ঢাকা ও আশপাশের এলাকার পানিদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং স্যানিটেশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৩৭ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় চার হাজার কোটি টাকারও বেশি। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ অর্থায়ন অনুমোদন পায়।
বুধবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
‘মেট্রো ঢাকা ওয়াটার সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় এই অর্থ ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও ঢাকা ওয়াসার সক্ষমতা বাড়ানো হবে। প্রকল্পটির প্রধান লক্ষ্য হলো নদী, খাল ও অন্যান্য জলাশয়ের দূষণ কমানো, নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করা।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ উন্নত স্যানিটেশন সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি প্রায় ৫ লাখ মানুষ উন্নত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় আসবেন। দূষণপ্রবণ ও সেবাবঞ্চিত এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বিশ্বব্যাংকের মতে, দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এতে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং অর্থনীতি—সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর জঁ পেসমে বলেন, ঢাকার জলাশয়গুলো কোটি মানুষের জীবিকার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে সেগুলো মারাত্মকভাবে দূষিত হয়েছে। নতুন এই প্রকল্প নদী ও খালের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করবে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার মাত্র ২০ শতাংশ মানুষ পাইপযুক্ত স্যুয়ারেজ ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে। বাকি ৮০ শতাংশের বেশি অপরিশোধিত পয়োবর্জ্য সরাসরি নদী ও জলাশয়ে গিয়ে পড়ে। এছাড়া শহরের অর্ধেকের বেশি খাল দখল, ভরাট বা দূষণের কারণে অস্তিত্ব হারিয়েছে।
দেশের রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের প্রায় ৮০ শতাংশ কারখানা ঢাকা ও আশপাশে অবস্থিত। সাত হাজারের বেশি কারখানা থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত বর্জ্যপানি নদীতে ফেলা হচ্ছে। এর ফলে চর্মরোগ, ডায়রিয়া ও স্নায়বিক সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।
বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ওয়াটার স্পেশালিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার হর্ষ গোয়েল জানান, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। প্রথম ধাপে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের নির্দিষ্ট এলাকায় কাজ শুরু হবে।
এ প্রকল্পের আওতায়—
নদীর পানির মান পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল রিয়েল-টাইম মনিটরিং চালু করা হবে
সমন্বিত নদী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা নেওয়া হবে
শিল্পকারখানায় বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) স্থাপন ও আধুনিকায়ন করা হবে
পানি পুনর্ব্যবহার বাড়ানো হবে
প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা উন্নত করা হবে
জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম পরিচালিত হবে
উদ্দেশ্য হলো—কেউ যেন সরাসরি ড্রেন বা নদীতে বর্জ্য না ফেলে এবং নগরবাসীর জন্য একটি টেকসই ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে ওঠে।
প্রতিবেদক: শ্যামল সান্যাল
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন। পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন। মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে। ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য। আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে। প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা
ঢাকা ও আশপাশের এলাকার পানিদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং স্যানিটেশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৩৭ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় চার হাজার কোটি টাকারও বেশি। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ অর্থায়ন অনুমোদন পায়। বুধবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। কোন প্রকল্পে ব্যয় হবে অর্থ? ‘মেট্রো ঢাকা ওয়াটার সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় এই অর্থ ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও ঢাকা ওয়াসার সক্ষমতা বাড়ানো হবে। প্রকল্পটির প্রধান লক্ষ্য হলো নদী, খাল ও অন্যান্য জলাশয়ের দূষণ কমানো, নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করা। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ উন্নত স্যানিটেশন সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি প্রায় ৫ লাখ মানুষ উন্নত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় আসবেন। দূষণপ্রবণ ও সেবাবঞ্চিত এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কেন এই প্রকল্প জরুরি? বিশ্বব্যাংকের মতে, দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এতে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং অর্থনীতি—সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর জঁ পেসমে বলেন, ঢাকার জলাশয়গুলো কোটি মানুষের জীবিকার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে সেগুলো মারাত্মকভাবে দূষিত হয়েছে। নতুন এই প্রকল্প নদী ও খালের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করবে। বর্তমান পরিস্থিতি কী? বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার মাত্র ২০ শতাংশ মানুষ পাইপযুক্ত স্যুয়ারেজ ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে। বাকি ৮০ শতাংশের বেশি অপরিশোধিত পয়োবর্জ্য সরাসরি নদী ও জলাশয়ে গিয়ে পড়ে। এছাড়া শহরের অর্ধেকের বেশি খাল দখল, ভরাট বা দূষণের