১৪ বছরের শিক্ষার্থীদের সামনে গর্ভপাত, যৌনতা ও টান্সজেন্ডার শিল্পকর্ম! অভিভাবকদের ক্ষোভ
ক্যালিফোর্নিয়ার স্যাঙ্গার হাই স্কুলের ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচালিত একটি কলেজ পর্যায়ের শিল্পকলা কোর্সে গর্ভপাত, যৌনতা ও ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ক গ্রাফিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনের ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রিডলি কলেজের সঙ্গে স্যাঙ্গার হাই স্কুলের দ্বৈত-ভর্তি কর্মসূচির আওতায় গ্রীষ্মকালীন এই কোর্সটি পরিচালিত হয়।
জানা গেছে, ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা ‘দৃশ্যসংস্কৃতির পরিচিতি’ নামে ওই কোর্সে অংশ নেয়। কোর্সের অংশ হিসেবে তাদের এমন কিছু শিল্পকর্ম ও প্রদর্শনী দেখানো হয়, যেখানে গর্ভপাত, যৌন আচরণ এবং ট্রান্সজেন্ডার বিষয়কে অত্যন্ত স্পষ্ট ও প্রাপ্তবয়স্কদের উপযোগী উপস্থাপনায় তুলে ধরা হয়েছিল।
এর মধ্যে ‘নারী-পুরুষের ঘর ২০২২’ নামের একটি শিল্পস্থাপনার বিভিন্ন অংশও শিক্ষার্থীদের দেখানো হয়। এর একটি অংশে ‘বাড়িতে নিজে গর্ভপাত’ নামে একটি কক্ষে রক্তাক্ত অবস্থায় বসে থাকা এক নারীর ভাস্কর্য এবং তার পাশে গর্ভপাতের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ধাতব হ্যাঙ্গার দেখানো হয়।
আরেকটি অংশে ‘ট্রান্সজেন্ডার বাথরুম’ নামে একটি স্থাপনা ছিল। সেখানে টেস্টোস্টেরন ইনজেকশন দেওয়ার স্থান নির্দেশকারী একটি চিহ্ন এবং শরীরের আকৃতি পরিবর্তনে ব্যবহৃত বিশেষ চাপযুক্ত পোশাক প্রদর্শন করা হয়। প্রদর্শনীর বিভিন্ন অংশে যৌনতা সম্পর্কিত স্পষ্ট ভাষার লেখা ও বার্তাও ছিল।
এ ধরনের বিষয়বস্তু অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের একটি কলেজ পর্যায়ের কোর্সে দেখানো কতটা উপযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকদের কেউ কেউ। তাদের উদ্বেগের মূল বিষয় হলো, শিক্ষার্থীদের এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়বস্তু দেখানোর আগে পরিবারগুলোকে যথেষ্ট তথ্য দেওয়া হয়েছিল কি না।
ঘটনার পর স্যাঙ্গার ইউনিফায়েড স্কুল ডিস্ট্রিক্টের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। ডিস্ট্রিক্টের সুপারিনটেনডেন্ট ডেনিস উইখম্যান জানান, কোর্সের পাঠ্যক্রম রিডলি কলেজ নির্ধারণ করে এবং হাই স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য সেটি আলাদাভাবে পরিবর্তন করা হয় না।
তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের কোর্সে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার আগে অভিভাবকদের বিষয়বস্তু সম্পর্কে আরও স্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন বলে তিনি স্বীকার করেন। ডিস্ট্রিক্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতে দ্বৈত-ভর্তি কর্মসূচির কোনো কোর্সে প্রাপ্তবয়স্ক বা সংবেদনশীল বিষয়বস্তু থাকার সম্ভাবনা থাকলে ভর্তি প্রক্রিয়ার সময় অভিভাবকদের তা জানানো হবে। পাশাপাশি কোর্সের পাঠ্যসূচি পাওয়া গেলে তা দেখার সুযোগও আরও সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
দ্বৈত-ভর্তি কর্মসূচির মাধ্যমে স্যাঙ্গার হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা রিডলি কলেজ, ফ্রেসনো সিটি কলেজ ও ক্লোভিস কমিউনিটি কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কলেজ পর্যায়ের কোর্স করার সুযোগ পায়। এর মাধ্যমে তারা হাই স্কুলে পড়ার পাশাপাশি কলেজের ক্রেডিট অর্জন করতে পারে। শিক্ষার্থীদের জন্য এসব কোর্স বিনামূল্যে হওয়ায় কর্মসূচিটি অনেক পরিবারের কাছে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।
