আমেরিকা

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সম্মেলনে গেলে নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের পরিকল্পনা মামদানির

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৯, ২০২৬ ৩:৪৮
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তাকে গ্রেপ্তারের কোনো আইনি সুযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে শহরের আইন বিভাগের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের ‘দ্য ইন্টারভিউ’ অনুষ্ঠানে লুলু গার্সিয়া-নাভারোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মামদানি বলেন, তার প্রশাসন এ বিষয়ে আইনি দিকগুলো পর্যালোচনা করছে। তবে আইন যা অনুমতি দেবে, তার বাইরে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। 

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর জায়গা দ্য হেগে।” আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ রয়েছে এবং এ বিষয়ে অনেকেই একই ধরনের মত পোষণ করেন। 

২০২৪ সালে আইসিসি গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তবে ইসরায়েল এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আইসিসির এখতিয়ারও স্বীকার করে না। যুক্তরাষ্ট্রও আইসিসির সদস্য নয়। 

মামদানির বক্তব্যের পর বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং ইসরায়েলের প্রতিনিধিরা তার অবস্থানের সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে তারা উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য নয় এবং বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের কূটনৈতিক সুরক্ষা সংক্রান্ত ফেডারেল আইন ও জাতিসংঘ সদর দপ্তর চুক্তির বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
বিদেশি সন্ত্রাসীদের নির্বাসনে ৩০ বছরের পুরোনো গোপন আদালতে প্রথমবারের মতো আবেদন করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। ছবি: এপি
বিদেশি সন্ত্রাসী তাড়াতে ৩০ বছরের পুরনো গোপন আদালত সচল করল মার্কিন বিচার বিভাগ

যুক্তরাষ্ট্রে তথাকথিত বিদেশি সন্ত্রাসীদের নির্বাসনের জন্য মার্কিন বিচার বিভাগ ৩০ বছর আগে তৈরি একটি গোপন ও নিষ্ক্রিয় আদালতে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি আবেদন ফাইল করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন গত বুধবার এই আবেদনটি জমা দেয়। ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই বিশেষ আদালতে সরকারের পক্ষ থেকে এর আগে কখনো কোনো পিটিশন দাখিল করা হয়নি।   পাঁচ সদস্যের এই আদালতের প্রধান বিচারক জোয়ান এরিকসেন এক লিখিত আদেশে জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার এই আবেদনের ওপর একটি শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুনানিতে অভিযুক্ত ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের সাথে সরকারের দাবিকৃত সুনির্দিষ্ট আইনি ধারাগুলোর যোগসূত্র নিয়ে আদালত কিছু প্রশ্ন তুলেছে। ফেডারেল বিচারক এরিকসেন বিচার বিভাগকে আগামী বুধবারের মধ্যে এ বিষয়ে আরও অতিরিক্ত তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।   আদালতের এই বিশেষ ক্ষমতাটি ১৯৯৬ সালের একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতা থেকে এসেছে। এই আইনের অধীনে মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বা ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের সরাসরি অনুমোদনে যেকোনো সন্দেহভাজন বিদেশি সন্ত্রাসীকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য সিলমোহরযুক্ত গোপন আবেদন ফাইল করা যায়। ফেডারেল আইন অনুযায়ী, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকা, সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন বা উস্কানি দেওয়া অথবা এই ধরনের কোনো সংগঠনের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা এর আওতায় পড়েন।   আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস কর্তৃক নির্বাচিত পাঁচজন বিচারক নিয়ে এই বিশেষ আদালত গঠিত। গত তিন দশক ধরে এই আদালতে কোনো আবেদন বা শুনানি না হলেও সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র গতিতে অভিবাসী বহিষ্কার অভিযানের অংশ হিসেবে এটিকে সচল করা হলো। এই গোপন আবেদনের খবরটি প্রথম প্রকাশ করে কোর্ট ওয়াচ নামের একটি স্বাধীন সংবাদ সাইট।   এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন ১৭৯৮ সালের একটি যুদ্ধকালীন আইন ব্যবহার করে ভেনিজুয়েলার অভিবাসীদের সন্ত্রাসী গ্যাংয়ের সদস্য আখ্যা দিয়ে তাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতেই ওয়াশিংটনের বিচারক জেমস বোয়াসবার্গ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কোনো অভিবাসীকে তাড়াতে হলে এই নিষ্ক্রিয় আদালতটিই হতে পারে সরকারের আসল ফোরাম।   সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৯, ২০২৬ ১০:২০
উচ্চ মর্টগেজ সুদের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে শুধু 'বিক্রির জন্য' সাইনবোর্ড টানিয়ে এখন আর দ্রুত ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি বিক্রির নিয়ম বদলেছে, নতুন বাজারে মানতে হবে যে নির্দেশিকা