কারণে অস্তিত্ব হারিয়েছে। দেশের রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের প্রায় ৮০ শতাংশ কারখানা ঢাকা ও আশপাশে অবস্থিত। সাত হাজারের বেশি কারখানা থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত বর্জ্যপানি নদীতে ফেলা হচ্ছে। এর ফলে চর্মরোগ, ডায়রিয়া ও স্নায়বিক সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। কীভাবে কাজ হবে? বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ওয়াটার স্পেশালিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার হর্ষ গোয়েল জানান, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। প্রথম ধাপে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের নির্দিষ্ট এলাকায় কাজ শুরু হবে। এ প্রকল্পের আওতায়— নদীর পানির মান পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল রিয়েল-টাইম মনিটরিং চালু করা হবে সমন্বিত নদী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা নেওয়া হবে শিল্পকারখানায় বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) স্থাপন ও আধুনিকায়ন করা হবে পানি পুনর্ব্যবহার বাড়ানো হবে প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা উন্নত করা হবে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম পরিচালিত হবে উদ্দেশ্য হলো—কেউ যেন সরাসরি ড্রেন বা নদীতে বর্জ্য না ফেলে এবং নগরবাসীর জন্য একটি টেকসই ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে ওঠে। প্রতিবেদক: শ্যামল সান্যাল
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে কড়াকড়ি আরোপের নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে (এমএফএস) এক হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না। একদিনে সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেন করা যাবে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমএফএস ও এনপিএসবি’র আওতাধীন আইবিএফটি’র মাধ্যমে পিটুপি লেনদেনের অপব্যবহার রোধে সোমবার (৯ ফেব্রুযারি) রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুযারি) রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত (৯৬ ঘণ্টা) মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যক্তি হিসাবের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বিকাশ, রকেট ও নগদসহ সব এমএফএস গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করতে পারবেন। প্রতিবার লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা হবে এক হাজার টাকা। এক দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেন করা যাবে। মার্চেন্ট পেমেন্ট এবং ইউটিলিটি বিল-এর ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত লেনদেনের বিধান অপরিবর্তিত থাকবে। তবে এই ৯৬ ঘণ্টা অন্যান্য সব ধরনের এমএফএস লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। বর্তমানে একজন গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা ও মাসে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করতে পারেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, নির্বাচন উপলক্ষ্যে এমএফএস সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তিসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার কর্তৃক নিজস্ব কুইক রেসপন্স সেল গঠন করতে হবে। এসময় সব ধরনের লেনদেন এমএফএস প্রোভাইডার কর্তৃক সার্বক্ষণিক নিবিড় পর্যবেক্ষণ (ক্লোজ মনিটরিং) এর আওতায় আনা এবং সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় রিপোর্ট করতে হবে। একইসঙ্গে আলোচ্য ৯৬ ঘণ্টায় পি-টু-পি ইন্টারনেট ব্যাংকিং (আইবিএফটি এর মাধ্যমে লেনদেন) সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে এবং এমএফএস প্রোভাইডার ও ব্যাংকগুলো নির্বাচন কমিশন এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে বাজার থেকে ডলার ক্রয় অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দেশের ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৯ কোটি ৬৫ লাখ বা ১৯৬.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এদিন ডলার ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিনিময় হার ও কাট-অফ রেট উভয়ই ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, এই ক্রয়ের ফলে চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ডলার ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৮৬ মিলিয়ন বা ৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। আর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ডলার ক্রয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪,৫১৯.৫০ মিলিয়ন বা ৪৫১ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার। এর আগে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১৭ কোটি ১০ লাখ বা ১৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্রয় করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একইভাবে গত রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) ১৬টি ব্যাংক থেকে আরও ২১ কোটি ৮৫ লাখ বা ২১৮.৫০ মিলিয়ন ডলার কেনা হয়, যার বিনিময় হারও ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। এছাড়া গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ২০ জানুয়ারি দুই ব্যাংক থেকে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১২ জানুয়ারি ১০ ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার এবং ৬ জানুয়ারি ১৪টি ব্যাংক থেকে ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার ক্রয় করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ক্ষেত্রেও একই বিনিময় হার বহাল ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখা, রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং ডলারের চাহিদা-জোগানের ভারসাম্য বজায় রাখতে নিয় মিত এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।