আমেরিকা

স্বামীর ভিসা মঞ্জুর হলেও স্ত্রী আবেদন নাকোচ করল হোম আফিস

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ৫:৩৭
লন্ডনের ২ মার্শাম স্ট্রিটে অবস্থিত এই আধুনিক ভবনটি হলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর। ছবি:সংগৃহীত
লন্ডনের ২ মার্শাম স্ট্রিটে অবস্থিত এই আধুনিক ভবনটি হলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর। ছবি:সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ আট বছর ধরে বৈধভাবে বসবাস ও কর প্রদান করা এক ফিলিস্তিনি নাগরিকের ৬৯ বছর বয়সী মায়ের ভিজিটর ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির হোম অফিস। একই ধরনের আবেদন ও নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও তার স্বামীর ভিসা অনুমোদন পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

অবসরপ্রাপ্ত ইংরেজি শিক্ষক তেরেসা আবদুল্লাহ যুক্তরাজ্যে থাকা সন্তানের সঙ্গে দেখা করার জন্য ভিজিটর ভিসার আবেদন করেছিলেন। তবে হোম অফিস তার আবেদন নাকচ করে জানায়, নিজ দেশের তুলনায় যুক্তরাজ্যের প্রতি তার আকর্ষণ বেশি এবং নির্ধারিত সময় শেষে তিনি নিজ দেশে ফিরে যাবেন কি না, সে বিষয়ে যথেষ্ট নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।

 

পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তেরেসা আবদুল্লাহর আবেদন বাতিল হওয়ায় তাদের যুক্তরাজ্য সফরের পুরো পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। একই সময়ে তার স্বামীর ভিসা অনুমোদন হওয়ায় বিষয়টি আরও হতাশাজনক হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

 

এর আগে একটি ভিসা আবেদনের সময় হিব্রু ভাষায় ব্যাংক স্টেটমেন্ট জমা দেওয়ার কারণে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে আবেদন করেও তারা ভিসা প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়েন। এর আগেও এই দম্পতি সফলভাবে যুক্তরাজ্য সফর করেছিলেন।

 

পরিবারের দাবি, আবেদনকারীর বয়স, পারিবারিক সম্পর্ক এবং পূর্ববর্তী ভ্রমণের ইতিহাস বিবেচনা করলে ভিসা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত। তবে হোম অফিস সাধারণত ভিজিটর ভিসার ক্ষেত্রে আবেদনকারী সফর শেষে নিজ দেশে ফিরে যাবেন কি না, তা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেয়।

 

এই ঘটনায় যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতির অধীনে পারিবারিক ভ্রমণ ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
অভিযুক্ত পুলিশের কাছে আটক। ছবি:সংগৃহীত
স্কুলের বাইরে ৭ ইঞ্চির ছুরি ও পেট্রোলের ক্যানসহ এসাইলাম আবেদন প্রার্থী গ্রেপ্তার

যুক্তরাজ্যে একটি স্কুলের কাছে ছুরি ও পেট্রোলের ক্যান বহনের অভিযোগে এক আশ্রয়প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে এবং তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।   পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে স্কুলের আশপাশের এলাকায় সন্দেহজনক অবস্থায় দেখা যায়। তার কাছে একটি ছুরি এবং পেট্রোল বহনের জন্য ব্যবহৃত ক্যান পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।   ঘটনার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির উদ্দেশ্য কী ছিল এবং তিনি কোনো হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।   শিক্ষার্থী ও কর্মীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে স্কুল এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করেছে যে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   তদন্তকারীরা বর্তমানে ওই ব্যক্তির পরিচয়, তার কাছে থাকা সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার পেছনের কারণ অনুসন্ধান করছেন। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো এখনো তদন্তাধীন রয়েছে এবং আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।   যুক্তরাজ্যে স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উদ্বেগ বেড়েছে। এ ধরনের ঘটনায় পুলিশ সাধারণত সম্ভাব্য ঝুঁকি যাচাই করে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ৬:৩৭
শিশু। ছবি:সংগৃহীত

পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে কথা বলার সময় কান্না করায় ৩ বছরের ছেলেকে হত্যা