সরকারি ডিভাইসগুলো থেকে টিকটক অপসারণের আইন আর মার্কিন সংস্করণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে জানাল বিচার বিভাগ। ছবি: সংগৃহীত

মালিকানা বদলাতেই কাটল নিষেধাজ্ঞা, সরকারি ফোনেও টিকটক চালানোর অনুমতি দিল মার্কিন বিচার বিভাগ

ওয়াশিংটন পোস্টের জরিপ অনুযায়ী মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের ওপর আমেরিকানদের আস্থা সর্বনিম্ন পর্যায়ে। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি

‘আইন নয়, ট্রাম্পের নীতিতেই চলে আদালত’, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের ওপর আস্থা হারিয়েছেন অর্ধেকের বেশি মানুষ

ঘটনা স্থলে পুলিশ। ছবি:সংগৃহীত
নাইটক্লাবের সামনে সংঘর্ষের পর গুলিবর্ষণ, আহত ৯, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরের আপটাউন এলাকায় একটি নাইটক্লাবের বাইরে সংঘর্ষের জেরে গুলিবর্ষণের ঘটনায় অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুই তরুণের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।     মিনিয়াপোলিস পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রোববার রাত সাড়ে ১২টার কিছু আগে ২৯তম স্ট্রিট ও হেনেপিন অ্যাভিনিউয়ের কাছে অবস্থিত রেইন ইভেন্ট সেন্টারের বাইরে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির মধ্যে একটি মারামারি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি গুলিবর্ষণে রূপ নেয়।     ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ চারজন গুলিবিদ্ধকে উদ্ধার করে। পরে আরও পাঁচজন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গেলে আহতের সংখ্যা বেড়ে নয়জনে দাঁড়ায়।     পুলিশ জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে ২০ বছর ও ২১ বছর বয়সী দুই তরুণ গুরুতর গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং তাদের অবস্থা জীবনসংকটাপন্ন। বাকি সাতজনের মধ্যে সাতজন পুরুষ ও দুইজন নারী রয়েছেন। তাদের বয়স ১৮ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে এবং অধিকাংশই বিশের কোঠার তরুণ-তরুণী। চিকিৎসকদের মতে, তাদের সবার প্রাণহানির আশঙ্কা নেই।     ঘটনার পর রোববার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। মিনিয়াপোলিস পুলিশ জানিয়েছে, এটি চলন্ত গাড়ি থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনা ছিল কি না, সেটিসহ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।     ঘটনার কারণ, জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং গুলিবর্ষণের সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মিনিয়াপোলিস পুলিশ বিভাগ।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ১৯, ২০২৬ ৯:৩৬
আটককৃত আসামি। ছবি:সংগৃহীত

৩২ বছর পালিয়ে থাকার পর ধরা পড়ল ২৪৭ বছরের কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি

মৃত্যু হওয়া ৫ জন। ছবি:সংগৃহীত

ঘুরতে গিয়ে আর ফেরা হলো না, আকস্মিক বন্যায় প্রাণ হারাল একই পরিবারের ৫ জন

আবহাওয়ার গ্রাফিক্স। ছবি:সংগৃহীত

এক সপ্তাহে ৮৩ ভূমিকম্পে কাঁপল ইরান, পরমাণু পরীক্ষা?

