সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

নাটোর স্টেশনে জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ-ক্যামেরাসহ ব্যাগ চু রি, সিসিটিভিতে সন্দেহভাজন শনাক্ত

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ৮, ২০২৬ ৫:৬
নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে জার্মান পর্যটকের ব্যাগ চু রি
নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে জার্মান পর্যটকের ব্যাগ চু রি

নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে এক জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ, ক্যামেরা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ ব্যাগ চু রির ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে সন্দেহভাজন এক যুবকের গতিবিধি শনাক্ত করেছে রেলওয়ে পুলিশ। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে স্টেশনের যাত্রী বিশ্রামাগারে এ ঘটনা ঘটে। ব্যাগ উদ্ধারে রাত থেকেই সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ব্যাগ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়নি।

 

ভুক্তভোগী জার্মান নাগরিকের নাম কিরিল ল্যান্ডার উইবার। বাংলাদেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার উদ্দেশ্যে তিনি দেশে এসেছেন। নাটোরে আসার পর তাঁর সঙ্গে পরিচিত হওয়া এক যুবক কৌশলে ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, বুধবার বগুড়ার বিভিন্ন স্থান ঘুরে সান্তাহার রেলস্টেশনে পৌঁছান ওই পর্যটক। সেখান থেকে বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনে নাটোরের উদ্দেশে রওনা দেন। নাটোর থেকে অন্য ট্রেনে দর্শনা সীমান্ত হয়ে ভারতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর।

 

বিকেলে নাটোর স্টেশনে নেমে পরবর্তী ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রী বিশ্রামাগারে অবস্থান করছিলেন কিরিল। এ সময় হলুদ রঙের কটি পরা এক যুবক তাঁর সঙ্গে আলাপ শুরু করেন। পর্যটকের বর্ণনা অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি নিজেকে রেলওয়ের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। কথাবার্তার একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে পরিচিতি তৈরি হয়।

 

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই যুবকের কাছে ব্যাগ রেখে টিকিট কাটতে গিয়েছিলেন কিরিল। সেই সুযোগে যুবক ব্যাগটি নিয়ে সরে পড়েন বলে তাঁর অভিযোগ। ব্যাগের মধ্যে একটি ম্যাকবুক ল্যাপটপ, ক্যামেরা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিল।

 

চু রির খবর পাওয়ার পর সান্তাহার রেলওয়ে থানার একাধিক দল রাতেই তদন্ত শুরু করে। স্টেশন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সন্দেহভাজন ব্যক্তির গতিবিধি পর্যালোচনা করা হয়।

 

ফুটেজে হলুদ কটি পরা এক যুবককে পর্যটকের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। একপর্যায়ে ওই যুবক নিজের পরনের কটি খুলে তার ভেতরে ব্যাগটি লুকিয়ে স্টেশন এলাকা থেকে চলে যান বলে পুলিশ জানিয়েছে।

 

সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ ব্যাগ উদ্ধারে কাজ শুরু করেছে। সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজনের গতিবিধি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তাঁকে আ ট ক এবং চু রি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।

 

ব্যাগ হারিয়ে বিপাকে পড়েন ওই জার্মান পর্যটক। ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ও ভ্রমণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম হারিয়ে স্টেশনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন ও সাংবাদিকদের সহযোগিতায় পুলিশের কাছে যান।

 

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনসুর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনাটি রেলওয়ে পুলিশের এখতিয়ারভুক্ত। তবে ভুক্তভোগী বিদেশি নাগরিক হওয়ায় সদর থানা পুলিশও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চু রি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা করছে।

 

পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যটকের ল্যাপটপ শনাক্ত করতে প্রযুক্তিগত সহায়তা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। তবে ডিভাইসটির অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে কি না কিংবা সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আ ট ক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

ঘটনাটি এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা ও ভ্রমণকালীন সেবা নিয়ে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঐতিহাসিক স্থান, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটকেরা বাংলাদেশে আসেন। তাঁদের নিরাপদ চলাচল এবং ব্যক্তিগত মালামালের সুরক্ষা নিশ্চিত করা পর্যটনবান্ধব পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

 

বিশেষ করে রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও অন্যান্য যাত্রীসমাগমপূর্ণ স্থানে অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত মালামাল অন্যের কাছে রাখার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। পর্যটকেরা অনেক সময় স্থানীয় পরিবহনব্যবস্থা ও ভাষার সঙ্গে পরিচিত না থাকায় অন্যের সহায়তার ওপর নির্ভর করেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রতারণার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

