বিশ্ব

নেতানিয়াহু: ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেউ নিহত না হওয়া 'অলৌকিক', আত্মতুষ্টিতে না ভোগার আহ্বান

Unknown প্রকাশ: মার্চ ২১, ২০২৬ ২৩:৩২
আরাদ শহর পরিদর্শনে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত
আরাদ শহর পরিদর্শনে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাস্থল আরাদ পরিদর্শন করেছেন এবং এই হামলায় কেউ নিহত না হওয়াকে ‘মিরাকল’ বা অলৌকিক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

 

শনিবার আরাদ শহরে ইরানের হামলায় ৮০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। যদিও কেউ নিহত হননি, মি. নেতানিয়াহু ইসরায়েলিদের সতর্ক করেছেন আত্মতুষ্টিতে না ভোগার জন্য। তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্ক সংকেত পাওয়ার পর অবিলম্বে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যেতে হবে।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “সতর্কবার্তা পাওয়ার পর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পড়ার আগ পর্যন্ত ছিল মাত্র দশ মিনিট। যদি সবাই ওই কয়েক মিনিটের মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যেত, তাহলে কেউই আহত হতো না।” নেতানিয়াহুর এই আহ্বান মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে জনসাধারণকে সচেতন রাখার উদ্দেশ্যে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিশ্ব

View more
হাসপাতালের ছাদে ‘মৃত্যুর ফেরেশতা’ সেজে আতঙ্ক! গ্রেফতার যুবক
হাসপাতালের ছাদে ‘মৃত্যুর ফেরেশতা’ সেজে আতঙ্ক! গ্রেফতার যুবক

ওয়েলসের একটি হাসপাতালের ছাদে কালো পোশাক পরে ‘গ্রিম রিপার’ বা মৃত্যুর প্রতীকসদৃশ চরিত্রের বেশে উঠে রোগী ও হাসপাতাল কর্মীদের আতঙ্কিত করার ঘটনায় এক যুবককে জরিমানা করেছে আদালত। অভিযুক্ত ২৬ বছর বয়সী লিওন গিলেস্পি দাবি করেছেন, তিনি আসলে ‘গ্রিম রিপার’ নন, কাকের পোশাক পরে ছিলেন। তবে তার কর্মকাণ্ডে হাসপাতালজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং জরুরি সেবা সংস্থাগুলোকে ঘটনাস্থলে যেতে হয়।    ঘটনাটি ঘটে ২০২৬ সালের জুনে, উত্তর ওয়েলসের ইয়সবিটি গ্লান ক্লুইড হাসপাতালের ছাদে। কালো আলখাল্লা পরে এবং হাতে কাস্তের মতো দেখতে একটি লম্বা বস্তু নিয়ে গিলেস্পি প্রায় ৫০ মিনিট ধরে হাসপাতালের ছাদে অবস্থান করেন। নিচে থাকা রোগী, স্বজন এবং কর্মীদের দিকে তাকিয়ে থাকায় অনেকেই ভয় পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।    পরে পুলিশ তাকে ছাদ থেকে নামিয়ে গ্রেপ্তার করে। আদালতে তিনি এনএইচএস হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অযৌক্তিকভাবে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করার অভিযোগ স্বীকার করেন। আদালত তাকে ২০০ পাউন্ড জরিমানা করে। একই শুনানিতে আগের দুটি দোকান থেকে চুরির মামলার জরিমানাও যুক্ত হওয়ায় তাকে মোট প্রায় ৪৫০ পাউন্ড পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়।    ঘটনার পর হাসপাতাল পরিচালনাকারী বেটসি ক্যাডওয়ালাডার ইউনিভার্সিটি হেলথ বোর্ড পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ভয়ভীতি সৃষ্টি, আগ্রাসী আচরণ বা জনদুর্ভোগের ব্যাপারে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে।    পুলিশ জানিয়েছে, চিকিৎসা নেওয়ার উদ্দেশ্য ছাড়া হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগেই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। আদালতের রায়ের মাধ্যমে সেই মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৬, ২০২৬ ১:২২
৩ বছর ধরে জেলে ইমরান খান, এবার মুক্তির দাবিতে বাড়ছে আন্তর্জাতিক চাপ