প্রতিকী। ছবি:সংগৃহীত
বিমার টাকার লোভে বিছানায় বিষধর সাপ ছেড়ে স্বামীকে হত্যা!

ভারতের উত্তর প্রদেশের মীরাট জেলার হস্তিনাপুরে ২০ লাখ রুপির জীবনবিমার অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে স্বামীকে বিষধর সাপ দিয়ে হত্যার অভিযোগে এক নারী, তার কথিত প্রেমিক এবং সাপ সরবরাহের অভিযোগে আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে দাবি করা হয়েছে, পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথমে স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়, এরপর তার কম্বলের ভেতরে একটি বিষধর সাপ ছেড়ে দেওয়া হয়।   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত অতুল পাওয়ারের বয়স ৩২ বছর। তার স্ত্রী ৩০ বছর বয়সী দামিনি পাওয়ার এবং কথিত প্রেমিক ৩৪ বছর বয়সী তুষার কুমার মিলে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ঘটনার সময় দামিনি তাদের ছয় বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে অন্য একটি কক্ষে চলে যান। পরে সাপের কামড়ে অতুলের মৃত্যু হয়।   ঘটনার পর দামিনি পুলিশকে জানান, শুক্রবার সকাল প্রায় ৬টার দিকে তিনি ঘরে ফিরে স্বামীকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। বিছানার ওপর একটি সাপ দেখে তিনি চিৎকার করেন। পরে অতুলকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে ঘরের ভেতরে পাওয়া সাপটিকে স্থানীয়রা পিটিয়ে মেরে ফেলে।   মীরাটের সিনিয়র পুলিশ সুপার অবিনাশ পাণ্ডে জানান, সাত বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন অতুল ও দামিনি। প্রায় তিন মাস আগে তারা একটি প্লে-স্কুল চালু করেন। সেখানে স্কুলভ্যান চালক হিসেবে নিয়োগ পান তুষার কুমার। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, তুষার ও দামিনির মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। তুষারের মোবাইল ফোনে একটি বাক্সে রাখা বিষধর সাপের ছবিও উদ্ধার করা হয়েছে।   পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে দামিনি ও তুষার হত্যার পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দামিনির অনুরোধে দুই সাপুড়ের কাছ থেকে বিষধর সাপটি সংগ্রহ করা হয়। পরিকল্পনা ছিল, অতুলের মৃত্যুর পর তার ২০ লাখ রুপির জীবনবিমার অর্থ দাবি করা হবে। এরপর তুষার তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দামিনিকে বিয়ে করবেন।   এ ঘটনায় সাপ সরবরাহের অভিযোগে সোনু কুমার ও উদয় কুমার নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চারজনের বিরুদ্ধেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩(১) ধারায় হত্যা এবং ১২৩ ধারায় বিষ, মাদক বা অচেতনকারী পদার্থ ব্যবহার করে ক্ষতি সাধনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।   টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ ঘটনাটিকে পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত করছে এবং মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

কলকাতা প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ১৯, ২০২৬ ৮:১৮
ঘটনার স্থান। ছবি:সংগৃহীত

পল শহরে ২০২৬ সালের অষ্টম হত্যাকাণ্ড, ভোরের গুলিতে কাঁপল পুরো এলাকা

ময়লার স্থান। ছবি:সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের পার্ক থেকে অপসারণ ১ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড ময়লা, মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিণত ম্যাকআর্থার পার্ক

এক ব্যক্তিকে আটক করল পুলিশ। ছবি:সংগৃহীত

ফ্লোরিডা বিড়াল খুঁজতে গিয়ে অন্ধকারে হামলার শিকার, শেষ মুহূর্তে যা করলেন নারী

0 Comments