 

নাটোরের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ থেকে সন্দেহভাজনের গতিবিধি শনাক্ত হওয়াকে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে পুলিশ। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলেও এখনো কোনো তথ্য নেই।

 

চু রি যাওয়া ল্যাপটপ, ক্যামেরা ও অন্যান্য জিনিসপত্র উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিদেশি পর্যটকের ব্যাগ উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনাই এখন তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রধান লক্ষ্য।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
ফ্যামিলি কার্ডের নামে কাবিননামা তৈরির অভিযোগ
ফ্যামিলি কার্ডের আশায় টিপসই, পরে বিধবা জানলেন তার বিয়ে হয়ে গেছে

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এক বিধবা নারীর কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও টিপসই নিয়ে জাল কাবিননামা তৈরির অভিযোগ উঠেছে। ৪৩ বছর বয়সী ওই নারীর দাবি, তিনি কাউকে বিয়ে করেননি কিংবা বিয়েতে সম্মতিও দেননি। অথচ কয়েক দিন পর জানতে পারেন, তাঁর বিয়ে হয়ে গেছে বলে এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি তাঁকে একটি কাবিননামাও দেখানো হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলা ট্রিবিউনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার একটি গ্রামে।   ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, স্থানীয় আবদুস ছাত্তার ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে প্রথমে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি সংগ্রহ করেন। কয়েক দিন পর তাঁকে ডেকে একটি কাগজে টিপসই নেন। পরে সেই টিপসই ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে বিয়ের কাবিননামা তৈরি করা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।   প্রায় ১৩ বছর আগে স্বামীকে হারিয়েছেন ওই নারী। এরপর অন্যের জমিতে কাজ করে দুই ছেলেকে বড় করেছেন। ছেলেদের বিয়ে দিয়েছেন, সংসারে নাতি-নাতনিও রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে একাই পরিবারের দায়িত্ব সামলানো এই নারী এখন নিজের অজান্তে বিয়ের কাগজ তৈরির অভিযোগ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।   তিনি জানিয়েছেন, বিয়ের জন্য কোথাও যাননি এবং কোনো কাজির সামনেও উপস্থিত হননি। এমনকি যাঁর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই ব্যক্তির বিয়ের প্রস্তাবও তিনি আগে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।   ছড়িয়ে পড়া কাবিননামায় বর হিসেবে স্থানীয় আবদুল কুদ্দুসের নাম উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি এর আগেও একাধিকবার ওই নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু নারীটি কখনো রাজি হননি।   আবদুল কুদ্দুস নিজেও বিবাহিত। তাঁর স্ত্রী সুফিয়া খাতুন জানিয়েছেন, স্বামী তাঁকে আগে এ ধরনের কোনো বিয়ের কথা জানাননি। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর কুদ্দুস দাবি করেন, তিনি কোর্ট ম্যারেজ করেছেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তিনি তাঁদের কথা শোনেননি বলে জানান সুফিয়া।   এদিকে কাবিননামায় আড়াই লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ এবং এর মধ্যে ৫০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধের তথ্য উল্লেখ রয়েছে। দলিলটিতে কাজি হিসেবে গোলাম মোস্তফা এবং সাক্ষী হিসেবে আবদুল মান্নান ও সাইফুল ইসলামের নাম রয়েছে।   তবে সাক্ষী হিসেবে নাম থাকা সাইফুল ইসলাম দাবি করেছেন, তিনি এমন কোনো বিয়েতে সাক্ষী হননি।   অন্যদিকে কাজি গোলাম মোস্তফাও কাবিননামাটি জাল বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি এ ধরনের কোনো বিয়ে সম্পন্ন করেননি। এর আগেও ২০২০ সালে তাঁর নামে একই ধরনের জাল কাগজ তৈরি হওয়ার ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। বর্তমান ঘটনায় কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।   অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা আবদুস ছাত্তার নিজেকে জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তবে তিনি পুরো অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে ওই নারীর কাছ থেকে কোনো টিপসই নেননি। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।   এ বিষয়ে ফুলবাড়িয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মো. ফজলুল হক জানিয়েছেন, আবদুস ছাত্তার দলের কোনো পদধারী নেতা নন। বিগত নির্বাচনে তিনি একটি কেন্দ্র কমিটির সহযোগী সদস্য হিসেবে কাজ করেছিলেন। এর আগে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও জানান তিনি।   ফজলুল হকের ভাষ্য, স্থানীয় দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হওয়া উচিত। তবে প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাটি সাজানো বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।   এদিকে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় দুই দফা সালিশ বৈঠক হয়েছে। গত সোমবার ও বুধবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে অভিযুক্ত আবদুস ছাত্তার ও আবদুল কুদ্দুস কেউই উপস্থিত ছিলেন না।   সালিশে নেতৃত্ব দেওয়া মোহাম্মদ রুস্তম আলী জানিয়েছেন, শুক্রবার পর্যন্ত অভিযুক্তদের সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিষয়টি পরিষ্কার না হলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সালিশের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব না হলে আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।   ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান জানিয়েছেন, ঘটনাটি বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁদের নজরে এসেছে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   বিধবা নারীর সম্মতি ছাড়া বিয়ের কাবিননামা তৈরির অভিযোগটি এখনো তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়নি। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিও। ফলে কাবিননামাটি কীভাবে তৈরি হয়েছে এবং এতে কারা জড়িত, তা নির্ধারণে আনুষ্ঠানিক তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।     সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

