প্রতি বছর মেয়ের কবরে ফেরেন বাবা, ছবিতে ধরা পড়ে অশ্রুসিক্ত মুহূর্ত
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির ল্যানোকা হারবারের ১৪ বছর বয়সী চেলসি ডিহল ২০২৪ সালের ৩ মার্চ মারা যায়। মৃত্যুর পর তার বাবাকে মেয়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় এমন কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পুরোনো ছবিতে বাবা ও মেয়েকে একসঙ্গে দেখা যায়, আর পরের ছবিগুলোতে একই বাবাকে মেয়ের সমাধির পাশে দেখা যাচ্ছে।
চেলসি লেসি টাউনশিপ মিডল স্কুলের অনার রোলের শিক্ষার্থী ছিল। পাশাপাশি সে প্রাইড এলিট কম্পিটিটিভ চিয়ারের সদস্য ছিল। চিয়ারলিডিংয়ের বাইরে ফুটবল ও আইস স্কেটিংও ছিল তার পছন্দের।
চেলসি ছিল ব্রায়ান ডিহল ও লিন কনক্লিনের মেয়ে। তার মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে কিশোরদের আত্মহত্যা প্রতিরোধে সহায়তার আহ্বান জানানো হয়। তার স্মৃতি ধরে রাখতে লেসি টাউনশিপ স্কুল ডিস্ট্রিক্টের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্কলারশিপ ফান্ডও গড়ে তোলা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু পোস্টে দাবি করা হয়েছে, বাবা ব্রায়ান প্রতি বছর মেয়ের কবরের কাছে গিয়ে একটি করে সেলফি তোলেন। তবে এই বার্ষিক রীতির দাবিটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করার মতো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
যা নিশ্চিতভাবে জানা যায়, চেলসির পরিবার তার স্মৃতিকে একটি ইতিবাচক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত রাখার চেষ্টা করছে। তার নামে গড়ে ওঠা স্কলারশিপ ফান্ডটি লেসি টাউনশিপের শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য ব্যবহারের কথা জানানো হয়েছিল।
ভাইরাল ছবিগুলোর পেছনে তাই শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি আবেগঘন গল্প নয়, রয়েছে ১৪ বছরের এক কিশোরীর জীবন, তার পরিবার এবং তাকে হারানোর দীর্ঘস্থায়ী শোক।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নয়টি ব্যাংক রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা সামাজিক বিশ্বাসের কারণে গ্রাহকদের আর্থিক সেবা প্রদান থেকে বঞ্চিত করেছে। বুধবার প্রকাশিত অফিস অব দ্য কন্ট্রোলার অব দ্য কারেন্সি (ওসিসি)-এর এক নিয়ন্ত্রকমূলক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। জেপি মরগান চেজ, ব্যাংক অব আমেরিকা, সিটিব্যাংক, ওয়েলস ফার্গো, ইউ.এস. ব্যাংক, ক্যাপিটাল ওয়ান, পিএনসি ব্যাংক, টিডি ব্যাংক এবং বিএমও ব্যাংক—এই নয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক লাখ অভিযোগ এবং ৫০ হাজার নথিপত্র পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ নীতিমালায় আর্থিক ঝুঁকির পরিবর্তে আদর্শিক অবস্থানকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যার ফলে অনেক বৈধ গ্রাহক এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ব্যাংকিং সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বিশেষ করে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, কয়লা খনি, আগ্নেয়াস্ত্র উৎপাদন ও বিক্রি এবং তামাক বা ই-সিগারেট ব্যবসার মতো রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল খাতগুলোকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আর্থিক ব্যবস্থাকে ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিল। 