সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশিদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার, এক দশকে প্রায় তিনগুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: নভেম্বর ৮, ২০২৬ ৯:৪৮
বাংলাদেশিদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার, এক দশকে প্রায় তিনগুণ
বাংলাদেশিদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার, এক দশকে প্রায় তিনগুণ

বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের বিপরীতে গড়ে প্রায় ৬৪৬ ডলারের বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ঋণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। ১৭ কোটি ৫৭ লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে এই ঋণের পরিমাণ ভাগ করলে মাথাপিছু ঋণের হিসাব দাঁড়ায় প্রায় ৬৪৬ ডলার। ২০২৪ সালের তুলনায় এক বছরে দেশের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে মাথাপিছু ৬৪৬ ডলারের হিসাবটি একটি গড় অর্থনৈতিক সূচক; প্রত্যেক নাগরিকের ব্যক্তিগতভাবে এই পরিমাণ ঋণ পরিশোধের দায় নেই।

 

গত ৫ নভেম্বর প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘ইন্টারন্যাশনাল ডেট রিপোর্ট ২০২৬’-এ বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের এই চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক দশক আগে ২০১৫ সালে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণ ছিল ৩৮ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার। ২০২৫ সালের শেষে তা বেড়ে ১১৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ ১০ বছরে দেশের বৈদেশিক ঋণ প্রায় তিনগুণ হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।

 

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণের মধ্যে সরকারি ও সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রায় ৮৯ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। বেসরকারি খাতের গ্যারান্টিবিহীন ঋণ ৯ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার এবং স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক ঋণ ১৪ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার। সরকারি ঋণের বড় অংশ এসেছে বহুপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় ঋণদাতা সংস্থা ও দেশ থেকে। বহুপক্ষীয় ঋণদাতাদের কাছে বাংলাদেশের দায় ৫১ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার এবং দ্বিপক্ষীয় ঋণদাতাদের কাছে ৩২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার।

 

বহুপক্ষীয় ঋণদাতাদের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা বা আইডিএর কাছে বাংলাদেশের ঋণ ২২ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কাছে ঋণ রয়েছে ১৭ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে দ্বিপক্ষীয় ঋণদাতাদের মধ্যে জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঋণদাতা। দেশটির কাছে বাংলাদেশের ঋণ ১২ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। রাশিয়ার কাছে রয়েছে ৯ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় ঋণদাতার কাছেও বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ দায় রয়েছে।

 

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণও বেশি। বিশ্বব্যাংকের তথ্যের ভিত্তিতে করা হিসাবে, এ অঞ্চলের ছয়টি দেশের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণের গড় প্রায় ৫৬৪ ডলার। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ ৬৪৬ ডলার। ভারতে মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ প্রায় ৫২২ ডলার এবং নেপালে ৪০১ ডলার। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কায় এই পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৬৪৫ ডলার, ভুটানে ৪ হাজার ২১৮ ডলার এবং মালদ্বীপে প্রায় ৮ হাজার ৯৫৭ ডলার। অর্থাৎ মাথাপিছু হিসাবে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার গড়ের ওপরে থাকলেও কয়েকটি দেশের তুলনায় নিচে রয়েছে।

 

ঋণের পরিমাণ বাড়লেও বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ও মোট জাতীয় আয়ের অনুপাত ২৪ শতাংশ। অন্যদিকে রপ্তানি আয়ের বিপরীতে বৈদেশিক ঋণের অনুপাত দাঁড়িয়েছে ২১০ শতাংশ। ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে রপ্তানি আয়ের প্রায় ১৬ শতাংশ ব্যয় হচ্ছে। মোট জাতীয় আয়ের বিপরীতে ঋণ পরিশোধের অনুপাত ২ শতাংশ। এসব সূচককে এখনো সামগ্রিকভাবে নিয়ন্ত্রণযোগ্য মনে করা হলেও ঋণের পরিমাণ ও পরিশোধের চাপ নিয়ে অর্থনীতিবিদদের উদ্বেগ রয়েছে।

