আমেরিকা

কনসার্ট দেখতে ফ্লোরিডা থেকে বোস্টনে এসে আইসের হাতে আটক নারী

ফ্লোরিডা প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ১৭, ২০২৬ ৫:৮
'ডাকা' কর্মসূচির নবায়ন জটিলতায় বোস্টন বিমানবন্দরে আইস কর্মকর্তাদের হাতে ফ্লোরিডার নারী আটক। ছবি: সংগৃহীত
'ডাকা' কর্মসূচির নবায়ন জটিলতায় বোস্টন বিমানবন্দরে আইস কর্মকর্তাদের হাতে ফ্লোরিডার নারী আটক। ছবি: সংগৃহীত

ফ্লোরিডা থেকে বোস্টনে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নোয়া কাহানের কনসার্ট দেখতে আসা এক নারী ফেরার পথে বোস্টনের লোগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইস) কর্মকর্তাদের হাতে আটক হয়েছেন। তার আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে তিনি ম্যাসাচুসেটসের বার্লিংটনে আইসের একটি আটককেন্দ্রে রয়েছেন। 

 

আটক হওয়া ৩২ বছর বয়সী মারিয়া রোসালেস যুক্তরাষ্ট্রে চার বছর বয়সে কলম্বিয়া থেকে আসেন এবং ফ্লোরিডায় বেড়ে ওঠেন। তার আইনজীবী টড পোমারলোর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডিফার্ড অ্যাকশন ফর চাইল্ডহুড অ্যারাইভালস (ডাকা) কর্মসূচির সুবিধাভোগী ছিলেন। তবে তার ডাকা নবায়নের আবেদন ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অপেক্ষমাণ রয়েছে।

 

আইনজীবী জানান, গত সপ্তাহে বাড়ি ফেরার জন্য বিমানে ওঠার সময় বিমানবন্দরে অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে আটক করেন। তার দাবি, ২০১৭ সালের একটি বহিষ্কার আদেশ সম্পর্কে রোসালেস আগে অবগত ছিলেন না। ওই আদেশটি নিউ মেক্সিকোতে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্বের একটি ঘটনার জেরে জারি হয়েছিল বলে তিনি জানান। 

 

ঘটনার পর রোসালেসের আটকাদেশ চ্যালেঞ্জ করে আদালতে হেবিয়াস করপাস আবেদন করেন তার আইনজীবী। পরে ম্যাসাচুসেটসের একটি ফেডারেল আদালত জরুরি আদেশ দিয়ে মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে রাজ্যের বাইরে স্থানান্তর না করার নির্দেশ দেন। 

 

রোসালেস পেশায় একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সহকারী। পাশাপাশি তিনি ফ্লোরিডাভিত্তিক একটি ইনডোর কালার গার্ড দলের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেন। তার বন্ধু ও সহকর্মীরা আদালতে পাঠানো সমর্থনপত্রে তাকে পরিশ্রমী ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত একজন ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। 

 

এ ঘটনায় আইস তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেনি। তবে রোসালেসের আইনজীবী জানান, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে লোগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিবাসন-সংক্রান্ত কারণে একাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার দাবি, এসবের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ ছিল না।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
গাড়ি ড্রাইভিং। ছবি:সংগৃহীত
গাড়ির গতি বাড়ালে কি সত্যিই জ্বালানি খরচ কমে? গবেষণা কি বলছে!

