আমেরিকা

নিউইয়র্কে হাউজিং লটারিতে ফ্ল্যাট পেলেন ২৬ বছরের তরুণী, মাসে ভাড়া মাত্র ৮৮১ ডলার

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ১২:১৯
নিউইয়র্কের হাউজিং লটারিতে ফ্ল্যাট পেয়ে মাসে মাত্র ৮৮১ ডলার ভাড়া দিচ্ছেন ২৬ বছর বয়সী নাহজায়ে অলিন। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কের হাউজিং লটারিতে ফ্ল্যাট পেয়ে মাসে মাত্র ৮৮১ ডলার ভাড়া দিচ্ছেন ২৬ বছর বয়সী নাহজায়ে অলিন। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কের হাউজিং লটারিতে ফ্ল্যাট পেয়ে মাসে মাত্র ৮৮১ ডলার ভাড়া দিচ্ছেন ২৬ বছর বয়সী নাহজায়ে অলিন। ব্রঙ্কনের বাসিন্দা এই তরুণী ২০২০ সালে সাশ্রয়ী আবাসনের জন্য আবেদন শুরু করেন এবং ২০২২ সালে একটি এক বেডরুমের ফ্ল্যাটের জন্য অপেক্ষমাণ তালিকায় জায়গা পান। পরে ২০২৩ সালের মে মাসে তিনি দুই বছরের চুক্তিতে ওই ফ্ল্যাটে ওঠেন।

 

নাহজায়ে ব্রঙ্কনে জন্ম ও বেড়ে ওঠেন। পাঁচ ভাইবোনের সঙ্গে তিনি যে এক বেডরুমের ফ্ল্যাটে বড় হয়েছেন, বর্তমানে তার নতুন বাসা সেই বাড়ি থেকে মাত্র এক ব্লক দূরে। কলেজ শেষ করে ২০১৯ সালে পরিবারের সঙ্গে ফিরে আসার পর নিজের জন্য আলাদা বাসা খোঁজার পরিকল্পনা শুরু করেন তিনি।

 

একাই বা কারও সঙ্গে বাসা ভাগ করে থাকার খরচ দেখে নাহজায়ে নিউইয়র্কের হাউজিং লটারিতে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেন। ২০২০ সালে তিনি প্রথম আবেদন করেন। ২০২২ সালে সাড়া পাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ১০০টির বেশি আবেদন করেছিলেন।

 

নিউইয়র্কের হাউজিং লটারির মাধ্যমে আয়ের যোগ্যতার ভিত্তিতে বাসিন্দাদের সাশ্রয়ী আবাসনের সুযোগ দেওয়া হয়। শহরের আবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সাশ্রয়ী আবাসনের খরচ একজন ব্যক্তি বা পরিবারের আয়ের ৩০ শতাংশের বেশি হওয়ার কথা নয়। তবে কোন ফ্ল্যাটের জন্য কত আয় প্রয়োজন, তা নির্ভর করে এলাকার গড় আয়, ফ্ল্যাটের আকার, পরিবারের সদস্যসংখ্যা ও বার্ষিক আয়ের ওপর।

 

নাহজায়ে ব্রঙ্কনেই থাকতে চেয়েছিলেন। কয়েক বছর ধরে তিনি ব্রুকলিনের বিভিন্ন হাউজিং লটারির বিষয়ে সাড়া পেলেও নিজের এলাকার একটি বাসার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। ২০২২ সালে তিনি ব্রঙ্কনের উইলিয়ামসব্রিজ এলাকায় একটি এক বেডরুমের ফ্ল্যাটের অপেক্ষমাণ তালিকায় যুক্ত হওয়ার খবর পান।

 

প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন, হয়তো এক বেডরুমের ফ্ল্যাট তার সামর্থ্যের বাইরে হবে। কিন্তু বাসাটি দেখতে গিয়ে সেটি তার পছন্দ হয়ে যায়। ২০২৩ সালের মে মাসে তিনি ওই ফ্ল্যাটের জন্য দুই বছরের চুক্তিতে সই করেন। সেখানে তার মাসিক ভাড়া নির্ধারণ করা হয় ৮৮১ ডলার। একই সময়ে ব্রঙ্কনে এক বেডরুমের ফ্ল্যাটের গড় ভাড়া ছিল ২ হাজার ২৩০ ডলার।