৩ বছর ধরে জেলে ইমরান খান, এবার মুক্তির দাবিতে বাড়ছে আন্তর্জাতিক চাপ

ইরান যুদ্ধের চাপ, দ্রুত কমছে অস্ত্রের মজুত, ট্রাম্প-প্রতিরক্ষামন্ত্রীর  বৈঠক নিয়ে তোলপাড়

ইরান যুদ্ধের চাপ, দ্রুত কমছে অস্ত্রের মজুত, ট্রাম্প-প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বৈঠক নিয়ে তোলপাড়

প্রেমিকের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের কয়েক ঘণ্টা পরই ঘটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ছবি: সংগৃহীত

প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে মেক্সিকো থেকে ভেনেজুয়েলায়, পাঁচ ঘণ্টা পরই ভূমিকম্পে প্রাণ গেল প্রেমিকের

বিমানে ওভারহেড বিনে ব্যাগ রাখতেও লাগবে আলাদা টাকা!
বিমানে ওভারহেড বিনে ব্যাগ রাখতেও লাগবে আলাদা টাকা! এয়ারলাইনে নতুন নিয়ম

অস্ট্রেলিয়ার স্বল্পমূল্যের বিমান সংস্থা জেটস্টার আগামী বছর থেকে কেবিনের ওভারহেড বিনে হাতব্যাগ বা ক্যারি অন ব্যাগ রাখার জন্য যাত্রীদের কাছ থেকে আলাদা ফি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নীতির আওতায় টিকিটের মূল ভাড়ায় শুধু সিটের নিচে রাখা যায় এমন একটি ছোট ব্যক্তিগত ব্যাগ বহনের সুযোগ থাকবে। বড় ব্যাগ ওভারহেড বিনে রাখতে চাইলে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।    এয়ারলাইনটির ঘোষণা অনুযায়ী, নতুন নিয়ম কার্যকর হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে। রুটভেদে ওভারহেড বিন ব্যবহারের ফি ২৫ থেকে ৫২ অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এই ফি পরিশোধ করলে যাত্রীরা “প্রায়োরিটি ক্যারি অন” সুবিধাও পাবেন, যার মাধ্যমে আগে বিমানে ওঠার সুযোগ মিলবে।    তবে যাত্রীরা বিনা খরচে একটি ছোট ব্যাকপ্যাক, হ্যান্ডব্যাগ বা ল্যাপটপ ব্যাগ সঙ্গে নিতে পারবেন, যদি সেটি সামনের সিটের নিচে রাখা যায়। একই সঙ্গে কেবিন ব্যাগের আগের ৭ কেজি ওজনসীমাও তুলে দেওয়া হচ্ছে, ফলে নতুন নিয়মে ওভারহেড বিনে রাখা ব্যাগের সর্বোচ্চ ওজন হবে ১০ কেজি।    জেটস্টারের প্রধান নির্বাহী স্টেফানি টালি বলেছেন, ওভারহেড বিন নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের চাপ ও বিশৃঙ্খলা কমানো এবং দ্রুত বোর্ডিং নিশ্চিত করতেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তার ভাষ্য, যাত্রীরা যাতে কেবল প্রয়োজনীয় সেবার জন্যই অর্থ পরিশোধ করেন, সেই লক্ষ্যেই নতুন মূল্যনীতি চালু করা হচ্ছে।    তবে ঘোষণার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, মূল টিকিটের দাম কমানো ছাড়াই আগে যে সুবিধা ছিল, সেটির জন্য এখন অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। তারা এটিকে যাত্রীদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ হিসেবে দেখছেন।    বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের অনেক স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইন বহু বছর ধরেই ক্যারি অন ব্যাগের জন্য অতিরিক্ত ফি নিয়ে আসছে। জেটস্টারের এই সিদ্ধান্ত সেই একই ব্যবসায়িক মডেলের অনুসরণ হলেও অস্ট্রেলিয়ায় এটি প্রথম বড় ধরনের পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ১১:৫৫
নিজেকে জিহাদি দাবি করল ব্রিটিশ নারী হত্যাকারী

