আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানের ব্যাপক সামরিক অভিযান: ৪৬৪ তালেবান যোদ্ধা নিহত, ১৯২ ট্যাংক ধ্বংস

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর চলমান 'গজব লিল-হক' অভিযানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। আজ বিকেল ৪টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে অন্তত ৪৬৪ জন আফগান তালেবান সদস্য নিহত এবং ৬৬৫ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।


পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় এই অভিযানের সর্বশেষ আপডেট নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ৩ মার্চ বিকেল ৪টা পর্যন্ত অভিযানে তালেবানের ১৮৮টি চেকপোস্ট ধ্বংস করা হয়েছে এবং ৩১টি পোস্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে পাকিস্তানি বাহিনী।


মন্ত্রী আরও বিস্তারিত তথ্যে জানান, অভিযানে আফগান তালেবানের অন্তত ১৯২টি ট্যাংক, সাঁজোয়া যান এবং কামান ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া আফগানিস্তান জুড়ে ৫৬টি কৌশলগত অবস্থানে 'কার্যকরভাবে' আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তান সরকার। সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই অভিযানকে একটি বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
দুবাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেট ভবনে হামলার অভিযোগ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই–এ অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র কনস্যুলেট দুবাই ভবনে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। হামলার পর ভবন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। বুধবার (স্থানীয় সময়) রাত প্রায় ২টার দিকে এ তথ্য প্রকাশ করে Reuters। তবে হামলার ধরন ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।   এর আগে গতকাল ভোরে সৌদি আরব–এ অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস রিয়াদ লক্ষ্য করে দুটি ড্রোন হামলা চালানো হয়। ওই ঘটনায় অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   আন্তর্জাতিক সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবারের হামলার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।   এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশকে সহায়তায় ভূমধ্যসাগরে রণতরী পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতে ইরানের হামলায় ছয় মার্কিন সেনা নিহত

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালী কেন বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?

ছবি: সংগৃহীত
লেবানন থেকে দূরপাল্লার মিসাইল হামলা, ইসরায়েলে সতর্কতামূলক সাইরেন

লেবানন থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে দূরপাল্লার মিসাইল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। দখলদার ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিসাইল হামলার পর ইসরায়েলর মধ্যাঞ্চলে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়। নিরাপত্তাজনিত কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।   সংবাদমাধ্যম The Times of Israel জানিয়েছে, গত ১৫ মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো হিজবুল্লাহ দূরপাল্লার মিসাইল ব্যবহার করেছে। এর আগে গত শনিবার ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই হামলার দুই দিন পর সংঘাতে যোগ দিয়ে হিজবুল্লাহ কয়েকটি রকেট নিক্ষেপ করে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।   এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

স্পেনের সঙ্গে সব বাণিজ্য বন্ধের হুমকি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের ব্যাপক সামরিক অভিযান: ৪৬৪ তালেবান যোদ্ধা নিহত, ১৯২ ট্যাংক ধ্বংস

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ফলকার টুর্ক

যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে ‘হুঁশে ফেরার’ কড়া বার্তা জাতিসংঘের

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও
ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ পা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র? মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যে তোলপাড়

ইরানের ওপর মার্কিন বিমান হামলার নেপথ্যে কি তবে ইসরায়েলের পরিকল্পনা ছিল? মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে এমনটাই আভাস পাওয়া যাচ্ছে। রুবিও জানিয়েছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার সম্ভাব্য সংঘাতের সময়জ্ঞান বিবেচনা করেই যুক্তরাষ্ট্র আগেভাগে হামলা চালিয়েছে। ওয়াশিংটনের ভাষ্যমতে, তারা জানত যে ইসরায়েল ইরানে হামলা চালাতে যাচ্ছে এবং এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানবে। এই পরিস্থিতি এড়াতেই যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রি-এম্পটিভ’ বা প্রতিরোধমূলক হামলার পথ বেছে নেয়। তবে এই ব্যাখ্যাকে ভালো চোখে দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা। ওয়াশিংটনের স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিকো বিষয়টিকে ‘ইসরায়েলের ফাঁদে পা দেওয়া’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে, রুবিও প্রকারান্তরে স্বীকার করে নিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলি কৌশলের জালে আটকা পড়েছে। গ্রিকো আরও উল্লেখ করেন যে, ইসরায়েলকে প্রতি বছর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দিয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র, যা ওয়াশিংটনের হাতে বড় একটি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু ইসরায়েল নিজের মতো কাজ করবে বলেই যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে জড়াতে হবে—এমন যুক্তি প্রশ্নবিদ্ধ। এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থ কতটুকু একমুখী আর কোথায় আলাদা, তা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের শক্তি মূল্যায়নে চরম ভুল করেছেন ট্রাম্প: ফরেন পলিসি

ছবি: সংগৃহীত

পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালাল ইরান? ভূমিকম্প নিয়ে আশঙ্কায় উত্তাল বিশ্ব

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’: চার দিনেই যুদ্ধের ব্যয় ১০০ কোটি ডলার ছাড়াল

0 Comments