পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে কথা বলার সময় কান্না করায় ৩ বছরের ছেলেকে হত্যা
ভারতের উত্তর প্রদেশের মথুরায় প্রেমিকের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় শিশুর কান্নায় বিরক্ত হয়ে তিন বছরের ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রায় এক মাস পর কথিত প্রেমিকের সঙ্গে তার ফোনালাপ থেকে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ জুন মথুরার বালদেও থানার ছাউলি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির বাবা কৃষ্ণ মুরারি গুপ্তা দোকানে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী রুচি জিন্দাল ফোন করে জানান, দীর্ঘক্ষণ কান্নার পর তাদের ছেলে অচেতন হয়ে পড়েছে।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত শিশুটিকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মথুরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার দিন শিশুটিকে পোলিও টিকা দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ধারণা করেন, টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। কোনো অভিযোগ না করেই তারা মরদেহ দাফন করেন।
তবে সোমবার (২৭ জুলাই) শিশুটির বাবা স্ত্রীকে কথিত প্রেমিকের সঙ্গে ফোনে ঘটনার বিষয়ে কথা বলতে শোনেন। এতে তার সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই নারী সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ।
শিশুটির চাচা গোবিন্দ গুপ্তার অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বালদেও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় শর্মা জানিয়েছেন, শিশুটির মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিযোগের বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreপ্রযুক্তি পণ্যের দাম বাড়তে থাকায় গ্রাহকদের জন্য নতুন ধরনের লিজ বা দীর্ঘমেয়াদি ভাড়ার সুবিধা চালু করেছে অ্যাপল। নতুন এই কর্মসূচির আওতায় গ্রাহকেরা এককালীন বড় অর্থ খরচ না করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আইফোন, ম্যাকসহ অ্যাপলের বিভিন্ন ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি মঙ্গলবার ‘অ্যাপল আপগ্রেড’ নামে নতুন এই সেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ক্লার্নার সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে চালু হওয়া এই সুবিধা শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপল স্টোর, অনলাইন স্টোর এবং অ্যাপল স্টোর অ্যাপে পাওয়া যাবে। নতুন পরিকল্পনায় আইফোন ও অ্যাপল ওয়াচ ১২ অথবা ২৪ মাসের জন্য লিজ নেওয়া যাবে। অন্যদিকে ম্যাক ও আইপ্যাডের ক্ষেত্রে লিজের মেয়াদ হবে ২৪ থেকে ৩৬ মাস পর্যন্ত। অ্যাপলের তথ্য অনুযায়ী, আইফোন লিজ নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম মাসিক কিস্তি শুরু হবে ১৭ দশমিক ৯৯ ডলার থেকে। এই কর্মসূচিতে আইফোন ১৭ সিরিজ, আইফোন এয়ার, অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১১, অ্যাপল ওয়াচ আলট্রা ৩, ম্যাকবুক এয়ার, ম্যাকবুক প্রো, আইম্যাক, ম্যাক স্টুডিও, আইপ্যাড এয়ার, আইপ্যাড প্রো এবং আইপ্যাড মিনি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে তুলনামূলক কম দামের কিছু পণ্য যেমন আইফোন ১৬, ম্যাকবুক নিও, বেস আইপ্যাড এবং অ্যাপল ওয়াচ এসই এই লিজ সুবিধার আওতায় থাকছে না। অ্যাপলের নতুন এই পরিকল্পনা আগের ‘আইফোন আপগ্রেড প্রোগ্রাম’-এর বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অ্যাপল পণ্যকে এককালীন বড় কেনাকাটার পরিবর্তে নিয়মিত সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক সেবা হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা বাড়তে পারে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডেটা কর্পোরেশনের বিশ্লেষক ফ্রান্সিসকো জেরোনিমো বলেন, নতুন এই ব্যবস্থা গ্রাহকদের জন্য প্রযুক্তি পণ্য ব্যবহারের ধরন পরিবর্তন করতে পারে। অনেক ব্যবহারকারী এখন আগের তুলনায় বেশি সময় একই ফোন ব্যবহার করছেন। ফলে প্রতি বছর নতুন ডিভাইস কেনার প্রবণতা কমেছে। অন্যদিকে, প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ডেটা সেন্টারের চাহিদা বাড়ায় মেমোরি চিপের বাজারে চাপ তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব ভবিষ্যতের আইফোনের দামের ওপর পড়তে পারে। টেক ইনসাইটসের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক হাওয়ার্ডের মতে, ভবিষ্যতে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ ডলারের পরিবর্তে ১ হাজার ৫০০ ডলারের স্মার্টফোনের বাজার তৈরি হতে পারে। সেপ্টেম্বরে নতুন আইফোন উন্মোচনের আগে অ্যাপলের এই লিজ কর্মসূচি চালুর বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। বাজারে গুঞ্জন রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা আগের মডেলগুলোর তুলনায় আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। দাম বাড়লে অনেক গ্রাহক নতুন ডিভাইস কেনার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিতে পারেন। তাই গ্রাহকদের নিয়মিত নতুন পণ্য ব্যবহারের সুযোগ ধরে রাখতে অ্যাপলের লিজ পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্কুলের বাইরে ৭ ইঞ্চির ছুরি ও পেট্রোলের ক্যানসহ এসাইলাম আবেদন প্রার্থী গ্রেপ্তার
পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে কথা বলার সময় কান্না করায় ৩ বছরের ছেলেকে হত্যা
সরকারি চাকরিতে নারীর প্রতিনিধিত্ব কমায় উদ্বেগ মহিলা পরিষদের, কোটা পুনর্বহালের দাবি
যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ আট বছর ধরে বৈধভাবে বসবাস ও কর প্রদান করা এক ফিলিস্তিনি নাগরিকের ৬৯ বছর বয়সী মায়ের ভিজিটর ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির হোম অফিস। একই ধরনের আবেদন ও নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও তার স্বামীর ভিসা অনুমোদন পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অবসরপ্রাপ্ত ইংরেজি শিক্ষক তেরেসা আবদুল্লাহ যুক্তরাজ্যে থাকা সন্তানের সঙ্গে দেখা করার জন্য ভিজিটর ভিসার আবেদন করেছিলেন। তবে হোম অফিস তার আবেদন নাকচ করে জানায়, নিজ দেশের তুলনায় যুক্তরাজ্যের প্রতি তার আকর্ষণ বেশি এবং নির্ধারিত সময় শেষে তিনি নিজ দেশে ফিরে যাবেন কি না, সে বিষয়ে যথেষ্ট নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তেরেসা আবদুল্লাহর আবেদন বাতিল হওয়ায় তাদের যুক্তরাজ্য সফরের পুরো পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। একই সময়ে তার স্বামীর ভিসা অনুমোদন হওয়ায় বিষয়টি আরও হতাশাজনক হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে পরিবার। এর আগে একটি ভিসা আবেদনের সময় হিব্রু ভাষায় ব্যাংক স্টেটমেন্ট জমা দেওয়ার কারণে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে আবেদন করেও তারা ভিসা প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়েন। এর আগেও এই দম্পতি সফলভাবে যুক্তরাজ্য সফর করেছিলেন। পরিবারের দাবি, আবেদনকারীর বয়স, পারিবারিক সম্পর্ক এবং পূর্ববর্তী ভ্রমণের ইতিহাস বিবেচনা করলে ভিসা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত। তবে হোম অফিস সাধারণত ভিজিটর ভিসার ক্ষেত্রে আবেদনকারী সফর শেষে নিজ দেশে ফিরে যাবেন কি না, তা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘটনায় যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতির অধীনে পারিবারিক ভ্রমণ ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে।
সমকামিতার অভিযোগ ওঠার পর পিরোজপুরের ছাত্রদল নেতা দল থেকে বহিষ্কার
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে এগিয়ে কোন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট? প্রকাশ হলো তালিকা
নিউইয়র্কে অপরিচিতদের কাছে আলমারি ভাড়া দিয়েই নারীদের আয় মাসে ৩০ হাজার ডলার!
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার এক ব্যক্তি সমুদ্রে হাঙরের আক্রমণ থেকে তার গর্ভবতী বাগদত্তাকে রক্ষা করে আলোচনায় এসেছেন। ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি সাহসিকতার সঙ্গে সঙ্গিনীকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনেন। ফক্স ১৩ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটে একটি সমুদ্রসৈকতে। ওই নারী পানিতে থাকার সময় হঠাৎ একটি হাঙরের আক্রমণের শিকার হন। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তার বাগদত্তা দ্রুত এগিয়ে যান এবং তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আক্রমণের সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু ওই ব্যক্তি নিজের নিরাপত্তার কথা না ভেবে গর্ভবতী সঙ্গিনীকে রক্ষা করতে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। উদ্ধারের পর আহত নারীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। মা ও অনাগত শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার উদ্বিগ্ন থাকলেও পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। হাঙরের আক্রমণ সমুদ্র এলাকায় বিরল হলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাঝেমধ্যে এমন ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞরা সমুদ্রে নামার আগে স্থানীয় সতর্কবার্তা মেনে চলা, নির্দিষ্ট এলাকায় সাঁতার কাটা এবং আশপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন। ঘটনার পর ওই ব্যক্তির সাহসিকতার প্রশংসা করছেন অনেকেই। কঠিন মুহূর্তে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি যেভাবে তার সঙ্গিনীকে রক্ষা করেছেন, সেটিই এখন আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলায় ইরান যুদ্ধবিরতি ভেঙেছে, দাবি ট্রাম্পের
সিয়াটল বন্দুক হামলায় আহত নারী জানালেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, ৪০ মিনিট পড়ে ছিলেন রক্তাক্ত অবস্থায়