সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
লাইফস্টাইল

মেয়ের বিয়েতে বাবাকে দেখে ভাই ভাবলেন অনেকে, তারুণ্য ধরে রাখার রহস্য জানালেন বাবা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ৮, ২০২৬ ৫:২৭
মেয়ের বিয়েতে তারুণ্যদীপ্ত বাবার উপস্থিতি
মেয়ের বিয়েতে তারুণ্যদীপ্ত বাবার উপস্থিতি

চীনে মেয়ের বিয়েতে উপস্থিত হয়ে নিজের তারুণ্যদীপ্ত চেহারার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন ৪১ বছর বয়সী এক বাবা। তাঁর মেয়ের বয়স ২১ বছর। কিন্তু বিয়ের অনুষ্ঠানে বাবা ও মেয়েকে একসঙ্গে দেখে অনেকেই তাঁদের ভাইবোন বলে ভুল করেন। আগস্টের শেষ দিকে চীনের গুয়াংডং প্রদেশের চাওঝৌ শহরে ধারণ করা একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে ওই বাবা নিজেই জানান, কীভাবে তিনি নিজের সুস্থতা ও তারুণ্য ধরে রাখার চেষ্টা করেন।

 

চীনা সংবাদমাধ্যম হাইবাও নিউজের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচিত ওই ব্যক্তির পারিবারিক নাম ঝেং। তাঁর জন্ম ১৯৮৬ সালে এবং মেয়ের জন্ম ২০০৫ সালে। অর্থাৎ বাবা ও মেয়ের বয়সের ব্যবধান মাত্র ২০ বছর। অল্প বয়সে বাবা হওয়ার পাশাপাশি নিজের চেহারা ও শারীরিক গঠনের কারণেও তিনি সহজে অন্যদের নজরে পড়েন।

 

গত ২৮ আগস্ট মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে লাল রঙের টি শার্ট ও কালো প্যান্ট পরে হাজির হন ঝেং। লম্বা গড়ন, তরুণদের মতো পোশাক এবং বয়সের তুলনায় কম বয়সী দেখানোর কারণে তাঁকে দেখে অনেকেই অবাক হন। বিয়ের অনুষ্ঠানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দর্শকদের একটি বড় অংশও প্রথমে বুঝতে পারেননি, তরুণ দেখতে ওই ব্যক্তিই কনের বাবা।

 

তবে এ ধরনের অভিজ্ঞতা ঝেংয়ের কাছে নতুন নয়। তিনি জানান, মেয়ের সঙ্গে বাইরে বের হলে অপরিচিত মানুষেরা প্রায়ই তাঁদের ভাইবোন বলে মনে করেন। কখনো কখনো তাঁদের প্রেমিক-প্রেমিকাও মনে করা হয়। এমন ভুল বোঝাবুঝির সঙ্গে তিনি অনেকটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছেন।

 

এমনকি মেয়ের স্বামীও প্রথমবার শ্বশুরকে দেখে অবাক হয়েছিলেন। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ঝেংয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম পরিচয়ের সময় তাঁর জামাই ধারণা করতে পারেননি যে এত তরুণ দেখতে একজন মানুষ তাঁর হবু স্ত্রীর বাবা হতে পারেন।

 

বিয়ের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, ৪১ বছর বয়সেও ঝেং এত তরুণ দেখান কীভাবে? তাঁর বিশেষ কোনো খাবার, ব্যায়াম কিংবা ত্বকের যত্নের পদ্ধতি রয়েছে কি না, তা নিয়েও কৌতূহল তৈরি হয়।

 

এ বিষয়ে ঝেং যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তা বেশ সাধারণ। তাঁর দাবি, তিনি নিজের মানসিক অবস্থাকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন এবং খুব কমই রাগ করেন। দৈনন্দিন জীবনে অযথা উত্তেজনা বা মানসিক চাপ এড়িয়ে চলাকে তিনি গুরুত্ব দেন।

 

পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস রয়েছে তাঁর। ঝেং জানান, তিনি দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমাতে পারেন। নিজের বিশ্রাম ও ঘুমের অভ্যাসকে সুস্থ থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করেন তিনি।