 

ওই ফ্ল্যাটের জন্য যোগ্য হতে নাহজায়ের বার্ষিক আয় ৩৩ হাজার ৮৬ ডলার থেকে ৪৬ হাজার ৭০০ ডলারের মধ্যে হতে হতো। নির্বাচিত হওয়ার পর তাকে ব্যাংক হিসাবের তথ্য, বিল ও করসংক্রান্ত কাগজপত্রসহ আয়ের প্রমাণ জমা দিতে হয়। ভবনটিতে কাপড় ধোয়ার জায়গা, ব্যায়ামাগার ও বিনা মূল্যের ইন্টারনেট সুবিধাও রয়েছে।

 

নিউইয়র্কের হাউজিং লটারিতে আবেদন করলেই যে দ্রুত বাসা পাওয়া যায়, তা নয়। শহরের আবাসন সংস্থার একজন কর্মকর্তার মতে, একটি ফ্ল্যাটের জন্য গড়ে প্রায় ৫০টি আবেদন পড়ে। আবেদন বন্ধ হওয়ার পর কাগজে করা আবেদনও যুক্ত করা হয় এবং আবেদনগুলো এলোমেলোভাবে বিভিন্ন দলে সাজানো হয়। প্রত্যেক আবেদনকারীকে একটি নম্বর দেওয়া হয়, যা আবাসন সংক্রান্ত অনলাইন হিসাবের মাধ্যমে দেখা যায়। নম্বর যত কম, সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা তত আগে আসে।

 

আবেদনকারীদের নিজেদের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ রাখা এবং আয়সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিউইয়র্কের বাসিন্দা না হলেও হাউজিং লটারিতে আবেদন করা যায়। তবে যারা আগে থেকেই নিউইয়র্কে থাকেন, তাদের আগে যোগাযোগ করা হয়। আবেদন করার জন্য মার্কিন নাগরিক হওয়াও বাধ্যতামূলক নয়।

 

নাহজায়ের পরিবার তার নতুন বাসা পেয়ে আনন্দিত। মা প্রথমবার বাসাটি দেখে কেঁদে ফেলেন এবং মেয়ের জন্য গর্ব প্রকাশ করেন। নাহজায়ে জানান, নিজের আয়ের মধ্যে বাসা পাওয়া তার জন্য কঠিন মনে হয়েছিল। এখন তিনি পরিবার ও ভাইবোনদের নিয়ে সেখানে সময় কাটান।

 

নাহজায়ে একমাত্র নন, আরও অনেক নিউইয়র্কবাসী হাউজিং লটারির মাধ্যমে সাশ্রয়ী বাসা পেয়েছেন। তাদের একজন নকেংজে ২০২০ সালে আবেদন শুরু করে ২০২৩ সালে এক বেডরুমের একটি ফ্ল্যাট পান। এর আগে তিনি হারলেমে ছোট একটি এক বেডরুমের বাসার জন্য প্রায় ১ হাজার ৯০০ ডলার ভাড়া দিতেন। পরে হাউজিং লটারির মাধ্যমে তিনি মাসে ৯৯৭ ডলারের ভাড়ায় একটি ফ্ল্যাট পান।

 

নকেংজের নতুন বাসায় ব্যায়ামাগার, খেলার ঘর ও ছাদের সুবিধা রয়েছে। তার দুই বছরের চুক্তিতে মাসিক ভাড়া ৯৯৭ ডলার নির্ধারিত হয়, যার মধ্যে ৮৫ ডলারের ইউটিলিটি সুবিধাও রয়েছে। কম ভাড়ার কারণে তিনি ভবিষ্যতে বাড়ি কেনার জন্য অর্থ সঞ্চয় করছেন।

 