 

 সাবেক বিশ্বব্যাংক অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান গতিতে বৈদেশিক ঋণ বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে শ্রীলঙ্কার মতো ঋণ পরিশোধসংক্রান্ত সংকটে পড়তে হতে পারে। অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন ঋণের সুদের হার বাড়া, পরিশোধের সময়সীমা কমে আসা এবং ঋণের গ্রেস পিরিয়ড সংকুচিত হওয়ায় ভবিষ্যতে চাপ আরও বাড়তে পারে। এ পরিস্থিতিতে রপ্তানি বহুমুখীকরণ, দেশীয় রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং বিদেশি ঋণের অর্থ কার্যকর প্রকল্পে ব্যবহার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা।

 

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ প্রায় ১১৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে বিশ্বব্যাংকের মাথাপিছু ৬৪৬ ডলারের হিসাবটি ২০২৫ সালের শেষ দিনের ঋণের পরিমাণ ও ওই বছরের জনসংখ্যার ভিত্তিতে করা। বিশ্বব্যাংকের একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মোট বৈদেশিক ঋণ বেড়ে রেকর্ড ৯ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এসব দেশ ওই বছর ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধ করেছে মোট ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার।

 

সংবাদসূত্র: বিশ্বব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রায়ান আবদুল বাতেন। তিনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক।   হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রকাশিত রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ‘Film, Distribute, or Possess Image or Video of Sexual Activity with an Animal’ শীর্ষক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ কিংবা নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।   গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সরকারি রেকর্ড প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তাঁর পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ছাগলের সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা হচ্ছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   তথ্যসূত্র: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (Hillsborough County Sheriff’s Office), ফ্লোরিডা।

আন্তর্জাতিক

View more
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন অগ্রাধিকার সৌদি-আমেরিকা কাউন্সিলের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন অগ্রাধিকার সৌদি-আমেরিকা কাউন্সিলের

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, যৌথ শিল্পপ্রকল্প গড়ে তোলা এবং কৌশলগত খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠক করেছে ইউএস-সৌদি বিজনেস কাউন্সিল। গত ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের শরৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা ও সৌদি সরকারের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনায় জ্বালানি, শিল্প উৎপাদন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা গুরুত্ব পায়। ২৭ অক্টোবর বৈঠকটির বিস্তারিত প্রকাশ করে আরব নিউজ।   বৈঠকে কাউন্সিলের দুই সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী সৌদি ব্যবসায়ী লুবনা ওলায়ান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী জেন ফ্রেজার নেতৃত্ব দেন। এতে সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী ও শিল্প ও খনিজসম্পদমন্ত্রী প্রিন্স আবদুলআজিজ বিন সালমান এবং বিনিয়োগমন্ত্রী ফাহাদ আল-সাইফ অংশ নেন। কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী চার্লস হলাবও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও গভীর করা এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে বাস্তব প্রকল্পে রূপ দেওয়ার বিষয়ে তাঁরা আলোচনা করেন।   সৌদি বিনিয়োগমন্ত্রী ফাহাদ আল-সাইফ জানান, দেশটির বাজারে মার্কিন কোম্পানিগুলোর আগ্রহ বাড়ছে। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সৌদি আরবে ৩৭১টি নতুন বিনিয়োগ লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। ২০২৬ সালে বৈঠকের সময় পর্যন্ত এই সংখ্যা প্রায় ৫৩০টিতে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, সৌদি আরব এখন শুধু বিনিয়োগ আকর্ষণের পরিবর্তে বিনিয়োগের কার্যকারিতা বাড়ানো এবং ঘোষিত সুযোগগুলোকে বাস্তব ব্যবসায়িক প্রকল্পে রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।   বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি যৌথ শিল্প উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা খাতে শুধু পণ্য কেনাবেচা বা সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সৌদি আরবে উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেন ফাহাদ আল-সাইফ। এ জন্য মার্কিন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শিল্প অংশীদারত্ব এবং স্থানীয় উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্প উন্নয়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো খাতেও নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরেন সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী।   সৌদি আরবের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশ দুটির মধ্যে মোট দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫৭ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে সৌদি আরবের রপ্তানি ছিল প্রায় ১৭০ বিলিয়ন ডলার, যার বড় অংশ ছিল জ্বালানি তেল, সার ও জৈব রাসায়নিক পণ্য। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সৌদি আরবের আমদানি ছিল ১৮৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এসব পণ্যের মধ্যে যন্ত্রপাতি, যানবাহন ও চিকিৎসাসামগ্রী উল্লেখযোগ্য।   কাউন্সিলের সহসভাপতি লুবনা ওলায়ান বলেন, আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে জেন ফ্রেজারও দুই দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণে ব্যবসায়ী নেতাদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন। কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী চার্লস হলাব জানান, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পথে বিদ্যমান বাধা চিহ্নিত করা, নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো তাঁদের অন্যতম অগ্রাধিকার।   সংবাদসূত্র: আরব নিউজ, ইউএস-সৌদি বিজনেস কাউন্সিল।