'গ্যারান্টিং ফেয়ার অ্যাক্সেস টু ব্যাংকিং ফর অল আমেরিকানস' শীর্ষক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিশেষ নির্বাহী আদেশের ভিত্তিতেই এই পর্যালোচনাটি পরিচালিত হয়। ওসিসির কন্ট্রোলার অব দ্য কারেন্সি জোনাথন গোল্ড জানিয়েছেন, আজকের প্রতিবেদনটি স্পষ্ট প্রমাণ দিচ্ছে যে দেশের বড় ব্যাংকগুলো গ্রাহক ও বৈধ ব্যবসাগুলোর সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে সব মার্কিন নাগরিকের আর্থিক সেবা পাওয়ার সমান অধিকার রয়েছে। তবে ব্যাংকগুলোর দাবি, তারা এখন সুনামের ঝুঁকির চেয়ে আর্থিক ঝুঁকি ও অন্যান্য ব্যবসায়িক বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। জেপি মরগান চেজ ব্যাংক জানিয়েছে, তারা গ্রাহকদের প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি অনুসরণ করে না এবং চলমান নিয়ন্ত্রণমূলক পরিবেশই ব্যাংক খাতে এমন মাত্রাতিরিক্ত সতর্কতার জন্ম দিয়েছে, যা দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এ ধরনের বৈষম্য রোধে ওসিসি নতুন বিধিমালা প্রণয়ন এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের কথা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।
নিউইয়র্কে ম্যাসেজের নামে দুই নারী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, আদালতে নিউরোলজিস্ট
ফ্লোরিডায় বাড়ি দেখতে গিয়ে বাথরুমে কিশোরকে যৌ ন নিপীড়নের অভিযোগ, গ্রেপ্তার উরিয়েল পেরেজ
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে ৫৪০ দিনের বিশেষ সুবিধা বাতিল
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শহরগুলোতে গত এক বছরে বাড়ির দাম কমলেও, অপ্রত্যাশিতভাবে কিছু মাঝারি শহর আবাসন বাজারে রীতিমতো চমক দেখাচ্ছে। স্মার্টঅ্যাসেট-এর সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ১০০টি প্রধান শহরের মধ্যে ওহাইও অঙ্গরাজ্যের টলেডো শহরে বাড়ির দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। শহরটিতে গত এক বছরে বাড়ির দাম ৫.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ঠিক পরেই রয়েছে নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যের লিংকন শহর, যেখানে দাম বেড়েছে ৪.১ শতাংশ। মজার বিষয় হলো, আবাসন খাতের এই দৌড়ে মিডওয়েস্টের এই শহরগুলো নিউইয়র্ক সিটি এবং সান ফ্রান্সিসকোর মতো মেগাসিটিগুলোকেও পেছনে ফেলেছে, যেখানে দাম বেড়েছে আনুমানিক ৪ শতাংশ। টলেডোর এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে মূল কারণ হিসেবে শহরটির সাশ্রয়ী জীবনযাত্রাকে তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। স্মার্টঅ্যাসেটের তথ্যমতে, গত ফেব্রুয়ারিতে শহরটির একটি সাধারণ বাড়ির গড় মূল্য ছিল মাত্র ১ লাখ ২৬ হাজার ২৭০ ডলার। বড় মেট্রোপলিটান শহরগুলোতে বাড়ির আকাশছোঁয়া দামের কারণে ক্রেতারা এখন অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী এই শহরগুলোর দিকে ঝুঁকছেন। এছাড়া বাজারে বাড়ির সীমিত সরবরাহের কারণেও সেখানে চাহিদা তুঙ্গে রয়েছে। অন্যদিকে, নেব্রাস্কার লিংকনে একটি সাধারণ বাড়ির গড় মূল্য বর্তমানে ২ লাখ ৮৫ হাজার ডলারের কাছাকাছি। শহরটির আবাসন বাজার বিক্রেতাদের জন্য অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও লাভজনক হয়ে উঠেছে, যেখানে বাজারে বিক্রির জন্য বাড়ির তালিকা বাড়লেও বছরওয়ারি হিসেবে বিক্রয়মূল্য ৬.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। মিডওয়েস্টের শহরগুলোতে এমন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেলেও, যুক্তরাষ্ট্রের সার্বিক চিত্রটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৭০ শতাংশ শহরে বাড়ির দাম কমেছে। সান ফ্রান্সিসকোতে কিছুটা দাম বাড়লেও, এর নিকটবর্তী শহর অকল্যান্ডে বাড়ির দাম সবচেয়ে বেশি (৯.