নিউইয়র্কের হাউজিং লটারিতে সুযোগ পেতে আবেদনকারীদের ধৈর্য ধরে নিয়মিত আবেদন করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। আবাসন কর্মকর্তাদের মতে, প্রথমবার আবেদন করেই সুযোগ পাওয়া নাও যেতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে আবেদন চালিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
লস অ্যাঞ্জেলেসে ১৭৩৬ ফ্যামিলি ক্রাইসিস সেন্টারের প্রধান নির্বাহী ক্যারল অ্যাডেলকফ (মাঝে) দুই বছরে ১৬ লাখ ডলারের বেশি পারিশ্রমিক পেয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত
লস অ্যাঞ্জেলেসে গৃহহীনদের জন্য কাজ করা প্রতিষ্ঠানের প্রধান পেলেন ২ বছরে ১৬ লাখ ডলার

লস অ্যাঞ্জেলেসে গৃহহীন ও পারিবারিক সহিংসতার শিকার মানুষের জন্য কাজ করা একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্রধান দুই বছরে ১৬ লাখ ডলারের বেশি পারিশ্রমিক পেয়েছেন। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ক্যারল অ্যাডেলকফ মোট ৯ লাখ ৭ হাজার ৯২৩ ডলার এবং ২০২৪ সালে আরও ৭ লাখ ৪২ হাজার ১৮১ ডলার পেয়েছেন বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।   ক্যারল অ্যাডেলকফ লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক ১৭৩৬ ফ্যামিলি ক্রাইসিস সেন্টারের প্রধান নির্বাহী। প্রতিষ্ঠানটি পারিবারিক সহিংসতার আশ্রয়কেন্দ্র, সংকটকালীন হটলাইন এবং গৃহহীন মানুষের জন্য বিভিন্ন সেবা পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠানটির লস অ্যাঞ্জেলেস ও অরেঞ্জ কাউন্টিতে ১৬টি স্থাপনা রয়েছে এবং প্রায় ১৭০ জন কর্মী কাজ করেন।   অ্যাডেলকফের পারিশ্রমিক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে মূলত দুই বছরে পাওয়া বিপুল অর্থ এবং দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অব্যবহৃত ছুটির অর্থ পরিশোধের কারণে। অ্যাডেলকফ জানিয়েছেন, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে পাওয়া অর্থের বড় একটি অংশ ছিল চার দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময় জমে থাকা ছুটির অর্থ। তার মূল বেতন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রায় ৪ লাখ ৫ হাজার ডলার ছিল বলে তিনি জানান।   প্রতিষ্ঠানটির আইনজীবী বলেছেন, অ্যাডেলকফের অবসর নেওয়ার আগে জমে থাকা ছুটির দায় কমাতে পরিচালনা পর্ষদ আইনজীবী ও আর্থিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করেছে। অ্যাডেলকফের জন্য আগে বছরে আট সপ্তাহ পর্যন্ত ছুটি জমা রাখার সুযোগ ছিল। ২০১২ সালে তা কমিয়ে চার সপ্তাহ করা হলেও তার ছুটি জমার ক্ষেত্রে কোনো সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।   ১৭৩৬ ফ্যামিলি ক্রাইসিস সেন্টারের বার্ষিক আয় প্রায় দেড় কোটি ডলার। এর বেশিরভাগই সরকারি অর্থ থেকে আসে। প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ করসংক্রান্ত নথি অনুযায়ী, মোট আয়ের ৯৪ শতাংশ এসেছে করদাতাদের অর্থ থেকে। ২০২১ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি লস অ্যাঞ্জেলেস গৃহহীন সেবা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অন্তত আড়াই কোটি ডলার অনুদান পেয়েছে।   