সারাদেশ

রান্নাঘরের টিন বিক্রির অভিযোগে ছাত্রদল নেতাদের অব্যাহতি

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরের ইসলামপুর সরকারি কলেজ ছাত্রাবাসের রান্নাঘরের চালের টিন খুলে বিক্রির অভিযোগে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জামালপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান সূমিল।

 

এর আগে বুধবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম। এতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইসলামপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি জোনায়েদ হোসেন সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক রাব্বি মিয়াকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।

 

গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইসলামপুর সরকারি কলেজের ছাত্রাবাসের পুরোনো রান্নাঘরের চালের টিন খুলে বিক্রির অভিযোগ ওঠে ওই দুই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। কলেজ সূত্র জানায়, নতুন রান্নাঘর নির্মাণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্প্রতি জরাজীর্ণ রান্নাঘরের চালের টিন খুলে ফেলা হয়। পরে সেই মালামাল বিক্রির অভিযোগ উঠে।

 

এ বিষয়ে হোস্টেল সুপার হাফিজুর রহমান প্রথমে দাবি করেন, ছাত্রদল নেতারা কোনো অর্থ ছাড়াই মালামাল নিয়ে গেছেন। পরে তিনি জানান, লিখিত আবেদন পাওয়ার পর ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের কাছে ওই মালামাল দেওয়া হয়েছে।

 

অব্যাহতি পাওয়া কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সাব্বির খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, লিখিত আবেদনের কপি তাদের কাছে রয়েছে। কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে নিলাম প্রক্রিয়ায় রান্নাঘরের মালামাল নেওয়া হয়েছে।

 

ইসলামপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আহাম্মদ আলী জানান, জরাজীর্ণ রান্নাঘরের মালামাল নেওয়ার জন্য দুই ছাত্রনেতা আবেদন করেছিলেন। বিষয়টি তদারকির জন্য হোস্টেল সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

সারাদেশ

View more
ছবি: সংগৃহীত
স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, নেত্রকোণায় স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নেত্রকোণায় স্ত্রী রেজিয়া খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় স্বামী মো. আবু বক্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নেত্রকোণা জেলা ও দায়রা জজ মরিয়ম মুন মুঞ্জরী এই রায় ঘোষণা করেন।   রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল হাসেম জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আবু বক্কর (৬২) কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার মোলামখার চর এলাকার মৃত জাফর আলীর ছেলে। নিহত রেজিয়া খাতুন (৩৮) নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার বসন্তিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।   আদালত সূত্রে জানা যায়, উভয়েরই এটি দ্বিতীয় বিবাহ ছিল। বিয়ের পর আবু বক্কর মোহনগঞ্জের বসন্তিয়া গ্রামে রেজিয়ার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে প্রায়ই কলহ লেগে থাকত। ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে আবু বক্কর তার পরনের শার্ট দিয়ে রেজিয়ার গলা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে লাশটি ঘরের পাশে খড়ের গাদায় লুকিয়ে রাখেন এবং প্রথম স্ত্রীর গর্ভজাত ছেলেকে বিষয়টি জানান। পরদিন পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।   নিহতের বোন বিউটি আক্তার翌দিন মোহনগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মোট ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এই রায় প্রদান করে।   প্রতিবেদকঃ মামুন রনবীর প্রেস

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

চাকরি হারানো ব্যাংকারদের পুনর্বহালে এমপির আবেদন

ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোণায় অবৈধ বালু উত্তোলনে ৩ জনের কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত

রান্নাঘরের টিন বিক্রির অভিযোগে ছাত্রদল নেতাদের অব্যাহতি

কাজী  নজরুল ইসলাম
র্বাচনে দাড়িয়ে কাফের হলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম

ফরিদপুরে ভোটের ময়দানে  সহযোগিতা চাইতে গেলে তমিজউদ্দিন খানের সমর্থকদের মধ্য থেকেই সেদিন কবি নজরুলকে ‘কাফের’আখ্যা দেয়া হয়েছিল। নিরাশ না হয়ে কবি বরং তাদের কবিতা শোনার আহ্বান করেন। তার স্বকণ্ঠে ‘মহররম’কবিতা শুনে কবির সমালোচনাকারীদের চোখে অশ্রুধারা নেমে এল,কিন্তু ভোটের প্রতিশ্রুতি মিলল না।   ১৯২৬ সালের শেষ দিকে যখন ‘ভারতীয় কেন্দ্রীয় আইনসভা’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়,কবি কাজী নজরুল ইসলাম তখন সারা বাংলায় অত্যন্ত জনপ্রিয় কবি। অবশ্য ইতোমধ্যেই গোঁড়া মুসলিমও প্রতিক্রিয়াশীলদের দেয়া ‘কাফের’ ফতোয়াও কবির কাঁধে পড়েছে। নির্বাচনে কংগ্রেস-সমর্থিত অর্থাৎ স্বরাজ পার্টির প্রার্থী ছিলেন কবি নজরুল।   নির্বাচনে ভোটদাতাদের সংখ্যা ছিল১৮ হাজার ১১৬ জন।প্রত্যেক ভোটদাতা দুটি করে ভোট দিতে পারতেন।প্রার্থী দাঁড়িয়েছিলেন পাঁচজন।তার অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মুসলিম লীগের প্রার্থী,বরিশালের বামনার জমিদার মুহম্মদ ইসমাইল চৌধুরী(তিনি ছিলেন রাজবাড়ীর পদমদীর জমিদার নবাব মীর মোহাম্মদ আলীর ভ্রাতুষ্পুত্রী আসমাতুন্নেছার স্বামী), টাঙ্গাইলের জমিদার আব্দুল হামিদ গজনভী, ঢাকার নবাববাড়ির আব্দুল করিমও মফিজ উদ্দিন আহমেদ।   অবশ্য বাংলা একাডেমির জীবনীপঞ্জিতে ওই নির্বাচনে কবি নজরুলের সঙ্গে তমিজউদ্দিন খানের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সেবার রাজবাড়ীর (খানখানাপুর) তমিজউদ্দিন খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মুসলিম লীগ থেকে নিম্ন আইন পরিষদ (গোয়ালন্দও ফরিদপুর সদর মহকুমা)আসনে।   স্বরাজ পার্টি-কংগ্রেস থেকে নির্বাচন করেন ফরিদপুরের তরুণ জমিদার চৌধুরী মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে লাল মিয়া।আর কেন্দ্রীয় আইনসভায় সমগ্র ঢাকা বিভাগ থেকে মুসলমানদের জন্য দুটি আসন সংরক্ষিত ছিল, যার একটিতে কবি নজরুল প্রার্থী ছিলেন।   ওই নির্বাচনে মূলত পীর-মাশায়েকদের সমর্থননির্ভর হয়েই মুসলিম প্রার্থীরা ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। ফরিদপুরের পীর মহসিন উদ্দিন দুদুমিয়া বা পীর বাদশা মিয়া (১৮১৯-১৮৬২) নির্বাচনে সেবার ফতোয়া দিয়েছিলেন বেশ কায়দা করে, কেন্দ্রীয় পরিষদে স্বরাজ পার্টির কবি নজরুল আর নিম্ন আইন পরিষদে বিপরীত দলের প্রার্থী লাল মিয়াকে। পীর সাহেবের ‘ফতোয়া’ হাতে নিয়ে নজরুল ছুটে এসেছিলেন ফরিদপুরে, তমিজউদ্দিনের উদ্দেশে।ওঠেন পল্লিকবি জসীমউদ্‌দীনের বাড়িতে। পল্লিকবি জসীমউদ্‌দীন লিখেছেন সেই নির্বাাচনী স্মৃতিকথা, একদিন গ্রীষ্মকালে হঠাৎ কবি আমার পদ্মাতীরে আসিয়া উপস্থিত।তিনি কেন্দ্রীয় আইনসভার সভ্য হইবার জন্য দাঁড়াইয়াছেন। কবি তখন তাঁর সুটকেস হইতে এক বান্ডিল কাগজ বাহির করিয়া আমার হাতে দিয়া বলিলেন,এই দেখ, পীর বাদশা মিয়া আমাকে সমর্থন দিয়া ফতোয়া দিয়েছেন।   