সারাদেশ

নির্বাচনী বাজিতে মহিষ জয়, ব্যান্ড বাজিয়ে বাড়ি ফিরলেন মান্নান

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
শেরপুরের না‌লিতাবাড়ী‌তে ধা‌নের শীষ জেতায় বা‌জির ম‌হিষ নি‌য়ে বা‌ড়ি ফির‌ছেন আব্দুল মান্নান। শুক্রবার সকা‌লে বালুঘাটা গ্রামে
শেরপুরের না‌লিতাবাড়ী‌তে ধা‌নের শীষ জেতায় বা‌জির ম‌হিষ নি‌য়ে বা‌ড়ি ফির‌ছেন আব্দুল মান্নান। শুক্রবার সকা‌লে বালুঘাটা গ্রামে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে যখন সারা দেশে উত্তেজনা ও আলোচনা চলছে, তখন শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। নির্বাচনী ফল নিয়ে বাজিতে জিতে ব্যান্ড পার্টি নিয়ে মহিষসহ বাড়ি ফিরেছেন এক ব্যক্তি।

 

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের উত্তর নাকশী গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মান্নান পাশের বালুঘাটা গ্রামের আমীর হোসেনের সঙ্গে মজার ছলে একটি বাজি ধরেন। শর্ত ছিল—শেরপুর-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক জয়ী হলে মান্নান দেবেন ছয়টি মহিষ। আর ধানের শীষ প্রতীক জয়ী হলে তিনি পাবেন একটি মহিষ।

 

বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, শেরপুর-2 আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৩৩৫ ভোট।

 

ফলে বাজির শর্ত অনুযায়ী শুক্রবার সকালে ব্যান্ড পার্টি নিয়ে আমীর হোসেনের বাড়ি থেকে একটি মহিষ নিয়ে বাড়ি ফেরেন আবদুল মান্নান। এ দৃশ্য দেখতে নাকশী গ্রামসহ আশপাশের এলাকার মানুষ ভিড় করেন। এলাকায় তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

 

স্থানীয়রা জানান, আমীর হোসেন ও আবদুল মান্নানের মধ্যে নানা-নাতির সম্পর্ক রয়েছে। মজার ছলেই বাজিটি ধরা হয়েছিল এবং ঘটনার পরও তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ক আগের মতোই আন্তরিক রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

সারাদেশ

View more
শেরপুরের না‌লিতাবাড়ী‌তে ধা‌নের শীষ জেতায় বা‌জির ম‌হিষ নি‌য়ে বা‌ড়ি ফির‌ছেন আব্দুল মান্নান। শুক্রবার সকা‌লে বালুঘাটা গ্রামে
নির্বাচনী বাজিতে মহিষ জয়, ব্যান্ড বাজিয়ে বাড়ি ফিরলেন মান্নান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে যখন সারা দেশে উত্তেজনা ও আলোচনা চলছে, তখন শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। নির্বাচনী ফল নিয়ে বাজিতে জিতে ব্যান্ড পার্টি নিয়ে মহিষসহ বাড়ি ফিরেছেন এক ব্যক্তি।   শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের উত্তর নাকশী গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মান্নান পাশের বালুঘাটা গ্রামের আমীর হোসেনের সঙ্গে মজার ছলে একটি বাজি ধরেন। শর্ত ছিল—শেরপুর-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক জয়ী হলে মান্নান দেবেন ছয়টি মহিষ। আর ধানের শীষ প্রতীক জয়ী হলে তিনি পাবেন একটি মহিষ।   বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, শেরপুর-2 আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৩৩৫ ভোট।   ফলে বাজির শর্ত অনুযায়ী শুক্রবার সকালে ব্যান্ড পার্টি নিয়ে আমীর হোসেনের বাড়ি থেকে একটি মহিষ নিয়ে বাড়ি ফেরেন আবদুল মান্নান। এ দৃশ্য দেখতে নাকশী গ্রামসহ আশপাশের এলাকার মানুষ ভিড় করেন। এলাকায় তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।   স্থানীয়রা জানান, আমীর হোসেন ও আবদুল মান্নানের মধ্যে নানা-নাতির সম্পর্ক রয়েছে। মজার ছলেই বাজিটি ধরা হয়েছিল এবং ঘটনার পরও তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ক আগের মতোই আন্তরিক রয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে বিজয়ী বিএনপি