 

নিয়মিত শরীরচর্চাও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ। বিশেষ করে ব্যাডমিন্টন খেলতে পছন্দ করেন ঝেং। সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন এই খেলায় অংশ নেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, নিয়মিত খেলাধুলা শরীরকে সচল ও ফিট রাখতে সহায়তা করে।

 

তবে ঝেংয়ের এসব অভ্যাসই যে তাঁর চেহারা অপেক্ষাকৃত তরুণ দেখানোর একমাত্র কারণ, তা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়। মানুষের চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ার ক্ষেত্রে বংশগত বৈশিষ্ট্য, জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক কার্যক্রম এবং পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয় ভূমিকা রাখতে পারে। শুধু একজন ব্যক্তির অভিজ্ঞতা থেকে তারুণ্য ধরে রাখার নির্দিষ্ট কোনো সূত্র নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

 

বিশেষজ্ঞদের সাধারণ পরামর্শ অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্কদের সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম, শারীরিক কার্যক্রম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রত্যেকের ঘুমের চাহিদা এক নয়। অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য রাতে সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দেওয়া হয়। ফলে ঝেংয়ের ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস সবার জন্য অনুসরণীয় কোনো নিয়ম নয়।

 

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তাঁর চেহারা দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, কেউ আবার বাবা ও মেয়ের বয়সের তুলনামূলক কম ব্যবধান নিয়ে মন্তব্য করেছেন। অনেকের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে তাঁর নিয়মিত খেলাধুলা ও জীবনযাপনের অভ্যাস।

 

ঘটনাটি নিয়ে গত ২৯ আগস্ট চীনের একাধিক সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি স্থান পায়। ভিয়েতনামভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ভিএনএক্সপ্রেস ৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে ঝেংয়ের বয়স, মেয়ের বিয়ের ভিডিও এবং তাঁর জীবনযাপনের অভ্যাস তুলে ধরে।

 

চীনের গুয়াংডং প্রদেশের এই বাবার গল্প শেষ পর্যন্ত একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানের ভিডিও থেকেই আন্তর্জাতিক আলোচনায় উঠে এসেছে। মেয়ের বিয়েতে উপস্থিত হওয়া একজন বাবাকে প্রথম দেখায় অনেকে ভাই ভেবে ভুল করেছেন, আর সেই ঘটনাই তাঁকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত করে তুলেছে।

 

৪১ বছর বয়সী ঝেং অবশ্য নিজের তারুণ্য ধরে রাখার পেছনে কোনো বিশেষ কৌশলের কথা বলেননি। শান্ত থাকা, পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত ব্যাডমিন্টন খেলাকেই তিনি নিজের দৈনন্দিন অভ্যাস হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা নিয়ে মানুষের কৌতূহল থাকলেও বয়সের তুলনায় তরুণ দেখানোর পেছনে ঠিক কোন বিষয়টি কতটা ভূমিকা রেখেছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

লাইফস্টাইল

View more
মেয়ের বিয়েতে তারুণ্যদীপ্ত বাবার উপস্থিতি
মেয়ের বিয়েতে বাবাকে দেখে ভাই ভাবলেন অনেকে, তারুণ্য ধরে রাখার রহস্য জানালেন বাবা

