আন্তর্জাতিক

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মোসাভি নিহত, উত্তেজনায় মধ্যপ্রাচ্য

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মোসাভি নিহত, উত্তেজনায় মধ্যপ্রাচ্য

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ১, ২০২৬ 0
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ | ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ | ছবি: সংগৃহীত

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন নিশ্চিত করেছে, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আব্দুলরহিম মোসাভি নিহত হয়েছেন। একই হামলায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাজিরজাদেহও প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তারা নিহত হন।
 

এর আগে একই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়, যা অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, “যে ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল সে নিজেই ধ্বংস হয়ে গেছে।” তিনি আরও দাবি করেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং ‘অশুভ শক্তির অক্ষ’ বড় আঘাত পেয়েছে।
 

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলি লারিজানি জানিয়েছেন, রোববার একটি অন্তর্বর্তী কাউন্সিল গঠন করা হবে। সর্বোচ্চ নেতার উত্তরসূরি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এই কাউন্সিল সামরিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখবে।
 

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে ৫ হাজার ২৮০ ডলারে পৌঁছেছে। অপরদিকে এক ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ ডলারে।
 

ইরানে হামলার প্রভাব পড়েছে ঢাকার পুঁজিবাজারেও। লেনদেন শুরুর প্রথম ২০ মিনিটে প্রধান সূচক ১১০ পয়েন্ট কমে যায়। ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে এবং তাদের ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে। টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি দুই দেশের নেতাদের ‘ঘৃণ্য অপরাধী’ হিসেবে অভিহিত করেন।
 

কাতারের রাজধানী দোহা–য় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আল জাজিরা জানিয়েছে, কাতারের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলা প্রতিহত করছে। কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত নয়।
 

একই সময়ে দুবাই ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কায় অঞ্চলজুড়ে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ইরানের প্রেসিডেন্সি এবং সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়
খামেনিসহ ইরানের শীর্ষ নেতাদের অবস্থান যেভাবে শনাক্ত করে সিআইএ-মোসাদ

মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত প্রচেষ্টায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের অবস্থান শনাক্ত করার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।  নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কয়েক মাস ধরে খামেনির গতিবিধি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার পর শনিবার সকালে তেহরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ কমপ্লেক্সে হামলার পরিকল্পনা করা হয়। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, শনিবার সকালে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ওই কমপ্লেক্সে সর্বোচ্চ নেতা খামেনি এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতেই ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান স্থানীয় সময় ভোর ৬টায় তেহরানের বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করে এবং সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানে। কমপ্লেক্সটিতে ইরানের প্রেসিডেন্সি এবং সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়সহ একাধিক স্পর্শকাতর দপ্তর অবস্থিত। হামলায় খামেনিসহ ইরানের রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী শামখানি এবং মেজর জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের আগাম প্রস্তুতি এবং সুশৃঙ্খল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে হামলার ভয়াবহতা অনেকটাই সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অধিকাংশ সদস্যকে সুরক্ষিতভাবে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযান ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে অত্যন্ত জটিল পরিস্থিতিতেও ইরানের প্রশাসনিক কাঠামো যেভাবে অক্ষত রয়েছে এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা দেশটির শক্তিশালী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত প্রতিরক্ষা কৌশলেরই প্রমাণ দেয়। গত বছরের সংঘাত থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইরান তার শীর্ষ নেতৃত্বের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১, ২০২৬ 0
তেল আভিভের একটি আবাসিক ভবন

যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে দক্ষিণ এশিয়া, মহাপ্রলয়ের দ্বারপ্রান্তে বিশ্ব

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান। । ছবি: কোলাজ

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল–ইরানকে সর্বোচ্চ সংযমের আহ্বান জামায়াত আমিরের

ছবি: সংগৃহীত।

দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দরে আগুন: মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা

ছবি: সংগৃহীত।
হরমুজ প্রণালী বন্ধ, বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় সংকটের আশঙ্কা

