সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

'ভারতে ফিরে যাও': যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী ও তার সন্তানকে গাড়ি নিয়ে ধাওয়া

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২, ২০২৬ ২৩:৫৮
অভিযোগ অনুযায়ী, এই সাদা নিসান সেন্ট্রা গাড়ির চালক ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক নারীকে ধাওয়া করেন। ছবি: সংগৃহীত
অভিযোগ অনুযায়ী, এই সাদা নিসান সেন্ট্রা গাড়ির চালক ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক নারীকে ধাওয়া করেন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ফোরসাইথ কাউন্টির এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী অভিযোগ করেছেন, সড়কে একটি সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তি তাকে এবং তার ১২ বছর বয়সী মেয়েকে ধাওয়া করেন এবং বর্ণবাদী মন্তব্য করেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক পুলিশ প্রতিবেদন দায়ের হয়নি এবং অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাইও সম্ভব হয়নি।

 

এনআরআই পালসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৩১ জুলাই বিকেলে জনস ক্রিক ও আলফারেটা এলাকার স্টেট ব্রিজ রোডে ঘটনাটি ঘটে। পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই নারী জানান, তিনি গাড়ি চালানোর সময় একটি সাদা রঙের নিসান সেন্ট্রা গাড়িকে ডান দিকে মোড় নেওয়ার লেনে ঢোকার সুযোগ করে দেন।

 

তার দাবি, এর কিছুক্ষণ পরই ওই গাড়ির চালক জানালার কাচ নামিয়ে এমন একটি হাতের ইশারা করেন, যাতে তার মনে হয় লোকটির কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। পরিস্থিতি এড়াতে তিনি লেন পরিবর্তন করলেও অভিযুক্ত চালক বারবার তার গাড়ির সামনে আসার চেষ্টা করেন এবং এক পর্যায়ে রাস্তার চিহ্ন অতিক্রম করে তার পথ রোধ করারও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওল্ড মিল্টন পার্কওয়ের কাছে একটি লাল বাতিতে গাড়ি থামলে ওই ব্যক্তি গাড়ি থেকে নেমে চিৎকার করতে থাকেন। তিনি অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তি তাকে উদ্দেশ করে বলেন, "ভারতে ফিরে যাও। এটা তোমার জায়গা নয়।" পাশাপাশি আরও অবমাননাকর মন্তব্যও করেন।

তিনি বলেন, আশপাশে অনেক মানুষ থাকলেও যানজটের কারণে তিনি সেখান থেকে সরে যেতে পারেননি। পরিস্থিতি আরও খারাপ না করতে তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি।

 

তার অভিযোগ, সিগন্যাল ছাড়ার পরও ওই ব্যক্তি তার গাড়িকে অনুসরণ করতে থাকেন। নিজের বাসার অবস্থান প্রকাশ হয়ে যেতে পারে, এই আশঙ্কায় তিনি নিজের আবাসিক এলাকায় না গিয়ে উড ব্রিজ অ্যাপার্টমেন্টস এলাকায় যান এবং সেখান থেকে জরুরি সেবা নম্বর ৯১১-এ ফোন করেন।

তিনি বলেন, "আমার ১২ বছরের মেয়েও গাড়িতে ছিল। আমরা দুজনই খুব ভয় পেয়েছিলাম। আমি চাইনি সে জানতে পারুক আমরা কোথায় থাকি।"

 

নারীর দাবি, ৯১১-এ কথা বলার সময় তিনি গাড়ির জানালা নামানোর পর অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকা ছেড়ে চলে যান। তিনি গাড়িটির কয়েকটি ছবি তুলতে সক্ষম হলেও নম্বরপ্লেট পুরোপুরি দেখতে পারেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নম্বরপ্লেটের শুরুতে ইংরেজি 'C' অক্ষর ছিল। তিনি চালককে ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সী, পরিষ্কার মুখের, শ্বেতাঙ্গ পুরুষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

 