চীনে মেয়ের বিয়েতে উপস্থিত হয়ে নিজের তারুণ্যদীপ্ত চেহারার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন ৪১ বছর বয়সী এক বাবা। তাঁর মেয়ের বয়স ২১ বছর। কিন্তু বিয়ের অনুষ্ঠানে বাবা ও মেয়েকে একসঙ্গে দেখে অনেকেই তাঁদের ভাইবোন বলে ভুল করেন। আগস্টের শেষ দিকে চীনের গুয়াংডং প্রদেশের চাওঝৌ শহরে ধারণ করা একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে ওই বাবা নিজেই জানান, কীভাবে তিনি নিজের সুস্থতা ও তারুণ্য ধরে রাখার চেষ্টা করেন।   চীনা সংবাদমাধ্যম হাইবাও নিউজের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচিত ওই ব্যক্তির পারিবারিক নাম ঝেং। তাঁর জন্ম ১৯৮৬ সালে এবং মেয়ের জন্ম ২০০৫ সালে। অর্থাৎ বাবা ও মেয়ের বয়সের ব্যবধান মাত্র ২০ বছর। অল্প বয়সে বাবা হওয়ার পাশাপাশি নিজের চেহারা ও শারীরিক গঠনের কারণেও তিনি সহজে অন্যদের নজরে পড়েন।   গত ২৮ আগস্ট মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে লাল রঙের টি শার্ট ও কালো প্যান্ট পরে হাজির হন ঝেং। লম্বা গড়ন, তরুণদের মতো পোশাক এবং বয়সের তুলনায় কম বয়সী দেখানোর কারণে তাঁকে দেখে অনেকেই অবাক হন। বিয়ের অনুষ্ঠানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দর্শকদের একটি বড় অংশও প্রথমে বুঝতে পারেননি, তরুণ দেখতে ওই ব্যক্তিই কনের বাবা।   তবে এ ধরনের অভিজ্ঞতা ঝেংয়ের কাছে নতুন নয়। তিনি জানান, মেয়ের সঙ্গে বাইরে বের হলে অপরিচিত মানুষেরা প্রায়ই তাঁদের ভাইবোন বলে মনে করেন। কখনো কখনো তাঁদের প্রেমিক-প্রেমিকাও মনে করা হয়। এমন ভুল বোঝাবুঝির সঙ্গে তিনি অনেকটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছেন।   এমনকি মেয়ের স্বামীও প্রথমবার শ্বশুরকে দেখে অবাক হয়েছিলেন। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ঝেংয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম পরিচয়ের সময় তাঁর জামাই ধারণা করতে পারেননি যে এত তরুণ দেখতে একজন মানুষ তাঁর হবু স্ত্রীর বাবা হতে পারেন।   বিয়ের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, ৪১ বছর বয়সেও ঝেং এত তরুণ দেখান কীভাবে? তাঁর বিশেষ কোনো খাবার, ব্যায়াম কিংবা ত্বকের যত্নের পদ্ধতি রয়েছে কি না, তা নিয়েও কৌতূহল তৈরি হয়।   এ বিষয়ে ঝেং যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তা বেশ সাধারণ। তাঁর দাবি, তিনি নিজের মানসিক অবস্থাকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন এবং খুব কমই রাগ করেন। দৈনন্দিন জীবনে অযথা উত্তেজনা বা মানসিক চাপ এড়িয়ে চলাকে তিনি গুরুত্ব দেন।   পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস রয়েছে তাঁর। ঝেং জানান, তিনি দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমাতে পারেন। নিজের বিশ্রাম ও ঘুমের অভ্যাসকে সুস্থ থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করেন তিনি।   নিয়মিত শরীরচর্চাও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ। বিশেষ করে ব্যাডমিন্টন খেলতে পছন্দ করেন ঝেং। সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন এই খেলায় অংশ নেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, নিয়মিত খেলাধুলা শরীরকে সচল ও ফিট রাখতে সহায়তা করে।   তবে ঝেংয়ের এসব অভ্যাসই যে তাঁর চেহারা অপেক্ষাকৃত তরুণ দেখানোর একমাত্র কারণ, তা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়। মানুষের চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ার ক্ষেত্রে বংশগত বৈশিষ্ট্য, জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক কার্যক্রম এবং পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয় ভূমিকা রাখতে পারে। শুধু একজন ব্যক্তির অভিজ্ঞতা থেকে তারুণ্য ধরে রাখার নির্দিষ্ট কোনো সূত্র নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।   বিশেষজ্ঞদের সাধারণ পরামর্শ অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্কদের সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম, শারীরিক কার্যক্রম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রত্যেকের ঘুমের চাহিদা এক নয়। অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য রাতে সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দেওয়া হয়। ফলে ঝেংয়ের ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস সবার জন্য অনুসরণীয় কোনো নিয়ম নয়।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তাঁর চেহারা দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, কেউ আবার বাবা ও মেয়ের বয়সের তুলনামূলক কম ব্যবধান নিয়ে মন্তব্য করেছেন। অনেকের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে তাঁর নিয়মিত খেলাধুলা ও জীবনযাপনের অভ্যাস।   ঘটনাটি নিয়ে গত ২৯ আগস্ট চীনের একাধিক সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি স্থান পায়। ভিয়েতনামভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ভিএনএক্সপ্রেস ৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে ঝেংয়ের বয়স, মেয়ের বিয়ের ভিডিও এবং তাঁর জীবনযাপনের অভ্যাস তুলে ধরে।   চীনের গুয়াংডং প্রদেশের এই বাবার গল্প শেষ পর্যন্ত একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানের ভিডিও থেকেই আন্তর্জাতিক আলোচনায় উঠে এসেছে। মেয়ের বিয়েতে উপস্থিত হওয়া একজন বাবাকে প্রথম দেখায় অনেকে ভাই ভেবে ভুল করেছেন, আর সেই ঘটনাই তাঁকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত করে তুলেছে।   ৪১ বছর বয়সী ঝেং অবশ্য নিজের তারুণ্য ধরে রাখার পেছনে কোনো বিশেষ কৌশলের কথা বলেননি। শান্ত থাকা, পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত ব্যাডমিন্টন খেলাকেই তিনি নিজের দৈনন্দিন অভ্যাস হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা নিয়ে মানুষের কৌতূহল থাকলেও বয়সের তুলনায় তরুণ দেখানোর পেছনে ঠিক কোন বিষয়টি কতটা ভূমিকা রেখেছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

