অপরাধ

হাদি হত্যাকাণ্ড: হত্যার দায় স্বীকার করলেন রাব্বানীর বন্ধু রুবেল

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর বন্ধু রুবেল আহমেদ আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার৩১ জানুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


রোববার১ ফেব্রুয়ারি আদালত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রিমান্ড শেষে আসামি রুবেলকে আদালতে হাজির করা হয়।এসময় আসামি রুবেল স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁঞা তার জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


এর আগে গত ২১জানুয়ারি মধ্যরাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আটি নয়াবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় রুবেলকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।


পরদিন২২ জানুয়ারি প্রথম দফায় তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। পরে বুধবার২৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় তাকে আরও ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।


মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজের পরে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করেন হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে ওইদিন দুপুর ২টা২০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।


পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে এভারকেয়ার পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। পরবর্তীতে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।


তদন্ত শেষে গত ৬জানুয়ারি সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফয়সাল করিম মাসুদসহ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। তবে ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে গত১৫ জানুয়ারি নারাজির আবেদন করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

 

আগামী ২৫ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে।
অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন, প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার বাবা মো.হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া,শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা,মো,কবির মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগ থাকা সিবিয়ন দিউ, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজুওহত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল , মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল, মুক্তি মাহমুদ ও জেসমিন আক্তার।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

অপরাধ

View more
৪ জনকে গুলি
খুলনায় ঘরে ঢুকে একই পরিবারের ঘুমন্ত ৪ জনকে গুলি

খুলনায় শেষরাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে ঘরে ঢুকে এক পরিবারের চার সদস্যকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে লবনচরা থানাধীন খাদিজাবাগ কৃষ্ণনগর ঠিকরাবাদ এলাকায় এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুই নারীর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।   আহতরা হলেন— কাজী আনিসুর রহমান, তার স্ত্রী রঞ্জুয়ারা বেগম, ছেলে রাইছুল ইসলাম এবং ছোট ছেলের স্ত্রী ফাহিমা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রঞ্জুয়ারা বেগম ও ফাহিমার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দ্রুত ঢাকা পাঠানো হয়েছে।   স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে চরম ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা। কাজী আনিসুরের ছোট ছেলে রাশিদুল ৩ বছর আগে মাদক মামলায় কারাগারে থাকাকালীন ইমরান নামে এক সন্ত্রাসীর সঙ্গে পরিচিত হয়। সেই সূত্রে ইমরান তাদের বাড়িতে যাতায়াত করত।  গত ৬ মাস আগে ইমরান পুনরায় কারাবন্দি হলে রাশিদুল ইমরানের স্ত্রী ফাহিমাকে বিয়ে করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জেল থেকেই প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিচ্ছিল ইমরান। ধারণা করা হচ্ছে, সেই ক্ষোভের জের ধরেই আজ ভোরে ঘুমন্ত অবস্থায় এই নারকীয় হামলা চালানো হয়। লবনচরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ শুরু করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
হত্যার পর আটক ছোট ভাই

বোনকে হত্যার পর বোরকা পরে পালানোর সময় জনতার হাতে আটক ছোট ভাই

কিশোরী নাতনিকে অপহরণ

এবার নাতনিকে তুলে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করে হত্যা, উঠানে দাদির মরদেহ

বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা

মাহফিলের প্রধান অতিথি হওয়া নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত: বিএনপি কর্মী এরশাদ আলী নিহত

হত্যা
ফরিদপুরে তুচ্ছ ঘটনায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা: দম্পতি আটক

ফরিদপুর শহরে বাড়ির সামনে কাপড় শুকানোর দড়ি টাঙানোকে কেন্দ্র করে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের গোয়ালচামট মোল্লাবাড়ী সড়কের বিহারি কলোনি এলাকায় প্রতিবেশী ভাড়াটিয়াদের হামলায় জুয়েল মোল্লা (৩৬) নামের ওই যুবক প্রাণ হারান। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দম্পতি সরফরাজ শেখ ও মনি বেগমকে দ্রুত অভিযান চালিয়ে আটক করেছে পুলিশ।   স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত হয় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে। প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদের বাড়ির ভাড়াটিয়া ভাঙারি ব্যবসায়ী সরফরাজের স্ত্রী মনি বেগম জুয়েলদের বাড়ির সামনে কাপড় শুকানোর দড়ি টাঙাতে যান। এতে বাধা দেওয়ায় উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সরফরাজ তার পরিবারের সদস্য ও কর্মচারীদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে জুয়েলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ঘটনাস্থলেই জুয়েলের মৃত্যু হয় এবং তার ছোট ভাই প্রবাসী সোহেল মোল্লা ও মা রোকেয়া বেগম গুরুতর আহত হন। আহত সোহেলকে বর্তমানে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।   নিহতের বোন তিন্নি বেগমের অভিযোগ, তার ভাই কিছুটা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছিলেন। পাশের বাড়ির সরফরাজ, তার দুই ছেলে শাহরিয়ার ও সিফাতসহ তাদের দোকানের কর্মচারীরা এই নৃশংস হামলায় সরাসরি জড়িত। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন জানিয়েছেন, প্রধান দুই অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নিবিড় তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নকল টাকা উদ্ধারের নামে পৌনে ৪ কোটি টাকা লোপাট, গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান ‘নাটক’ বলে প্রমাণিত

ছিনতাই । প্রতীকী ছবি

ছিনতাইয়ের কবলে পড়ছে শিক্ষার্থী-নাগরিকরা, নিরাপত্তাহীনতায় উদ্বিগ্ন শহর

ছবি: সংগৃহীত

হাজারীবাগে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা: ঘাতক সিয়াম গ্রেপ্তার, উদ্ধার রক্তমাখা ছুরি

যুবলীগ নেতা সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
যুবলীগ নেতা সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে পৃথক দুই ধারায় মোট ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এই চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করেন। আদালতের সূত্র অনুযায়ী, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে সম্রাটকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। অন্যদিকে, মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে তাকে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।  বিচারক তাঁর আদেশে উল্লেখ করেছেন যে, এই দুই ধারার সাজা একটির পর একটি কার্যকর হবে, ফলে তাকে মোট ২০ বছর কারাভোগ করতে হবে। একই সঙ্গে তাঁর অর্জিত অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সম্রাট পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। এর আগে ২০১৯ সালে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেছিল দুদক। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ এই রায় প্রদান করা হলো।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
তাজুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ‘রাজসাক্ষী নাটক’ ও দুর্নীতির অভিযোগ: তাজুল ইসলামের বিদায়বেলায় তোলপাড়

ফাইল ছবি

নৌকায় তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, চারজনের যাবজ্জীবন

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) এমডি মাহবুব মোর্শেদ

বাসস এমডির দুর্নীতি অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

0 Comments