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলের কাছের ট্রাফিক ক্যামেরার ভিডিও পর্যালোচনার অনুরোধ করেছিলেন। পরে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ফোনে তার সঙ্গে কথা বললেও ঘটনাস্থলে কেউ আসেননি। সন্দেহভাজন ব্যক্তি চলে যাওয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক পুলিশ প্রতিবেদনও করা হয়নি।

 

গত ১২ বছর ধরে আটলান্টা মহানগর এলাকায় বসবাসকারী ওই নারী একটি আইন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তিনি বলেন, তিনি সবসময় সতর্কভাবে গাড়ি চালান এবং অন্য নারীদেরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে গাড়ি চালাতে উৎসাহিত করেন।

 

বর্তমানে তিনি আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছেন, যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এ ঘটনার বিষয়ে কোনো তথ্য থাকলে জনস ক্রিক পুলিশ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
নিউইয়র্কে হেলথ ইন্স্যুরেন্স না থাকলেও সরকারি হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা ও কম খরচে সেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে ইন্স্যুরেন্স ছাড়াও কম খরচে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন যেসব হাসপাতালে

নিউইয়র্কে হেলথ ইন্স্যুরেন্স না থাকলেও সরকারি হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসা এবং আয় অনুযায়ী কম খরচে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের পরিবার, নতুন অভিবাসী এবং ইন্স্যুরেন্সের জন্য যোগ্য নন এমন বাসিন্দাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেবা দিচ্ছে শহরের পাবলিক হাসপাতাল নেটওয়ার্ক NYC Health + Hospitals। তবে সব চিকিৎসা বিনামূল্যে পাওয়া যায় না। রোগীর আয়, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, চিকিৎসার ধরন এবং আর্থিক সহায়তার যোগ্যতার ওপর খরচ নির্ভর করে।   নিউইয়র্ক সিটির এই সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার অধীনে ম্যানহাটনের Bellevue ও Harlem, ব্রুকলিনের Woodhull, Kings County ও South Brooklyn Health, কুইন্সের Elmhurst এবং ব্রঙ্কসের Jacobi ও Lincoln হাসপাতাল রয়েছে। এসব হাসপাতালে ইমার্জেন্সি রুমের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত চিকিৎসা, ভর্তি রোগীর সেবা এবং আউটপেশেন্ট চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।   হঠাৎ তীব্র বুকে ব্যথা, স্ট্রোকের লক্ষণ, গুরুতর শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কিংবা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের মতো পরিস্থিতিতে দ্রুত ৯১১ নম্বরে কল করা বা নিকটস্থ উপযুক্ত ইমার্জেন্সি রুমে যাওয়া জরুরি। এ ধরনের অবস্থায় কম খরচের হাসপাতাল খুঁজতে গিয়ে চিকিৎসা নিতে দেরি করা বিপজ্জনক হতে পারে। জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীর ইন্স্যুরেন্স বা অর্থ পরিশোধের সামর্থ্য যাচাইয়ের আগেই প্রয়োজনীয় মেডিকেল স্ক্রিনিং এবং জরুরি স্থিতিশীলকরণ চিকিৎসা দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।   