সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে তিন দিনে ১৩ দোকান থেকে ৭৫ হাজার ডলারের প্রসাধনী চুরির অভিযোগে দুই বোন গ্রেপ্তার

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ২২:৪০
অ্যারিজোনায় প্রসাধনী চুরির মামলায় অভিযুক্ত দুই বোন। ছবি: সংগৃহীত
অ্যারিজোনায় প্রসাধনী চুরির মামলায় অভিযুক্ত দুই বোন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে প্রসাধনী সামগ্রী বিক্রির জনপ্রিয় সুপারশপ 'আল্টা বিউটি'-র ১৩টি শাখায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটেছে। এই অভিনব কায়দায় চুরির মাধ্যমে ৭৫ হাজার মার্কিন ডলারের বেশি মূল্যের প্রসাধনী লোপাটের অভিযোগে দুই বোনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম 'এজেডফ্যামিলি' এবং 'গ্রে নিউজ'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত দুই নারীর নাম ইভোন বুইত্রাগো-কাবরেরা এবং ইয়োরাইমা বুইত্রাগো-কাবরেরা। তারা মূলত কলম্বিয়ার নাগরিক। পুলিশ জানিয়েছে, চলিত জুলাই মাসের শুরুর দিকে মাত্র তিন দিনে এই দুই বোন অ্যারিজোনার বিভিন্ন আল্টা বিউটি স্টোরে সাধারণ ক্রেতা সেজে প্রবেশ করেন। এরপর বড় ব্যাগে প্রসাধনী পুরে কাউন্টারে কোনো মূল্য পরিশোধ না করেই সটকে পড়েন।

 

ফিনিক্স পুলিশ বিভাগের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে অ্যারিজোনা এবং ক্যালিফোর্নিয়া দুই অঙ্গরাজ্য মিলিয়ে এই দুই বোনের বিরুদ্ধে মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার ডলারেরও বেশি মূল্যের পণ্য চুরির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। চুরির ঘটনার প্রাথমিক মামলার পর তদন্তে নেমে পুলিশ আরও চার জায়গায় চুরির তথ্য উদ্ধার করে। কেবল কসমেটিকস শপ নয়, ল্যাকোস্টে, অ্যাডিডাস, পুমা এবং ক্রোকসের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের শোরুমেও এই দুই নারী চুরির ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন বলে প্রমাণ মিলেছে।

 

বর্তমানে দুই বোনকে অ্যারিজোনায় সংঘটিত চুরির ঘটনায় ৯টি সুসংগঠিত রিটেইল অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং তাদের জামিনের জন্য ৭৫ হাজার ডলারের নগদ বন্ড ধার্য করেছেন আদালত। অ্যারিজোনার আইন অনুযায়ী, এটি ক্লাস-৪ পর্যায়ের গুরুতর অপরাধ, যার শাস্তি হিসেবে এক থেকে চার বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

 

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ কার্ল ডে লা গুয়েরা এই ধরনের অপরাধ প্রসঙ্গে বলেন, এই ধরনের শোরুমগুলোতে চুরির ঘটনা এত ঘনঘন ঘটে যে তা ঠেকানো খুচরা বিক্রেতাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। সেন্টারিং অন শ্যাডো ইকোনমিক্সের সিইও ও ফিনিক্স পুলিশের সাবেক সার্জেন্ট ডেভিড লেক জানান, তামাক, অ্যালকোহল ও ওষুধের মতো প্রসাধনী সামগ্রী বাজারে দ্রুত ও চড়া দামে পুনর্বিক্রি করা যায় বলে অপরাধীরা এগুলোকে বেশি নিশানা বানায়।

 

ডেভিড লেক আরও বলেন, সংগঠিত চুরির প্রভাব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে। পণ্যের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে না পেরে অনেক সময় কর্মচারীরা চাকরি হারান এবং পুরো এলাকা থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানগুলো।

 

