বিশ্ব

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কাল পদত্যাগ করতে পারেন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২০, ২০২৬ ২২:৭
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার আগামী সোমবার পদত্যাগ করতে পারেন বলে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে। ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য অবজারভার এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে নিজের বিদায়ের একটি সময়সীমা নির্ধারণ করতে পারেন।

 

তবে ব্রিটিশ সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে তার সরকারের দায়িত্ব পালনের দিকেই মনোযোগী রয়েছেন। ফলে পদত্যাগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

 

বার্তা সংস্থা রয়টার্স রোববার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অবজারভারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, স্টারমার তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এমনকি পদত্যাগের সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি স্ত্রী ভিক্টোরিয়া স্টারমারের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

লেবার পার্টির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা সোমবারের মধ্যে স্টারমারের কাছ থেকে স্পষ্ট অবস্থান জানতে চাইছেন বলেও জানিয়েছে অবজারভার।

ব্রিটিশ রাজনীতিতে গত কয়েক মাস ধরেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। তবে শুক্রবার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ওইদিন তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহাম পার্লামেন্টের একটি আসনে জয় লাভ করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জয় বার্নহামের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং লেবার পার্টির নেতৃত্ব নিয়ে নতুন বিতর্কের সুযোগ তৈরি করেছে।

 

যদিও গত শুক্রবারই স্টারমার স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, তার নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোনো চ্যালেঞ্জ এলে তিনি তা মোকাবিলা করবেন। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের মাধ্যমে যেন লেবার পার্টিকে দুর্বল না করা হয়।

২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে কেয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে লেবার পার্টি বিপুল ব্যবধানে জয় লাভ করে এবং দীর্ঘ সময় পর ক্ষমতায় ফিরে আসে। সে সময় তিনি যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

 

কিন্তু ক্ষমতায় আসার দুই বছরের মধ্যেই তার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে বিভিন্ন জরিপে দেখা যাচ্ছে। সমালোচকদের দাবি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অনেকগুলোই বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকার প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। জীবনযাত্রার ব্যয়, আবাসন সংকট এবং অর্থনৈতিক চাপের মতো বিষয়গুলো নিয়ে জনঅসন্তোষও বাড়ছে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্টারমার যদি সত্যিই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তা যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে লেবার পার্টির নেতৃত্ব নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হবে।

তবে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পদত্যাগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। ফলে সোমবারের সম্ভাব্য ঘোষণার দিকে নজর রয়েছে ব্রিটিশ রাজনৈতিক মহল ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের।

সূত্র: রয়টার্স, দ্য অবজারভার

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিশ্ব

View more
নিজেকে জিহাদি দাবি করল ব্রিটিশ নারী হত্যাকারী
‘খ্রিস্টান হওয়ায় হত্যা করেছি’, নিজেকে জিহাদি দাবি করল ব্রিটিশ নারী হত্যাকারী

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে একটি পরিত্যক্ত ভবনে স্যুটকেসের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৮ বছর বয়সী ব্রিটিশ সমাজকর্মী এলিজাবেথ জেন রস হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোনের তথ্য এবং অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।    এলিজাবেথ জেন রস স্কটল্যান্ডের বাসিন্দা ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে গ্রিসে শরণার্থী ও অসহায় মানুষের সহায়তায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি জুলাই মাসে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে এথেন্সে যান। ১৫ জুলাই নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর ১৮ জুলাই শহরের কিপসেলি এলাকার একটি পরিত্যক্ত নির্মাণাধীন ভবনে সবুজ রঙের একটি স্যুটকেসের ভেতর তার মরদেহ পাওয়া যায়।    তদন্তে গ্রিক পুলিশ জানায়, ২৬ বছর বয়সী এক আফগান বংশোদ্ভূত পেশাদার বক্সারকে এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রিসের গোপনীয়তা আইনের কারণে কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম প্রকাশ করেনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি এবং অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।   প্রসিকিউটরদের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে দাবি করেন তিনি রসকে মৃত অবস্থায় পেয়েছিলেন এবং ভয় পেয়ে মরদেহ স্যুটকেসে ভরে ফেলে দেন। তবে তদন্তকারীরা বলছেন, সিসিটিভি ফুটেজে তাকে স্যুটকেস টেনে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। এছাড়া রসের মোবাইল ফোন ও ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে। পুলিশ তার বাসা থেকে একটি ছুরি ও একটি নকল পিস্তল উদ্ধার করেছে।    ময়নাতদন্তে মরদেহে পচন ধরায় মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে শ্বাসরোধে মৃত্যুর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।    আদালত অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের প্রস্তুতির জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছে। এরপর তাকে পুনরায় আদালতে হাজির করা হবে। তদন্তে গ্রিক পুলিশ ছাড়াও যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি, পুলিশ স্কটল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সহায়তা করছেন।    তবে মামলাটি এখনো বিচারাধীন। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে আইনগতভাবে দোষী বলা যাবে না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ১১:৫১
ফ্লাইটে চার বছরের মেয়ের চোখের সামনেই মায়ের ওপর যৌন নির্যাতন

ফ্লাইটে চার বছরের মেয়ের চোখের সামনেই মায়ের ওপর যৌন নির্যাতন, ঘুম ভাঙার পর আতঙ্কে কেঁপে ওঠেন নারী

গাজা যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সহায়তার কড়া সমালোচক এল-সায়েদ

গাজা যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সহায়তার কড়া সমালোচক এল-সায়েদ; যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার পথে

পাকিস্তানে এক থানার সব পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

তরুণীকে ধর্ষণ, পাকিস্তানে এক থানার সব পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

পিএইচডিতে চুরির অভিযোগের পর এবার ৩ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির দাবিও ভুয়া?
পিএইচডিতে চুরির অভিযোগের পর এবার ৩ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির দাবিও ভুয়া? বিতর্কে কেমব্রিজের অধ্যাপক

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেসন আর্ডে নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন। পিএইচডি গবেষণাপত্রে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগের পাশাপাশি, আরও দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করার দাবি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বলছে, আর্ডে কখনোই সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মরত ছিলেন না।    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জেসন আর্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তার পিএইচডি অভিসন্দর্ভে ১০০টিরও বেশি অংশ অন্য একজন গবেষকের কাজ থেকে যথাযথ স্বীকৃতি ছাড়া নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিজের জীবনীতে তিনি ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব গ্লাসগো এবং ডারহাম ইউনিভার্সিটিতে একাডেমিক পদে কাজ করার দাবি করেছিলেন। তবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জানিয়েছে, তাদের এমন কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড নেই।    জেসন আর্ডে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, লিভারপুল জন মুরস বিশ্ববিদ্যালয়, যেখান থেকে তিনি পিএইচডি সম্পন্ন করেন, ইতোমধ্যে অভিযোগ তদন্ত করে কোনো একাডেমিক অসদাচরণের প্রমাণ পায়নি। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্বচ্ছ তদন্তে তার আপত্তি নেই।    এদিকে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ও জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অসদাচরণবিষয়ক নীতিমালা অনুযায়ী, প্রয়োজন হলে অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত করা হতে পারে।    জেসন আর্ডে ২০২৩ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপক হিসেবে আলোচনায় আসেন। অটিজমে আক্রান্ত এবং শৈশবে বাকপ্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ওঠার তার ব্যক্তিগত জীবনসংগ্রাম আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক অভিযোগগুলো তার একাডেমিক বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ৯:২০
মায়ের মরদেহ দীর্ঘদিন ফ্রিজারে রেখে দেওয়ার ঘটনায় কারাদণ্ড পেয়েছেন ক্রিস্টোফার ফিলিপস। ছবি: সংগৃহীত

আর্থিক সুবিধার জন্য তিন বছরের বেশি সময় ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা হলো মায়ের লাশ, ছেলের কারাদণ্ড

বার্ড ফ্লুর ঝুঁকিতে মেলবোর্নের সেন্ট কিল্ডার ‘লিটল পেঙ্গুইন’ উপনিবেশ। ছবি: এআই

বার্ড ফ্লুর হুমকিতে অস্ট্রেলিয়ার ‘লিটল পেঙ্গুইন’, মারা যেতে পারে ৪০ শতাংশ

যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধ নতুন মাত্রা পেয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

কূটনৈতিক বিরোধে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

Indian Prime Minister Narendra Modi and Sheikh Hasina
শেখ হাসিনার অনুষ্ঠানে সরকারের ভূমিকা নেই: ভারত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্ধারিত ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য নিয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেছে দেশটির সরকার। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, শেখ হাসিনার ভার্চ্যুয়াল বক্তব্যে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা বা সম্পৃক্ততা নেই।    মঙ্গলবার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, শেখ হাসিনার ভার্চ্যুয়াল বক্তব্যের অনুষ্ঠানটি ভারত সরকারের নয়, একটি বেসরকারি সংস্থা আয়োজন করছে। ফলে এ আয়োজনে সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।    আগামী ৫ আগস্ট নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া (FCCSA)-এর একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে তার সরকারের পতনের পর এটিই তার প্রথম প্রকাশ্য বক্তব্য হতে পারে।    এর আগে বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে জানতে চেয়েছিল, ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার এই ভার্চ্যুয়াল রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের প্রতি নয়াদিল্লির সমর্থন রয়েছে কি না। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছিলেন, কোনো পলাতক ব্যক্তি যদি অন্য দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন, তাহলে তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।    ভারতের সর্বশেষ বক্তব্যের মাধ্যমে নয়াদিল্লি জানিয়ে দিল, শেখ হাসিনার নির্ধারিত ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি উদ্যোগ এবং এর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা নেই।

বায়জিদ হাসান প্রকাশ: আগস্ট ৪, ২০২৬ ৮:৩০
কৃষ্ণসাগরে নৌ চলাচলে ড্রোন হামলা ছবি: সংগৃহীত

ড্রোন হামলার পর কৃষ্ণসাগরে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে রাশিয়া-ইউক্রেনের প্রতি তুরস্কের আহ্বান

র্বোচ্চ স্তরের তাপপ্রবাহ সতর্কতা জারি

দক্ষিণ কোরিয়ায় তীব্র তাপপ্রবাহে ১৬ জনের মৃত্যু, ১২২ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

চাপা পড়ে থাকা ১১২ ফিলিস্তিনির মরদেহ

ধ্বংসস্তূপের নিচে দুই বছর পর মিলল ১১২ মরদেহ, গাজায় গণদাফন

0 Comments