অন্যদিকে সাধারণ জ্বর, সর্দি, ফ্লু, ছোটখাটো আঘাত কিংবা প্রস্রাবের সংক্রমণের মতো জীবনঝুঁকিহীন সমস্যায় আর্জেন্ট কেয়ার বা প্রাইমারি কেয়ার তুলনামূলক সাশ্রয়ী বিকল্প হতে পারে। NYC Health + Hospitals-এর ExpressCare সেবার মাধ্যমে কিছু সমস্যায় ভার্চুয়ালি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে শিশুদের উচ্চ জ্বর, পানিশূন্যতা, শ্বাসকষ্ট বা অন্য উদ্বেগজনক উপসর্গ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।   ইন্স্যুরেন্সবিহীন নিউইয়র্কবাসীর জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা NYC Care। এটি প্রচলিত হেলথ ইন্স্যুরেন্স নয়, বরং যোগ্য বাসিন্দাদের NYC Health + Hospitals নেটওয়ার্কে কম খরচে চিকিৎসা পাওয়ার একটি কর্মসূচি। এর আওতায় প্রাইমারি কেয়ার, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং প্রেসক্রিপশন ওষুধের মতো সেবায় আয়ভিত্তিক ফি প্রযোজ্য হতে পারে। ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস নির্বিশেষে যোগ্যতার শর্ত পূরণকারী বাসিন্দারা এ কর্মসূচিতে আবেদন করতে পারেন।   এ ছাড়া নির্দিষ্ট আয় ও অন্যান্য যোগ্যতার শর্ত পূরণকারী রোগীদের জন্য Emergency Medicaid-এর মাধ্যমে জরুরি চিকিৎসার খরচ বহনের সুযোগ থাকতে পারে। তবে এটি সবার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৩০ দিনের বিনামূল্যের চিকিৎসা নিশ্চিত করে না। কোন চিকিৎসা কভার হবে এবং কত দিনের জন্য সুবিধা প্রযোজ্য হবে, তা সংশ্লিষ্ট নিয়ম ও রোগীর যোগ্যতার ওপর নির্ভর করে।   চিকিৎসার বিল পরিশোধে অসুবিধা হলে হাসপাতালের ফাইন্যান্সিয়াল কাউন্সেলর বা আর্থিক সহায়তা বিভাগে যোগাযোগ করা যায়। রোগীর আয় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী বিল কমানো, আর্থিক সহায়তা কিংবা পেমেন্ট প্ল্যানের সুযোগ থাকতে পারে। বিস্তারিত জানতে NYC Health + Hospitals-এর ১-৮৪৪-৬৯২-৪৬৯২ নম্বরে যোগাযোগ করা যায়।   তবে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেই ইমার্জেন্সি রুমের বিল শূন্য থেকে ১৫০ ডলারের মধ্যে থাকবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। একইভাবে বেসরকারি হাসপাতালে প্রতিবার নির্দিষ্ট অঙ্কের বিল হবে, এমন দাবিও সঠিক নয়। চিকিৎসার ধরন, হাসপাতালের চার্জ, ইন্স্যুরেন্স কভারেজ এবং আর্থিক সহায়তার ওপর প্রকৃত খরচ নির্ভর করে। অ্যাম্বুলেন্সের বিলও হাসপাতালের চিকিৎসা বিল থেকে আলাদা হতে পারে।   নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইন্স্যুরেন্স না থাকলেও চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। জরুরি অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া এবং জীবনঝুঁকিহীন সমস্যায় উপযুক্ত কম খরচের সেবা বেছে নেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তার যোগ্যতা যাচাই করলে চিকিৎসার ব্যয় কমানো সম্ভব হতে পারে।

