বিশ্ব

হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় ইসরায়েলে নিহত ১, আহত অন্তত ২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ২৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দেশটির উত্তরাঞ্চলের নাহারিয়ায় এই হামলায় একজন নিহত হন এবং আরেকজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

একই দিনে ইরান ও হিজবুল্লাহর দফায় দফায় হামলার কারণে ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্ক সংকেত বাজতে থাকে। রাজধানী তেল আবিব, মধ্যাঞ্চল এবং জেরুজালেমজুড়ে প্রায় সারাদিনই সাইরেন শোনা যায়, যা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

 

বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত আরও তীব্র আকার নিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। সাম্প্রতিক এসব হামলা ও পাল্টা হামলার ধারাবাহিকতায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।

সূত্র: আল–জাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

Advertisement

বিশ্ব

View more
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: রয়টার্স
যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির সুযোগ এখনো আছে, সিদ্ধান্ত ইরানের ওপর: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চলমান সংঘাত বন্ধে একটি সমঝোতার সুযোগ এখনো রয়েছে। তবে তা নির্ভর করছে ইরানের সিদ্ধান্তের ওপর। তিনি ইরানকে ‘দক্ষ আলোচক, কিন্তু দুর্বল যোদ্ধা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।   বৃহস্পতিবার দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাঁর ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলায় ইরানের সামরিক কাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মজুত ধ্বংস করছে এবং তাদের প্রতিরক্ষা শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। পাশাপাশি ইরানের নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীকেও কার্যত অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।   তিনি আরও বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার বড় অংশ ধ্বংস করা হয়েছে এবং যুদ্ধের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাশার চেয়েও এগিয়ে রয়েছে। ট্রাম্পের মতে, যেখানে ধারণা করা হয়েছিল ইরান কয়েক সপ্তাহ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে, সেখানে বাস্তবে তারা দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়েছে।   তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ইরানের সামনে এখনো একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে, তবে সেই সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্পের এ বক্তব্য নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।   সূত্র: আল–জাজিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় ইসরায়েলে নিহত ১, আহত অন্তত ২৫

ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে হিজবুল্লাহর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহতের দাবি ইসরায়েলের

ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার ড্রোন কৌশল অনুসরণ করছে ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধ বাস্তবতার শঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত
আইনজীবীদের ফি নিয়ে জটিলতা: ফের নিউ ইয়র্কের আদালতে নিকোলাস মাদুরো

ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস আজ বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে পুনরায় হাজির হচ্ছেন। গত জানুয়ারিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক ঝটিকা অভিযানে আটক হওয়ার পর এটি তাদের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ আদালত হাজিরা। তবে এবারের শুনানির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি বিশেষ আইনি বিতর্ক— মাদুরোর আইনজীবীদের ফি কে প্রদান করবে? ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি কারাকাসে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে মার্কিন কমান্ডোদের এক রুদ্ধশ্বাস অভিযানে সস্ত্রীক আটক হন নিকোলাস মাদুরো। এরপর তাদের নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়। মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাস (Narco-terrorism), যুক্তরাষ্ট্রে কোকেন পাচার এবং অবৈধ অস্ত্র রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ এনেছে মার্কিন প্রশাসন। তবে শুরু থেকেই মাদুরো নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছেন এবং নিজেকে একজন ‘যুদ্ধবন্দি’ (Prisoner of War) হিসেবে অভিহিত করেছেন। মাদুরোর প্রধান আইনজীবী ব্যারি পোলাক আদালতকে জানিয়েছেন, মার্কিন সরকার মাদুরোর আইনি লড়াইকে বাধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে অর্থের জোগান বন্ধ করে দিচ্ছে। ভেনেজুয়েলা সরকার মাদুরোর আইনি খরচ মেটাতে চাইলেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে সেই অর্থ গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। পোলাক অভিযোগ করেন যে, মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ (OFAC) প্রথমে এই অর্থ গ্রহণের অনুমতি দিলেও মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে তা বাতিল করে দেয়। আইনজীবীদের দাবি, এর ফলে মাদুরোর সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। যদি শেষ পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা সরকারকে ফি দেওয়ার অনুমতি না দেওয়া হয়, তবে ব্যারি পোলাক এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিয়েছেন। অন্যদিকে, মার্কিন আইনজীবীরা আদালতে দাখিল করা নথিতে জানিয়েছেন, মাদুরোর ব্যক্তিগত তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ভেনেজুয়েলা সরকারের কোনো রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে এই ফি নেওয়া আইনের পরিপন্থী। তাদের মতে, মাদুরো এখন আর ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপ্রধান নন, তাই তিনি এই বিশেষ সুবিধা পাওয়ার যোগ্য নন। আজকের শুনানিতে বিচারপতি আলভিন হেলারস্টাইন মাদুরোর আইনজীবীদের এই আবেদন নিয়ে শুনানি করবেন। আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি মাদুরো ব্যক্তিগতভাবে আইনজীবীদের ফি দিতে ব্যর্থ হন, তবে মার্কিন আইন অনুযায়ী তাকে আদালত থেকে সরকারি আইনজীবী (Public Defender) নিয়োগ করে দেওয়া হতে পারে। বর্তমানে ব্রুকলিনের একটি কারাগারে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিন কাটছে একসময়ের প্রতাপশালী এই নেতার। মাদুরো এবং তার স্ত্রী দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। সারা বিশ্বের নজর এখন নিউ ইয়র্কের এই আদালতের দিকে, কারণ আধুনিক ইতিহাসে কোনো দেশের সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানকে এভাবে আটক করে অন্য দেশে বিচারের মুখোমুখি করার ঘটনা বিরল।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানি মিসাইল হামলায় লণ্ডভণ্ড কাফর কাসিম, লেবাননে ইসরায়েলি সেনা নিহত