প্রকাশ: অক্টোবর ৮, ২০২৬ ৫:২৭
পোষা প্রাণীর উপস্থিতি রাতে শব্দ, নড়াচড়া বা তাপের কারণে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

পোষা প্রাণীর সঙ্গে ঘুমানো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, বলছে গবেষণা

দীর্ঘায়ুর সঙ্গে আলোচনায় তিন ধরনের পানীয়

শতায়ু মানুষের পানীয়ের অভ্যাসে মিল, দীর্ঘায়ুর সঙ্গে যুক্ত তিন পানীয়ের কথা জানালেন গবেষক

ছুটির ভ্রমণে সস্তা বিমান টিকিট পেতে বুকিংয়ের সেরা সময় জানাল গুগল

থ্যাংকসগিভিং ও বড়দিনের ছুটিতে সস্তায় বিমান টিকিট পেতে কখন বুক করবেন

দীর্ঘ ছয় মাস পর ঘরে ফিরে বিছানায় দেখতে পান শতাধিক ‘ডিম’
দীর্ঘ ছয় মাস পর ঘরে ফিরে বিছানায় দেখতে পান শতাধিক ‘ডিম’! হতবাক ব্যক্তি

ছয় মাস পর বাড়ি ফিরে নিজের বিছানাজুড়ে শতাধিক সাদা ডিমের মতো বস্তু দেখতে পেয়েছেন এক ব্যক্তি, এমন একটি গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি শুনতে রহস্যময় ও চমকপ্রদ হলেও নির্ভরযোগ্য কোনো উৎসে এর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। বরং যে ওয়েবসাইটে গল্পটি প্রকাশ হয়েছে, সেখানেই উল্লেখ আছে যে ঘটনাটির সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।   দ্য বাস্টেড নিউজে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘ ছয় মাস বাড়ির বাইরে থাকার পর ফিরে এসে ওই ব্যক্তি বিছানায় শতাধিক সাদা, নরম খোলসের মতো বস্তু দেখতে পান। এগুলো কোনো প্রাণীর ডিম কি না, তা নিয়েই তৈরি হয় কৌতূহল। তবে প্রতিবেদনে ওই ব্যক্তির নাম, ঘটনাস্থল, তারিখ বা স্থানীয় কোনো কর্তৃপক্ষের বক্তব্য দেওয়া হয়নি।   ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সরীসৃপের কিছু প্রজাতি নরম ও চামড়ার মতো আবরণযুক্ত ডিম পাড়ে এবং নিরিবিলি, উষ্ণ জায়গা বেছে নিতে পারে। দীর্ঘদিন খালি থাকা বাড়ি কখনো কখনো বন্যপ্রাণীর আশ্রয়স্থলেও পরিণত হতে পারে। কিন্তু সাধারণ এই তথ্য থেকে বিছানায় পাওয়া বস্তুগুলোকে সরাসরি সাপ বা অন্য কোনো সরীসৃপের ডিম বলে নিশ্চিত করা যায় না।   প্রতিবেদনটিও স্বীকার করেছে, শুধু দেখতে সাদা ও ডিমের মতো হলেই কোনো বস্তুকে নির্দিষ্ট প্রাণীর ডিম হিসেবে শনাক্ত করা সম্ভব নয়। সেগুলো পাখি, সরীসৃপ বা অন্য কোনো কিছুর হতে পারে। এমনকি সেগুলো আদৌ ডিম কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়।   