বিশ্ব

‘ঠিকানা হবে নরকের অতল গহ্বরে’, হিজবুল্লাহ প্রধানকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মৃত্যুহুমকি!

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ। ছবি: সংগৃহীত
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ হিজবুল্লাহর বর্তমান মহাসচিব নাঈম কাসেমকে উদ্দেশ্য করে ফের কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে কাটজ বলেন, ইসরায়েলি ভূখণ্ডে রকেট হামলার জন্য নাঈম কাসেমকে ‘খুব চড়া মূল্য’ দিতে হবে এবং তার চূড়ান্ত ঠিকানা হবে ‘নরকের অতল গহ্বরে’। মূলত ইহুদিদের পবিত্র ‘পাসওভার’ উৎসবের প্রাক্কালে ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর সাম্প্রতিক রকেট হামলার প্রেক্ষিতে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখালেন তিনি।

 

হিজবুল্লাহ প্রধানকে সরাসরি সম্বোধন করে ইসরায়েল কাটজ বলেন, “সন্ত্রাসী সংগঠন হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেমের জন্য আমার একটি স্পষ্ট বার্তা রয়েছে—ইসরায়েলিরা যখন পাসওভারের সেডার (ভোজ) পালনে ব্যস্ত, তখন তাদের লক্ষ্য করে তীব্র হামলার জন্য তোমাকে এবং তোমার সহযোগীদের চরম মূল্য দিতে হবে।” তিনি আরও ইঙ্গিত দেন যে, নাঈম কাসেমের আয়ু ফুরিয়ে আসছে এবং তাকেও তার পূর্বসূরিদের পথ অনুসরণ করতে হবে।

 

কাটজ তার বক্তব্যে আরও যোগ করেন, “তুমি এই মূল্য দেখার জন্য বেশিদিন বেঁচে থাকবে না। কারণ নাসরাল্লাহ, খামেনি, সিনওয়ার এবং ইতিমধ্যে নির্মূল হওয়া অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তুমিও নরকের অতল গহ্বরে নিক্ষিপ্ত হবে।” ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও উসকে দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার হুমকির তালিকায় এখন নাঈম কাসেমের নাম স্পষ্টভাবে উঠে এলো।

 

সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। ছবি: পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেসন্সের ফেসবুক পেজ
‘ইসলামাবাদ অ্যাকর্ড’ ঘিরে তৎপরতা: রাতভর যোগাযোগে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে ‘ইসলামাবাদ অ্যাকর্ড’ নামে একটি শান্তি প্রস্তাব সামনে আসার পর কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। এ প্রস্তাব ঘিরে রাতভর গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ চালিয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির।   বার্তা সংস্থা রয়টার্স সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, সংঘাতের অবসান ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবটির রূপরেখা তৈরি করে পাকিস্তান। পরে তা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর কাছে পাঠানো হয়।   প্রস্তাবটি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জানায়, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির রাতভর বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি-এর সঙ্গে কথা বলেন।   কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, প্রস্তাবটি দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে—প্রথমে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, এরপর একটি পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান। তবে এখনো পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: রয়টার্স

ইরানে মার্কিন ক্রু উদ্ধারে ইসরায়েলের সহায়তা, দাবি নেতানিয়াহুর

ছবি: সংগৃহীত

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প: ইরান ইস্যুতে কী বার্তা আসছে?

প্রস্তাবটির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পায়নি । রয়টার্স প্রতীকী ছবি: রয়টার্স

‘ইসলামাবাদ অ্যাকর্ড’ প্রস্তাব: যুদ্ধবিরতি থেকে চূড়ান্ত চুক্তি— কী থাকছে খসড়ায়

ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে চীন । ছবি: সংগৃহীত
ব্লুমবার্গ বিশ্লেষণ: ট্রাম্পের নীতির ছায়ায় বদলাচ্ছে শক্তির ভারসাম্য: এশিয়ায় বাড়ছে চীনের প্রভাব

