আবেদন

লেবার ডে ছুটির আগে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে নিয়মিত গ্যাসোলিনের গড় দাম গ্যালনপ্রতি ৪ ডলার ১৭ সেন্টে পৌঁছেছে। ছবি: সংগৃহীত
লেবার ডে ছুটির আগে মিশিগানে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম, চড়া খরচের আশঙ্কা!

লেবার ডে ছুটির আগে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে জ্বালানির গড় দাম গ্যালনপ্রতি ১ সেন্ট বেড়েছে। এএএ-এর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, মিশিগানে নিয়মিত গ্যাসোলিনের গড় দাম এখন গ্যালনপ্রতি ৪ ডলার ১৭ সেন্ট। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার জ্বালানির দাম ৮৪ সেন্ট বেশি।   এএএ-এর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহের তুলনায় দাম সামান্য বাড়লেও এক মাস আগের তুলনায় মিশিগানে গ্যাসের গড় দাম গ্যালনপ্রতি ১১ সেন্ট কম। তবে গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকায় লেবার ডে ছুটিতে সড়কপথে ভ্রমণকারীদের জ্বালানি খরচ বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   বর্তমান গড় দামে মিশিগানে ১৫ গ্যালনের একটি গাড়ির জ্বালানি ট্যাংক পূরণ করতে প্রায় ৬২ ডলার খরচ হচ্ছে। এএএ-এর হিসাবে, গত বছরের লেবার ডেতে অঙ্গরাজ্যটিতে গ্যাসোলিনের গড় দাম ছিল গ্যালনপ্রতি ৩ ডলার ৩০ সেন্ট।   অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানির দামে পার্থক্য রয়েছে। এ সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি গড় দাম রয়েছে জ্যাকসনে, যেখানে গ্যালনপ্রতি দাম ৪ ডলার ২৬ সেন্ট। এরপর অ্যান আর্বারে ৪ ডলার ২২ সেন্ট এবং ল্যান্সিংয়ে ৪ ডলার ২০ সেন্ট।   অন্যদিকে, তুলনামূলক কম দামের এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে মারকেটে, যেখানে গ্যালনপ্রতি গড় দাম ৩ ডলার ৯৯ সেন্ট। ট্রাভার্স সিটিতে গড় দাম ৪ ডলার ৪ সেন্ট এবং ফ্লিন্টে ৪ ডলার ৭ সেন্ট।   এএএ বলছে, লেবার ডে ছুটির আগে মিশিগানে গ্যাসের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও গত বছরের তুলনায় এবার চালকদের পাম্পে বেশি অর্থ খরচ করতে হবে। ফলে ছুটির সময়ে সড়কপথে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা চালকদের জ্বালানি ব্যয় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মিশিগান প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ৩১, ২০২৬ ১২:৩
সনি মিউজিক এন্টারটেইনমেন্টের সাথে ১৮ মিলিয়ন ডলারের রয়্যালটি বিরোধের অবসান হওয়ায় ফেডারেল মামলা প্রত্যাহার করেছেন জারমেইন ডুপ্রি। ছবি: সংগৃহীত

সনি মিউজিকের সঙ্গে ১৮ মিলিয়ন ডলারের রয়্যালটি বিরোধ মিটল, মামলা প্রত্যাহার জারমেইন ডুপ্রির

যুক্তরাষ্ট্রে ডাটা সেন্টার নির্মাণের বিরোধিতা করলে সেসব সম্প্রদায় অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

‘ডাটা সেন্টারের বিরোধিতা করলে দরিদ্র হবে আমেরিকানরা!’ ট্রাম্পের কড়া সতর্কবার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে সশস্ত্র ডাকাতির সময় গুলিতে নিহত বাংলাদেশি শাহেদ রানা মহসিনের জানাজা মঙ্গলবার ব্রুকলিনে অনুষ্ঠিত হবে। ছবি: সংগৃহীত

টেনেসিতে গুলিতে নিহত বাংলাদেশি শাহেদ রানার জানাজা মঙ্গলবার ব্রুকলিনে

0 Comments