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে অ্যারিজোনার মেরিকোপা কাউন্টি অ্যাটর্নি অফিসে ৩৪৪টি সংগঠিত চুরির মামলা জমা পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় পুলিশ ও অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে সাইবার হামলায় হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ৪০ হাজার কর্মীর গোপন তথ্য ফাঁস
যুক্তরাষ্ট্রে সাইবার হামলায় হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ৪০ হাজার কর্মীর গোপন তথ্য ফাঁস

যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) তথ্যভাণ্ডারে ভয়াবহ সাইবার হামলার মাধ্যমে প্রায় ৪০ হাজার কর্মীর গোপন ডেটা ফাঁস হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ডেটা স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা ওয়েবসাইট 'ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সিক্রেটস' গত বুধবার এই তথ্য ফাঁসের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনে।   ফাঁস হওয়া এসব তথ্যের মধ্যে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট, কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন এবং সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সির মতো গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সংস্থাগুলোর কর্মীদের নাম, ফোন নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা রয়েছে।   সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, নজরদারি, সাইবার ফরেনসিক এবং অত্যন্ত গোপন অভিযানে (আন্ডারকাভার) যুক্ত থাকা কর্মকর্তাদের পদবি ও কাজের বিবরণও এই ডেটাবেসে উন্মুক্ত হয়ে গেছে। ডিএইচএস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা সম্ভাব্য এই ডেটা ফাঁসের বিষয়ে অবগত রয়েছে এবং অত্যন্ত দ্রুত ও কার্যকরভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কর্মীদের যথাযথ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তারা কাজ করছে এবং এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত প্রকাশ করা হবে বলেও সংস্থাটি আশ্বস্ত করেছে।   এই বিশাল তথ্য চুরির দায় স্বীকার করেছে 'ডিপার্টমেন্ট অব পিস' নামের একটি হ্যাকার গোষ্ঠী। তারা জানিয়েছে, ডিএইচএস কর্মীদের সাইন-অনের জন্য ব্যবহৃত 'ওকটা' (Okta) পরিষেবা থেকে এসব ডেটা সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ওকটা তাদের সিস্টেম হ্যাক হওয়ার দাবিটি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।   ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সিক্রেটস-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা এমা বেস্ট জানিয়েছেন, মাইয়া আরসন ক্রাইমিউ নামের এক সাংবাদিক ও হ্যাকটিভিস্ট এই ডেটাগুলো সহজে খোঁজার জন্য একটি বিশেষ সার্চ টুল তৈরি করেছেন, যা সাধারণ মানুষকে এসব তথ্য ব্রাউজ করতে সাহায্য করবে। হ্যাকার গ্রুপটি তাদের এক বার্তায় উল্লেখ করেছে, ডিএইচএস যেহেতু সাধারণ মানুষের তথ্য সংরক্ষণ করে, তাই তাদের তথ্যও সবার জানা থাকা উচিত।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স ইতিমধ্যে ফাঁস হওয়া ডেটাবেস থেকে বেশ কয়েকজন কর্মীর তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে এবং অন্তত তিনজনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগও করতে সক্ষম হয়েছে। উল্লেখ্য, গত এক মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ডেটা ফাঁসের এটি তৃতীয় বড় ঘটনা। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে 'শাইনিহান্টারস' নামের হ্যাকার গোষ্ঠী এফবিআইয়ের হাজার হাজার কর্মীর তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার দাবি করেছিল এবং গত সপ্তাহে পেন্টাগনের লাখ লাখ সামরিক কর্মীর ডেটা ফাঁসের ঘটনায় একটি বড় ধরনের মামলা দায়ের করা হয়।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৯, ২০২৬ ৯:৩২
নাসার বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা মহাকাশে পানি ও রাসায়নিক উপাদান শনাক্তের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছেন। ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশে পানি ও রাসায়নিক উপাদান শনাক্তে বাংলাদেশি নাসা বিজ্ঞানী মাহমুদার উদ্ভাবন!

