যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের এভেশাম এলাকার ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে এক কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বার্লিংটন কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর এক আত্মীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ জানালে ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তকারীরা ভুক্তভোগী, সংশ্লিষ্ট সাক্ষী এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করেন। তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের পক্ষে তথ্য পাওয়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে মাউন্ট হলির বার্লিংটন কাউন্টি কারাগারে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর পরিচয় ও গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে নির্যাতনের সময়, স্থান, ঘটনার ধরন এবং ভুক্তভোগীর বয়সসহ বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। একই কারণে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের নির্দিষ্ট বিবরণও সীমিত রাখা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। এ ঘটনায় কারও কাছে অতিরিক্ত তথ্য থাকলে বার্লিংটন কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থায় যৌন নির্যাতনের অভিযোগের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর পরিচয় গোপন রাখা একটি প্রচলিত আইনি ও নৈতিক নীতি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে আদালতে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযুক্তের দায় নির্ধারণ করা হবে। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইনগতভাবে অভিযুক্ত নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
ফ্লোরিডার নতুন নাম পাওয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যেতে অনিচ্ছুক যাত্রীদের বিনা খরচে অন্য গন্তব্যে পাঠানোর কোনো বিশেষ নীতি চালু হয়নি বলে জানিয়েছে ইউনাইটেড এয়ারলাইনস। যাত্রীসেবা কর্মীদের কাছে পাঠানো একটি অভ্যন্তরীণ বার্তাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ার পর শুক্রবার এ অবস্থান স্পষ্ট করে মার্কিন বিমান সংস্থাটি। ভ্রমণবিষয়ক প্রকাশনা লাইভ অ্যান্ড লেটস ফ্লাইয়ের হাতে আসা ওই বার্তায় ইউনাইটেডের রিজার্ভেশন কর্মীদের বলা হয়েছিল, কোনো যাত্রী নতুন নামের বিমানবন্দরে যেতে না চাইলে কাছাকাছি ফোর্ট লডারডেল বা মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাওয়ার বিকল্প দেওয়া যেতে পারে। নির্দেশনায় টিকিট পরিবর্তনটি সমমূল্যের বিনিময় হিসেবে সম্পন্ন করার কথাও ছিল, যাতে যাত্রীকে অতিরিক্ত অর্থ দিতে না হয়। তবে ইউনাইটেড এয়ারলাইনস বলেছে, বার্তাটির ভাষা যথাযথ ছিল না এবং এতে প্রতিষ্ঠানের নীতি সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়নি। সংস্থাটির এক মুখপাত্র জানান, বিভিন্ন কারণে যাত্রীরা কোনো ফি ছাড়াই টিকিটে পরিবর্তনের সুযোগ পেতে পারেন। কিন্তু শুধু কোনো বিমানবন্দরের নাম বা তিন অক্ষরের কোড পছন্দ না হওয়ার কারণে গন্তব্য পরিবর্তনের অনুমতি ইউনাইটেডের নীতিতে নেই। এর ফলে ট্রাম্পের নামে বিমানবন্দরটির নামকরণের বিরোধিতা করা কোনো যাত্রী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিনা খরচে ফোর্ট লডারডেল কিংবা মিয়ামির ফ্লাইটে স্থানান্তরের সুযোগ পাবেন না। সাধারণ টিকিটের শর্ত, আসন খালি থাকা এবং এয়ারলাইনসের প্রচলিত পরিবর্তন নীতির ভিত্তিতেই প্রতিটি অনুরোধ বিবেচিত হবে। ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে অবস্থিত পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবর্তন করে ৯ জুলাই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করা হয়। ফ্লোরিডার আইনসভায় পাস হওয়া সংশ্লিষ্ট বিলে গভর্নর রন ডেস্যান্টিস ৩০ মার্চ অনুমোদন দেন। আইনটি ১ জুলাই কার্যকর হওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নতুন নাম চালু করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, বিমানবন্দরটির নতুন নাম অনুযায়ী তাদের চার্ট ও তথ্যভান্ডারে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে যাত্রীদের টিকিট, বোর্ডিং পাস ও লাগেজ ট্যাগে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কোড ১৮ আগস্ট পর্যন্ত পিবিআই থাকবে। এরপর আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার ব্যবহৃত কোড পরিবর্তিত হয়ে ডিজেটি হবে। নাম ও কোড পরিবর্তনের কারণে বিমানবন্দরের মালিকানা, পরিচালনা ব্যবস্থা, ফ্লাইট কিংবা যাত্রীসেবায় কোনো পরিবর্তন হবে না। পাম বিচ কাউন্টিই আগের মতো বিমানবন্দরটির