পূর্ববঙ্গের এত বড় বিখ্যাত পীর যা বলবেন, মুসলিম সমাজ তা মাথা নত করে মেনে নেবে। জসীম,তুমি ভেবো না। নিশ্চয় সবাই আমাকে ভোট দেবে। ঢাকায় আমি শতকরা নিরানব্বইটি ভোট পাব। তোমাদের ফরিদপুরের ভোট যদি কিছু আমি পাই তা হলেই কেল্লাফতে। ফরিদপুরে ভোটের সহযোগিতা চাইতে গেলে তমিজউদ্দিন খানের সমর্থকদের মধ্য থেকেই সেদিন কবি নজরুলকে ‘কাফের’ আখ্যা দেয়া হয়েছিল। নিরাশ না হয়ে কবি বরং তাদের কবিতা শোনার আহ্বান করেন। তার স্বকণ্ঠে ‘মহররম’কবিতা শুনে কবির সমালোচনাকারীদের চোখে অশ্রুধারা নেমে এল,কিন্তু ভোটের প্রতিশ্রুতি মিলল না। কবি জসীমউদ্‌দীন লিখেছেন- আমরা দুইজনে উঠিয়া ফরিদপুর মৌলবী তমিজউদ্দীন খানের বাড়ি আসিয়া উপস্থিত হইলাম। তমিজ উদ্দীন সাহেব আইনসভার নিম্ন পরিষদের সভ্যপদের প্রার্থী ছিলেন।তাঁহার প্রতিদ্বন্দ্বী ফরিদপুরের তরুণ জমিদার বন্ধুবর লালমিঞা সাহেব। আমরা লালমিয়া সাহেবের সমর্থক ছিলাম।কবিকে দেখিয়া তাঁহারা সবাই আশ্চর্য হইয়া গেলেন।কবি যখন তাঁহার ভোট অভিযানের কথা বলিলেন, তখন তমিজউদ্দীন সাহেবের একজন সভাসদ বলিয়া উঠিলেন,তুমি তো কাফের। তোমাকে কোন মুসলমান ভোট দিবে না।   তিনি হাসিয়া বলিলেন, আপনারা আমাকে কাফের বলছেন, এর চেয়েও কঠিন কথা আমাকে শুনতে হয়। আমার গায়ের চামড়া এত পুরু যে,আপনাদের তীক্ষ্ন কথার বাণ তা ভেদ করতে পারে না। তবে আমি বড়ই সুখী হব, আপনারা যদি আমার রচিত দু-একটি কবিতা শোনেন।   কবিকে তখন সবাই ঘিরিয়া বসিলেন।কবি আবৃত্তি করিয়া চলিলেন। কবি যখন তাঁহার ‘মহররম’ কবিতাটি আবৃত্তি করিলেন,তখন যে ভদ্রলোকটি কবিকে কাফের বলিয়াছিলেন তাঁরই চোখে সকলের আগে অশ্রুধারা দেখা দিল।   তমিজউদ্দিন খান তখন ভারতবর্ষের মুসলমান নেতৃত্বের মধ্যে স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব এবং ফরিদপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনের একজন বিশিষ্ট ভদ্রলোক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। কিন্তু সেদিন মধ্যাহ্নে নিজের বাড়ি থেকে কবি নজরুলকে অভুক্ত রেখে তাঁর প্রতি যে বিরূপ আচরণ করেছিলেন, তাকে কোনোভাবেই শিষ্টাচারসম্মত বলে স্বীকার করা যায় না।কবি জসীমউদ্‌দীনের বর্ণনায় সেই মর্মবাণীই প্রতিধ্বণিত হয়েছে- আমি কবির কানে কানে বলিলাম,এইবার আপনার ইলেকশানের কথা ওঁদের বলুন।’ কিন্তু কে কাহার কথা শোনে! কবি আবৃত্তি করিয়াই চলিয়াছেন। তখন আমি সবাইকে শুনাইয়া বলিলাম, আপনারা কবির কবিতা শুনছেন- এঅতি উত্তম কথা।কিন্তু কবি একটি বড় কাজে এখানে এসেছেন। আসন্ন ভোট-সংগ্রামে কবি আপনাদের সমর্থন আশা করেন।এই বিষয়ে কিছু আলোচনা করুন।   তমিজউদ্দীন সাহেব চালাক লোক।কবিকে তিনি আড়ালে ডাকিয়া লইয়া গেলেন।