তবে সাম্প্রতিক ঘটনাটি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের জন্য কলেজ পর্যায়ের পাঠ্যক্রম নির্ধারণ, সংবেদনশীল বিষয়বস্তু সম্পর্কে অভিভাবকদের আগাম অবহিত করা এবং এ ধরনের কোর্সে পরিবারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ কতটা থাকা উচিত, তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (স্মার্ট কার্ড) সংগ্রহের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রস্তুত স্মার্ট কার্ড সংগ্রহের জন্য আবেদনকারীরা অফিস চলাকালে সরাসরি উপস্থিত হতে পারবেন। তবে কোনো আবেদনকারীর পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হওয়া সম্ভব না হলে নির্ধারিত প্রতিনিধির মাধ্যমেও কার্ড সংগ্রহের ব্যবস্থা রয়েছে বলে দূতাবাসের একটি বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে। বার্তায় বলা হয়েছে, স্মার্ট কার্ড সংগ্রহের জন্য দূতাবাসের অফিস সময় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। কার্ড নিতে যাওয়ার সময় আবেদনকারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন ও বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার সময় দূতাবাস থেকে সরবরাহ করা ‘ডেটা এন্ট্রি প্রুফ কপি’ সঙ্গে রাখতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় বা স্টেট আইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট কার্ড অথবা পাসপোর্টের মতো পরিচয়পত্রের একটি ফটোকপি সঙ্গে আনার অনুরোধ জানানো হয়েছে। দূতাবাসের বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আবেদনকারী নিজে উপস্থিত হতে না পারলে একজন নির্ধারিত প্রতিনিধিকে অনুমতিপত্র বা অথরাইজেশন লেটার দিয়ে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহের দায়িত্ব দিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপিও সঙ্গে রাখতে হবে। এ ছাড়া, যারা সরাসরি দূতাবাসে যেতে পারবেন না, তাদের জন্য ডাকযোগে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহের পদ্ধতির কথাও বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে যথাযথভাবে পূরণ ও স্বাক্ষর করা একটি এফিডেভিট বা হলফনামা, নিজের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় ডাকমাশুলসহ একটি ফেরত খাম এবং পরিচয়পত্রের ফটোকপি পাঠাতে হবে। বার্তায় বলা হয়েছে, ফেরত খামের ক্ষেত্রে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ডাক পরিষেবা ইউএসপিএসের খাম গ্রহণ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের স্মার্ট কার্ড সংগ্রহের আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা এবং প্রযোজ্য নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে প্রতিনিধি বা ডাকযোগে কার্ড সংগ্রহের ক্ষেত্রে অনুমতিপত্র, হলফনামা ও অন্যান্য নথির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
হানিমুনে জলহস্তীর আক্রমণ থেকে স্বামীকে বাঁচাতে জলহস্তীকেই ঘুষি মারলেন স্ত্রী
দক্ষিণ জর্জিয়ায় প্রথমবারের মতো দেখা মিলেছিল বিরল হলুদ কিং পেঙ্গুইনের, ছবি ঘিরে বিস্ময়
যুক্তরাষ্ট্রে ফার্মাসিউটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রথম পিএইচডি অর্জন করলেন ঢাবির নাদিয়া তাসনিম
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ক্রিস্টাল সিটির মেয়র হোসে অ্যাঞ্জেল সেরদার স্বামী আরমান্দো গারজা লিরাকে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে স্থানীয় শেরিফ অফিসের সহযোগিতায় পরিচালিত অভিযানে তাঁকে আটক করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন তিনি। এ ঘটনায় মেয়রকেও জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেওয়া হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজ নেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যায় টেক্সাসের জাভালা কাউন্টি শেরিফ অফিস এবং আইসিই যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। ক্রিস্টাল সিটিতে একজন ব্যক্তি বৈধ ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস ছাড়া বসবাস করছেন, এমন অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযানটি চালানো হয়। ক্রিস্টাল সিটি সান আন্তোনিও শহর থেকে প্রায় ১১৫ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। জাভালা কাউন্টি শেরিফ অফিসের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৬ মিনিটের দিকে শেরিফ অফিসের একজন ডেপুটি ক্রিস্টাল সিটির একটি গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁদের একজন ছিলেন আরমান্দো গারজা লিরা। অন্যজন ছিলেন শহরের মেয়র হোসে অ্যাঞ্জেল সেরদা। পরিচয় শনাক্তের পর ডেপুটিরা ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শেরিফ অফিসের ভাষ্য অনুযায়ী, আইসিই তখন জানায়, আরমান্দো গারজা লিরা যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস ছাড়া অবস্থান করছেন। এরপর তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের পর লিরাকে জাভালা কাউন্টি জেলে নেওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ইমিগ্রেশন কার্যক্রমের জন্য তাঁকে ফেডারেল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হয়। অন্যদিকে একই গাড়িতে থাকা মেয়র হোসে অ্যাঞ্জেল সেরদাকে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়। নিউজ নেশনের প্রতিবেদক আলি ব্র্যাডলি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছেন, লিরা তাঁর ভিসার নির্ধারিত মেয়াদ অতিক্রম করে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। তবে তিনি কোন দেশের নাগরিক, কী ধরনের ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন এবং ঠিক কত দিন আগে তাঁর অনুমোদিত অবস্থানের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তা প্রকাশিত তথ্যে স্পষ্ট করা হয়নি। একইভাবে তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ডিপোর্টেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে কি না, আগে কোনো ইমিগ্রেশন কোর্টের আদেশ ছিল কি না কিংবা তিনি বর্তমানে অন্য কোনো বৈধ স্ট্যাটাসের আবেদন করেছেন কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। জাভালা কাউন্টি শেরিফ অফিস জানিয়েছে, টেক্সাসের আইন অনুযায়ী স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হয়। টেক্সাস গভর্নমেন্ট কোডের ৭৫২.০৫৩ ধারা অনুযায়ী, স্থানীয় প্রশাসন এমন কোনো নীতি গ্রহণ করতে পারে না, যা নির্দিষ্ট ধরনের ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমে সহযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত করে। শেরিফ অফিসের বক্তব্য অনুযায়ী, এই আইনগত দায়িত্বের অংশ হিসেবেই আইসিইর সঙ্গে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও স্টেট ও ফেডারেল আইনের আওতায় এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার অভিযোগের সঙ্গে কোনো ব্যক্তির ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিষয়টি এক নয়। যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদিত অবস্থানের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা সাধারণত ইমিগ্রেশন আইনের আওতায় বিবেচিত হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিস্থিতি, পূর্ববর্তী ইমিগ্রেশন রেকর্ড এবং প্রযোজ্য আইনের ভিত্তিতে আটক, শুনানি কিংবা ডিপোর্টেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভিসার গায়ে লেখা মেয়াদ এবং যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে অবস্থানের অনুমোদিত সময় সব সময় এক নয়। সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আই-৯৪ রেকর্ড বা অনুমোদিত স্ট্যাটাসের শর্ত অনুযায়ী অবস্থানের মেয়াদ নির্ধারিত হয়। ফলে শুধু ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে বলেই কেউ অবৈধভাবে অবস্থান করছেন, এমন সিদ্ধান্ত সব ক্ষেত্রে সঠিক নয়। আরমান্দো গারজা লিরার বিষয়ে আইসিইর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তাঁকে বৈধ স্ট্যাটাসবিহীন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে তাঁর পূর্ণাঙ্গ ইমিগ্রেশন রেকর্ড কিংবা আদালতের নথি প্রকাশ করা হয়নি। ফলে কর্তৃপক্ষের অভিযোগের বাইরেও তাঁর বর্তমান আইনি অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। এদিকে ক্রিস্টাল সিটির মেয়র হোসে অ্যাঞ্জেল সেরদা ঘটনার সময় তাঁর স্বামীর সঙ্গে একই গাড়িতে ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে শেরিফ অফিস। তবে মেয়রের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা হয়নি। তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি। ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমগুলো তাঁর বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করলেও বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের কঠোর ইমিগ্রেশন নীতির মধ্যে এই গ্রেপ্তারের খবর সামনে এসেছে। ফেডারেল কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে অবস্থানরত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আটক করার কার্যক্রম জোরদার করেছে। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে স্থানীয় পুলিশ ও শেরিফ অফিসের সঙ্গে আইসিইর সহযোগিতার বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় রয়েছে। টেক্সাসে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার আইনি কাঠামো আগে থেকেই রয়েছে। জাভালা কাউন্টির শেরিফ অফিস জানিয়েছে, লিরাকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রেও সেই কাঠামো অনুসরণ করা হয়েছে। তবে লিরার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো সহিংস অপরাধ, প্রতারণা কিংবা অন্য কোনো ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ প্রকাশ করা হয়নি। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার কারণ মূলত তাঁর ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসসংক্রান্ত অভিযোগ। মেয়রের স্বামী হওয়া সত্ত্বেও আরমান্দো গারজা লিরার ক্ষেত্রে সাধারণ ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এখন তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হবে, তিনি ইমিগ্রেশন কোর্টে শুনানির সুযোগ পাবেন কি না এবং যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কোনো আইনগত সুযোগ রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট ফেডারেল প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
নিউইয়র্কে ফেরি ভাড়া বাড়ছে ১৯ অক্টোবর, এক যাত্রায় খরচ হবে ৫ ডলার
কুইন্সে পার্কিং টিকিট এড়ানোর উপায়, জ্যাকসন হাইটস থেকে জ্যামাইকার ড্রাইভারদের জরুরি গাইড
যুক্তরাষ্ট্রে হামাসে অর্থায়ন ও মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে একই পরিবারের গ্রেফতার ৫
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের একটি কমিউনিটি সুইমিং পুলে সাত বছরের এক শিশুকে ডুবে যেতে দেখেও দ্রুত উদ্ধার করতে এগিয়ে যাননি এক নারী চিকিৎসক—এমন অভিযোগ উঠেছে। বরং শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য নিজের পরিবর্তে একই বয়সী অন্য দুই শিশুকে পানিতে পাঠিয়েছিলেন তিনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে আরেকজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি শিশুটিকে পানি থেকে উদ্ধার করলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি। এ ঘটনায় ৪৮ বছর বয়সী চিকিৎসক সুকান্থিনি সুব্বিয়াহকে গ্রে প্তা র করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে শিশুর মৃ ত্যুর ঘটনায় গুরুতর অবহেলাজনিত হ ত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত ১০ এপ্রিল ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোর এভারবি কমিউনিটির একটি সুইমিং পুলে। নিহত শিশুটির নাম খুশিল বান্ডি। তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার প্রায় ছয় মাস পর নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে গত ৫ অক্টোবর চিকিৎসক সুব্বিয়াহকে গ্রে প্তা র করা হয়। সুব্বিয়াহ লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা ও পেশায় চিকিৎসক। ঘটনার সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে অরল্যান্ডোতে এসেছিলেন। সেখানে তাঁর সাত বছর বয়সী ছেলের সঙ্গে প্রতিবেশী পরিবারের যমজ দুই শিশুর বন্ধুত্ব হয়। পরে ওই শিশুদের মায়ের অনুমতি নিয়ে নিজের ছেলেসহ তিন শিশুকে সুইমিং পুলে নিয়ে যান তিনি। তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, সেদিন খুশিলের যমজ বোন লাইফ জ্যাকেট পরেছিল, কিন্তু খুশিলের গায়ে সেটি ছিল না। সুব্বিয়াহ পরে তদন্তকারীদের জানান, তিনি ধারণা করেছিলেন শিশুটি সাঁতার জানে। তাই তাকে লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই পানিতে নামতে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশের হাতে থাকা নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিটে শিশুরা পুলে নামে। এর প্রায় এক মিনিট পরই খুশিল পানিতে বিপদে পড়ে। ফুটেজে দেখা যায়, পুলের মাঝামাঝি গিয়ে সে দিক পরিবর্তনের চেষ্টা করে এবং হাত-পা ছুড়তে থাকে। একপর্যায়ে সে পানির নিচে তলিয়ে যায়। তদন্তকারীদের অভিযোগ, শিশুটি বিপদে পড়ার পরও সুব্বিয়াহ দ্রুত তাকে উদ্ধারের উদ্যোগ নেননি। বরং পুলের দিকে তাকিয়ে ছিলেন এবং পরে একই বয়সী অন্য দুই