১ শতাংশ) কমেছে। এছাড়া ফ্লোরিডার সেন্ট পিটার্সবার্গ এবং নেপলসে উল্লেখযোগ্য হারে দাম কমেছে। টেক্সাসের অস্টিনেও প্রায় ৬ শতাংশ দরপতন রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে, সাধারণ আবাসন বাজারে দরপতন চললেও আমেরিকার অভিজাত ও বিলাসবহুল এলাকাগুলোর চিত্র একেবারেই ভিন্ন। প্রপার্টিশার্ক-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি বিলিয়নিয়ারদের প্রিয় এলাকা ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাথারটন দেশের প্রথম জিপ কোড হিসেবে ১ কোটি (১০ মিলিয়ন) ডলারের বেশি গড় বিক্রয়মূল্যের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। গত বছরের তুলনায় এই এলাকায় বাড়ির দাম ২৯ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবেদনটির লেখক এলিজা থিসের মতে, ধনী ক্রেতারা অর্থনৈতিক মন্দা বা সাশ্রয় সংকটের ঊর্ধ্বে থাকেন, যে কারণে বিলাসবহুল বাজারগুলো তাদের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারে। হ্যাম্পটনসের সাগাপোনাক ও ব্রিজহ্যাম্পটনও তালিকার শীর্ষস্থানগুলোতে রয়েছে। তবে বিলাসবহুল বাজারও পুরোপুরি ঝুঁকিহীন নয়, যার প্রমাণ মায়ামি সৈকতের ফিশার আইল্যান্ড; গত বছর শীর্ষে থাকা এই এলাকার বাড়ির গড় দাম ২৪ শতাংশ কমে এবার তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে সোশ্যাল সিকিউরিটি ভাতা বাড়ছে ৩.৬ শতাংশ, সুবিধা পাবেন সাড়ে ৭ কোটি মানুষ
নিউইয়র্কবাসীর জন্য সুখবর, বিদ্যুৎ বিলের খরচ কমাতে ডাকযোগে আসছে ২০০ ডলার পর্যন্ত রিবেট চেক
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ ফুট উঁচু ঝরনার নিচে মৃ ত্যুফাঁদ, প্রাণ গেল ২৪ বছরের সাহিল জিলানির
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যের রিচমন্ডে একটি অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর বাড়ি থেকে সাতটি শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় শিশু নির্যাতন, অজাচার (ইনসেস্ট), ধর্ষণ ও মানব পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগে ওই পরিবারের আটজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া শিশুদের বয়স এক থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। রিচমন্ড পুলিশের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার তল্লাশি চালিয়ে এই ভয়াবহ শিশু নির্যাতনের ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। আদালতের নথি অনুযায়ী, বাড়িটির মেঝে ও সিঁড়িতে মলমূত্র ছড়ানো ছিল এবং সেখান থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। এমন অমানবিক পরিবেশে ১০টি কুকুর এবং একটি বিড়ালসহ মোট ১৫ জন মানুষ গাদাগাদি করে বসবাস করছিল। চলমান এই তদন্তে ২১ থেকে ৬৩ বছর বয়সী আটজন প্রাপ্তবয়স্ককে গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক ৬৩ বছর বয়সী গ্রিন শিন্ডলারের বিরুদ্ধে মানব পাচার, প্রথম মাত্রার ধর্ষণ ও বিকৃত যৌনচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া তার পাশাপাশি ৩০ বছর বয়সী জমজ ভাই মার্ক ও ম্যাথু ব্রুমবাঘ এবং ২৮ বছর বয়সী সারাহ কার্টারের বিরুদ্ধে অজাচারের অভিযোগ রয়েছে। সারাহ কার্টারের বিরুদ্ধে অশ্লীল উপাদান বিতরণেরও অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ঘটনায় ৪৫ বছর বয়সী রিচার্ড কার্টারকেও মানব পাচার ও প্রথম মাত্রার ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ২১ বছর বয়সী জোনা কার্টার, ৪১ বছর বয়সী ক্রিস্টিন কার্টার এবং ২১ বছর বয়সী ইশমেল থর্নসবেরির বিরুদ্ধে মূলত ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ওপর নির্যাতন ও অবহেলার বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের মধ্যে ঠিক কী সম্পর্ক তা পুলিশ বিস্তারিত জানায়নি, তবে তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া শিশুদের সমাজসেবা দপ্তরের হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং তদন্তসাপেক্ষে আরও অভিযোগ যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছে রিচমন্ড পুলিশ বিভাগ।
ক্যালিফোর্নিয়াকে ট্রাম্প প্রশাসনের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম, অবৈধ ভোটার যাচাই না করলে মামলা
যুক্তরাষ্ট্রের রিসোর্টে ভ য়াবহ হত্যাকাণ্ড, স্বামী ও তিন বছরের সন্তানকে খুনের পর আ ত্মহ ত্যার চেষ্টা মায়ের