বিষয়টি নিয়ে অন্য কয়েকটি ওয়েবসাইটেও প্রায় একই ধরনের লেখা পাওয়া গেছে। কিন্তু সেখানে ঘটনাটিকে বাস্তব ও যাচাইকৃত ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করার মতো কোনো শক্ত প্রমাণ নেই। একটি সাইট স্পষ্টভাবে এটিকে ‘অরিজিনাল ফিকশন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। আর দ্য বাস্টেড নিউজের পাতার শেষেও উল্লেখ রয়েছে যে গল্পটি বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি কল্পকাহিনি এবং বাস্তব ব্যক্তি বা ঘটনার সঙ্গে কোনো মিল কাকতালীয়।   এ কারণে “ছয় মাস পর বাড়ি ফিরে বিছানায় শতাধিক রহস্যময় ডিম পেলেন এক ব্যক্তি” শিরোনামের গল্পটিকে নিশ্চিত সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা ঠিক হবে না। এটি মূলত একটি ভাইরাল ও বিনোদনধর্মী কনটেন্ট, যার বাস্তব ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।   তবে এমন পরিস্থিতি বাস্তবে ঘটলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো অজানা ডিম বা প্রাণিজ বস্তু হাতে না নেওয়া। শিশু ও পোষা প্রাণীকে দূরে রাখা এবং স্থানীয় বন্যপ্রাণী কর্তৃপক্ষ, প্রাণী উদ্ধার সংস্থা বা লাইসেন্সধারী পেস্ট কন্ট্রোল সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা নিরাপদ।   ঘটনাটি তাই বাস্তবের চেয়ে বেশি একটি ভাইরাল রহস্যগল্প। ছবি বা বর্ণনা যতই চমকপ্রদ হোক, মূল উৎস, স্থান, তারিখ এবং স্বাধীন যাচাই ছাড়া এমন দাবিকে সত্য হিসেবে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়।

প্রকাশ: অক্টোবর ৬, ২০২৬ ২:৪১
মাত্র একবার চিটিং করতেই ১০ বছরের সংসার ভেঙে দিলো স্বামী! কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন নারী

মাত্র একবার চিটিং করতেই ১০ বছরের সংসার ভেঙে দিলো স্বামী! কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন নারী

ধর্মীয় চর্চায় নিয়মিত দম্পতিদের যৌ ন জী বন ও দাম্পত্য সন্তুষ্টি নিয়ে গবেষণায় মিলেছে চমকপ্রদ তথ্য

ধর্মভীরু দম্পতিদের যৌ ন জী বন বেশি সন্তোষজনক: গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য

স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে ঘুম কমছে বলে মনে করছেন অনেক মার্কিন

স্মার্টফোনে অতিরিক্ত সময় কাটিয়ে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যায় পড়ছেন মার্কিনরা

ত্বকের গভীর টিস্যুতে আক্রমণ করা বিরল ও প্রাণঘাতী নেক্রোটাইজিং ফ্যাসাইটিস রোগ। ছবি: সংগৃহীত
দ্রুত শরীরের টিস্যু ধ্বংস করতে পারে এই মাংস খেকো ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, সতর্কতা

