অপরাধ

চবিতে ‘পুষ্পা স্টাইলে’ ঝিরি দিয়ে গাছ পাচারের চেষ্টা, জব্দ ৭৪টি গুঁড়ি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
ঝিরি দিয়ে পাচার করা হচ্ছে গাছের গুঁড়ি
ঝিরি দিয়ে পাচার করা হচ্ছে গাছের গুঁড়ি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে কাঠ পাচারকারী সিন্ডিকেট। তবে এবার তারা সড়কপথ নয়, বরং পাহাড়ি ঝিরির প্রবল স্রোতকে ব্যবহার করেছে গাছ পাচারের মাধ্যম হিসেবে। গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনের পেছন দিয়ে প্রবাহিত ঝিরিতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে।

 

জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২২-২৩ সেশনের একদল শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস ভ্রমণে বের হন। বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন ঝিরির কাছে পৌঁছালে তারা পানির তীব্র গর্জনের সাথে বিপুল পরিমাণ গাছের গুঁড়ি ভেসে যেতে দেখেন। মুহূর্তেই শিক্ষার্থীরা সেই দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি নজরে আসার পরপরই সক্রিয় হয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দফতরের সুপারভাইজার শাহেদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টহল টিম এবং স্থানীয় সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ঝিরি ধরে বেশ কিছুদূর অনুসন্ধানের পর একের পর এক গাছের গুঁড়ি খুঁজে পাওয়া যায়। অভিযানে মোট ৭৪টি মূল্যবান গাছের গুঁড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

 

নিরাপত্তা সুপারভাইজার শাহেদুল ইসলাম জানান, প্রশাসক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমান উল্লাহর নির্দেশনায় দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হয়। উদ্ধারকৃত গাছগুলো যেন পুনরায় কেউ সরিয়ে নিতে না পারে, সেজন্য রাতেই ঘটনাস্থলে ৮ সদস্যের একটি বিশেষ নিরাপত্তা টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী সংবাদমাধ্যমকে জানান, জব্দকৃত গাছগুলো মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানার বাইরে থেকে পাচার হয়ে আসছিল। বনবিভাগের যথাযথ অনুমতি ও মালিকানার প্রমাণ ছাড়া এই কাঠগুলো স্থানান্তর করা আইনত দণ্ডনীয়। তিনি আরও বলেন, যদি কেউ সুনির্দিষ্ট ক্লিয়ারেন্স বা বৈধ মালিকানা দাবি না করে, তবে নিলাম কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে এই ৭৪টি গুঁড়ি দ্রুত নিলামে তোলা হবে।

 

উল্লেখ্য, গত বছরও প্রায় একই কায়দায় ঝিরি ব্যবহার করে গাছ পাচারের ঘটনা ঘটেছিল। বারবার এই ধরনের পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বনজ সম্পদ রক্ষায় ক্যাম্পাসের সীমানা প্রাচীর ও নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Advertisement

অপরাধ

View more
ছবি: সংগৃহীত
ঝিনাইদ‌হে কৃষক দল নেতা‌কে কু‌পি‌য়ে ও পি‌টি‌য়ে হত্যা

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কুল্লাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামে আবুল কাসেম নামে এক কৃষক দল নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।   নিহত আবুল কাসেম (৪৫) স্থানীয় জাতীয়তাবাদী কৃষক দল-এর ইউনিয়ন পর্যায়ের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাড়ির সামনে হাঁটাহাঁটির সময় একদল সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।   এ ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর ঝিনাইদহ জেলা সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টু অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের লোকজন এই হামলা চালিয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।   তবে পুলিশ জানিয়েছে, এখনো ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। গোলাম কিবরিয়া হাসান বলেন, হত্যাকারীদের ধরতে একাধিক টিম কাজ করছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।   ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

হাদি হত্যা প্রসঙ্গে যা বললেন অভিযুক্ত ফয়সাল

৪ জনকে গুলি

খুলনায় ঘরে ঢুকে একই পরিবারের ঘুমন্ত ৪ জনকে গুলি

হত্যার পর আটক ছোট ভাই

বোনকে হত্যার পর বোরকা পরে পালানোর সময় জনতার হাতে আটক ছোট ভাই

কিশোরী নাতনিকে অপহরণ
এবার নাতনিকে তুলে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করে হত্যা, উঠানে দাদির মরদেহ

