সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ গ্রেপ্তার

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: নভেম্বর ১, ২০২৬ ১:১
অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজ
অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজ

রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতা, তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং ওই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তারের পর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সপক্ষে কী ধরনের তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একাধিক মামলা, তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

 

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে খন্দকার আব্দুল হাফিজের কথিত সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নতুন করে সামনে এলেও তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। তাঁকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে কিংবা আদালতে হাজির করার বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রোববার (১ নভেম্বর) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, খন্দকার আব্দুল হাফিজ বর্তমানে ডিবি হেফাজতে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মো. আকতার হোসেন জানিয়েছেন, বনানী থেকে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে বলেও জানান তিনি।

 

এদিকে, ২০০৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খন্দকার আব্দুল হাফিজসহ সামরিক বাহিনীর কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা তৎকালীন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমানের হাতে ফুল দিয়ে দলটিতে যোগ দিয়েছিলেন বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাঁর অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার সঙ্গে বর্তমান গ্রেপ্তারের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।
সূত্র: আমার দেশ


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
কুমিল্লার লাকসামের দুই ভাই নাজমুস শাহাদাত ও নাজমুস সাকিব
যুক্তরাষ্ট্রে এআই দিয়ে বানানো কার্টুন মিম বিক্রি করে কোটি টাকার ব্যবসা বাংলাদেশের দুই ভাইয়ের