প্রকাশ: অক্টোবর ৮, ২০২৬ ৫:৫২
অস্ট্রেলিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় তাসনিম ঐশির মৃ ত্যু

উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার তিন মাসের মাথায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থীর মৃ ত্যু

নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে জার্মান পর্যটকের ব্যাগ চু রি

নাটোর স্টেশনে জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ-ক্যামেরাসহ ব্যাগ চু রি, সিসিটিভিতে সন্দেহভাজন শনাক্ত

যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি অবস্থান তৃতীয় স্থানে নেমেছে

যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে এক ধাপ পিছিয়ে তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশ, দ্বিতীয় স্থান দখল করল চীন

তার ছাড়াই একসঙ্গে একাধিক ডিভাইস চার্জের প্রযুক্তি নিয়ে দুই বাংলাদেশি নতুন উদ্যোগ
তার ছাড়াই একসঙ্গে একাধিক ডিভাইস চার্জের প্রযুক্তি নিয়ে দুই বাংলাদেশি নতুন উদ্যোগ

চার্জার কিংবা নির্দিষ্ট চার্জিং প্যাডে ডিভাইস বসানোর ঝামেলা কমাতে নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন দুই বাংলাদেশি গবেষক। ড. সাইদুল আলম চৌধুরী ও ইউশা আরাফ নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান রিজোলিংক। তাঁদের লক্ষ্য তারহীন বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রযুক্তিকে গবেষণাগার থেকে বাস্তব জীবনে নিয়ে আসা। বিশেষ করে এমন ব্যবস্থা তৈরি করা, যেখানে একটি নির্দিষ্ট জায়গার মধ্যে একাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইস তার ছাড়াই চার্জ করা সম্ভব হবে।   এই উদ্যোগের কেন্দ্রে রয়েছে স্মার্টপাওয়ারবক্স নামের একটি প্রযুক্তি। প্রচলিত ওয়্যারলেস চার্জারে সাধারণত ফোন বা অন্য ডিভাইস নির্দিষ্ট প্যাডের ওপর সঠিকভাবে বসাতে হয়। কিন্তু স্মার্টপাওয়ারবক্স এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যাতে একটি ছোট ত্রিমাত্রিক পরিসরের ভেতরে ডিভাইসের অবস্থান পরিবর্তন হলেও চার্জিং কার্যক্রম চালানো যায়। ফলে ভবিষ্যতে একটি ড্রয়ার বা নির্দিষ্ট চার্জিং জোনের মধ্যে ফোন, স্মার্টওয়াচ কিংবা ইয়ারবাড রাখলেই সেগুলো চার্জ হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।   নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে স্মার্টপাওয়ারবক্স প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরে। বিশ্ববিদ্যালয়টির তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির প্রযুক্তিগত নকশা ও প্রোটোটাইপ উন্নয়নে নেতৃত্ব দিচ্ছেন গবেষক ড. সাইদুল আলম চৌধুরী এবং অধ্যাপক আইগুও প্যাট্রিক হু। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেটিভ ওয়্যারলেস পাওয়ার রিসার্চ ল্যাবের সঙ্গে যুক্ত।   স্মার্টপাওয়ারবক্স প্রযুক্তিতে আসবাবের ভেতরে বসানো পাতলা ও সমতল কয়েলের একটি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়। এসব কয়েল নিয়ন্ত্রিত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে নির্দিষ্ট পরিসরের মধ্যে থাকা উপযুক্ত ডিভাইসে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করে। একই সঙ্গে উন্নত পাওয়ার ইলেকট্রনিকস ব্যবহার করে কোন ডিভাইসের চার্জ প্রয়োজন, কতটুকু বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হবে এবং কীভাবে নিরাপত্তা বজায় রাখা যায়, তা নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা রয়েছে।   গবেষকদের লক্ষ্য এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করা, যা প্রয়োজন ছাড়া সারাক্ষণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে না। বরং চার্জিংয়ের উপযোগী ডিভাইস শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় অংশ সক্রিয় করবে। এতে বিদ্যুতের অপচয় কমানো এবং নিরাপদে চার্জিং কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে প্রযুক্তিটি এখনো গবেষণা ও প্রোটোটাইপ উন্নয়নের পর্যায়ে রয়েছে। সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এটি বাণিজ্যিকভাবে বাজারে এসেছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।   প্রকল্পটির গবেষণা এগিয়ে নিতে ১ লাখ ১৪ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার অনুদান দেওয়া হয়েছে। অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ওয়ারউইক অ্যান্ড জুডি স্মিথ ইঞ্জিনিয়ারিং এনডাওমেন্ট ফান্ড থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। অনুদানটি প্রযুক্তির প্রোটোটাইপ উন্নয়নে সহায়তা করবে।   