বর্তমান ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার কেন্দ্রে চলে এসেছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডোর 'হরমুজ প্রণালী'। প্যালেস্টাইন ক্রনিকলের এক বিশেষ বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সংকীর্ণ জলপথটি কেবল একটি ভৌগোলিক রেখা নয়, বরং এটি যুদ্ধের ফলাফল নির্ধারণকারী এক শক্তিশালী কৌশলগত হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের জ্বালানি ধমনী পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের সংযোগস্থল এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ (২০ মিলিয়ন ব্যারেল) এবং ২০ শতাংশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) পরিবাহিত হয়। বিশেষ করে এশিয়ার বৃহৎ অর্থনীতি যেমন চীন, ভারত, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া তাদের জ্বালানি চাহিদার জন্য এই পথের ওপর চরমভাবে নির্ভরশীল। ইরানের কৌশলগত অবস্থান প্রণালীটির উত্তর উপকূলে ইরানের অবস্থান দেশটিকে এক অনন্য ভূ-রাজনৈতিক সুবিধা দিয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC) ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে যে, তারা এই পথে কোনো জাহাজ চলাচল করতে দেবে না। সমরবিদদের মতে, ইরানের নৌ-কৌশল মূলত এই প্রণালীর ওপর অসম নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। দ্রুতগতির আক্রমণকারী বোট, উপকূলীয় মিসাইল সিস্টেম এবং নৌ-মাইনের মাধ্যমে ইরান এই পথে যে কোনো সময় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে সক্ষম। অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, হরমুজ প্রণালীতে সামান্য অস্থিরতাও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী করে তুলতে পারে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানি এই পথে তাদের জাহাজ চলাচল স্থগিত করেছে এবং বিকল্প পথে চলাচলের কারণে বীমা ও জাহাজ ভাড়ার খরচ বহুগুণ বেড়েছে। বিকল্প ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা যদিও এই পথ এড়িয়ে জ্বালানি সরবরাহের জন্য কিছু পাইপলাইনের ব্যবস্থা রয়েছে, তবে তা সামুদ্রিক পথে পরিবহনের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। ফলে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য অবরুদ্ধ বা অস্থির থাকলে তা বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় ধস নামাতে পারে। উপসংহার প্যালেস্টাইন ক্রনিকলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান যদি এই প্রণালীটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়, তবে তা কেবল একটি আঞ্চলিক যুদ্ধ থাকবে না; বরং এটি একটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মহাবিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে। যুদ্ধের ময়দানে কে জিতবে তা হয়তো এই 'হরমুজ চোকপয়েন্ট' কার নিয়ন্ত্রণে থাকে তার ওপরই নির্ভর করছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১, ২০২৬ 0
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ | ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মোসাভি নিহত, উত্তেজনায় মধ্যপ্রাচ্য

আব্দুল রহিম মৌসাভি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ

জেনারেল মৌসাভি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাসিরজাদেহ সহ একাধিক শীর্ষ নেতা নিহত

উত্তাল নাখশ-ই জাহান স্কয়ার

সর্বোচ্চ নেতা খামেনির প্রয়াণে উত্তাল নাখশ-ই জাহান স্কয়ার, শোকাতুর মানুষের ঢল

নির্বাসিত সাবেক যুবরাজ রেজা শাহ পাহলভী
খামেনির মৃত্যুকে ‘স্বাধীনতার সুযোগ’ বললেন রেজা পাহলভী, ট্রাম্পকে ধন্যবাদ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশটির নির্বাসিত সাবেক যুবরাজ রেজা পাহলভী। ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি খামেনির মৃত্যুকে ইরানের জনগণের জন্য ‘স্বাধীনতার সুযোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।   লেখার শুরুতেই পাহলভী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–কে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানিদের উদ্দেশে যে মন্তব্য করেছেন“তোমাদের স্বাধীনতার সময় এসে গেছে” তা বর্তমান পরিস্থিতিতে তাৎপর্যপূর্ণ।   পাহলভীর মতে, প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সংঘাত উসকে দিয়েছে। পাশাপাশি পারমাণবিক কর্মসূচি ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের মাধ্যমে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।   তবে তাঁর ভাষায়, সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে দেশের ভেতরে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের সময় বহু প্রতিবাদকারী নিহত হওয়ার ঘটনাকে তিনি অমানবিক বলে অভিহিত করেন।   ইরানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে পাহলভী একটি প্রস্তাবও দেন। তিনি বলেন, নতুন সংবিধান প্রণয়ন করে তা গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদন করা উচিত। এরপর আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।   তিনি আরও লেখেন, “ইতিহাস খুব কম সময়ই তার মোড় ঘোরার মুহূর্ত আগাম জানায়। কিন্তু এমন সময় আসে, যখন সাহস, নেতৃত্ব ও সংহতি একটি জাতির ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।”   ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে পাহলভী পরিবার দেশের বাইরে অবস্থান করছে। খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যতে রেজা পাহলভীর সম্ভাব্য ভূমিকা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্লেষণ চলছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১, ২০২৬ 0
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যেভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হয়ে উঠলেন

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ফাইল ছবি (রয়টার্স)

খামেনি হত্যায় যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলকে যে বার্তা দিলো ইরানের প্রেসিডেন্টের

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)

ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী হামলার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

0 Comments