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে জেলেনস্কি: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ

ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বিধ্বংসী হামলায় দুই ইসরায়েলি ট্যাংক ধ্বংস

ছবি: সংগৃহীত
দ্বিচারিতার কারণে ট্রাম্পকে বিশ্বাস করা যায় না, মনে করেন ইরানীরা

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলার চতুর্থ সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও থামার কোনো লক্ষণ নেই। তেহরানের আকাশে যখন যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত, তখন সাধারণ ইরানিদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ আর ক্ষোভ। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অসংলগ্ন ও পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে হোয়াইট হাউসের বিশ্বাসযোগ্যতা এখন বড় প্রশ্নের মুখে। বৃহস্পতিবার তেহরানের রাস্তায় বিপুল সংখ্যক তরুণীকে ইরানের জাতীয় পতাকা এবং প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি হাতে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। একদিকে যুদ্ধের দামামা, অন্যদিকে ট্রাম্পের 'খেয়ালি' কূটনীতি—এই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট সাধারণ মানুষ। কূটনৈতিক চ্যানেলে আলোচনার কথা শোনা গেলেও বাস্তবের চিত্র ভিন্ন। একদিকে হোয়াইট হাউস দাবি করছে আলোচনা এগিয়ে চলছে, অন্যদিকে ট্রাম্প আক্রমণাত্মকভাবে বলছেন, তেহরানের সাথে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো নিয়ে তার 'বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই'। ওয়াশিংটনের এমন দ্বিমুখী আচরণে চরম বিভ্রান্তি প্রকাশ করেছেন ইরানি কর্মকর্তারাও। রয়টার্সের সংগৃহীত তথ্যে দেখা যায়, তেহরানের সাধারণ নাগরিকরা ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে স্রেফ 'মিডিয়া গেম' হিসেবে দেখছেন। এক নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমেরিকানরা যদি সত্যিই আমাদের শক্তি গুঁড়িয়ে দিয়ে থাকে, তবে তারা কেন বারবার আলোচনার জন্য অনুরোধ পাঠাচ্ছে? বিগত ১২ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি কোনোভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়।" আরেক নাগরিকের মতে, ট্রাম্পের এই সাংঘর্ষিক কথাবার্তা আসলে জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির একটি কৌশল মাত্র। সব মিলিয়ে ট্রাম্পের অস্থিতিশীল নীতি আর ক্রমাগত বোমাবর্ষণ ইরানকে এক চরম অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস

ইরাকে জরুরি সতর্কতা: মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে দেশ ছাড়ার নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

কৃষ্ণ সাগরে তুর্কি ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলা: অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ২৭ নাবিক

ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার মতো ইরানের তেল খনিও কবজায় নেয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

0 Comments