পাঁচ-ছয় মিনিট পরে হাসি মুখেই,আসিয়া কবি আবার পূর্ববৎ কবিতা আবৃত্তি করিয়া চলিলেন। তাঁহাদের ভিতর হইতে একটি লোকও বলিল না,এত বেলায় আপনি কোথায় যাইবেন, আমাদের এখান হইতে খাইয়া যান।আমার নিজের জেলা ফরিদপুরের এই কলঙ্ক-কথা বলিতে লজ্জায় আমার মাথা নত হইয়া পড়িতেছে। কিন্তু এ কথা না বলিলে,সেই যুগে আমাদের সমাজ এত বড় একজন কবিকে কি ভাবে অবহেলা করিতেন,তাহা জানা যাইবে না। জসীমউদ্‌দীন রাগে দুঃখে অপমানে অভিমানে ফরিদপুর শহরে খাবার হোটেলের খোঁজে বের হন, সেই মাছি ভন ভন,তেলচিটচিটে বালিশ নির্গত পূতিগন্ধময় পরিবেশ অতিক্রম করে অবশেষে কবিকে নিয়ে বাড়ন্ত বেলায় মধ্যাহ্ন আহারপর্ব সমাধা করেন। কবি নজরুল প্রবন্ধে জসিমউদ্‌দীন লিখেছেন সেই মর্মন্তুদ এবং করুণ কথা, ‘পথে আসিতে আসিতে কবিকে জিজ্ঞাসা করিলাম, তমিজউদ্দীন সাহেবের দল আমাদের সমর্থন করবেন। এবার তবে কেল্লাফতে!’ কবি উত্তর করিলেন,না হে, ওঁরা বাইরে ডেকে নিয়ে আগেই আমাকে বলে দিয়েছেন, আমাকে সমর্থন দিবেন না। ওঁরা সমর্থন করিবেন বরিশালের ইসমাইল সাহেবকে।তখন আমার রাগে দুঃখে কাঁদিতে ইচ্ছা হইতেছিল। রাগ করিয়াই কবিকে বলিলাম, ‘আচ্ছা কবিভাই! এই যদি আপনি জানিলেন,তবে ওঁদের কবিতা শুনিয়ে সারাটা দিন নষ্ট করলেন কেন? কবি হাসিয়া কহিলেন,ওঁরা শুনতে চাইলে, শুনিয়ে দিলুম।’   একথার আর কী উত্তর দিব? কবিকে লইয়া হোটেলের সন্ধানে বাহির হইলাম। তখনকার দিনে ফরিদপুরে ভালো হোটেল ছিল না। যে হোটেলে যাই, দেখি মাছি ভন ভন করিতেছে। ময়লা বিছানা-বালিশ হইতে নোংরা গন্ধ বাহির হইতেছে।তারই মধ্যে অপেক্ষাকৃত একটি পরিষ্কার হোটেল বাছিয়া লইয়া কোনো রকম ভোজনপর্ব সমাধা করিলাম। তমিজউদ্দিন খান বা তার কিছু অনুসারীই শুধু নয়,তখনকার দিনে মুসলমান সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী কিছু সাময়িকপত্রও সংবাদপত্র নজরুলের বিরোধিতায় একেবারে মুখর হয়ে উঠেছিল। মুসলিম মাশায়েখ সমাজের সমর্থন ছাপিয়ে এসব প্রতিক্রিয়াশীলের বহুমুখী প্রচারণায় কবি ফরিদপুরে এসে বুঝতে পারলেন ভোটযুদ্ধে তার অবস্থান কোথায়? ভেবেচিন্তে কবি অবশেষে জামানতের টাকা রক্ষার তাগিদে ঢাকার দিকে চলে যান। জসিমউদ্‌দীন লিখেছেন-   প্রথম ভোটের দিন কবিকে ভোট গ্রাহক অফিসারের সামনে বসাইয়া দিলাম।কবির সামনে গিয়া ভোটাররা ভোট দিবেন।পরদিন সকালে,কবি আমাকে বলিলেন,দেখ জসীম,ভেবে দেখেছি,এই ভোটযুদ্ধে আমার জয় হবে না। আমি ঢাকা চলে যাই।দেখি, অন্ততপক্ষে জামানতের টাকাটা যাতে মারা না যায়। ভারতীয় আইন পরিষদের১৯২৬ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগের প্রার্থী তমিজ উদ্দিন খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্পর্কে তার অভিজ্ঞতার বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। ফরিদপুরের সেবারের নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি  সম্পর্কে লিখলেও কবি নজরুলের প্রসঙ্গে তিনি কিছুই উল্লেখ করেনন

