বাংলাদেশ

ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে সনাতন ধর্মের মেয়েকে বিয়ে: ছেলেকে ত্যাজ্য করলেন বাবা

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ৫, ২০২৬ ২২:৪২
বাবা আজগর আলী সরদার ও ছেলে সজল আলী ওরফে সজল সরদার। ছবি: সংগৃহীত।
বাবা আজগর আলী সরদার ও ছেলে সজল আলী ওরফে সজল সরদার। ছবি: সংগৃহীত।

পাবনা প্রতিনিধি:

ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে সনাতন ধর্মের মেয়েকে বিয়ে করায় নিজের একমাত্র সন্তান সজল আলী ওরফে সজল সরদারকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন বাবা আজগর আলী সরদার।

 

রবিবার (৫ এপ্রিল) পাবনা জেলা নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এক হলফনামার মাধ্যমে তিনি এই ঘোষণা দেন।

 

সজল আলী সরদার ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের মিরকামারী চাঁদার মোড় গ্রামের মো. আজগর আলী সরদার এর একমাত্র সন্তান। বাবা আজগর আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

হলফনামায় আজগর আলী সরদার উল্লেখ করেন, ‘আমার ছেলে সজল আলী সরদার চলতি বছরের গত ০৯ ফেব্রুয়ারী তারিখে নোটারী পাবলিক পাবনা বাংলাদেশ ২৬২ মোতাবেক হলফনামা সম্পাদনা করে একই উপজেলার সাহাপুর গোলচত্ত্বর এলাকার সরগেন মন্ডলের মেয়ে আরতি রাণী কে বিয়ে কেরেছ। বিয়ের আগে গত ০১ ডিসেম্বর’২৬ তারিখে নোটারী পাবলিক পাবনা থেকে ১৫৪৯০ নম্বর স্মারক মোতাবেক হলফনামা সম্পাদন করে নিজ ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু (সনাতন) ধর্ম গ্রহণ করেছে।’

 

আজগর আলী সরদার হলফনামায় আরও উল্লেখ করেন, ‘আমার ঔরষজাত সন্তান মো. সজল আলী ওরফে সজল সরদার ইসলাাম ধর্ম ত্যাগ করে নতুন (হিন্দু) সনাতন নাম-সজল সরকার রেখেছে। এ কারণে আমি স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে অন্যের বিনা প্ররোচনায় আামার সকল প্রকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বা জায়গা জমি যেখানে যে অবস্থায় আছে, উক্ত সম্পত্তি বা জায়গা জমির কোন অংশীদার সে হবে না। আমি এই হলফনামা মূলে মো. সজল আলী ওরফে সজল সরদারকে আমার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি থেকে ত্যাজ্য করলাম।’

 

তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, ‘আমার মৃত্যুর পর কোনভাবেই মো. সজল আলী ওরফে সজল সরদার আমার কোন স্থাবর সম্পত্তি বা জায়গা জমি এমনকি সম্পত্তির কোন অংশীদার হবে না। এই হলফনামা মূলে আমার সকল প্রকার স্থাবর সম্পত্তি জায়গা জমি ও অবস্থাবর সম্পত্তি থেকে মো. সজল আলী ওরফে সজল সরদারকে ত্যাজ্য করলাম। ভবিষ্যতে সে কখনও আমার ঔরষজাত সন্তান হিসাবে আমার স্থাবর সম্পত্তি জায়গা জমি বা অবস্থাবর সম্পত্তির দাবী করতে পারবে বা করলেও তা আইনতঃ গ্রহণযোগ্য হবে না।’

 

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ছেলে সজলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

বাংলাদেশ

View more
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফের এইচ. বিন আবিয়াহ আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।   প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।   সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়। বিশেষ করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং জনশক্তি খাতে বিদ্যমান সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।   বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও জনশক্তি খাতে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শ্রমবাজার এবং দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণেও সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।   সৌজন্য সাক্ষাতে উভয় পক্ষ দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ৬, ২০২৬ ৪:১৪
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে নিহত ১, টানা বৃষ্টিতে ঝুঁকি বাড়ছে

কক্সবাজারে পাহাড় ধসে নিহত ১, টানা বৃষ্টিতে ঝুঁকি বাড়ছে

মায়ের ওপর ধ’র্ষণের অভিযোগ I ছবি: সংগৃহীত

মায়ের ওপর ধ’র্ষণের অভিযোগ, প্রতিশোধে যুবককে গলা কে’টে হ’ত্যা করলো ৪ ভাই

জুলাইয়ে আসছে না নতুন পে-স্কেলের গেজেট

জুলাইয়ে আসছে না নতুন পে-স্কেলের গেজেট

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর I ছবি: সংগৃহীত
৫ জনের জাল ভিসা ধরা পড়তেই বিমানবন্দর থেকে উধাও বাকি ৭১ যাত্রী

