আমেরিকা

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে রহস্যময় ড্রোন, বাড়ল নিরাপত্তা উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরান-যুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক ঘাঁটিতে একাধিক অজ্ঞাত ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। বিশেষভাবে উদ্বেগ তৈরি করেছে এই স্থানটিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সরকারি বাসভবনের অবস্থান।

 

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফোর্ট লেসলি জে. ম্যাকনেয়ার-এর আকাশে সম্প্রতি রাতে রহস্যময় ড্রোনগুলো শনাক্ত করা হয়। ড্রোনগুলো কোথা থেকে এসেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে।

 

ঘটনার পর ঘাঁটির নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যেই উচ্চ সতর্কতায় আছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রোনের এই কার্যক্রম নিরাপত্তার ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।

 

একই সঙ্গে, দেশটির আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে ‘ফোর্স প্রোটেকশন লেভেল চার্লি’ জারি করা হয়েছে। সর্বোচ্চ স্তর ‘ডেল্টা’ কেবল তখনই কার্যকর হয়, যখন হামলা আসন্ন বা চলমান থাকে। এই পরিস্থিতিতে মার্কো রুবিও ও পিট হেগসেথকে নিরাপদ স্থানে সরানোর বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।

 

বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক মিশনগুলোকে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রভাব মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে রহস্যময় ড্রোন, বাড়ল নিরাপত্তা উদ্বেগ

ইরান-যুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক ঘাঁটিতে একাধিক অজ্ঞাত ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। বিশেষভাবে উদ্বেগ তৈরি করেছে এই স্থানটিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সরকারি বাসভবনের অবস্থান।   মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফোর্ট লেসলি জে. ম্যাকনেয়ার-এর আকাশে সম্প্রতি রাতে রহস্যময় ড্রোনগুলো শনাক্ত করা হয়। ড্রোনগুলো কোথা থেকে এসেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে।   ঘটনার পর ঘাঁটির নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যেই উচ্চ সতর্কতায় আছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রোনের এই কার্যক্রম নিরাপত্তার ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।   একই সঙ্গে, দেশটির আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে ‘ফোর্স প্রোটেকশন লেভেল চার্লি’ জারি করা হয়েছে। সর্বোচ্চ স্তর ‘ডেল্টা’ কেবল তখনই কার্যকর হয়, যখন হামলা আসন্ন বা চলমান থাকে। এই পরিস্থিতিতে মার্কো রুবিও ও পিট হেগসেথকে নিরাপদ স্থানে সরানোর বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।   বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক মিশনগুলোকে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রভাব মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারে, বাজারে সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য পেন্টাগন চায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত বরাদ্দ

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ছবি: রয়টার্স

জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে ইরানি তেলের বিধিনিষেধ শিথিলের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

ভয়েস অব আমেরিকার প্রধান কার্যালয়। ছবি: রয়টার্স
আদালতের নির্দেশে আবার সচল হচ্ছে ভয়েস অব আমেরিকা, সাংবাদিকদের পুনর্বহালের নির্দেশ