অ্যাডেলকফ অন্তত ১১ বছর ধরে হাওয়াইয়ে তার প্রধান বাসস্থান রেখেও দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির আইনজীবী জানিয়েছেন, ক্যালিফোর্নিয়া ছাড়ার পরও পরিচালনা পর্ষদ তাকে প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্বে থাকার অনুরোধ করেছিল। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে বলেও তিনি জানান।   তবে একই অঞ্চলের আরও বড় কয়েকটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের তুলনায় অ্যাডেলকফের সাম্প্রতিক পারিশ্রমিক অনেক বেশি। প্রায় ৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার বার্ষিক আয়ের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান ২০২৪ সালে প্রায় ৪ লাখ ৮১ হাজার ডলার পেয়েছেন। আর প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার বার্ষিক আয় করা আরেকটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান ২০২৩ সালে প্রায় ৩ লাখ ৭৯ হাজার ডলার আয় করেছেন।   লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির পারিবারিক সহিংসতা ও গৃহহীনদের সেবা দেওয়া ১৬টি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের পারিশ্রমিক তুলনা করে দেখা গেছে, তাদের বার্ষিক পারিশ্রমিকের মধ্যমা ছিল প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অলাভজনক খাতের বিশেষজ্ঞরা অ্যাডেলকফের এত বড় ছুটির অর্থ পাওয়ার বিষয়টিকে অস্বাভাবিক বলে বর্ণনা করেছেন।   ক্যালিফোর্নিয়ায় অব্যবহৃত ছুটির সময়কে কর্মীর পাওনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে কর্মীরা কতটা ছুটি জমাতে পারবেন, তার সীমা নির্ধারণ করতে পারে প্রতিষ্ঠান। অ্যাডেলকফ জানিয়েছেন, তার আর কোনো জমে থাকা ছুটির অর্থ পাওনা নেই এবং বর্তমানে তার পারিশ্রমিক আগের মূল বেতনের কাছাকাছি পর্যায়ে ফিরে এসেছে।   অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীদের পারিশ্রমিক যুক্তিসংগত হওয়া ফেডারেল নিয়মের আওতায় পড়ে। একইভাবে ক্যালিফোর্নিয়ার আইন অনুযায়ী, অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদকে প্রধান নির্বাহীর পারিশ্রমিক ন্যায্য ও যুক্তিসংগত কি না, তা নিশ্চিত করতে হয়। ১৭৩৬ ফ্যামিলি ক্রাইসিস সেন্টার জানিয়েছে, অ্যাডেলকফের বেতন নির্ধারণের সময় তাদের পরিচালনা পর্ষদ একই ধরনের প্রতিষ্ঠানের পারিশ্রমিক পর্যালোচনা করে।   অ্যাডেলকফ ১৯৮৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার সময়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ২ লাখ ডলারের বার্ষিক বাজেটের একটি অলাভজনক সংস্থা থেকে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়াজুড়ে আশ্রয়কেন্দ্র, হটলাইন ও অন্যান্য সেবা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ১২:৩৩
নিউইয়র্কের হাউজিং লটারিতে ফ্ল্যাট পেয়ে মাসে মাত্র ৮৮১ ডলার ভাড়া দিচ্ছেন ২৬ বছর বয়সী নাহজায়ে অলিন। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে হাউজিং লটারিতে ফ্ল্যাট পেলেন ২৬ বছরের তরুণী, মাসে ভাড়া মাত্র ৮৮১ ডলার