পাবনার ঈশ্বরদীতে এক ভয়াবহ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে শনিবার গভীর রাতে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধা দাদিকে কুপিয়ে হত্যার পর কিশোরী নাতনিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে বাড়ির পাশের একটি সরিষাক্ষেত থেকে ওই কিশোরীর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই লোমহর্ষক ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।   নিহতরা হলেন ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তার ১৫ বছর বয়সী নাতনি জামিলা আক্তার। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাত আনুমানিক ২টার দিকে বাড়িতে হঠাৎ কান্নাকাটির শব্দ শুনতে পান প্রতিবেশীরা। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। নাতনি জামিলা নিখোঁজ থাকায় খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী সরিষাক্ষেতে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা বাড়িতে হানা দিয়েছিল। দাদি বাধা দেওয়ায় তাকে নির্মমভাবে খুন করে নাতনিকে তুলে নিয়ে যায় এবং পাশবিক নির্যাতনের পর তাকেও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।   ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান এবং ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং ধর্ষণের ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি নরসিংদীতেও প্রায় একই কায়দায় এক কিশোরীকে হত্যার ঘটনা ঘটেছিল, যা দেশের নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা

মাহফিলের প্রধান অতিথি হওয়া নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত: বিএনপি কর্মী এরশাদ আলী নিহত

হত্যা

ফরিদপুরে তুচ্ছ ঘটনায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা: দম্পতি আটক

ছবি: সংগৃহীত

নকল টাকা উদ্ধারের নামে পৌনে ৪ কোটি টাকা লোপাট, গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান ‘নাটক’ বলে প্রমাণিত

ছিনতাই । প্রতীকী ছবি
ছিনতাইয়ের কবলে পড়ছে শিক্ষার্থী-নাগরিকরা, নিরাপত্তাহীনতায় উদ্বিগ্ন শহর

ময়মনসিংহে ছিনতাই ও হত্যার ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি ব্রহ্মপুত্র নদের চরে ঘুরতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের ধাওয়ায় আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থী নুরুল্লাহ শাওন নিখোঁজ হন; দুদিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও করে খুনিদের গ্রেপ্তারের জন্য আলটিমেটাম দেন।   ২০২৫ সালে ময়মনসিংহ জেলায় ১১১টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে অন্তত ২০টি ছিনতাই-সংশ্লিষ্ট। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতি মাসে গড়ে এক হাজারেরও বেশি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা, পুলিশের প্রতি অনাস্থা ও সামাজিক হয়রানির ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করতে নারাজ।   শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, নগরীর শম্ভুগঞ্জ, মীরবাড়ি, কলেজ রোড, স্টেশন রোড, সানকিপাড়া, কাশর রোড, বাইপাস মোড়সহ অন্তত ২০টি এলাকা ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত। অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও নদী তীরের মতো জনবহুল ও নির্জন জায়গায় ছিনতাই হচ্ছে। গ্রেপ্তার ছিনতাইকারীদের প্রায় ৯০ শতাংশই মাদকাসক্ত এবং জেল থেকে বের হয়ে আবারও অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে।   আইনজীবী ও নাগরিকরা মনে করছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনি ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা প্রধান কারণ। সচেতন নাগরিকরা সুপারিশ করেছেন সিভিল পোশাকে সার্বক্ষণিক টহল, প্রতিটি মোড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং, ‘বিট পুলিশিং’, দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ এবং জড়িতদের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

হাজারীবাগে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা: ঘাতক সিয়াম গ্রেপ্তার, উদ্ধার রক্তমাখা ছুরি

যুবলীগ নেতা সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

যুবলীগ নেতা সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

তাজুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ‘রাজসাক্ষী নাটক’ ও দুর্নীতির অভিযোগ: তাজুল ইসলামের বিদায়বেলায় তোলপাড়

0 Comments