প্লাস্টিক সার্জারি করিয়ে বিমানবন্দরে আটকা পর্যটকরা, পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে চেহারার নেই মিল
২০১৭ সালের চীনের গোল্ডেন উইক ছুটিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্লাস্টিক সার্জারি করাতে যাওয়া তিন চীনা নারীকে ঘিরে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছিল। ছবিতে দেখা যায়, মুখ ব্যান্ডেজে ঢাকা ও ফুলে থাকা অবস্থায় তারা হাতে পাসপোর্ট নিয়ে বিমানবন্দরে বসে আছেন। ছড়িয়ে পড়া দাবিতে বলা হয়, অস্ত্রোপচারের পর তাদের চেহারা পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে এতটাই অমিল হয়েছিল যে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি এবং তাদের দেশে ফিরতে বাধা দেওয়া হয়।
তবে পরে জানা যায়, ঘটনাটির এই বর্ণনা নির্ভরযোগ্যভাবে প্রমাণিত হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার আইন মন্ত্রণালয় ভাইরাল দাবিটিকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল। দেশটির সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে সে সময় প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, তিন নারীকে পরিচয় যাচাই করতে আটকে রাখা বা ফ্লাইটে উঠতে না দেওয়ার দাবির পক্ষে কোনো বাস্তব তথ্য পাওয়া যায়নি।
ছবিটি প্রথমে চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইবোতে চীনা টেলিভিশন উপস্থাপক জিয়ান হুয়াহুয়া প্রকাশ করেছিলেন। পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, গোল্ডেন উইকের ছুটিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্লাস্টিক সার্জারি করানোর পর ওই নারীরা দেশে ফেরার সময় সমস্যায় পড়েছেন। পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটিকে আরও নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়। এমনকি তাদের পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় ইমিগ্রেশনে আটকে রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়।
পরে দক্ষিণ কোরিয়ার আইন মন্ত্রণালয় সেই দাবিকে ‘তথ্যভিত্তিহীন’ বলে অভিহিত করে। ফলে ভাইরাল ছবিটি সত্য হলেও ছবির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া বিমানবন্দরে আটকে পড়ার পুরো গল্পকে সত্য ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়।
তবে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্লাস্টিক সার্জারি করাতে যাওয়া বিদেশি রোগীদের পরিচয় যাচাইয়ের বিষয়টি নতুন নয়। অস্ত্রোপচারের পর মুখে বড় ধরনের পরিবর্তন হলে ভ্রমণের সময় পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এ কারণে কিছু ক্লিনিক বিদেশি রোগীদের অস্ত্রোপচারের তথ্য ও পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে থাকে।
সৌন্দর্য বাড়ানোর আশায় প্লাস্টিক সার্জারি করলেও অস্ত্রোপচারের পরপরই ভ্রমণ করলে শারীরিক অস্বস্তির পাশাপাশি পরিচয় যাচাই নিয়েও জটিলতা তৈরি হতে পারে। তবে তিন চীনা নারীকে ঘিরে ২০১৭ সালের ভাইরাল ঘটনাটি যে বিমানবন্দরে আটকে পড়ার সত্য ঘটনা ছিল, সে দাবি দক্ষিণ কোরিয়ার কর্তৃপক্ষ প্রত্যাখ্যান করেছিল।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আন্তর্জাতিক
View moreবাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার টন উচ্চমানের গম চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টন গম কেনার চুক্তি হয়েছিল, যার একটি বড় অংশ হিসেবে এই বিপুল পরিমাণ গম ইতোমধ্যে দেশে এসে পৌঁছাল। গত বুধবার (২১ অক্টোবর) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ এই আমেরিকান গম বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ খাদ্যনিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি, বৃহৎ এই বাণিজ্যিক লেনদেন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করে তুলবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ।
মেয়ে নয়, বিয়েতে ব্রাইডসমেইড হলেন পাঁচ ছেলে বন্ধু, আলোচনায় ব্রাজিলীয় তরুণী
বিনামূল্যে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের দিন শেষ হচ্ছে না, তবে এবার থেকে দেখতে হবে বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন অভিবাসী ভিসায় নতুন জটিলতা, আবেদন পুনর্বিবেচনায় স্থগিতাদেশ