গাড়ি দ্রুত চালিয়ে গন্তব্যে আগে পৌঁছানোর চেষ্টা অনেক চালকেরই অভ্যাস। তবে নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, গতিসীমা অতিক্রম করে গাড়ি চালালে জ্বালানির খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও সময় সাশ্রয় হয় খুবই সামান্য। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে পরিচালিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, অধিকাংশ চালকের ক্ষেত্রে প্রতিদিন গড়ে এক মিনিটেরও কম সময় বাঁচে।    যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার গবেষকরা ২০২১ সালের ১২ কোটিরও বেশি গাড়ি ভ্রমণের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ ফলাফল প্রকাশ করেছেন। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী কমিউনিকেশনস সাসটেইনেবিলিটিতে।    গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্লেষণ করা ভ্রমণের ৪৩ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে অন্তত একবার গতিসীমা অতিক্রম করা হয়েছে। চালকেরা তাদের মোট ভ্রমণসময়ের প্রায় ১২ শতাংশ সময় নির্ধারিত গতিসীমার চেয়ে বেশি গতিতে গাড়ি চালিয়েছেন।    গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, সব চালক যদি নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলতেন, তাহলে প্রতিদিন প্রায় ৬ দশমিক ৭ মিলিয়ন গ্যালন জ্বালানি সাশ্রয় হতো। সেই সঙ্গে জ্বালানি বাবদ প্রায় ২২ মিলিয়ন ডলার খরচ কমানো সম্ভব হতো এবং প্রায় ৫৭ হাজার মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন এড়ানো যেত। এই পরিমাণ নির্গমন কমানো প্রায় ৫৫ লাখ যাত্রীবাহী গাড়ি সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার সমতুল্য।    অন্যদিকে সময়ের হিসাবে লাভ খুবই সীমিত। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন গড়ে ২৮ দশমিক ৬ মাইল গাড়ি চালানো একজন চালক গতিসীমা মেনে চললে তার গন্তব্যে পৌঁছাতে গড়ে মাত্র ৫৪ সেকেন্ড বেশি সময় লাগতে পারে।    গবেষণায় ক্যালিফোর্নিয়ায় বৈদ্যুতিক গাড়ির তথ্যও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, কম গতিতে চললে বৈদ্যুতিক গাড়ির শক্তি ব্যবহারের দক্ষতাও উন্নত হয়।    এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম তুলনামূলকভাবে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এএএর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের জাতীয় গড় মূল্য প্রায় ৩ দশমিক ৯৪ ডলার। এমন পরিস্থিতিতে গতিসীমা মেনে গাড়ি চালানো চালকদের জ্বালানি ব্যয় কমানোর একটি কার্যকর উপায় হতে পারে।

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ১৭, ২০২৬ ৫:৫৪
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি:সংগৃহীত

ট্রাম্পের নির্বাচনী জালিয়াতি নিয়ে ভাষণ মাঝপথে বন্ধ করল সিবিএস, সম্প্রচারই করল না এবিসি ও এনবিসি

দাবানলের  ধোঁয়া। ছবি: সংগৃহীত

দাবানলের ধোঁয়ায় ওয়াশিংটন ডিসির বায়ু অস্বাস্থ্যকর , ঘরে থাকার পরামর্শ

'ডাকা' কর্মসূচির নবায়ন জটিলতায় বোস্টন বিমানবন্দরে আইস কর্মকর্তাদের হাতে ফ্লোরিডার নারী আটক। ছবি: সংগৃহীত

কনসার্ট দেখতে ফ্লোরিডা থেকে বোস্টনে এসে আইসের হাতে আটক নারী

২০২৯ সালের পুনর্নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই ৩ লাখ ডলারের বেশি নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ করেছেন মেয়র জোহরান মামদানি। ছবি: সংগৃহীত
২০২৯ সালের পুনর্নির্বাচনের জন্য এখনই ৩ লাখ ৪ হাজার ডলার তুললেন মেয়র মামদানি

নিউইয়র্ক সিটির পরবর্তী মেয়র নির্বাচন এখনো কয়েক বছর দূরে। তবে ২০২৯ সালের পুনর্নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই তহবিল সংগ্রহ শুরু করেছেন মেয়র জোহরান মামদানি। সর্বশেষ প্রচারণা অর্থায়নের নথি অনুযায়ী, তিনি এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৪ হাজার ডলারের বেশি সংগ্রহ করেছেন, যার ৬১ শতাংশই এসেছে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বাইরে থেকে।    নিউইয়র্ক সিটি ক্যাম্পেইন ফাইন্যান্স বোর্ডে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত ছয় মাসে প্রায় ৬ হাজার দাতার কাছ থেকে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। গত এক মাসে ব্যক্তিপ্রতি অনুদানের গড় ছিল ৫২ ডলার, যা প্রচারণায় ছোট অঙ্কের অনুদানের অংশগ্রহণকে তুলে ধরে।    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সর্বোচ্চ অনুদানদাতাদের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস ও ভার্জিনিয়াসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দারাও রয়েছেন। এছাড়া বেশ কয়েকটি অনুদান নিউইয়র্ক সিটির বাইরে থেকে এসেছে।    মেয়র মামদানির প্রচারণা ব্যবস্থাপক সেলিয়া কাস্তেয়ান সিটি অ্যান্ড স্টেটকে জানান, ২০২৯ সালের নির্বাচনে মামদানি নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক ম্যাচিং ফান্ডস কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন না। এই কর্মসূচির আওতায় ২ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত অনুদান নির্দিষ্ট শর্তে সরকারি অর্থ দিয়ে ৮ গুণ পর্যন্ত সমপরিমাণে বাড়িয়ে দেওয়া হয়।    প্রচার শিবিরের দাবি, এই তহবিল সংগ্রহ সাধারণ সমর্থকদের অংশগ্রহণের প্রতিফলন। এক বিবৃতিতে সেলিয়া কাস্তেয়ান বলেন, হাজারো সাধারণ দাতার অবদানই এই প্রচারণার ভিত্তি এবং এটি প্রচলিত রাজনৈতিক অর্থায়নের বাইরে একটি জনভিত্তিক উদ্যোগের প্রতিচ্ছবি।    প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রচারণা তহবিল থেকে ইতোমধ্যে কর্মী ও পরামর্শক ব্যয়সহ বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। তবু নির্বাচন এখনও তিন বছর দূরে থাকলেও মামদানির আগাম তহবিল সংগ্রহ নিউইয়র্কের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ১৭, ২০২৬ ৪:৩৬
গুলিবিদ্ধ শিশুকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি বলে জানালেন চিকিৎসকরা। ছবি: সংগৃহীত