নীতি, অর্থায়ন ও কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে একজন পরিবারকে মধ্যবিত্ত হিসেবে বিবেচিত হতে বছরে কমপক্ষে ৫৩ হাজার ৩২৭ ডলার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৮২ ডলার আয় করতে হবে। আর রাজ্যটির মধ্যম পারিবারিক আয় ধরা হয়েছে ৭৯ হাজার ৯৯১ ডলার। নতুন এক বিশ্লেষণে এ তথ্য প্রকাশ করেছে আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান স্মার্টঅ্যাসেট। সাভানাহ মর্নিং নিউজের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য এবং দেশের ১০০টি বৃহত্তম শহরের আয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে। গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৪ সালের এক বছরের আমেরিকান কমিউনিটি সার্ভের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি মধ্যবিত্তের সংজ্ঞা নির্ধারণে পিউ রিসার্চ সেন্টারের মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জর্জিয়ার রাজধানী আটলান্টায় মধ্যবিত্ত হিসেবে বিবেচিত হতে বার্ষিক আয় হতে হবে অন্তত ৫৮ হাজার ৭৭৭ ডলার। এই শহরে মধ্যবিত্ত আয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩০ ডলার এবং মধ্যম পারিবারিক আয় ৮৮ হাজার ১৬৫ ডলার। বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, মধ্যবিত্ত হওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি আয়ের প্রয়োজন ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে। সেখানে বছরে অন্তত প্রায় ৬৯ হাজার ৮৮৫ ডলার আয় করতে হয়। অন্যদিকে সবচেয়ে কম আয়ের প্রয়োজন মিসিসিপিতে, যেখানে মধ্যবিত্তের সর্বনিম্ন সীমা ৪০ হাজার ডলারের কিছু বেশি। স্মার্টঅ্যাসেট জানিয়েছে, মধ্যবিত্ত আয়ের সীমা নির্ধারণে প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের মধ্যম পারিবারিক আয়কে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে। সেই মধ্যম আয়ের দুই-তৃতীয়াংশ থেকে দ্বিগুণ পর্যন্ত আয়কে মধ্যবিত্ত শ্রেণির পরিসর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
একটি সাম্প্রতিক জরিপ অনুসারে, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের ওপর আস্থা নড়বড়ে রয়ে গেছে। অর্ধেকেরও বেশি আমেরিকান আদালতের প্রতি প্রতিকূল দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে এবং ৪৬% বিশ্বাস করে যে এর সিদ্ধান্তগুলো আইনের চেয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি এবং মতাদর্শ দ্বারা বেশি আকৃতি পাচ্ছে। শনিবার প্রকাশিত ওয়াশিংটন পোস্টের একটি জরিপ অনুসারে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আদালতের সর্বনিম্ন অনুমোদনের রেটিংগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম, যা আমেরিকানদের এর সিদ্ধান্তগুলোকে রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত হিসেবে দেখার একটি বিস্তৃত প্রবণতাকে তুলে ধরে। জুন মাসে শেষ হওয়া মেয়াদে, আদালত রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সম্প্রসারণ করে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আইনগতভাবে বসবাসকারী শত হাজার অভিবাসীকে নির্বাসন করার অনুমতি দিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের এজেন্ডাকে শক্তিশালী করেছিল। যাইহোক, এটি অন্যান্য মূল নীতিগুলোতে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও রায় দিয়েছে, যার মধ্যে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব শেষ করার এবং ব্যাপক শুল্ক আরোপ করার প্রচেষ্টাগুলোকে অবরুদ্ধ করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নতুন জরিপে আরও দেখা গেছে যে প্রায় ৬৭% রিপাবলিকান আদালতকে অনুমোদন করে, যেখানে প্রায় ৭৫% ডেমোক্র্যাট অননুমোদন করে। যে ৪৬% উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন যে বিচারপতিরা তাদের রায় রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ভিত্তি করে দেন, তাদের মধ্যে ৬৬% বলেছেন যে বিচারপতিরা প্রাথমিকভাবে ট্রাম্প প্রশাসনের মতাদর্শের সাথে সারিবদ্ধ হন। এই ফলাফলগুলো পূর্ববর্তী জরিপগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যা আদালতের প্রতি হ্রাসমান আস্থা এবং এর রায়গুলো রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত হওয়ার একটি ক্রমবর্ধমান ধারণাকে দেখায়। ২০২৪ সালের একটি ফক্স নিউজ জরিপে দেখা গেছে যে ১০ জনের মধ্যে আটজনেরও বেশি ভোটার বিশ্বাস করেন যে বিচারপতিদের সিদ্ধান্তগুলোতে পক্ষপাতিত্ব অন্তত কিছু ভূমিকা পালন করেছে, যা ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয়ই ভাগ করেছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি