রাজনীতি

এ্যানি চৌধুরীর গাড়ি থেকে নগদ ১৫ লাখ উদ্ধার

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
এ্যানি চৌধুরীর গাড়ি থেকে নগদ ১৫ লাখ উদ্ধার
এ্যানি চৌধুরীর গাড়ি থেকে নগদ ১৫ লাখ উদ্ধার

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা জব্দ করেছে সেনাবাহিনী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাচনী অনুসন্ধান এবং তদন্ত কমিটির সদস্য তাহমিনা আক্তার নওরিন।

 

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে জেলা শহরের ঝুমুর গোলচত্বর এলাকায় তল্লাশির সময় এ্যানির ব্যক্তিগত সহকারী বদরুল আলম শ্যামলের ব্যবহৃত গাড়ি থেকে নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। শ্যামল প্রার্থীর খালাত ভাই এবং তার গাড়িটি নির্বাচনী কার্যক্রমে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

 

ঘটনার পর সেনাবাহিনী শ্যামলসহ দুজনকে আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আধা ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির সদস্য তাহমিনা আক্তার নওরিন।

 

প্রশাসন জানিয়েছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নগদ অর্থ বহন ও ব্যবহারের বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

রাজনীতি

View more
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈঠক
তারেক রহমানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ও পর্যবেক্ষক দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

রাজনীতিতে নতুন মোড়? গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে হয়ে গেল এক হাই-ভোল্টেজ বৈঠক। বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত এবং তুরস্ক থেকে আসা একটি বিশেষ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল সাক্ষাৎ করেছেন তারেক রহমানের সঙ্গে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দীর্ঘ বৈঠকটি রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   বৈঠকের মূল হাইলাইটস:   বৈঠকের সময়: বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।   উপস্থিত নেতৃবৃন্দ: বিএনপির পক্ষে নেতৃত্বে ছিলেন তারেক রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী।   তুরস্কের প্রতিনিধি দল: মেহমেত আকিফ ইয়িলমাজ (এমপি)-এর নেতৃত্বে বিশাল এক প্রতিনিধি দল এই বৈঠকে অংশ নেন। যেখানে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সংসদ সদস্য এবং নীতি-নির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।   অন্যান্য কার্যক্রম: এর আগে তারেক রহমান অসুস্থ নেতা রিজভীকে দেখতে হাসপাতালেও যান, যা নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি করেছে।   আন্তর্জাতিক মহলের এই পর্যবেক্ষণ এবং কূটনৈতিক তৎপরতা কি দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে কোনো বড় পরিবর্তন আনবে? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি: ফেসবুক লাইভ থেকে নেওয়া

কালো টাকার সরবরাহ প্রতিহত করা হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ

নির্বাচনের আগে জামায়াত নেতা আটক ‘পরিকল্পিত চক্রান্ত’ অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

নির্বাচনের আগে জামায়াত নেতা আটক ‘পরিকল্পিত চক্রান্ত’ অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

হাতপাখা মার্কার প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল

জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহারে ইসলাম নেই: ফয়জুল করিম

ছবি: সংগৃহীত
জামায়াত নেতাকে আটকের পর টাকা নিয়ে ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়: তারেক

সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দীন আটক হওয়ার ঘটনায় জামায়াতের পক্ষ থেকে দেওয়া ব্যাখ্যাকে ‘অবিশ্বাস্য ও ভুয়া’ বলে দাবি করেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন এবং ওই এলাকায় জামায়াত প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানান।   সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান বলেন, “আটকের পর ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত আমির তার ব্যাগে থাকা অর্থের সঠিক পরিমাণ বলতে পারেননি। এটি অত্যন্ত সন্দেহজনক। যদি জব্দ হওয়া টাকা সত্যিই তার ব্যবসার হতো, তবে তিনি সুনির্দিষ্টভাবে জানতেন সেখানে কত টাকা আছে। সম্ভবত এই টাকা অন্য কোনো উৎস থেকে নির্বাচন প্রভাবিত করার জন্য তার হাতে এসেছে, যার ফলে তিনি তা গুনে দেখারও সময় পাননি।”   জামায়াতের ‘গার্মেন্টস শ্রমিকের বেতন’ সংক্রান্ত যুক্তির সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বর্তমানে দেশের সব গার্মেন্টস বন্ধ রয়েছে। ব্যাংক এবং মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনও সম্পূর্ণভাবে অচল। এমন পরিস্থিতিতে কোনো মালিকের পক্ষেই নগদ টাকা বহন করে বেতন দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে এই স্যালারি দেওয়ার অজুহাতটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং হাস্যকর।”   তারেক রহমান আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে বলেন, “আটকের পর তিনি কেন বারবার মুখ ঢেকে রাখছিলেন? এছাড়া তিনি প্রথমে নিজেকে শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। একজন শিক্ষকের পক্ষে দুটি ব্যাগে করে ৬০ লাখ টাকা বহন করা কোনোভাবেই স্বাভাবিক নয়।” নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে এত বড় অংকের অবৈধ অর্থ উদ্ধারের ঘটনাকে নির্বাচনি স্বচ্ছতার ওপর বড় আঘাত হিসেবে দেখছেন আমজনতার দলের এই নেতা। তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর প্রার্থিতা অবিলম্বে বাতিল করা উচিত।   ভোটের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এই অর্থ উদ্ধারের ঘটনা এবং এর পর আমজনতার দলের কঠোর অবস্থান উত্তরাঞ্চলের নির্বাচনি রাজনীতিতে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
এ্যানি চৌধুরীর গাড়ি থেকে নগদ ১৫ লাখ উদ্ধার

এ্যানি চৌধুরীর গাড়ি থেকে নগদ ১৫ লাখ উদ্ধার

তারেক রহমানসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন

রায়গঞ্জে ছাত্রদল নেতাসহ ১৮ জনের জামায়াতে যোগদান

রায়গঞ্জে ছাত্রদল নেতাসহ ১৮ জনের জামায়াতে যোগদান

ভোটার স্লিপের সঙ্গে টাকা বিলির সময় বিএনপি নেতাসহ ‘আটক’ ২
ভোটার স্লিপের সঙ্গে টাকা বিলির সময় বিএনপি নেতাসহ ‘আটক’ ২

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একদম শেষ মুহূর্তে এসে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ভোটারদের প্রভাবিত করতে নগদ অর্থ বিতরণের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের খাটরা গ্রামে ভোটার স্লিপের সঙ্গে টাকা বিতরণের সময় ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নানসহ দুইজনকে হাতেনাতে আটক করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা।   স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আব্দুল মান্নান ও একই গ্রামের বাসিন্দা ফকির মেম্বার খাটরা গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার স্লিপ বিতরণ করছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, এ সময় তারা স্লিপের সঙ্গে ভোটারদের হাতে নগদ টাকাও তুলে দিচ্ছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের নজরে আসলে তারা ওই দুইজনকে ঘিরে ধরেন। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ২০০ টাকা নোটের দুটি বান্ডিল জব্দ করা হয়।   উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য ডা. মনজুর আহমমদ শাকি সংবাদমাধ্যমকে জানান, আটকের পর অভিযুক্তরা তাদের অপরাধ স্বীকার করেছেন। ভবিষ্যতে আর এ ধরনের অনৈতিক কাজে জড়াবেন না মর্মে অঙ্গীকার করলে মানবিক কারণে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।   তবে এই পুরো ঘটনাটিকে ‘সুপরিকল্পিত নাটক’ ও ‘সাজানো ষড়যন্ত্র’ হিসেবে দাবি করেছে স্থানীয় বিএনপি। গুনবতী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বলেন, “আটককৃত দুইজন সকালে একটি চা দোকানে বসে ছিলেন। সেখান থেকেই জামায়াত-শিবিরের লোকজন জোরপূর্বক তাদের তুলে নিয়ে যায় এবং ভিডিও করে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তারা কোথাও কোনো টাকা নিয়ে ভোট কিনতে যাননি।”   ভোটের ঠিক আগের দিন কুমিল্লার এই ঘটনাটি পুরো এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নির্বাচনি এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি ও টহল আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

৭৪ লাখ টাকাসহ আটক হওয়া সেই জামায়াত নেতার হার্ট অ্যাটাক, সিসিইউতে ভর্তি

জামায়াত আমির

নিজ আসনে ১৩ বুথ ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে যা বললেন জামায়াত আমির

হাতপাখা কর্মীর পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে

হাতপাখা কর্মীর পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে

0 Comments