ফ্লোরিডায় পাখির প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে সাগরে তলিয়ে গেলেন ৩১ বছরের বাবা, স্ত্রী ও দুই কন্যাকে রেখে চিরবিদায়

ফ্লোরিডায় পাখির প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে সাগরে তলিয়ে গেলেন ৩১ বছরের বাবা, স্ত্রী ও দুই কন্যাকে রেখে চিরবিদায়

ফ্লোরিডায় মসজিদ সম্প্রসারণ নিয়ে সভায় আজান বাজালেন বোরকা পরিহিত নারী, বের করে দিল পুলিশ

ফ্লোরিডায় মসজিদ সম্প্রসারণ নিয়ে সভায় আজান বাজালেন বোরকা পরিহিত নারী, বের করে দিল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৮ সালের নির্বাচনে এওসিকে হালকাভাবে না নিতে রিপাবলিকানদের সতর্কবার্তা
যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৮ সালের নির্বাচনে এওসিকে হালকাভাবে না নিতে রিপাবলিকানদের সতর্কবার্তা

২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিউইয়র্কের প্রতিনিধি আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ (এওসি) আবির্ভূত হতে পারেন বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজ। তিনি নিজ দল রিপাবলিকান পার্টিকে সতর্ক করে বলেছেন, সাধারণ নির্বাচনে এওসি হেরে যাবেন—এমনটা ধরে নেওয়া মোটেও ঠিক হবে না।   বুধবার মিশিগানের গ্রোস পয়েন্ট উডস-এ রিপাবলিকানদের এক প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। ক্রুজ মূলত মিশিগানের সেনেট নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে আনেন, যেখানে প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ এবং রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ক্রুজের মতে, মিশিগানের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে এল-সায়েদের মতো একজন প্রগতিশীল নেতার জয় প্রমাণ করবে যে, জাতীয় পর্যায়েও ভোটাররা এওসির মতো চরম প্রগতিশীল প্রার্থীকে সমর্থন জানাতে পারেন।   যদিও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থী ২০২৮ সালের নির্বাচনের জন্য প্রচারণা শুরু করেননি, তবে প্রেডিকশন মার্কেটগুলোতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ওপরের দিকেই রয়েছেন এওসি। পলিমার্কেট, কালশি এবং প্রেডিক্টইট-এর মতো প্ল্যাটফর্মের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রিপাবলিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্সের (১৮.৭%) পরই ১১.৮ শতাংশ জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন তিনি।   এদিকে মিশিগানের সেনেট নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক ক্রমশ চড়ছে। টেড ক্রুজ ডেমোক্র্যাট প্রার্থী এল-সায়েদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তাকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছেন। এমনকি সেনেটের গোয়েন্দা কমিটিতে সুযোগ পেলে তিনি মার্কিন অভিযান সংক্রান্ত গোপন তথ্য সন্দেহভাজনদের কাছে ফাঁস করে দিতে পারেন বলেও ভিত্তিহীন শঙ্কা প্রকাশ করেন টেক্সাসের এই সিনেটর।   তবে ক্রুজের এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন আবদুল এল-সায়েদ। তিনি এসব দাবিকে স্রেফ 'গুজব' আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, তার বা তার পরিবারের সঙ্গে ওই সংগঠনের কোনো সম্পর্ক নেই। এল-সায়েদের নির্বাচনী প্রচার শিবিরের মুখপাত্র কোল ওজনিয়াক পাল্টা আক্রমণ করে বলেন, টেড ক্রুজ একজন অত্যন্ত অজনপ্রিয় রাজনীতিক যিনি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা কমানোর পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন এবং তিনি মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যর্থতা ঢাকতেই এসব কথা বলছেন।   উল্লেখ্য, মিশিগান সেনেট নির্বাচনের সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের চেয়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে রয়েছেন এল-সায়েদ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচনের ফলাফলই বলে দেবে আগামী দিনে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান ঠিক কতটা শক্তিশালী হতে যাচ্ছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৯, ২০২৬ ৮:১৯
নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান ভোটারদের অংশগ্রহণের আহ্বান

বাংলাদেশি-আমেরিকান ভোটারদের সমর্থন চাইলেন নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণায় তামান্নার জোড়া পুরস্কার

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণায় তামান্নার জোড়া পুরস্কার