গুলিতে ২ বছরের শিশুর মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ ক্যালিফোর্নিয়া, তদন্তে পুলিশ

ইটন অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের ৩১ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিল সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া এডিসন। ছবি: গেটি ইমেজস

দাবানলে ক্ষতিগ্রস্তদের ৩১ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দিল ক্যালিফোর্নিয়ার এই বিদ্যুৎ সংস্থা!

সাউথ ট্রায়ন এবং স্টিল ক্রিক রোডের সংযোগস্থলের গোলচত্বরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরেকটি গাড়ির মারাত্মক দুর্ঘটনা। ছবি: সংগৃহীত

রাস্তার এক গোলচত্বরেই একের পর এক দুর্ঘটনা! চরম আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নর্থ ক্যারোলাইনার বাসিন্দাদের

জরুরি সেবাকর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই ১০ বছর বয়সী ওই শিশুকে মৃত ঘোষণা। ছবি: সংগৃহীত
ইন্ডিয়ানায় গুলিবর্ষণে প্রান গেল  ১০ বছরের শিশুর, ব্যর্থ জরুরি সেবাকর্মীরা

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের গ্যারি শহরে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ১০ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে শহরের মেরিল্যান্ড স্ট্রিটের ৪২০০ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে এবং পুলিশ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে।   গ্যারি পুলিশ জানায়, বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর প্রায় ১২টা ৫০ মিনিটে একটি শিশুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়ার খবর পেয়ে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছে জরুরি সেবাকর্মীরা শিশুটিকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।   পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং এ ঘটনায় জনসাধারণের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। তবে কী কারণে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   ঘটনার পরপরই গ্যারি পুলিশ বিভাগের প্রধান ডেরিক ক্যানন গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা, যেখানে একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন ঝরে গেছে। তিনি নিহত শিশুর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তদন্তে সহযোগিতার জন্য প্রত্যক্ষদর্শী বা তথ্য জানা ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।   সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছেন এবং সম্ভাব্য সাক্ষীদের সঙ্গে কথা বলছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে আপাতত অতিরিক্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।    উল্লেখ্য, চলতি মাসেই গ্যারি শহরে আরেকটি পৃথক গুলিবর্ষণের ঘটনায় ১০ বছর বয়সী এক ছেলে নিহত হয়েছিল। সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় শহরটিতে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৭, ২০২৬ ২:১১
সরকারি সুবিধার ওপর নির্ভরশীল অভিবাসীদের গ্রিন কার্ড দেবে না ট্রাম্প প্রশাসন। ছবি: সংগৃহীত

সরকারি সহায়তা নিলে মিলতে নাও পারে গ্রিন কার্ড, পুরোনো যে  নিয়ম ফিরিয়ে আনছে ট্রাম্প প্রশাসন

জন্মের সময় দুই নবজাতক অদলবদলের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ডাকোটার হাসপাতালের বিরুদ্ধে মামলা। ছবি: সংগৃহীত

উত্তর ডাকোটায় জন্মের ৩৬ বছর পর ফাঁস হলো রহস্য! হাসপাতালের বিরুদ্ধে পরিবারের মামলা

ফ্লোরিডা থিম পার্কের দ্বিতীয় প্রান্তিকের দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে প্রকাশ্যে এলো তিন মাস আগের দর্শনার্থীর মৃত্যুর ঘটনা। ছবি: সংগৃহীত

ডিজনির জনপ্রিয় রাইডে কী ঘটেছিল দর্শনার্থীর!  তিন মাস পর প্রকাশ্যে এলো তার মৃত্যুর তথ্য

0 Comments