প্রকাশ: নভেম্বর ৩, ২০২৬ ৮:৫০
করোনাকালীন সরকারি সহায়তা কর্মসূচির অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণা

করোনা মহামারির সময়ে সরকারি সহায়তার ২১ লাখ ডলার আত্মসাৎ , ব্যবসায়ীর সাড়ে ছয় বছর কারাদণ্ড

নিউইয়র্কে উচ্চ খরচ ও ভাষাগত সমস্যার কারণে ডেন্টাল চিকিৎসায় অসুবিধায় পড়েন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ছবি: সংগৃহীত

জ্যাকসন হাইটস ও ব্রঙ্কসে বাংলা ভাষায় কম খরচে ডেন্টাল সেবার দিচ্ছেন বাংলাদেশি চিকিৎসক ওয়ালী খান

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেমিকাকে অজ্ঞান করে জোরপূর্বক গর্ভপাত, দোষ স্বীকার সাবেক সেনা ক্যাডেটের

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেমিকাকে অজ্ঞান করে জোরপূর্বক গর্ভপাত, দোষ স্বীকার সাবেক সেনা ক্যাডেটের

যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ স্ট্যাটাস পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিবাসীদের সঙ্গে ভয়াবহ প্রতারণার অভিযোগ
যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ স্ট্যাটাস পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে কোটি ডলারের প্রতারণা, ১৩ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে ফেডারেল মামলা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে ইমিগ্রেশন আইনজীবী পরিচয়ে অভিবাসীদের কাছ থেকে লাখ লাখ ডলার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ১৩ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে ফেডারেল আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। অভিযুক্তরা ব্রাজিল ও কিউবার নাগরিক। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বৈধ ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁরা অভিবাসীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, ভুয়া কাগজপত্র তৈরি এবং প্রতারণামূলক আবেদন জমা দিতেন। সোমবার (২ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। ফ্লোরিডার অরেঞ্জ কাউন্টিতে লিগ্যাসি ইমিগ্রা সলিউশনস এলএলসি নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এই প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের ইমিগ্রেশন আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞদের পরিচালিত সেবাকেন্দ্র হিসেবে পরিচয় দিত। আশ্রয় আবেদন, ভিসা এবং যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়ার কথা বলে অভিবাসীদের আকৃষ্ট করা হতো। অথচ তদন্তকারীদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটিতে যোগ্য ইমিগ্রেশন আইনজীবী ছিলেন না। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতেন ৫৪ বছর বয়সী ভ্যাগনার সোরারেস ডি আলমেইদা। তাঁর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন ৪৭ বছর বয়সী জুলিয়ানা কোলুচি এবং আরও কয়েকজন কর্মী। তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের ভুল ও বিভ্রান্তিকর আইনি পরামর্শ দেওয়া এবং ইমিগ্রেশন সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে নথিতে মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়েছে। ফেডারেল অভিযোগপত্রে ওয়্যার ফ্রড বা ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণা, ভিসা জালিয়াতি, বিয়ের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন সুবিধা পাওয়ার প্রতারণামূলক ষড়যন্ত্র এবং অনুমোদনহীন বিদেশি নাগরিকদের কর্মসংস্থানের অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তদের কয়েকজন জেনেশুনে যুক্তরাষ্ট্রে কাজের অনুমতি নেই এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়েছিলেন। সাতজনের বিরুদ্ধে বিয়েসংক্রান্ত প্রতারণামূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগও রয়েছে। এর আগে গত ২২ এপ্রিল অরেঞ্জ কাউন্টির শেরিফ জন মিনা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারজনকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে সময় তাঁদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ প্রতারণা, চাঁদাবাজি এবং অনুমোদন ছাড়া আইন পেশা পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়। পুলিশের দাবি, ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে আড়াই হাজার থেকে ২৬ হাজার ডলার পর্যন্ত নেওয়া হয়েছিল। প্রতারণামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দুই কোটি ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ করেছিল বলে তদন্তকারীরা ধারণা করছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডব্লিউইএসএইচ ২ নিউজ জানিয়েছে, অরেঞ্জ কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় প্রায় ২০০ ভুক্তভোগীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৭ লাখ ডলারের কাছাকাছি অর্থ উদ্ধার করেছে। শেরিফ জন মিনা জানিয়েছেন, আরও অনেক অভিবাসী এই প্রতারণার শিকার হয়ে থাকতে পারেন। বিশেষ করে ব্রাজিল থেকে আসা অভিবাসীদের একটি বড় অংশকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় ইমিগ্রেশন নথি আটকে রাখার ভয় দেখিয়েও গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হতো। ফ্লোরিডার মধ্যাঞ্চলের ফেডারেল প্রসিকিউটর গ্রেগরি কিহো বলেন, প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের অনেকে সঠিক নিয়মে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু তাঁদের বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রতারণামূলক কার্যক্রম চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। সোমবার ১৩ অভিযুক্তের মধ্যে ১১ জন ফেডারেল বিচারকের সামনে প্রথমবার হাজির হন। ফেডারেল আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওয়্যার ফ্রডের প্রতিটি অভিযোগে সর্বোচ্চ ২০ বছর, ভিসা জালিয়াতির ষড়যন্ত্রে সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং বিয়েসংক্রান্ত প্রতারণামূলক ষড়যন্ত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তবে এসব অভিযোগের বিচার এখনো শেষ হয়নি এবং অভিযুক্তরা আদালতে দোষী সাব্যস্ত হননি। সংবাদসূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ, ফ্লোরিডার মধ্যাঞ্চলীয় ফেডারেল প্রসিকিউটর কার্যালয় ।