কেলভিন ক্লেইনের তৈরি করা ইস্ট হ্যাম্পটনের এই সম্পত্তিটি নতুন করে ১৬ কোটি ২০ লাখ ডলারে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কের হ্যাম্পটনে ৭২ মিলিয়নে কেনা বাড়ির নতুন তালিকামূল্য ১৬২ মিলিয়ন!

ক্যালিফোর্নিয়ায় গুলিতে নিহত ২৪ বছর বয়সী ভারতীয় ট্রাকচালক খুশকারানদীপ সিং | ছবি: সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ায় নিখোঁজ ভারতীয় ট্রাকচালক গুলিতে নিহত, ৫ দিন পর বনাঞ্চল থেকে মরদেহ উদ্ধার

অস্ট্রেলিয়ার বিরল খনিজ খনিতে বিনিয়োগের লক্ষ্যে ওয়াশিংটনে খনি খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়ার বিরল খনিজ খনিতে ৪০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর অস্ট্রেলিয়ার একটি কোম্পানিকে স্ক্যান্ডিয়াম খনিজের বিশ্বের প্রথম প্রাথমিক খনি নির্মাণে ৪০ কোটি ডলারের শর্তসাপেক্ষ ঋণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিরক্ষা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ এই বিরল খনিজের সরবরাহে চীনের আধিপত্য থাকায় বিকল্প উৎস নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে খনি খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকের পর পেন্টাগন এই ঋণ প্রতিশ্রুতির ঘোষণা দেয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, প্রকল্পটির মাধ্যমে খনি থেকে চূড়ান্ত পণ্য পর্যন্ত পশ্চিমা দেশগুলোর সমন্বিত সরবরাহব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।   অস্ট্রেলিয়ার খনি কোম্পানি সানরাইজ এনার্জি মেটালস জানিয়েছে, নিউ সাউথ ওয়েলসের ফিফিল্ডে প্রস্তাবিত খনিটি পশ্চিমা দেশগুলোর স্ক্যান্ডিয়াম সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে। কোম্পানিটির তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির নাম ‘সাইয়ার্সটন স্ক্যান্ডিয়াম প্রকল্প’।   স্ক্যান্ডিয়াম প্রতিরক্ষা খাত, উড়োজাহাজ এবং তথ্যকেন্দ্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত একটি বিরল খনিজ। এটি সাধারণত অন্যান্য খনিজ উত্তোলনের সময় উপজাত হিসেবে পাওয়া যায়। অ্যালুমিনিয়ামকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি নমনীয়তা, তাপ ও ক্ষয় প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে স্ক্যান্ডিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।   অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্ক্যান্ডিয়াম ঘনত্ব থাকা অঞ্চলগুলোর একটি। বর্তমানে স্ক্যান্ডিয়ামের সরবরাহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে চীনের আধিপত্য রয়েছে। গত বছর প্রতিরক্ষা পণ্যের ক্ষেত্রে চীন স্ক্যান্ডিয়ামসহ বিরল খনিজের রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে। এর পর যুক্তরাষ্ট্র নতুন সরবরাহ উৎস খুঁজতে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে।   চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া এর আগেও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে সহযোগিতা করেছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে ট্রাম্প ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বিষয়ে একটি চুক্তিতে সই করেন। এতে দুই দেশ বিভিন্ন প্রকল্পে ১০০ কোটি ডলার করে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।   সানরাইজ এনার্জি মেটালস গত বছর মার্কিন প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের সঙ্গে একটি চুক্তি করে। ওই চুক্তির আওতায় খনিটি চালু হওয়ার পর প্রথম পাঁচ বছরে উৎপাদিত স্ক্যান্ডিয়ামের ২৫ শতাংশ লকহিড মার্টিনকে সরবরাহ করার কথা রয়েছে।   স্ক্যান্ডিয়াম মহাকাশ প্রযুক্তি এবং পঞ্চম ও ষষ্ঠ প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তিতেও ব্যবহারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। ফলে খনিজটির সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রতিরক্ষা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।   এদিকে শুক্রবার ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও ব্যাটারি খাতের একাধিক প্রকল্পে মোট ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে। এর লক্ষ্য দেশে এসব পণ্যের উৎপাদন বাড়ানো এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও শিল্পনীতিকে শক্তিশালী করা।   অস্ট্রেলিয়ার স্ক্যান্ডিয়াম প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ কোটি ডলারের শর্তসাপেক্ষ ঋণও একই উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। চীনের নিয়ন্ত্রিত সরবরাহব্যবস্থার বাইরে পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই খনিজের নতুন উৎস তৈরিই প্রকল্পটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ১১:১৩
বাবার এই বেদনাদায়ক অসুস্থতা পুরো পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন হান্টার। ছবি: সংগৃহীত

জো বাইডেনের হাড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ক্যান্সার,কষ্টের কথা জানালেন ছেলে হান্টার