‘খ্রিস্টান হওয়ায় হত্যা করেছি’, নিজেকে জিহাদি দাবি করল ব্রিটিশ নারী হত্যাকারী

ফ্লাইটে চার বছরের মেয়ের চোখের সামনেই মায়ের ওপর যৌন নির্যাতন

ফ্লাইটে চার বছরের মেয়ের চোখের সামনেই মায়ের ওপর যৌন নির্যাতন, ঘুম ভাঙার পর আতঙ্কে কেঁপে ওঠেন নারী

গাজা যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সহায়তার কড়া সমালোচক এল-সায়েদ

গাজা যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সহায়তার কড়া সমালোচক এল-সায়েদ; যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার পথে

পাকিস্তানে এক থানার সব পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
তরুণীকে ধর্ষণ, পাকিস্তানে এক থানার সব পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

পাকিস্তানের লাহোরের গাজীবাদ থানায় মানসিক প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে  গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা, তদারকিতে ব্যর্থতা এবং প্রশাসনিক অবহেলার অভিযোগে থানার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও)সহ মোট ৭৮ জন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে।   লাহোর পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত কর্মকর্তা তদন্ত শাখার এএসআই ইমরান। অভিযোগ রয়েছে, একটি মামলার তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে বলে তরুণীর পরিবারকে জানিয়ে তিনি তাকে মোটরসাইকেলে করে গাজীবাদ থানা প্রাঙ্গণে নিয়ে যান। পরে থানার ভেতরের একটি কক্ষে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন।   ঘটনার পর অভিযুক্ত এএসআই ইমরানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তার করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।   মঙ্গলবার ডিআইজি (অপারেশনস) ফয়সাল কামরানের নির্দেশে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ঘটনার রাতে তিনি নিজে গাজীবাদ থানা পরিদর্শন করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরও দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত না করার কারণে থানার এসএইচওসহ পুরো স্টাফকে বরখাস্তের নির্দেশ দেন।   বরখাস্ত হওয়া সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন একজন এসএইচও, দুইজন সাব-ইনস্পেক্টর, আটজন এএসআই, ফ্রন্ট ডেস্কের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য কর্মচারীসহ মোট ৭৮ জন।   ডিআইজি ফয়সাল কামরান বলেন, থানার ভেতরে কী ঘটছে সে বিষয়ে এসএইচওর পূর্ণাঙ্গ ধারণা থাকা উচিত। দুর্বল তদারকি ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণেই এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।   লাহোর পুলিশের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, থানায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা এবং পেশাদার কর্মপরিবেশ বজায় রাখা এসএইচও ও সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।   এদিকে বরখাস্তের পর গাজীবাদ থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে আলী জেব দস্তগীরকে নতুন স্টেশন হাউস অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত এএসআই ইমরানের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ৯:২৭
পিএইচডিতে চুরির অভিযোগের পর এবার ৩ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির দাবিও ভুয়া?

পিএইচডিতে চুরির অভিযোগের পর এবার ৩ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির দাবিও ভুয়া? বিতর্কে কেমব্রিজের অধ্যাপক

মায়ের মরদেহ দীর্ঘদিন ফ্রিজারে রেখে দেওয়ার ঘটনায় কারাদণ্ড পেয়েছেন ক্রিস্টোফার ফিলিপস। ছবি: সংগৃহীত

আর্থিক সুবিধার জন্য তিন বছরের বেশি সময় ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা হলো মায়ের লাশ, ছেলের কারাদণ্ড

বার্ড ফ্লুর ঝুঁকিতে মেলবোর্নের সেন্ট কিল্ডার ‘লিটল পেঙ্গুইন’ উপনিবেশ। ছবি: এআই

বার্ড ফ্লুর হুমকিতে অস্ট্রেলিয়ার ‘লিটল পেঙ্গুইন’, মারা যেতে পারে ৪০ শতাংশ

0 Comments