প্রকাশ: নভেম্বর ৮, ২০২৬ ১০:৯
২০২২ সাল থেকে ইউক্রেনকে ২১২ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে পশ্চিমারা, শীর্ষে ইইউ

২০২২ সাল থেকে ইউক্রেনকে ২১২ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে পশ্চিমারা, শীর্ষে ইইউ

বাংলাদেশিদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার, এক দশকে প্রায় তিনগুণ

বাংলাদেশিদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার, এক দশকে প্রায় তিনগুণ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুপ্তচর সন্দেহে ইরানে তিনজনের  মৃ ত্যুদণ্ড কার্যকর

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুপ্তচর সন্দেহে ইরানে তিনজনের মৃ ত্যুদণ্ড কার্যকর

চীন ও ইউরোপে বিক্রি কমায় বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতাদের প্রধান মুনাফার বাজার হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের গাড়ি নির্মাতাদের উচ্চ মুনাফার শেষ ভরসা এখন যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্বের বড় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে মুনাফা অর্জনের অন্যতম প্রধান বাজার হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। চীন ও ইউরোপে বিক্রি কমে যাওয়া এবং সস্তা চীনা গাড়ির সঙ্গে প্রতিযোগিতা বাড়ায় টয়োটা, হুন্ডাই, ফক্সওয়াগেন, হোন্ডা ও নিসানের মতো আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো এখন মার্কিন বাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের মধ্যে দামি পিকআপ ট্রাক ও বড় এসইউভির ব্যাপক চাহিদা কোম্পানিগুলোর জন্য বেশি লাভের সুযোগ তৈরি করেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন গাড়ির গড় দাম এখন প্রায় ৫০ হাজার ডলার। কেলি ব্লু বুকের তথ্য বলছে, গত সেপ্টেম্বরে নতুন গাড়ির গড় বিক্রয়মূল্য ছিল ৫০ হাজার ৫৬২ ডলার, যা রেকর্ড সর্বোচ্চ দামের কাছাকাছি। একই সঙ্গে নতুন গাড়ি কেনা প্রায় পাঁচজন ক্রেতার একজনকে মাসে এক হাজার ডলারের বেশি গাড়ির কিস্তি পরিশোধ করতে হচ্ছে। উচ্চমূল্যের কারণে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর আর্থিক চাপ বাড়লেও বড় পিকআপ ট্রাক, এসইউভি ও বিলাসবহুল গাড়ি বিক্রি থেকে নির্মাতারা তুলনামূলক বেশি মুনাফা করতে পারছে।   অন্যদিকে চীনের বাজারে স্থানীয় গাড়ি নির্মাতাদের উত্থান আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক কম দামে উন্নত প্রযুক্তির ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়ি তৈরি করছে। এসব গাড়ির কারণে চীনের পাশাপাশি ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে প্রতিষ্ঠিত গাড়ি নির্মাতাদের বিক্রি ও মুনাফায় চাপ তৈরি হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে চীনা গাড়ির ওপর উচ্চ আমদানি শুল্ক এবং প্রযুক্তিসংক্রান্ত বিধিনিষেধ থাকায় মার্কিন বাজারে তাদের প্রবেশ অনেকটাই সীমিত। এর ফলে আন্তর্জাতিক গাড়ি কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ দেখছে।   মার্কিন বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে জাপানের টয়োটা টেক্সাসের সান আন্তোনিও কারখানা সম্প্রসারণে ৩৬০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মেক্সিকো থেকে টাকোমা পিকআপ ট্রাকের কিছু উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে আনা হবে। কোম্পানির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে কারখানাটির উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হবে এবং প্রায় ২ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। অন্যদিকে জার্মান বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা অডি জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রথম মার্কিন কারখানা স্থাপনে প্রায় ৪০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ নতুন চাকরি তৈরি হওয়ার কথা রয়েছে।   এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার হুন্ডাই এবং জাপানের নিসানও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। হুন্ডাইয়ের প্রধান নির্বাহী হোসে মুনোজ জানিয়েছেন, তাঁর কোম্পানির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি অগ্রাধিকারই যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক। প্রতিষ্ঠানটি আগামী কয়েক বছরে উত্তর আমেরিকার বাজারে বেশ কিছু নতুন মডেলের গাড়ি আনার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে অফ-রোড গাড়ি, মাঝারি আকারের পিকআপ ট্রাক এবং বিলাসবহুল মডেল রয়েছে। অন্যদিকে নিসান নতুন করে এক্সটেরা এসইউভি বাজারে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কোম্পানিটি যুক্তরাষ্ট্রে বাজারের অংশীদারত্ব প্রায় ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায়।   যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নতুন করে প্রবেশের পরিকল্পনা করছে জার্মান গাড়ি নির্মাতা ফক্সওয়াগেনও। প্রায় ৪০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে নিজস্ব পিকআপ ট্রাক তৈরি ও বিক্রির সম্ভাবনা বিবেচনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। এ বিষয়ে মার্কিন নির্মাতা ফোর্ডের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের আলোচনা চলছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পিকআপ ট্রাকের বাজারে আগে থেকেই শক্ত অবস্থানে রয়েছে ফোর্ড, জেনারেল মোটরস এবং র‍্যাম। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বাজারে নতুন নির্মাতাদের জন্য জায়গা তৈরি করা সহজ হবে না।   আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা বাড়ায় মার্কিন গাড়ি নির্মাতারাও নতুন কৌশল নিচ্ছে। জেনারেল মোটরস জনপ্রিয় এসইউভিগুলোর হাইব্রিড সংস্করণ আনার পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে ফোর্ড তুলনামূলক কম দামের নতুন গাড়ি ও ইলেকট্রিক মডেলের মাধ্যমে বিক্রি বাড়াতে চাইছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান অটোফোরকাস্ট সলিউশনের হিসাবে, নতুন কারখানাগুলোর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে বছরে অতিরিক্ত ১০ লাখের বেশি গাড়ি তৈরির সক্ষমতা যুক্ত হতে পারে।   তবে বিপুল বিনিয়োগের পাশাপাশি মার্কিন গাড়ির বাজারে নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি হচ্ছে। গাড়ির উচ্চমূল্য, ঋণের কিস্তি এবং বীমাসহ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের কারণে অনেক ক্রেতাই পুরোনো গাড়ি দীর্ঘদিন ব্যবহার করছেন। ফলে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লেও একই হারে গাড়ির চাহিদা বাড়বে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কর্মসংস্থান ও গাড়ির মডেল বাড়াতে পারে। তবে ক্রেতাদের জন্য দাম কমবে কি না, সেটি নির্ভর করবে ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতা, উৎপাদন খরচ ও বাজার পরিস্থিতির ওপর।   সূত্র: দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