মেয়েদের আন্দোলন। ছবি:সংগৃহীত

সরকারি চাকরিতে নারীর প্রতিনিধিত্ব কমায় উদ্বেগ মহিলা পরিষদের, কোটা পুনর্বহালের দাবি

লন্ডনের ২ মার্শাম স্ট্রিটে অবস্থিত এই আধুনিক ভবনটি হলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর। ছবি:সংগৃহীত

স্বামীর ভিসা মঞ্জুর হলেও স্ত্রী আবেদন নাকোচ করল হোম আফিস

ছাত্রদল নেতা। ছবি:সংগৃহীত
সমকামিতার অভিযোগ ওঠার পর পিরোজপুরের ছাত্রদল নেতা দল থেকে বহিষ্কার

পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলার শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্যসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করেছে জেলা ছাত্রদল। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। দলটির ভাষ্য, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।   এর আগে আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি ভুয়া (ফেক) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে স্থানীয় ছাত্রদলের একাংশ সংবাদ সম্মেলনও করে। অভিযোগকারীদের দাবি, অভিযুক্তের ছবি ব্যবহার করা একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একাধিক শিক্ষার্থীকে সমকামিতার প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং বিষয়টি জানতে চাইলে হুমকিও দেওয়া হয়।   তবে অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তার দাবি, অভিযোগগুলো মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য এসব প্রচার করা হচ্ছে।   পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার বলেন, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে জেলা ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আরিফুল ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছাত্রদল কোনো ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনাকে প্রশ্রয় দেয় না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিতর্ক চলছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো তদন্ত বা আদালতের চূড়ান্ত রায়ের তথ্য এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। ফলে অভিযোগ ও অস্বীকার—দুই পক্ষের বক্তব্যই বর্তমানে বিদ্যমান রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ৫:১৬
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে এগিয়ে কোন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে এগিয়ে কোন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট? প্রকাশ হলো তালিকা

নিউইয়র্কে অপরিচিতদের কাছে আলমারি ভাড়া দিয়েই নারীদের আয় মাসে ৩০ হাজার ডলার!

নিউইয়র্কে অপরিচিতদের কাছে আলমারি ভাড়া দিয়েই নারীদের আয় মাসে ৩০ হাজার ডলার!

প্রেমিকাকে বাঁচাতে হাঙরের সাথে যুদ্ধ করল জর্জিয়ার যুবক

প্রেমিকাকে বাঁচাতে হাঙরের সাথে যুদ্ধ করল জর্জিয়ার যুবক, দেখালেন সাহসিকতা

ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলায় ইরান যুদ্ধবিরতি ভেঙেছে, দাবি ট্রাম্পের
ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলায় ইরান যুদ্ধবিরতি ভেঙেছে, দাবি ট্রাম্পের

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আবারও বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে ওয়াশিংটন সামরিক ও কূটনৈতিক দুই পথই খোলা রাখছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসন সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে পর্যালোচনা করছে। এর মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে আকস্মিক সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা রয়েছে।   তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা বারবার বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক কর্মকাণ্ড এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে চাপ বজায় রাখা হবে।   এর আগে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কয়েক দফা হামলা ও পাল্টা হুমকির পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা চালায়।   মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কারণ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বড় ধরনের সংঘাত হলে তা পুরো অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক চাপ বজায় রাখতে চাইছে, অন্যদিকে সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বিবেচনা করছে।   ইরানও জানিয়েছে, নিজেদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে তারা প্রস্তুত। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে আন্তর্জাতিক মহল।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ২:১১
বন্দুক হামলায় আহত নারী জানালেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

সিয়াটল বন্দুক হামলায় আহত নারী জানালেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, ৪০ মিনিট পড়ে ছিলেন রক্তাক্ত অবস্থায়

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধের উদ্যোগ, ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে শেষ আইনি সুযোগ

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধের উদ্যোগ, ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে শেষ আইনি সুযোগ

মেগা মিলিয়নসের ৮০০ মিলিয়ন ডলারের জ্যাকপট!

মেগা মিলিয়নসের ৮০০ মিলিয়ন ডলারের জ্যাকপট! জিতল কে?

0 Comments