স্ত্রীর অফিসের বাইরেই পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন স্বামী। অফিসের বাইরে তাঁকে দেখতে পেয়ে আর নিজেকে সামলে রাখতে পারলেন না স্ত্রী। দ্রুত বাইরে এসে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন, দিলেন চুমু। স্বামীকে ঘিরে স্ত্রীর এমন ভালোবাসার মুহূর্ত আশপাশের মানুষের নজর কাড়ে। ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত বর্ণনা অনুযায়ী, ওই নারী যে অফিসে চাকরি করেন, তার বাইরেই পরিচ্ছন্নতার কাজ করছিলেন তাঁর স্বামী। স্বামী সেখানে কাজ করছেন, বিষয়টি আগে তাঁর জানা ছিল না বলে বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরে বাইরে স্বামীকে দেখতে পেয়ে তিনি কর্মস্থল থেকে বেরিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে আলিঙ্গন করে চুমু দিয়ে নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করেন। ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করা আশপাশের মানুষের কাছে মুহূর্তটি আবেগঘন হয়ে ওঠে বলে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত বর্ণনায় উঠে এসেছে। স্বামীর পেশা পরিচ্ছন্নতাকর্মী হলেও স্ত্রীর ভালোবাসা প্রকাশে কোনো সংকোচ দেখা যায়নি। বরং প্রিয় মানুষটিকে সামনে পেয়ে তাঁর কাছে ছুটে যাওয়া এবং সবার সামনে জড়িয়ে ধরার দৃশ্য মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ভালোবাসা, দাম্পত্য সম্পর্ক এবং শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা প্রতিদিনের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও অনেক ক্ষেত্রে তাঁদের পেশাকে সামাজিকভাবে কম মর্যাদার চোখে দেখা হয়। এমন প্রেক্ষাপটে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর প্রকাশ্য ভালোবাসার এই মুহূর্তটি অনেকের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বর্ণনায় দম্পতির নাম, ঘটনাস্থল ও ঘটনার নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ঘটনাটির বিস্তারিত পরিচয় স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রচারিত বর্ণনায় স্ত্রীর এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসার প্রকাশই মানুষের আবেগ ও আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
অ্যাকাউন্টে যত খুশি টাকা তোলার সুযোগ, ৪৬ লাখ ডলার খরচ করে বিপাকে তরুণী
ইরানি বিজ্ঞানীদের পারমাণবিক বোমা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মোজতবা খামেনি: নেতানিয়াহু
মঙ্গলের রহস্যময় চাঁদ থেকে মাটি-পাথর আনতে জাপানের মহাকাশ অভিযান
ভয়াবহ যুদ্ধক্ষেত্রে বেঁচে থাকার অদম্য এক অবিশ্বাস্য গল্পের জন্ম দিয়েছেন ৪৯ বছর বয়সী ইউক্রেনীয় সেনা কনস্টান্টিন ভ্লাসেনকো। খারকিভ অঞ্চলের কুপিয়ানস্ক ফ্রন্টলাইনে রুশ বাহিনীর তীব্র হামলার মুখে টানা ৪৯১ দিন অবরুদ্ধ ছিলেন তিনি। এই দীর্ঘ সময়ে তীব্র ঠান্ডায় ফ্রস্টবাইটে তার বাঁ পা পচে খসে যায় এবং ডান পা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হলে নিজেই একটি সাধারণ ছুরি দিয়ে সেটি কেটে ফেলতে বাধ্য হন এই লড়াকু সেনা। ভ্লাসেনকো ইউক্রেনের ৩০তম সেপারেট মেকানাইজড ব্রিগেডে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের জুনে ‘বাস্কি’ নামের আরেক সহযোদ্ধাকে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত স্কুলে আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ১৬ ফেব্রুয়ারি এক রুশ ড্রোন হামলায় বাস্কি তার ৫০তম জন্মদিনে নিহত হন এবং ভ্লাসেনকোর পা মারাত্মক জখম হয়। এরপর থেকে রুশ ড্রোন হামলা থেকে বাঁচতে তিনি একটি পুরোনো ঢালাই লোহার চুল্লির ভেতরে টানা আট মাস একাকী লুকিয়ে ছিলেন। এই দীর্ঘ সময়ে ইউক্রেনীয় ড্রোনের মাধ্যমে ওপর থেকে ফেলা খাবার, পানি ও চিকিৎসাসামগ্রী দিয়ে তিনি বেঁচে ছিলেন। এমনকি ড্রোনের মাধ্যমে তার স্ত্রী সারভাইভাল প্যাকেজের সঙ্গে স্টিফেন কিংয়ের একটি উপন্যাসও পাঠিয়েছিলেন। রুশ বাহিনী স্পিকারের মাধ্যমে তাকে আত্মসমর্পণের প্রস্তাব দিলেও তিনি তা বীরদর্পে প্রত্যাখ্যান করেন। অবশেষে গত ৪ অক্টোবর একটি পরিবর্তিত ভারী হেক্সাকপ্টার ড্রোনের সাহায্যে তাকে উদ্ধার করা হয়। ড্রোনটি তাকে নিরাপদ আশ্রয়ে ১১ মাইল (১৮ কিলোমিটার) দূরে উড়িয়ে নিয়ে যায়। গ্যাংগ্রিন ও ফ্রস্টবাইটে আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও ভ্লাসেনকো সফলভাবে নিজেকে ড্রোনের সঙ্গে যুক্ত করতে সক্ষম হন। বর্তমানে তিনি খারকিভের একটি সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন এবং তার কৃত্রিম পা সংযোজনের প্রস্তুতি চলছে।
ভোটার তালিকায় জীবিত মানুষ ‘মৃত’, ভোটাধিকার ফিরে পেতে দপ্তরে দপ্তরে ঘুরছেন দর্জি
যৌথ পরিবারের জমি বন্ধক রেখে রাশিয়ায়, যুদ্ধক্ষেত্রে মর্মান্তিক মৃত্যু বাংলাদেশী নজরুলের