এক বছর বন্ধ থাকার পর আবারও চালু হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্প্রচারমাধ্যম Voice of America (ভয়েস অব আমেরিকা)। যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুনরায় চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দায়িত্ব নেওয়ার পর এক নির্বাহী আদেশে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম কার্যত বন্ধ করে দেন। তবে আদালত সেই সিদ্ধান্তকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করেছেন।   ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক Royce Lamberth গত মঙ্গলবার দেওয়া এক আদেশে বলেন, ভয়েস অব আমেরিকা বন্ধ করে দেওয়া আইনের পরিপন্থী ছিল। একই সঙ্গে তিনি শত শত সাংবাদিককে পুনরায় কাজে বহাল করার নির্দেশ দেন এবং এক সপ্তাহের মধ্যে কার্যক্রম চালুর সময়সীমা বেঁধে দেন।   দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি প্রোপাগান্ডার মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠিত এই গণমাধ্যমটি বন্ধ হওয়ার আগে প্রায় ৫০টি ভাষায় টেলিভিশন, রেডিও ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংবাদ ও তথ্যসেবা প্রদান করত।   ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছিলেন, ভয়েস অব আমেরিকার কনটেন্টে পক্ষপাত রয়েছে। একই সঙ্গে ‘রেডিও ফ্রি ইউরোপ’ ও ‘রেডিও ফ্রি এশিয়া’র মতো অন্যান্য আন্তর্জাতিক সম্প্রচারমাধ্যমও বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।   এই প্রতিষ্ঠানগুলোর তদারকি করে US Agency for Global Media। সংস্থাটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ পাওয়া Kari Lake দায়িত্ব নেওয়ার পর ৮৫ শতাংশের বেশি কর্মীকে বরখাস্ত করেন। ভয়েস অব আমেরিকায় এক হাজারের বেশি কর্মী চাকরি হারান।   তবে আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন, সিনেটের অনুমোদন না থাকায় ক্যারি লেকের এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো বৈধ ক্ষমতা ছিল না। বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে ‘খামখেয়ালি’ বলেও মন্তব্য করেন বিচারক। ভয়েস অব আমেরিকার তিনজন সাংবাদিক ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার রায়েই আদালত প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় চালুর নির্দেশ দেন।   মামলাকারীদের একজন প্যাটসি উইডাকুসওয়ারা রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, তাঁরা আশা করছেন, স্বাধীন সাংবাদিকতার এই উদ্যোগ আবারও শক্তিশালীভাবে ফিরে আসবে এবং জনগণের আস্থা অর্জন করবে। এদিকে, আদালতের এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0

শত বছরের পুরনো আইন স্থগিত স্থগিত করলেন ট্রাম্প, কী এই জোন্স অ্যাক্ট?

শাহেদ ড্রোন

ওয়াশিংটনের আকাশে রহস্যময় ড্রোন: মার্কিন ভূখণ্ডে ইরানের পাল্টা হামলা শুরু?

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের

কোল্ডপ্লে কনসার্টে ‘কিস ক্যাম’ কেলেঙ্কারি — বসের সঙ্গে ধরা পড়ে জীবন ওলটপালট নারীর
কোল্ডপ্লে কনসার্টে ‘কিস ক্যাম’ কেলেঙ্কারি — বসের সঙ্গে ধরা পড়ে জীবন ওলটপালট নারীর

কোল্ডপ্লে কনসার্টে ধারণ করা ‘কিস ক্যাম’ ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর আলোচিত সেই নারীর জীবন পুরোপুরি বদলে গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি নিজেই। কনসার্ট চলাকালে বড় পর্দায় তাকে তার বসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়, আর সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।   ভিডিওটি অল্প সময়ের মধ্যেই কোটি কোটি বার দেখা হয় এবং ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়। এর পর থেকেই ওই নারী তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন এবং তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বড় ধাক্কা লাগে। তিনি জানান, ঘটনার পর এখনো তিনি নতুন কোনো চাকরি পাননি এবং অনেক জায়গায় চেষ্টা করেও কাজ পাননি।   জানা গেছে, এই ঘটনার পর তার দাম্পত্য জীবনেও সমস্যা তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। একইভাবে ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তির সংসারেও ভাঙন দেখা গেছে বলে জানা যায়।   সম্প্রতি তিনি জনপ্রিয় টক শো সঞ্চালক Oprah Winfrey-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেন,   “মানুষ ভাবে এটা শুধু একটি ভিডিও, কিন্তু এর জন্য আমি অকল্পনীয় মূল্য দিয়েছি। আমার জীবন পুরো বদলে গেছে, এখনো মানুষ আমাকে সমালোচনা করছে।”   এই ঘটনা আবারও দেখিয়ে দিল, জনসমাগমে ধারণ করা একটি মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে তা একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার ও ক্যারিয়ারের উপর কত বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

নুরুল্লাহ সাইদ মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কোটি ডলার প্রতারণা, এফবিআইর মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত কেনি প্যাটেল

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কোটি ডলার প্রতারণা, এফবিআইর মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত কেনি প্যাটেল

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ফাইল ছবি: রয়টার্স

জ্বালানির দাম বেড়ে চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্র, সমস্যার কথা স্বীকার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের

ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকায় পরকীয়া একটি দণ্ডনীয় অপরাধ, প্রমাণিত হলে হতে পারে জেল!

0 Comments