চট্টগ্রাম:
১৬ বছর ধরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও’ স্লোগানে গণতন্ত্র ও মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষার সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। একই সময়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নেতৃত্ব দিয়ে সারা দেশের মানুষকে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। ইনশাআল্লাহ আজ আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে চট্টগ্রামবাসী দেশের গণতন্ত্র ফেরাতে ঐক্যবদ্ধ আছি।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির মহাসমাবেশে চসিক মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম শুধু একটি বন্দরনগরী নয়, এটি বীর প্রসবিনী ঐতিহাসিক জনপদ, যেখান থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনা হয়েছিল। এই চট্টগ্রাম থেকেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সূচনার ঘোষণা দেন। একই চট্টগ্রামের জনসমুদ্র থেকেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আপসহীন নেত্রীর উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।
চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়তে তারেক রহমানের সহযোগিতা কামনা করে মেয়র বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়তে পদক্ষেপ নেওয়া হবে, চট্টগ্রাম হয়ে উঠবে বিশ্ববাণিজ্যের হাব এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব৷
তিনি জানান, আওয়ামী লীগের সময় মানুষ নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমি মেয়র হওয়ার পর গত এক বছরে চট্টগ্রাম নগরীর চার লাখ পরিবারকে ‘স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হয়েছে। যেসব পরিবার দীর্ঘ ১৬ বছরে দলীয়করণ ও রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়েছে, তাদের জন্য এই উদ্যোগ একটি ন্যায়ভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার অংশ।
তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি সবুজ খেলার মাঠ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ইতোমধ্যে ১২টি খেলার মাঠের কাজ শেষ হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে বাকি মাঠগুলোও বাস্তবায়ন করা হবে।