ঢাকার একটি মেসে বসে ফেসবুকে মজার কার্টুন ও মিম তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের কাছে টি-শার্টসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করছেন বাংলাদেশের দুই তরুণ। কুমিল্লার লাকসামের দুই ভাই নাজমুস শাহাদাত ও নাজমুস সাকিবের এই উদ্যোগ এখন আন্তর্জাতিক অনলাইন ব্যবসায় রূপ নিয়েছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, ২০২৪ সালেই তাঁদের ব্যবসার পরিমাণ ছিল প্রায় এক কোটি টাকা। তাঁদের পরিচালিত বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে সম্মিলিত ফলোয়ারের সংখ্যা ৪০ লাখের বেশি।   প্রথম আলোতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাজমুস শাহাদাত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী। তাঁর বড় ভাই নাজমুস সাকিব পড়াশোনা করেছেন চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেদের খরচ চালানো এবং পরিবারের ওপর আর্থিক চাপ কমানোর চিন্তা থেকেই দুই ভাই অনলাইনে আয়ের পথ খুঁজতে শুরু করেন। শুরুতে তাঁদের হাতে বড় কোনো পুঁজি ছিল না। ছিল একটি ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিছু করার আগ্রহ। শাহাদাত প্রথমে সাংবাদিকতায় ক্যারিয়ার গড়ার চেষ্টা করেন। কিছুদিন কাজও করেন এই পেশায়। পরে ইউটিউবে বিভিন্ন ছবি দিয়ে স্লাইড শো তৈরি করে আপলোড করতে থাকেন। কিন্তু সেখান থেকে প্রত্যাশিত দর্শক কিংবা আয় কোনোটিই আসছিল না।   এরপর দুই ভাই ফেসবুকের কনটেন্ট থেকে আয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে শুরু করেন। বিশেষ করে ছবি, রিল ও অন্যান্য কনটেন্টের মাধ্যমে দর্শক তৈরি এবং সেখান থেকে ব্যবসার সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করেন তাঁরা। এ সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে কার্টুন ছবি তৈরি করতে শুরু করেন শাহাদাত। এসব কার্টুনের সঙ্গে যুক্ত করা হতো দৈনন্দিন জীবন, বয়স, অবসর এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্ত মানুষের পরিচিত অভিজ্ঞতা নিয়ে মজার মন্তব্য। বিশেষ করে মধ্যবয়সী ও বয়স্ক মার্কিন নাগরিকদের জীবনযাত্রার সঙ্গে মিল রেখে তৈরি রসিকতাগুলো ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হতে থাকে। নিজেদের ফেসবুক পেজে পোস্ট করার পাশাপাশি বিভিন্ন বড় গ্রুপেও সেগুলো শেয়ার করতেন দুই ভাই।   প্রথম দিকে তেমন সাড়া না পেলেও একসময় তাঁদের তৈরি কয়েকটি মিম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। বাড়তে থাকে ফলোয়ার ও দর্শকের সংখ্যা। এরপর তাঁরা নিজেদের উদ্যোগে একাধিক ফেসবুক কমিউনিটি গ্রুপ তৈরি করেন। এসব গ্রুপে নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশের মাধ্যমে নির্দিষ্ট দর্শকগোষ্ঠী গড়ে তোলার চেষ্টা চালান। ফেসবুকের ইনসাইট বিশ্লেষণ করে তাঁরা দেখতে পান, তাঁদের কনটেন্টের দর্শকদের প্রায় ৮০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা। বিশেষ করে মধ্যবয়সী ও প্রবীণদের মধ্যে এসব মিমের জনপ্রিয়তা বেশি। এই তথ্য থেকেই নতুন ব্যবসার পরিকল্পনা করেন তাঁরা।   দুই ভাই ভাবতে শুরু করেন, ফেসবুকে জনপ্রিয় হওয়া মজার কথাগুলো যদি টি-শার্টে ছাপিয়ে বিক্রি করা যায়, তাহলে কেমন হয়। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে যুক্ত হন তাঁদের খালাতো ভাই মোহাম্মদ হাসান রাফি। ডিজাইনের কাজে দক্ষ রাফিকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা অনলাইন পণ্য বিক্রির উদ্যোগ শুরু করেন। তবে নিজেরা কোনো কারখানা স্থাপন করেননি। পণ্য তৈরি কিংবা সরবরাহের জন্যও বড় বিনিয়োগ করতে হয়নি তাঁদের। তাঁরা বেছে নেন প্রিন্ট অন ডিমান্ড ব্যবসার মডেল। এই পদ্ধতিতে ক্রেতার অর্ডার পাওয়ার পর নির্ধারিত ডিজাইন অনুযায়ী পণ্য তৈরি করা হয়।   এ জন্য একটি বিদেশি প্রিন্ট অন ডিমান্ড প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ শুরু করেন তাঁরা। নিজেদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ডিজাইনের পণ্য প্রদর্শন করেন। কোনো ক্রেতা অর্ডার দিলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান পণ্য প্রিন্ট, প্যাকেজিং এবং ডেলিভারির দায়িত্ব পালন করে। ফলে বাংলাদেশে বসেই যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশের ক্রেতাদের কাছে পণ্য বিক্রি করার সুযোগ তৈরি হয়েছে তাঁদের। প্রথমে টি-শার্ট দিয়ে ব্যবসা শুরু হলেও পরে পণ্যের তালিকায় যুক্ত হয়েছে সোয়েটশার্ট, হুডি ও টাম্বলার ফ্লাস্ক। প্রতিটি পণ্যের ডিজাইনে গুরুত্ব দেওয়া হয় তাঁদের ফেসবুক দর্শকদের পছন্দের বিষয়গুলোকে। জনপ্রিয় মিমের রসিকতা এবং পরিচিত জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতাই হয়ে উঠেছে এসব পণ্যের মূল আকর্ষণ। প্রথম আলোকে শাহাদাত জানিয়েছেন, ব্যবসার শুরুর কয়েক মাস তাঁরা আয় করার চেয়ে দর্শক তৈরি এবং ফেসবুক কমিউনিটি গড়ে তোলার ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। কোনো পেইড বিজ্ঞাপন কিংবা পোস্ট বুস্ট না করে নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। পরে সেই দর্শকদের একটি অংশ তাঁদের অনলাইন স্টোরের ক্রেতায় পরিণত হয়।   তাঁদের ব্যবসায় মৌসুমি চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিক্রি বেশি হয় বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। যুক্তরাষ্ট্রে হ্যালোইন ও ক্রিসমাসের মতো উৎসবকে সামনে রেখে বিশেষ ডিজাইনের পণ্য তৈরি করেন তাঁরা। এসব উৎসবের সময় উপহার কেনাকাটা বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের পণ্যের চাহিদাও বাড়ে। বর্তমানে কাউ ক্রনিকলস, ডাকস গন ওয়াইল্ড, হার্ড হিউমার ও হিলারিয়াস ক্যাটসহ বিভিন্ন নামে ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ পরিচালনা করছেন তাঁরা। উদ্যোক্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব পেজ ও গ্রুপ মিলিয়ে তাঁদের ফলোয়ার সংখ্যা ৪০ লাখ ছাড়িয়েছে।   দুই ভাইয়ের দাবি, ২০২৪ সালে তাঁদের ব্যবসার পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকায় পৌঁছায়। আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম থেকেও স্বীকৃতি পাওয়ার কথা জানিয়েছেন তাঁরা। তবে এক কোটি টাকা তাঁদের মোট বিক্রির পরিমাণ, নাকি সব খরচ বাদ দেওয়ার পর মুনাফা, সে বিষয়ে সরবরাহ করা তথ্যে স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। আয়ের এই হিসাবও উদ্যোক্তাদের নিজস্ব বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত। এই উদ্যোগের সঙ্গে এখন ১৫ জনের বেশি তরুণ যুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের কেউ কনটেন্ট তৈরি, কেউ ডিজাইন, আবার কেউ অনলাইন ব্যবসার বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করছেন। ফলে দুই ভাইয়ের ব্যক্তিগত আয়ের চেষ্টা থেকে শুরু হওয়া উদ্যোগটি অন্য তরুণদের জন্যও কাজের সুযোগ তৈরি করেছে।   বাংলাদেশে বসে যুক্তরাষ্ট্রের নির্দিষ্ট বয়সের মানুষের পছন্দ বুঝে কনটেন্ট তৈরি এবং সেই দর্শকদের কাছে পণ্য বিক্রির এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক ই-কমার্সের একটি উদাহরণ। এখানে শুধু ভাইরাল কনটেন্ট নয়, দর্শকদের আগ্রহ বিশ্লেষণ, নিয়মিত যোগাযোগ এবং পণ্য নির্বাচনের কৌশলও ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।   ঢাকার মেসে একটি ল্যাপটপ দিয়ে শুরু করা দুই ভাইয়ের উদ্যোগ এখন দেশের বাইরের ক্রেতাদের কেন্দ্র করে পরিচালিত হচ্ছে। নিজেদের পড়াশোনার খরচ চালানোর উদ্দেশ্যে শুরু করা কাজটি তাঁদের দাবি অনুযায়ী কোটি টাকার ব্যবসায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে বসে বিদেশি বাজারের জন্য ডিজিটাল কনটেন্ট ও পণ্য তৈরির সম্ভাবনাও তুলে ধরেছে তাঁদের অভিজ্ঞতা।   সূত্র: প্রথম আলো