বিশ্ব রাজনীতির সাম্প্রতিক উত্তেজনা নতুন এক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে—যেখানে এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক উন্নয়নশীল দেশ ক্রমশ চীন-নির্ভরতার দিকে ঝুঁকছে। ব্লুমবার্গ-এ প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান নীতির প্রেক্ষাপটে এই প্রবণতা আরও ত্বরান্বিত হতে পারে।   বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে চীনা ঋণ ও সরবরাহ শৃঙ্খলের ওপর নির্ভরতা নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে সেই ধারণা কিছুটা পাল্টে যাচ্ছে। বিশেষ করে ইরান-কে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।   এ অবস্থায় পাকিস্তান-এর উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। অতীতে জ্বালানি সংকটে পড়া দেশটি এবার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। এর পেছনে বড় কারণ হিসেবে চীন থেকে আমদানি করা সস্তা সৌর প্যানেল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিস্তারকে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশটির বিপুলসংখ্যক পরিবার এখন সৌরবিদ্যুতের ওপর নির্ভর করছে, যা জ্বালানি সংকটের ধাক্কা কিছুটা কমিয়েছে।   একইভাবে নেপাল-এ সস্তা বৈদ্যুতিক যানবাহনের প্রসার জ্বালানিনির্ভরতা কমাতে সহায়তা করছে। এসব ক্ষেত্রেই চীনা প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়। তবে এই নির্ভরতা সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত নয় বলেও সতর্ক করা হয়েছে। চীন তার সরবরাহ শৃঙ্খল বিশেষ করে বিরল খনিজ ও প্রযুক্তি খাতে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করতে পারে, এমন আশঙ্কাও রয়েছে।   বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্য থেকে কৌশলগতভাবে সরে যান বা হরমুজ প্রণালি-সংকট সমাধানে সক্রিয় না হন, তবে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে।   ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে একটি বড় প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে তারা কি যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর ভরসা রাখবে, নাকি চীনের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তার দিকে আরও ঝুঁকবে?   বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তন শুধু আঞ্চলিক নয়; বরং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ইরান চীনের সঙ্গে মিলে হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ স্থায়ী করতে পারে, যা ভারতের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হবে । ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে টানাপোড়েন: চীন-ইরান সমীকরণে নতুন দুশ্চিন্তায় ভারত

সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। ফাইল ছবি: রয়টার্স

ট্রাম্পের ইরান হুঁশিয়ারি বিপজ্জনক ও মানসিক ভারসাম্যহীন: বার্নি স্যান্ডার্স

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালী খুলতে ইরানকে চূড়ান্ত আলটিমেটামের সুনির্দিষ্ট সময় ঘোষণা ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত
ইস্টার সানডেতে ইরানকে অশ্লীল ভাষায় গালি দিলেন ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে দেশটির অবকাঠামোতে হামলার সতর্কবার্তা দিয়ে ইস্টার সানডেতে এক বিতর্কিত ভাষায় ইরানকে হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার সকালে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক পোস্টে লেখেন, মঙ্গলবার হবে ‘পাওয়ার প্ল্যান্ট ডে’ এবং ‘ব্রিজ ডে’ইরানে একসঙ্গে সবকিছুই ঘটবে। এমন কিছু আগে কখনো দেখা যায়নি! ওই প্রণালী খুলে দাও, নইলে নরকে বাস করতে হবে—দেখে নিও! এর আগের দিনও তিনি ইরানের ওপর 'ভয়াবহ হামলা' চালানোর হুমকি দেন, যদি দেশটি হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু না করে। এই প্রণালী বিশ্ব তেল পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে কার্যত বন্ধ রয়েছে। এর ফলে তেলের দাম বাড়তে থাকে। ট্রাম্প আরও বলেন, আমি ইরানকে ১০ দিনের সময় দিয়েছিলাম চুক্তি করো বা হরমুজ প্রণালী খুলে দাও। সময় ফুরিয়ে আসছে আর ৪৮ ঘণ্টা পরই ভয়াবহ পরিস্থিতি নেমে আসবে। হরমুজ প্রণালী নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান বেশ কঠোর। তিনি ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন, যারা এই রুটের জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল, যাতে তারা ইরান পরিস্থিতিতে সক্রিয়ভাবে হস্তক্ষেপ করে। তবে মার্কিন মিত্রদের অবস্থান ভিন্ন। যুক্তরাজ্য বৃহস্পতিবার ৪১টি দেশকে নিয়ে বৈঠক করে প্রণালীটি পুনরায় চালুর উপায় নিয়ে আলোচনা করে এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতিকে 'জিম্মি' করে রাখার জন্য তেহরানকে দায়ী করে। অন্যদিকে,এম্মানুয়েল মাক্রোন ইরান ইস্যুতে সামরিক পদক্ষেপে ইউরোপীয় দেশগুলোর অংশগ্রহণের ট্রাম্পের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, যে অপারেশন তারা নিজেরাই শুরু করেছে, তার জন্য সমর্থন না পাওয়ার অভিযোগ তারা করতে পারে না। এটি আমাদের অপারেশন নয়। রবিবারের এই হুমকির আগে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উত্তর-মধ্যাঞ্চলের একটি বড় সেতুতে হামলা চালায়। মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মতে, এই হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট ধ্বংস করা।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। ফাইল ছবি: রয়টার্স

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘হুমকির ভাষা’ পরিহারের আহ্বান রাশিয়ার

ছবি: সংগৃহীত।

চাঁদের পথে বড় বাধা ‘টয়লেট বিভ্রাট’: মহাকাশযানে উৎকট গন্ধে দিশেহারা নভোচারীরা

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ। ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় নতুন নিয়ম চালু নেপালে

0 Comments