ছোট কাটা বা আঁচড় দিয়ে জীবাণু ঢুকে কখনো ত্বকের গভীর টিস্যুতে গুরুতর সংক্রমণ ঘটাতে পারে। নেক্রোটাইজিং ফ্যাসাইটিস নামের এই রোগ বিরল হলেও দ্রুত প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন, সিডিসি জানিয়েছে, তীব্র ব্যথা, জ্বর ও দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ফোলা বা লালচে ভাব দেখা দিলে চিকিৎসা নিতে দেরি করা উচিত নয়।    নেক্রোটাইজিং ফ্যাসাইটিস কোনো একটি ব্যাকটেরিয়ার নাম নয়। এটি বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ, যা টিস্যু ধ্বংস করতে পারে। সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপ এ স্ট্রেপটোকক্কাস এর সবচেয়ে সাধারণ কারণ বলে বিবেচিত। পানিতে থাকা ভিব্রিও ভালনিফিকাস ব্যাকটেরিয়াও এই সংক্রমণ ঘটাতে পারে।    ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস, এনএইচএস জানিয়েছে, কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিনের মধ্যে লক্ষণ দেখা দিতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ সতর্কসংকেত হলো, বাইরে দৃশ্যমান ক্ষতের তুলনায় অস্বাভাবিক তীব্র ব্যথা। আক্রান্ত জায়গায় অনুভূতি কমে যাওয়া, ফোলা এবং জ্বরও হতে পারে। কখনো ত্বকে স্পষ্ট ক্ষত না থাকলেও সংক্রমণ দেখা দেয়।    অবস্থা খারাপ হলে ফোসকা, কালো বা বেগুনি দাগ, বমি, মাথা ঘোরা কিংবা বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে। গাঢ় রঙের ত্বকে লালচে ভাব কম বোঝা যেতে পারে। তাই শুধু ক্ষতের চেহারা দেখে সংক্রমণের গুরুতরতা বিচার করা নিরাপদ নয়।    চিকিৎসায় সাধারণত শিরায় অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া এবং অস্ত্রোপচারে মৃত টিস্যু সরানো প্রয়োজন হয়। একাধিক অস্ত্রোপচারও লাগতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে অঙ্গ কেটে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। সংক্রমণ সেপসিস, শক ও অঙ্গ বিকল হওয়ার কারণও হতে পারে।    ডায়াবেটিস বা রোগপ্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল থাকলে ঝুঁকি বেশি। তবে অন্যদেরও এই সংক্রমণ হতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণ সাধারণ ত্বকের সংক্রমণের মতো হওয়ায় রোগ শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে। সন্দেহ প্রবল হলে চিকিৎসকেরা পরীক্ষার ফলের অপেক্ষা না করেই চিকিৎসা শুরু করতে পারেন।    ক্ষতের তুলনায় অসহনীয় ব্যথা, দ্রুত বাড়তে থাকা ফোলা বা জ্বর দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে যেতে হবে। বিভ্রান্তি, মাথা ঘোরা বা ত্বকে কালো-বেগুনি দাগ দেখা দিলেও জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। এসব লক্ষণ অন্য রোগেও হতে পারে, কিন্তু চিকিৎসা নিতে অপেক্ষা করা উচিত নয়।

প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ ১১:৭
বিয়েকে এড়িয়ে নয়, বরং স্থায়ী সম্পর্কের দিকেই বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে জেন জি

জেন জি-ই বিয়েতে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী, বলছে নতুন গবেষণা

দামি ব্যাগ, ঘড়ি বা জুতার ক্রেতা মানেই বিপুল সম্পদের মালিক, এমন ধারণা ঠিক নয়। ছবি: সংগৃহীত

বিলাসপণ্যের ৭৫% কিনে থাকেন মধ্য ও নিম্ন আয়ের ক্রেতারা, উদ্দেশ্য শো-অফ

যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ির জ্বালানি মানদণ্ড শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

বাইডেনের ইভি নীতি বাতিল করলেন ট্রাম্প, কমবে নতুন গাড়ির দাম

0 Comments