বিমানবন্দরের স্বয়ংক্রিয় কাউন্টারে ১৮ শতাংশ বকশিশের অনুরোধ

কর্মী নেই, সেবা দিচ্ছে মেশিন, তবু ১৮ শতাংশ টিপস চাওয়ায় সমালোচনার মুখে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির জন্য সেরা ও পিছিয়ে থাকা অঙ্গরাজ্য
কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের সেরা পাঁচ অঙ্গরাজ্য

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি খোঁজার ক্ষেত্রে কোন অঙ্গরাজ্যে সুযোগ বেশি, আর কোথায় কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি তুলনামূলক দুর্বল—এমন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে নতুন একটি র‌্যাঙ্কিং। দেশটির ৫০টি অঙ্গরাজ্যের চাকরির বাজার ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তৈরি এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে নেব্রাস্কা। এরপর আছে নর্থ ডাকোটা, মিনেসোটা, সাউথ ডাকোটা ও নিউ হ্যাম্পশায়ার। অন্যদিকে তালিকার একেবারে শেষ অবস্থানে রয়েছে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া। ক্যালিফোর্নিয়ার অবস্থান ২৫তম, আর ফ্লোরিডা রয়েছে ৪৭তম স্থানে।   এই র‌্যাঙ্কিং তৈরিতে ৩৪টি সূচকের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যগুলোর তুলনা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চাকরির সুযোগ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার, বেকারত্ব, চাকরির নিরাপত্তা, আয়, কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা এবং কর্মস্থলে যাতায়াতে ব্যয় হওয়া সময়। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও শ্রমবাজারের শক্তিমত্তা—দুই দিক বিবেচনা করে প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের সামগ্রিক স্কোর নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে তালিকাটি শুধু কোথায় চাকরির সুযোগ বেশি, তা দেখায় না; চাকরি পাওয়ার পর সেটি ধরে রাখা এবং কাজের পরিবেশ কেমন, সেটিও বিবেচনায় আনে। র‌্যাঙ্কিংয়ে নেব্রাস্কার মোট স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৬৪ দশমিক ২৪। নর্থ ডাকোটার স্কোর ৬২ দশমিক ৯২, মিনেসোটার ৬২ দশমিক ৫০, সাউথ ডাকোটার ৬২ দশমিক ০২ এবং নিউ হ্যাম্পশায়ারের ৬১ দশমিক ৭২। শীর্ষ পাঁচে থাকা এই অঙ্গরাজ্যগুলোর পাশাপাশি ওয়াশিংটন ষষ্ঠ, মেইন সপ্তম, টেক্সাস অষ্টম, হাওয়াই নবম এবং টেনেসি দশম স্থানে রয়েছে। নেব্রাস্কা কেন শীর্ষে নেব্রাস্কা প্রথম স্থান পাওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ রাজ্যটির তুলনামূলক কম বেকারত্ব। সেখানে বেকারত্বের হার প্রায় ৩ শতাংশ। জনসংখ্যার তুলনায় চাকরির সুযোগের সংখ্যায় রাজ্যটি ১১তম অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি সেখানে চাকরির সংখ্যা বছরে প্রায় ১ দশমিক ২ শতাংশ হারে বাড়ছে, যা দেশটির অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে চতুর্থ সর্বোচ্চ।   