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা

আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা

ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেলেন রাবি শিবিরের ৫ নেতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় বুধবার ভোররাতে নারীর দিকে তরুণের লাঠি হাতে তেড়ে যাওয়ার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

ঢাবিতে নারী হেনস্তার ঘটনায় চিহ্নিত ২ শিক্ষার্থী: তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

কক্সবাজার শহরের কলাতলী আদর্শগ্রামে গ্যাসপাম্পে বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশের ঘরবাড়িতে। বুধবার রাতের চিত্র। ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারে এলপিজি পাম্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: আগুনে ঘরবাড়ি পুড়ে আতঙ্ক

কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় একটি এলপিজি গ্যাসপাম্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে কলাতলী বাইপাস সড়কের আদর্শগ্রাম এলাকায় অবস্থিত এন আলম এলপিজি গ্যাসপাম্প-এ এ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত আশপাশের বসতবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।   প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর গ্যাসপাম্পের ট্যাংক থেকে গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুন ধরে যায়। পাম্পের কর্মচারীরা বালু ও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণ পর ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাসে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন পুনরায় ছড়িয়ে পড়ে।   ঘটনাস্থলের আশপাশে অন্তত পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি রয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম দিকে অবস্থিত কলাতলী হোটেল–মোটেল জোন এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। বিস্ফোরণের আগুন রাত ১১টার মধ্যে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয় এবং অনেকে পাহাড়ি এলাকায় নিরাপদ আশ্রয় নেন।   আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর সাতটি ইউনিট এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদস্যরা। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি বলে জানান অলক বিশ্বাস।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে চালু হওয়া এই পাম্পে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার লিটার এলপিজি গ্যাস মজুত ছিল। বিস্ফোরণের ফলে ট্যাংক থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের অনেক ঘরবাড়ি আগুনে পুড়ে যায়। ঘরের ভেতরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারগুলোও থেমে থেমে বিস্ফোরিত হতে থাকে।   ঘটনার পর রাত আটটা থেকে ওই এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। ফলে হোটেল–মোটেল জোনের অন্তত দুই শতাধিক স্থাপনা অন্ধকারে রয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন, এটি নাশকতামূলক ঘটনা হতে পারে, তবে কর্তৃপক্ষ এখনো বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।   এ ঘটনায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন দগ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনার পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। ছবি: সংগৃহীত

নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর বুয়েটে আগমন: রাত ১টায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল

ছবি: সংগৃহীত

মাদারীপুরে টর্চলাইট ও বোমা বিস্ফোরণে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সাতজন আহত

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর হাজারীবাগে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী নিহত

0 Comments