প্রকাশ: নভেম্বর ১, ২০২৬ ২:৯
অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজ

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ গ্রেপ্তার

পা দিয়ে লিখে এসএসসির পর এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ রাব্বির

পা দিয়ে লিখে এসএসসির পর এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ রাব্বির, স্বপ্ন বিজ্ঞানী হওয়ার

ডিএমপির নিউজ পোর্টাল

ডিএমপির নিউজ পোর্টাল হ্যাক, ভাসছে রাজনৈতিক বার্তা ও সহিংসতার চিত্র

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ঢাকায় আসছেন প্রবাসী উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীরা, ১ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলন

প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে দেশের যোগাযোগ আরও জোরদার করা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬-এর সংবাদ সম্মেলন। আগামী ১ নভেম্বর দুপুর ১২টায় ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে (সাবেক ভিআইপি লাউঞ্জ) এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।   এনআরবি ওয়ার্ল্ডের পক্ষ থেকে পাঠানো ২৬ অক্টোবরের আমন্ত্রণপত্রে জানানো হয়েছে, আগামী ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর ঢাকার শেরাটন হোটেলে দুই দিনব্যাপী এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশি, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী নেতা, পেশাজীবী এবং বিশিষ্ট অতিথিরা অংশ নেবেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই সম্মেলনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়বে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক, বিনিয়োগের সুযোগ এবং পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময়ের ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হবে। সংবাদ সম্মেলনে এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬-এর মূল লক্ষ্য, কর্মসূচি এবং গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলো তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে আসন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পরিকল্পনা ও কার্যক্রম সম্পর্কে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ ও সংবাদ পরিবেশনের জন্য বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে আয়োজক সংগঠনটি। এ উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিনিধি ও আলোকচিত্রী অথবা ক্যামেরাপারসন পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। এনআরবি ওয়ার্ল্ডের আঞ্চলিক পরিচালক সুমাইয়া জামানের স্বাক্ষরিত আমন্ত্রণপত্রে সংগঠনটির পক্ষে উপস্থিতি ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। আমন্ত্রণপত্রে এনআরবি ওয়ার্ল্ডের সভাপতি মোহাম্মদ শহীদুজ্জামান তরিক, মহাসচিব মোয়াজ্জেম এইচ. চৌধুরী এবং প্রতিষ্ঠাতা এনামুল হক এনামের নাম উল্লেখ রয়েছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৩১, ২০২৬ ১৫:১৫
পাটকেলঘাটায় বাস খাদে পড়ে আ হ ত ২৫ থেকে ৩০ জন