১৭ তারিখের মধ্যে শপথ হতে পারে-আইনি দিক পর্যালোচনায় বিএনপি

সুনামগঞ্জের সবগুলো সংসদীয় আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের পাঁচ আসনেই ধানের শীষের নিরঙ্কুশ জয়

বাগেরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ

বাগেরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৯

ফল ঘোষণার আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ক্লোজড

নওগাঁয় ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণার আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর ও সিল দেওয়ার অভিযোগে এক প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার কাটখইর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।   কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নাজিম উদ্দীনেকে প্রত্যাহার করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইবনুল আবেদীন। অভিযুক্ত নাজিম উদ্দীন নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগে উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন বলে জানা গেছে।   নওগাঁ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভোটগণনার আগে ফলাফল শিটে স্বাক্ষর করার কোনো বিধান নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ওই কেন্দ্রের নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ওই কেন্দ্রে নতুন একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
ভোটদানের লাইন। ছবি: সংগৃহীত

কেন্দ্রে যেতে না করেছিল স্ত্রী, পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে গিয়ে ভোটারের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোটকেন্দ্রে পোলিং অফিসারের মৃত্যু

রাজশাহীর চারঘাটে বিএনপি কর্মীর ওপর হামলা, গুরুতর জখম

রেজাল্টের আগ পর্যন্ত ভালো কি মন্দ হচ্ছে তা বলবো না: মুফতি ফয়জুল করিম

বরিশাল সদর-৫ ও বরিশাল-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেছেন, রেজাল্টের আগ পর্যন্ত নির্বাচন ভালো কি মন্দ হচ্ছে তা বলবো না। নির্বাচন ভালো ছিলো এ কথা রেজাল্টের আগে বা পরে বলার সুযোগ নেই। অনেক সময় দেখা যায় পরিবেশ ভালো কিন্তু ভিতরে অন্য কিছু। আবার অনেক সময় দেখা যায় নির্বাচন ভালো হয়েছে কিন্তু রেজাল্ট ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশের নির্বাচনে এরকম অনেক ঘটনা ঘটেছে। এ জন্য রেজাল্টের আগে আমি বলবো না ভোট ভালো হয়েছে কিংবা মন্দ হয়েছে।   বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮ টায় বরিশাল নগরীর রুপাতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকেদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।   এ সময় মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম আরো বলেন, নির্বাচনে কারচুপির সম্ভবনা আছে। অবশ্যই কারচুটপ হতে পারে। তিনি বলেন বিগত দিনে যে নির্বাচন হয়েছে সেই থেকে এ আশঙ্কা । বিগত দিনের শঙ্কা কাটানোর জন্য একটি সুন্দর পরিবেশে ভালো নির্বাচন দরকার। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহান না দেওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ন মানুষ যতো ভালো নির্বাচনের কথা বলুক না কেন, প্রশাসন যত ভালো কথাই বলুকনা কেন, নির্বাচন ভালো হয়েছে একথা বলা যাবে না। দীর্ঘদিন ধরে ভোটাররা ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করে আছে।   তিনি বলেন, গত রাতে আমরা বিভিন্ন স্থানে অঘটন ঘটেছে। আমরা চাইনা বাংলাদেশের কোন স্থানে মারামারি, দখলদারী কিংবা কোন অঘটন ঘটুক। আমরা চাইনা জনগণ জনগন ভোট দেবে আর ভোটের পর রেজান্ট পাল্টে দেওয়া হবে। যাকে ভোট দেবে জনগণ যেনো তার ভোটের রেজাল্ট পায়। আমরা প্রশাসনসহ সংশ্লিদের কাছ থেকে এমনটা প্রত্যাশা করি।   ফয়জুল করিম অভিযোগ করে বলেন, বরিশাল নগরীর মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে তার এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে অনাকাঙ্খিত ঘটনার খবর মিলছে যা কোন ভাবেই কাম্য নয়। তিনি ভোটারদের ইসলামের পক্ষে হাতপাখায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0

খুলনায় সদরে ভোটকেন্দ্রে বিএনপি নেতার মৃত্যু, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট: কমনওয়েলথ প্রধান

ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে পোলিং অফিসারের মৃত্যু

0 Comments