শিশুকে খুশিলকে উদ্ধারের জন্য পাঠান। পুলিশের দাবি, শিশুটি পাঁচ মিনিটের বেশি সময় ধরে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে ছিল। পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সাত মিনিটেরও বেশি সময় পর তাকে উদ্ধার করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাত বছর বয়সী শিশুদের পক্ষে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া আরেক শিশুকে উদ্ধার করা সম্ভব ছিল না। ওই দুই শিশু পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পেরে চিৎকার করতে শুরু করে। পরে সুব্বিয়াহ পুলে থাকা অন্য একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সাহায্য চান। ওই ব্যক্তি পানিতে নেমে খুশিলকে উদ্ধার করেন। শিশুটিকে পানি থেকে তোলার পর সুব্বিয়াহ তার সিপিআর দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং জরুরি সেবা নম্বর ৯১১-এ ফোন করা হয়। পরে খুশিলকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসা দিয়েও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর পুলিশের কাছে প্রাথমিক বক্তব্যে সুব্বিয়াহ দাবি করেছিলেন, শিশুটি প্রায় ৪৫ সেকেন্ড পানির নিচে ছিল। তবে তদন্তকারীরা নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজের সঙ্গে তাঁর বক্তব্যের সময়ের অসংগতি খুঁজে পান। ফুটেজ অনুযায়ী, শিশুটি অনেক বেশি সময় ধরে বিপদে ছিল এবং তাকে উদ্ধারের জন্য যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তদন্তকারীদের। প্রথমদিকে শিশুটির মৃ ত্যুকে দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ভিডিও ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করে তদন্তকারীরা মনে করেন, শিশুটির দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির গুরুতর অবহেলা এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত। তদন্তকারীদের মতে, জরুরি পরিস্থিতিতে শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য সুব্বিয়াহর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। বিশেষ করে তিনি একজন চিকিৎসক হওয়ায় পানিতে ডুবে যাওয়ার বিপদ ও অক্সিজেনের অভাবে শিশুর প্রাণহানির ঝুঁকি সম্পর্কে তাঁর ধারণা থাকার কথা। কিন্তু সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগকে তাঁরা গুরুতর দায়িত্বহীনতা হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে সুব্বিয়াহর বিরুদ্ধে শিশুর মৃ ত্যুর ঘটনায় গুরুতর অবহেলাজনিত হ ত্যার অভিযোগ আনা হয়। ৫ অক্টোবর তাঁকে অরেঞ্জ কাউন্টি জেলে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসকের আইনজীবী রাজন যোশি অভিযোগের বিরোধিতা করেছেন। তাঁর দাবি, ঘটনাটি একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নয়। আইনজীবী জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল স্বেচ্ছায় কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিরুদ্ধে আদালতে আইনি লড়াই চালানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ ঘটনাটি শিশুদের সুইমিং পুলে নিরাপত্তা ও প্রাপ্তবয়স্কদের তত্ত্বাবধানের গুরুত্ব নতুন করে সামনে এনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এক থেকে চার বছর বয়সী শিশুদের মৃ ত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ পানিতে ডুবে যাওয়া। পাঁচ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রেও এটি মৃ ত্যুর উল্লেখযোগ্য কারণগুলোর একটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, পানিতে ডুবে যাওয়ার সময় শিশুরা সব সময় চিৎকার করে সাহায্য চাইতে পারে না। অনেক সময় অল্প সময়ের মধ্যেই তারা পানির নিচে তলিয়ে যায়। এ কারণে সুইমিং পুলে শিশুদের উপস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সার্বক্ষণিক নজরদারি অত্যন্ত জরুরি। চিকিৎসক সুব্বিয়াহর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে, শিশুটিকে উদ্ধারে তাঁর কথিত নিষ্ক্রিয়তা ফৌজদারি অপরাধের পর্যায়ে পড়ে কি না।
বিড়ালদের ‘অশুভ আত্মা’ ভেবে জীবন্ত পুঁতে রাখার অভিযোগে গ্রে প্তা র এক নারী
যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ গ্রিন কার্ডের আবেদন করতে অভিবাসী শিশুদের পূরণ করতে হবে ছয়টি শর্ত