প্রকাশ: নভেম্বর ৩, ২০২৬ ৭:৪১
ইরান যুদ্ধের উত্তেজনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগের আশঙ্কা

ইরান যুদ্ধের উত্তেজনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগের আশঙ্কা

নিউইয়র্কের রাস্তায় গাড়ির পাশে নামাজ আদায়ের ছবি

নিউইয়র্কের রাস্তায় গাড়ির পাশে নামাজ আদায়ের ছবি নিয়ে আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভবতী কর্মীদের গর্ভপাত ও বন্ধ্যত্বের চিকিৎসাসংক্রান্ত সুবিধা কমানোর পরিকল্প

যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভবতী কর্মীদের গর্ভপাত ও বন্ধ্যত্বের চিকিৎসাসংক্রান্ত সুবিধা কমানোর পরিকল্পন ট্রাম্প প্রশাসনের

গর্ভবতী কর্মীদের কর্মক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা ও আইনি সুরক্ষার বিধান শিথিল করার উদ্যোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক
গর্ভবতী কর্মীদের সুরক্ষা কমানোর ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগ, বাড়ছে উদ্বেগ

গর্ভবতী কর্মীদের কর্মক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা ও আইনি সুরক্ষার বিধান শিথিল করার উদ্যোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের নীতিগত অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শ্রমিক অধিকার ও নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা। তাঁদের আশঙ্কা, বিদ্যমান সুরক্ষা দুর্বল হলে গর্ভবতী নারীদের চাকরি ধরে রাখা এবং গর্ভাবস্থায় নিরাপদ পরিবেশে কাজ করা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভবতী কর্মীদের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ একটি আইন হলো প্রেগন্যান্ট ওয়ার্কার্স ফেয়ারনেস অ্যাক্ট। এই আইনের আওতায় নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী নিয়োগকর্তাদের গর্ভাবস্থা, সন্তান জন্মদান এবং সংশ্লিষ্ট শারীরিক অবস্থার কারণে কর্মীদের যুক্তিসংগত সুবিধা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে কোনো সুবিধা দেওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানের ওপর অযৌক্তিক মাত্রায় অসুবিধা বা ব্যয় সৃষ্টি হলে আইনে ব্যতিক্রমের সুযোগও রাখা হয়েছে।   আইনটি ২০২২ সালে কংগ্রেসে পাস হয় এবং ২০২৩ সালের জুনে কার্যকর হয়। এর বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইকুয়াল এমপ্লয়মেন্ট অপরচুনিটি কমিশন বা ইইওসি। সংস্থাটি কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যবিরোধী ফেডারেল আইন বাস্তবায়ন ও অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পালন করে। গর্ভবতী কর্মীদের জন্য যুক্তিসংগত সুবিধার মধ্যে কাজের সময় পরিবর্তন, অতিরিক্ত বিশ্রামের সুযোগ, বসে কাজ করার ব্যবস্থা, পানি পান বা চিকিৎসার জন্য বিরতি এবং সাময়িকভাবে শারীরিক পরিশ্রমের কাজ কমানোর মতো ব্যবস্থা থাকতে পারে। তবে কর্মীর পরিস্থিতি, কাজের ধরন এবং নিয়োগকর্তার সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে কোন সুবিধা প্রযোজ্য হবে, তা নির্ধারিত হয়।   