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়াগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘটেছে। চেক-ইন ও ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে বোর্ডিং পাস নেওয়ার পরও বিমানে ওঠেননি ৭৬ জন যাত্রী। বোর্ডিং গেটে পাঁচ যাত্রীর ভিসা জাল ও অসঙ্গতিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাকি ৭১ জন সুকৌশলে বিমানবন্দর ছেড়ে পালিয়ে যান। শনিবার (৪ জুলাই) রাতে ঢাকা-মালয়েশিয়া রুটের বিজি-৩৮৬ ফ্লাইটে এই অভিনব ঘটনাটি ঘটে।   বিমানবন্দর ও সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারটিতে মোট ২৪৫ জন যাত্রীর ভ্রমণের কথা ছিল। কিন্তু বোর্ডিং গেটে প্রবেশের সময় পাঁচজন যাত্রীর পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে ভিসার বড় ধরনের অসঙ্গতি ধরা পড়ে এবং তাদের তাৎক্ষণিকভাবে অফলোড করা হয়। এই অফলোডের খবর মুহূর্তের মধ্যে ওই ফ্লাইটের অন্যান্য যাত্রীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে।   ফলে গ্রেপ্তার বা আটকের ভয়ে একই ফ্লাইটের আরও ৭১ জন যাত্রী বিমানে ওঠার বদলে তড়িঘড়ি করে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।   এই ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। ভিসা যথাযথভাবে যাচাই না করেই বিমান সংস্থার চেক-ইন কাউন্টার থেকে কীভাবে তাদের ‘ভেরিফায়েড’ সিলসহ বোর্ডিং পাস দেওয়া হলো এবং তারা কীভাবে ইমিগ্রেশন পুলিশের নজরদারি পেরিয়ে বোর্ডিং গেট পর্যন্ত পৌঁছে গেলেন, তা নিয়ে বিস্ময় তৈরি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই ৭৬ জন যাত্রীই ট্যুরিস্ট ভিসায় মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন এবং একটি অসাধু ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে সেখানে অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার গোপন পরিকল্পনা ছিল তাদের।   প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বোর্ডিং চলাকালে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাদের ভিসার ত্রুটি ধরা পড়ে। এর কিছুক্ষণ পরই লাইনে থাকা অন্য যাত্রীদের একটি বড় অংশকে আর দেখা যায়নি। বিমানবন্দর সূত্র আরও জানায়, এদের মধ্যে কয়েকজন মালয়েশিয়া হয়ে সৌদি আরবে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে যাওয়ার কথা বললেও তাদের ভ্রমণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় ইমিগ্রেশন পুলিশ আগেই কয়েকজনকে অফলোডের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এই পুরো ঘটনাটি নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ৪, ২০২৬ ১৫:১৭
TAREQ RAHMAN

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি: জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভাতা ও উপবৃত্তির আবেদন শুরু ১ আগস্ট, অনলাইনে করতে হবে আবেদন

ভাতা ও উপবৃত্তির আবেদন শুরু ১ আগস্ট, অনলাইনে করতে হবে আবেদন

একসঙ্গে কুরআনের হাফেজ হলেন ১০০ শিক্ষার্থী I ছবি: সংগৃহীত

ইংলিশ মিডিয়ামে পড়েও একসঙ্গে কুরআনের হাফেজ হলেন ১০০ শিক্ষার্থী

বাংলাদেশ থেকে সংগৃহীত
কানাডা প্রবাসীর স্ত্রী, তিন সন্তান রেখে মুয়াজ্জিনের সাথে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় কানাডাপ্রবাসী এক ব্যক্তির স্ত্রী তিন সন্তানকে নানাবাড়িতে রেখে নিখোঁজ হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।পরিবারের দাবি, স্থানীয় একটি মসজিদের মুয়াজ্জিনের সঙ্গে তিনি চলে গেছেন। এ ঘটনায় নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।    অভিযোগ অনুযায়ী, নিখোঁজ নারী দীর্ঘদিন ধরে স্বামী বিদেশে থাকায় সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পরিবারের ভাষ্য, গত ২৭ জুন তিনি বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় তিন সন্তানকে নানার বাড়িতে রেখে যান। পরে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় এক মুয়াজ্জিনের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং সেই সূত্রেই তিনি চলে যান।    অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বাড়ি থেকে প্রায় ৯ লাখ ১০ হাজার টাকা, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার, একটি স্কুটি এবং অন্যান্য গৃহস্থালি মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ এখনো স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি। এগুলো অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।      পরিবারের দাবি, ঘটনার পর ঘর তল্লাশি করে ওই নারী ও অভিযুক্ত মুয়াজ্জিনের নামে একটি হলফনামা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই নথিতে তাদের বিয়ের তথ্য রয়েছে। তবে এই নথির আইনগত বৈধতা বা সত্যতা সম্পর্কে এখনো কোনো সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।   চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ৩, ২০২৬ ৭:৩১
অভিযোক্ত মাদ্রাসা সুপারের ছবি আমেরিকা বাংলা

প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসাথে পাঁচ সন্তানের জন্ম দেওয়া তরুণী মা চাঁদনী বেগম ও তাঁর পরিবার | ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম, চার নবজাতকের মৃত্যু

ইরানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ । ছবি: সংগৃহীত

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

0 Comments