প্রকাশ: নভেম্বর ৮, ২০২৬ ৯:৭
ফিনল্যান্ডে ২৪ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি নাগরিক নাফিস ইস্কান্দারের মরদেহ উদ্ধার। ছবি: সংগৃহীত

ফিনল্যান্ডে নিখোঁজের ২৪ দিন পর বাংলাদেশি নাফিসের মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাজ্যে কিশোরীদের যৌন নির্যাতনের দায়ে বাংলাদেশি সাবেক শিক্ষকের ২৫ বছরের কারাদণ্ড

যুক্তরাজ্যে কিশোরীদের যৌন নির্যাতনের দায়ে বাংলাদেশি সাবেক শিক্ষকের ২৫ বছরের কারাদণ্ড

সরকার গঠনের সুযোগ পাচ্ছেন ইসরাইলের বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকট। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলে প্রথম বারের মতো সরকার গঠনের সুযোগ পাচ্ছেন নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকট

বিয়ের দাওয়াতে দেশে এসে পার্কিং নিয়ে বিরোধে প্রতিবেশীর গুলিতে নিহত প্রবাসী
বিয়ের দাওয়াতে দেশে এসে পার্কিং নিয়ে বিরোধে প্রতিবেশীর গুলিতে নিহত প্রবাসী

ভারতের হরিয়ানার ফরিদাবাদে গাড়ি পার্কিং নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিবেশীর গুলিতে নিহত হয়েছেন সিঙ্গাপুরে কর্মরত ৪২ বছর বয়সী পরমজিৎ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাতে শহরের সেক্টর ২১সি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মনু শর্মা ওরফে মোহন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।   পুলিশ জানায়, পরমজিৎ সিঙ্গাপুরের একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। পরিবারের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঘটনার মাত্র এক দিন আগে তিনি ভারতে ফিরেছিলেন। কিন্তু দেশে ফেরার পরদিনই প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধে প্রাণ হারান তিনি।   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পরমজিৎ ও অভিযুক্ত মনু শর্মা একই আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। গাড়ি পার্কিংসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার রাতে সেই বিরোধ আবারও সামনে আসে।   একপর্যায়ে মনু শর্মা নিজের লাইসেন্সধারী আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে পরমজিৎকে লক্ষ্য করে গুলি চালান বলে অভিযোগ। এতে গুরুতর আহত হন পরমজিৎ। পরে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।   ঘটনার পর অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান শুরু করে পুলিশ। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মনু শর্মাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।   পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে দীর্ঘদিনের বিরোধের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   সংবাদসূত্র: এনডিটিভি, পিটিআই, দ্য ট্রিবিউন

প্রকাশ: নভেম্বর ৮, ২০২৬ ৮:১৯
৩৭ বছর বয়সেই গুগলের বছরে  ৪ লাখ ডলারের  চাকরি ছাড়লেন নারী

৩৭ বছর বয়সেই গুগলের বছরে ৪ লাখ ডলারের চাকরি ছাড়লেন নারী, জানালেন খরচ কমানোর কৌশল

নবম শ্রেণিতে ৯৭ শতাংশ নম্বর পাওয়ায় ছেলেকে ৩ কোটি টাকার গাড়ি উপহার বাবার

নবম শ্রেণিতে ৯৭ শতাংশ নম্বর পাওয়ায় ছেলেকে ৩ কোটি টাকার গাড়ি উপহার বাবার

চীনা ‘গুপ্তচরের’ সঙ্গে প্রেমের অভিযোগ এনভিডিয়া সিইও জেনসেন হুয়াংয়ের, তদন্তে মার্কিন কংগ্রেস

চীনা ‘গুপ্তচরের’ সঙ্গে প্রেমের অভিযোগ এনভিডিয়া সিইও জেনসেন হুয়াংয়ের, তদন্তে মার্কিন কংগ্রেস

0 Comments