এই গবেষণার অন্যতম উদ্যোক্তা ড. সাইদুল আলম চৌধুরী চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন তিনি। বর্তমানে অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়্যারলেস পাওয়ার প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণায় যুক্ত রয়েছেন। তাঁর গবেষণার ক্ষেত্রে রয়েছে পাওয়ার ইলেকট্রনিকস, তারহীন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং চার্জিং ব্যবস্থার দক্ষতা ও নিরাপত্তা। রিজোলিংকের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর দুটি মার্কিন পেটেন্ট রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকাশনায়ও তাঁর কাজ স্থান পেয়েছে।   অন্যদিকে রিজোলিংকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ইউশা আরাফ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগিন্স ইনস্টিটিউটে ডক্টরাল গবেষণায় যুক্ত। রিজোলিংকে তিনি কৌশলগত কার্যক্রম ও ব্যবসায়িক উন্নয়নের দিকটি দেখছেন।   দুই গবেষকের প্রতিষ্ঠিত রিজোলিংক শুধু মোবাইল ফোন বা ছোট ইলেকট্রনিক পণ্যের চার্জিং প্রযুক্তি তৈরি করতে চায় না। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য ইলেকট্রনিকস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা এবং বায়োমেডিকেল প্রযুক্তির জন্য তারহীন বিদ্যুৎ সরবরাহের সমাধান তৈরি করা। তাদের কার্যক্রমে রয়েছে প্রযুক্তির নকশা, গবেষণা, পরীক্ষামূলক উন্নয়ন এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের উপযোগিতা যাচাই।   বিশেষ করে স্মার্ট হোম, অফিস এবং হাসপাতালের মতো পরিবেশে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকেরা। একটি ড্রয়ার কিংবা আসবাবের নির্দিষ্ট অংশকে চার্জিং জোন হিসেবে ব্যবহার করা গেলে একাধিক ডিভাইস আলাদা আলাদা তার ছাড়াই চার্জ করা সম্ভব হতে পারে। হাসপাতালের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সেন্সর ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির জন্য কম তারনির্ভর চার্জিং ব্যবস্থা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।   তবে গবেষণাটি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করেছেন অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। স্মার্টপাওয়ারবক্সের বর্তমান ধারণা পুরো বাড়ি বা বড় একটি কক্ষের যেকোনো স্থান থেকে ফোন চার্জ করার প্রযুক্তি নয়। এটি মূলত ছোট একটি নির্দিষ্ট ত্রিমাত্রিক পরিসরের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা। ওয়াইফাইয়ের সঙ্গে এর তুলনা করা হলেও ইন্টারনেট সিগন্যাল এবং বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহের প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া এক নয়।   প্রযুক্তিটির বাণিজ্যিক সফলতার জন্য চার্জিংয়ের দক্ষতা, ডিভাইসের সামঞ্জস্য, উৎপাদন খরচ এবং ইলেকট্রোম্যাগনেটিক নিরাপত্তার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণাগারে কার্যকর একটি প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করে তুলতে এসব বিষয়ে আরও উন্নয়ন ও পরীক্ষা প্রয়োজন।   ভবিষ্যতে বাংলাদেশেও এ ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে দুই উদ্যোক্তার। বিশেষ করে ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি ডিভাইস, স্মার্ট হোম এবং স্মার্ট হাসপাতালের জন্য সাশ্রয়ী তারহীন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরির সম্ভাবনা তাঁরা দেখছেন।   বাংলাদেশে প্রকৌশল ও জীববিজ্ঞানের মতো ভিন্ন দুটি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়া এই দুই গবেষক এখন নিউজিল্যান্ডে প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোক্তা হিসেবে একসঙ্গে কাজ করছেন। গবেষণাকে বাস্তব পণ্য ও শিল্পক্ষেত্রের সমাধানে রূপ দেওয়াই তাঁদের উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।   স্মার্টপাওয়ারবক্সের মতো প্রযুক্তি সফলভাবে বাণিজ্যিক ব্যবহারের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারলে ভবিষ্যতের চার্জিং ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে পারে। সেই সম্ভাবনাকে সামনে রেখেই আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি গবেষণা ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে নিজেদের অবস্থান তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দুই বাংলাদেশি গবেষক ড. সাইদুল আলম চৌধুরী ও ইউশা আরাফ।   সূত্র: পাবলিকিয়ান