নিউইয়র্ক টাইমসের ২ নভেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন আইনটির বাস্তবায়নসংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরিকল্পনার সঙ্গে পরিচিত সাতজন ব্যক্তির তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, বিশেষ করে গর্ভপাত, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা এবং প্রজননস্বাস্থ্যসংক্রান্ত কিছু অবস্থার ক্ষেত্রে কর্মক্ষেত্রের সুরক্ষা সীমিত করা হতে পারে। তবে গর্ভাবস্থায় কর্মীদের জন্য মৌলিক সুবিধাগুলো পুরোপুরি বাতিল করার পরিকল্পনা রয়েছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ইইওসির চেয়ার আন্দ্রেয়া লুকাসের যুক্তি, বাইডেন প্রশাসনের সময় প্রণীত বিধিমালায় কংগ্রেসের মূল উদ্দেশ্যের বাইরে গিয়ে গর্ভপাতসহ কিছু প্রজননস্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে শ্রমিক অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এসব সুরক্ষা সংকুচিত হলে চিকিৎসার প্রয়োজন থাকা কর্মীরা বৈষম্য ও চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।   নিউজউইকের ৩ নভেম্বরের প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রে মাতৃত্বকালীন ছুটির সীমাবদ্ধতার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র দেশ, যেখানে জাতীয় পর্যায়ে বাধ্যতামূলক বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থা নেই। ফ্যামিলি অ্যান্ড মেডিকেল লিভ অ্যাক্টের আওতায় যোগ্য কর্মীরা বছরে সর্বোচ্চ ১২ সপ্তাহ বেতনবিহীন, চাকরি সুরক্ষিত ছুটি পেতে পারেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাতের মাত্র ৪৯ শতাংশ কর্মীর নিয়োগকর্তার মাধ্যমে বেতনসহ পারিবারিক ও চিকিৎসাজনিত ছুটির সুবিধা পাওয়ার সুযোগ ছিল। তবে এই পরিসংখ্যান শুধু মাতৃত্বকালীন ছুটির নয়, অন্যান্য পারিবারিক ও চিকিৎসাজনিত ছুটির সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত করে।   এরই মধ্যে ২০২৫ সালের মে মাসে লুইজিয়ানার একটি ফেডারেল আদালত গর্ভপাতসংক্রান্ত কর্মক্ষেত্রের সুবিধার বিষয়ে ইইওসির বিধিমালার একটি অংশ বাতিল করেন। তবে আদালত মূল প্রেগন্যান্ট ওয়ার্কার্স ফেয়ারনেস অ্যাক্ট বাতিল করেননি। ফলে গর্ভবতী কর্মীদের জন্য আইনটির অন্যান্য সুরক্ষা বহাল রয়েছে। ইইওসির নিয়ন্ত্রক পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরেই নতুন বিধিমালার প্রস্তাব প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে। এরপর জনমত গ্রহণের প্রক্রিয়া চলতে পারে ২০২৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রস্তাবের চূড়ান্ত ভাষা প্রকাশ না হওয়ায় কোন কোন সুবিধা পরিবর্তিত হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।   যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বাংলাদেশিসহ অভিবাসী নারীদের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে রিটেইল, রেস্টুরেন্ট, স্বাস্থ্যসেবা ও শারীরিক পরিশ্রমনির্ভর পেশায় কর্মরত গর্ভবতী নারীরা কাজের পরিবেশে পরিবর্তনের প্রয়োজন অনুভব করতে পারেন। তবে নতুন কোনো বিধিমালা কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান আইন অনুযায়ী তাঁদের প্রাপ্য সুরক্ষা বহাল থাকবে।  

প্রকাশ: নভেম্বর ৩, ২০২৬ ৩:১
বাড়ির আঙিনায় কাজ করছিলেন বাবা-মা, হামাগুড়ি দিয়ে সড়কে উঠে ১ বছরের শিশুর মৃত্যু

বাড়ির আঙিনায় কাজ করছিলেন বাবা-মা, হামাগুড়ি দিয়ে সড়কে উঠে ১ বছরের শিশুর মৃত্যু

নিউইয়র্কে অজান্তেই  ১০ বছর ধরে প্রতিবেশীর বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেন নারী, ক্ষতিপূরনের দাবি

নিউইয়র্কে অজান্তেই ১০ বছর ধরে প্রতিবেশীর বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেন নারী, ক্ষতিপূরনের দাবি

গ্রেপ্তার অভিযানের সময় প্রতিবেশীর দিকে অস্ত্র তাক করার অভিযোগ উঠেছে এক ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্টের বিরুদ্ধে

ক্যালিফোর্নিয়ায় গ্রেপ্তার অভিযানের সময় প্রতিবেশীর দিকে আইসিই এজেন্টের অস্ত্র তাক, ভিডিও ভাইরাল

0 Comments