সুরক্ষা হারিয়ে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর আশঙ্কায় সাউথ সুদান ও মিয়ানমারের প্রায় ৪ হাজার নাগরিক। ছবি: সংগৃহীত

সুরক্ষা হারিয়ে সাউথ সুদান ও মিয়ানমারের নাগরিকদের ফেরত পাঠাতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র

কাইসার আলী, ৩৯ ম্যাসাচুসেটসের ব্রকটনে বসবাসকারী পাকিস্তানি নাগরিক | ছবি: সংগৃহীত

ওষুধ ডেলিভারি দিতে গিয়ে হুইলচেয়ারে থাকা নারীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানি নাগরিক গ্রেপ্তার

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আসন্ন নিউইয়র্ক সফর ও গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে কড়া অবস্থানে মেয়র জোহরান মামদানি। ছবি: সংগৃহীত
নেতানিয়াহুর নিউইয়র্ক সফর ঘিরে ‘বিস্ফোরক পরিস্থিতি’, পুলিশ-জনতার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

নিউইয়র্কে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আসন্ন সফর ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা। আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নেতানিয়াহুর নিউইয়র্কে আসার কথা রয়েছে। এ সফরকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের বিক্ষোভের আশঙ্কায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।    নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র দাবি করেছে, মেয়র জোহরান মামদানির নেতানিয়াহুবিরোধী অবস্থান ও সাম্প্রতিক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। একজন পুলিশ কর্মকর্তা পরিস্থিতিকে ‘বারুদের স্তূপের’ সঙ্গে তুলনা করে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, বড় ধরনের বিক্ষোভ বা সহিংসতা হলে পুলিশ সদস্য ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।   মামদানি দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের গাজা যুদ্ধের কঠোর সমালোচক। নির্বাচনী প্রচারের সময় তিনি বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা উচিত। তবে গত জুলাইয়ে আইনি পর্যালোচনার পর মামদানি স্বীকার করেন, নিউইয়র্ক সিটি সরকারের নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করার আইনি ক্ষমতা নেই। তিনি এরপর বিষয়টিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের পদক্ষেপ চেয়েছেন।   যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সংবিধির সদস্য নয়। পাশাপাশি জাতিসংঘের কাজে নিউইয়র্কে আসা বিদেশি প্রতিনিধিদের প্রবেশ ও নিরাপত্তার বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ কারণে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে মামদানির আগের অবস্থান বাস্তবায়নে গুরুতর আইনি বাধা রয়েছে।   নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর সফরের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় পুলিশের পাশাপাশি অঙ্গরাজ্য ও ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের প্রয়োজন হতে পারে। তবে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, সফরের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন হবে তা হুমকি মূল্যায়ন ও পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।   এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ‘বারুদের স্তূপ’ বা মামদানির বক্তব্যের কারণে সরাসরি বিপদ তৈরি হয়েছে—এটি নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রের মূল্যায়ন, নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি। নেতানিয়াহুর সফর ঘিরে প্রকৃত নিরাপত্তা হুমকির মাত্রা নির্ধারণে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ৯:৪৬
রাশিয়ার হামলা ঠেকাতে মার্কিন প্রশাসনের কাছ থেকে প্রতি মাসে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাওয়ার সমঝোতার কথা জানান জেলেনস্কি। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার হামলা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মাসে মাসে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাবে ইউক্রেন

শিশুদের আসক্তি ও সুরক্ষায় ব্যর্থতার দায়ে নিউ মেক্সিকোর আদালতে ৯৪ কোটি ২০ লাখ ডলার জরিমানার মুখে মার্ক জাকারবার্গের মেটা। ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে শিশুদের আসক্তি ও যৌন শোষণের ঝুঁকি, মেটাকে ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার জরিমানা

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসীদের আটকের দৃশ্য। ছবি:সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে এক মাসে রেকর্ড ৫১ হাজার অভিবাসী আটক, বাড়ছে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযান

0 Comments