শুধু নতুন চাকরি তৈরি নয়, কর্মীদের চাকরি ধরে রাখার ক্ষেত্রেও নেব্রাস্কার অবস্থান ভালো। চাকরির নিরাপত্তার সূচকে রাজ্যটি তৃতীয়। বেসরকারি স্বাস্থ্যবিমার আওতায় থাকা কর্মীর অনুপাতেও রয়েছে চতুর্থ অবস্থানে। বিভিন্ন শিল্প খাতের বৈচিত্র্যের দিক থেকে নেব্রাস্কা দশম স্থানে রয়েছে। পাশাপাশি কর্মীদের কাজ ভাগাভাগি করে নেওয়ার কর্মসূচি এবং তুলনামূলক ভালো বেতনের ইন্টার্নশিপের সুযোগও রাজ্যটির অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে। নর্থ ডাকোটা ও মিনেসোটার অবস্থান দ্বিতীয় স্থানে থাকা নর্থ ডাকোটায় বেকারত্বের হার ২ দশমিক ৬ শতাংশ। চাকরির সংখ্যা বৃদ্ধির গড় বার্ষিক হারে রাজ্যটি ১২তম স্থানে রয়েছে। কাজ খুঁজতে নিরুৎসাহিত হয়ে শ্রমবাজার থেকে দূরে থাকা মানুষের অনুপাতও সেখানে সবচেয়ে কম। অর্থাৎ হতাশা, দক্ষতার অভাব, বয়সজনিত বৈষম্য কিংবা অন্য কোনো বাধার কারণে যারা সক্রিয়ভাবে চাকরি খোঁজেন না, তাদের অংশ তুলনামূলকভাবে কম। কর্মপরিবেশের দিক থেকেও নর্থ ডাকোটা এগিয়ে। সেখানে কর্মস্থলে পৌঁছাতে গড়ে প্রায় ১৭ মিনিট লাগে, যা দেশটির অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন যাতায়াত সময়। চাকরির নিরাপত্তায় রাজ্যটি অষ্টম এবং বেসরকারি স্বাস্থ্যবিমা পাওয়া কর্মীর অনুপাতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। বছরে ২৫ হাজার ডলার বা তার কম আয় করেন, এমন মানুষের ওপর রাজ্য আয়করের চাপ তুলনামূলক কম। ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার আয়ের মানুষের ক্ষেত্রেও করের চাপ দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। কর্মজীবী মায়েদের জন্য উপযোগী অঙ্গরাজ্যের তালিকায় নর্থ ডাকোটা নবম। তৃতীয় স্থানে থাকা মিনেসোটার বড় সুবিধা হলো তুলনামূলক বেশি পারিবারিক আয় এবং কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা। জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সমন্বয় করার পর রাজ্যটির মধ্যম পারিবারিক আয় প্রায় ৮৮ হাজার ডলার, যা দেশটির মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়া কর্মীদের গড় মাসিক প্রারম্ভিক বেতন প্রায় ৪ হাজার ডলার। এই সূচকে মিনেসোটা ১১তম। মিনেসোটায় বেসরকারি স্বাস্থ্যবিমা এবং নিয়োগকর্তার মাধ্যমে অবসরকালীন সঞ্চয় পরিকল্পনায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তুলনামূলক ভালো। রাজ্যটির বেকারত্বের হার প্রায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ। কর্মজীবী মা ও বাবাদের জন্যও মিনেসোটার অবস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো। কর্মজীবী মায়েদের তালিকায় সপ্তম এবং বাবাদের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে রাজ্যটি। ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাসের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের বড় অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলোর মধ্যে থাকা ক্যালিফোর্নিয়া সামগ্রিক তালিকায় ২৫তম। রাজ্যটির মোট স্কোর ৫৪ দশমিক ২৫। তবে চাকরির সুযোগের সংখ্যার সূচকে ক্যালিফোর্নিয়ার অবস্থান ৪৯তম, অর্থাৎ তালিকার নিচের দিক থেকে দ্বিতীয়। অর্থনৈতিক পরিবেশের সূচকে রাজ্যটি ১৮তম হলেও চাকরির বাজারের সূচকে রয়েছে ৩১তম স্থানে। অন্যদিকে টেক্সাস সামগ্রিকভাবে অষ্টম স্থানে রয়েছে। অর্থনৈতিক পরিবেশের সূচকে রাজ্যটি দ্বিতীয় হলেও চাকরির বাজারের শক্তিমত্তার সূচকে ২৫তম। এই পার্থক্য দেখায়, কোনো অঙ্গরাজ্যের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালো হলেই সেখানে চাকরি পাওয়ার সুযোগও সব সূচকে সমানভাবে ভালো হবে—এমন নয়। হাওয়াই চাকরির সুযোগের সূচকে প্রথম এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হারেও প্রথম স্থানে