প্রকাশ: অক্টোবর ৮, ২০২৬ ১:১৩
নিউইয়র্কে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর খোকনের মৃ ত্যুর খবর পাওয়া গেছে

নিউইয়র্কে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর বাংলাদেশি খোকনের মৃ ত্যুর খবর

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর বার্তা দিয়েছেন ফেনীর পুলিশ সুপার। ছবি: সংগৃহীত

দুর্গাপূজায় ‘মদ খেয়ে নাচানাচি’ করলে ঘাড়ে ধরে থানায় নেওয়া হবে: ফেনীর পুলিশ সুপার

সৌদিতে প্রবাসীদের পরিবার নেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ

ভিসা শেষ হওয়ার আগেই পরিবার নিতে পারবেন সৌদি প্রবাসীরা

দুর্গাপূজায় মিলছে টানা পাঁচ দিনের ছুটি
দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর সঙ্গে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সরকারি চাকরিজীবীরা ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন।   এই ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করতে ১৭ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার (৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।   ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকায় আগামী মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি নির্ধারিত ছিল। তবে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অফিস খোলা থাকার কথা থাকলেও ওই দিনটিকেও নির্বাহী আদেশে ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা।   গত সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটির তারিখ পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২২ অক্টোবরের কর্মদিবসেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।   প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর যথাক্রমে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ছুটি থাকবে। ফলে পূজার কারণে টানা তিন দিনের ছুটি পাওয়া যাবে।   এরপর ২৩ অক্টোবর শুক্রবার এবং ২৪ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় পূজার ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে মোট পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে।   তবে এই টানা ছুটির সমন্বয়ের জন্য ১৭ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন অফিস খোলা থাকবে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ওইদিন সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসের কার্যক্রম চালু থাকবে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৭, ২০২৬ ৭:২৮
নির্বাচনের অভিজ্ঞতা নিতে ঢাকায় নেপালের নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি দল

নির্বাচনের অভিজ্ঞতা নিতে ঢাকায় নেপালের নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি দল

সিরাজগঞ্জে অসহায় ও দরিদ্র ১৫৬ মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে অনন্য নজির গড়েছেন সমাজকর্মী মামুন বিশ্বাস। ছবি: সংগৃহীত

দুর্গম চর থেকে গ্রামগঞ্জ, ৩৮ বছর বয়সে ১৫৬ মেয়ের ‘বাবা’ সিরাজগঞ্জের মামুন

ফ্যামিলি কার্ডে দারিদ্র্য কমানোর সম্ভাবনা

খাদ্য ভর্তুকি ও নগদ সহায়তার সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ডে দারিদ্র্য কমানোর বড় সুযোগ দেখছে বিশ্বব্যাংক

0 Comments