লংমার্চ থেকে ফেরার পথে জামায়াতের বাসের চা পায় নিহত পথচারী, খাদে পড়ে আ হ ত ৩০

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের যাত্রা শুরু, জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন মাইলফলক

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের যাত্রা শুরু, জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন মাইলফলক

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকে একজন মাত্র পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও অকৃতকার্য হওয়ায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে। ছবি: সংগৃহীত

৮ জন শিক্ষক মিলেও পাশ করাতে পারলেন না একমাত্র ছাত্রকে, হতবাক সকলে

এইচএসসিতে পাসের হার কমে ৫২ শতাংশ
এইচএসসিতে পাসের হার কমে ৫২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার শিক্ষার্থী

বাংলাদেশে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশীয় পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২৯ হাজারের বেশি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করা হয়।   বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অন্যদিকে প্রায় ৫ লাখ ৯৪ হাজার শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। গত বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ফলে টানা দ্বিতীয় বছরের ফলাফলের তুলনায় এবার পাসের হারে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, শুধু পাসের হার নয়, সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জনের ক্ষেত্রেও গত বছরের তুলনায় বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী। এবার সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জনে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।   এবারের ফলাফলে পাসের হারের দিক থেকে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন ছাত্রী এবং ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন ছাত্র উত্তীর্ণ হয়েছেন। অর্থাৎ ছাত্রদের তুলনায় ৬৬ হাজার ৩৭১ জন বেশি ছাত্রী পাস করেছেন। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং ছাত্রদের ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রে ছাত্ররা সামান্য এগিয়ে রয়েছেন। সর্বোচ্চ গ্রেড পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী। শিক্ষা বোর্ডভেদেও ফলাফলে পার্থক্য দেখা গেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং বরিশাল বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডেও গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। মাদ্রাসা বোর্ডে এবার ৩ হাজার ২৫০ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।   এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২ জুলাই। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর উত্তরপত্র মূল্যায়ন ও ফল প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করে শনিবার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগ পাবেন। শিক্ষা বোর্ডগুলোর ঘোষণা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদনপদ্ধতি, নির্ধারিত ফি এবং অন্যান্য নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে জানানো হবে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত অনলাইন ফলাফল সেবা এবং মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।   এবারের ফলাফলে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা একসঙ্গে কমে যাওয়া। গত বছরের তুলনায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর অনুপাত কমার পাশাপাশি সর্বোচ্চ গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও প্রায় ৪২ শতাংশ কমেছে। তবে ফলাফলের এই পরিবর্তনের পেছনে পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, মূল্যায়ন পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি কিংবা অন্য কোনো নির্দিষ্ট কারণ কতটা ভূমিকা রেখেছে, তা প্রকাশিত পরিসংখ্যান থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে ফলাফলের সামগ্রিক পরিবর্তন বুঝতে শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক ও বিষয়ভিত্তিক বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রয়োজন।  

প্রকাশ: অক্টোবর ৩১, ২০২৬ ৩:৫৪
একটি রেডিও কিনতে ৫ বিঘা জমি বিক্রি করেন! ব্যাটারি কিনতে খরচ হয় দেলোয়ার হোসেনের আরও ১ বিঘা

একটি রেডিও কিনতে ৫ বিঘা জমি বিক্রি করেন! ব্যাটারি কিনতে খরচ হয় দেলোয়ার হোসেনের আরও ১ বিঘা

তাহসিফের মৃ ত্যুর ঘটনায় বাদী হতে পারে পুলিশ

পরিবার মামলা না করলে তাহসিফের মৃ ত্যুর ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকেই হবে মামলা

তুরাগ নদীতে সাবেক বিমান কর্মকর্তার ম রদেহ উদ্ধার (ছবি- সংগৃহীত)

শেষ কণ্ঠবার্তায় ‘মা, আমি আসছি’, পরদিন তুরাগ নদীতে মিলল সাবেক কর্মকর্তার ম রদেহ

0 Comments