রয়েছে। তবে সামগ্রিক র‌্যাঙ্কিংয়ে রাজ্যটি নবম। এর বিপরীতে ফ্লোরিডা কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সূচকে ৫০তম বা সর্বশেষ স্থানে রয়েছে। সামগ্রিক তালিকায় ফ্লোরিডার অবস্থান ৪৭তম। চাকরির সুযোগের সূচকে নর্থ ক্যারোলাইনা প্রথম। এরপর রয়েছে হাওয়াই, ভারমন্ট, নিউ হ্যাম্পশায়ার ও মেইন। বিপরীত দিকে এই সূচকে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা পাঁচটি অঙ্গরাজ্য হলো মিশিগান, ক্যালিফোর্নিয়া, ওরেগন, ইলিনয় ও নেভাদা। সবচেয়ে পিছিয়ে কোন অঙ্গরাজ্য সামগ্রিক র‌্যাঙ্কিংয়ের শেষ পাঁচটি অঙ্গরাজ্য হলো লুইজিয়ানা ৪৬তম, ফ্লোরিডা ৪৭তম, পেনসিলভানিয়া ৪৮তম, ওরেগন ৪৯তম এবং ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া ৫০তম। ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার মোট স্কোর ৩৯ দশমিক ৪২। চাকরির বাজারের সূচকেও রাজ্যটি সর্বশেষ স্থানে রয়েছে। পেনসিলভানিয়া ও ওরেগনের অবস্থানও নিচের দিকে, যা চাকরির সুযোগ এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি—দুই ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দেয়। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সূচকে হাওয়াই প্রথম হলেও মিসিসিপি দ্বিতীয়, আলাস্কা তৃতীয়, নেব্রাস্কা চতুর্থ এবং কানসাস পঞ্চম স্থানে রয়েছে। অন্যদিকে এই সূচকে ফ্লোরিডা সর্বশেষ। ইউটাহ, ওয়াইয়োমিং, ভারমন্ট ও মেরিল্যান্ডও তালিকার নিচের দিকে রয়েছে। চাকরির জন্য কোন অঙ্গরাজ্য বেছে নেবেন, তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু সামগ্রিক র‌্যাঙ্কিংয়ের ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়। চাকরিপ্রার্থীর পেশা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, প্রত্যাশিত বেতন এবং নির্দিষ্ট শহরের শ্রমবাজারের পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি বাড়িভাড়া, যাতায়াতের ব্যয়, স্বাস্থ্যবিমা ও অন্যান্য জীবনযাত্রার খরচ বিবেচনা করা দরকার। চাকরির জন্য উপযোগী অঙ্গরাজ্যে বসবাস দীর্ঘমেয়াদে কর্মজীবনের স্থিতিশীলতা বাড়াতে পারে। সেখানে চাকরি খুঁজে পাওয়া ও ধরে রাখার সুযোগের পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক বেতন এবং কর্মী-সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তবে কোনো তালিকাই নির্দিষ্ট ব্যক্তির চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। তাই অন্য অঙ্গরাজ্যে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের পেশার চাহিদা, সম্ভাব্য আয় এবং জীবনযাত্রার ব্যয় আলাদাভাবে যাচাই করাই ভালো।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৯, ২০২৬ ৭:৫
নভেম্বরের সোশ্যাল সিকিউরিটি ভাতার সময়সূচি

জন্মতারিখ অনুযায়ী নভেম্বরের সোশ্যাল সিকিউরিটি পেমেন্ট, কোন দিন অ্যাকাউন্টে আসবে আপনার টাকা

রেকর্ড বাড়িভাড়ার চাপে নিউইয়র্কের আবাসনবাজার

রেকর্ড ভাড়ার মধ্যেও নিউইয়র্কবাসীর কাছে জনপ্রিয় হচ্ছেন মেয়র জোহরান মামদানি, জরিপে মিলল নতুন চিত্র

বাংলাদেশের খুলনায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা শেখ আল আমিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পেয়েছেন

খুলনার সন্তান শেখ আল আমিনের মার্কিন সেনাবাহিনীতে ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি

0 Comments