আন্তর্জাতিক

ইসরাইলে রাতভর ইরানের হামলা, আহত ৩০

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইসরাইলে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। শুক্রবার গভীর রাতে চালানো এই হামলায় নাজারেথের কাছে অবস্থিত একটি গ্রামে অন্তত ৩৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

ইসরাইলি সরকারি টেলিভিশন Kan News জানিয়েছে, নাজারেথের কাছের জারজির গ্রামে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কয়েকটি যানবাহনে আগুন ধরে যায়। আহতদের মধ্যে অন্তত ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ ও ১৩ বছর বয়সী দুই শিশুও রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

 

স্থানীয় সময় রাত প্রায় ২টা ৩০ মিনিটের দিকে হামলার আগে বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। একই সময়ে লেবাননের সীমান্তঘেঁষা উত্তর দিক থেকেও হামলা চালায় সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

 

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপর থেকেই পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরাইলসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

সূত্র: আল জাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলে আহত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি
ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলে আহত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি

ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। খবর দিয়েছে সিএনএন।   ইসরাইল ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগ জানায়, উত্তরাঞ্চলীয় শহর জারজিরে একটি স্থাপনায় সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় তারা উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। এতে কিছু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।   ইসরাইলের জরুরি সেবা সংস্থা জানিয়েছে, তাদের প্যারামেডিকরা মোট ৫৮ জনকে চিকিৎসা দিয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৩৪ বছর বয়সি একজন নারী রয়েছে, যিনি পিঠে স্প্লিন্টার পেয়ে আহত হয়েছেন, তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। এছাড়া কাঁচের আঘাতে ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরীও আহত হয়েছেন।   ইসরাইল ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলায় একটি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, রাস্তায় দুমড়েমুচড়ে যাওয়া গাড়ি এবং ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে আছে।   ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চলে সাইরেন বাজার পর তারা ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে। এরপরই এ ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে।   এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, তারা আবারও ইসরাইল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। একই সময়ে দক্ষিণ লেবানন থেকে সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহও ইসরাইলে হামলা চালাচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের তেল বিক্রির অনুমোদন, রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের তেল বিক্রির অনুমোদন, রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া

ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলে রাতভর ইরানের হামলা, আহত ৩০

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

ছবি: সংগৃহীত
ইরাকে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই পশ্চিম ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি রিফুয়েলিং বিমান দুর্ঘটনায় পড়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে।   বৃহস্পতিবার এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, তাদের একটি কেসি–১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে বন্ধুত্বপূর্ণ আকাশসীমার ভেতরে বিধ্বস্ত হয়েছে।   তাৎক্ষণিকভাবে এই দুর্ঘটনায় নিহত বা আহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনায় দুটি বিমান জড়িত থাকতে পারে। এর মধ্যে একটি বিমান নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই দুর্ঘটনা শত্রুপক্ষের হামলা বা বন্ধুসুলভ গুলির কারণে ঘটেনি।   ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানের মধ্যেই এই দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া অভিযানের পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।   এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, চলমান অভিযানে এখন পর্যন্ত সাতজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ১৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।   এর মধ্যেই গত ১ মার্চ আরেক ঘটনায় তিনটি F‑15 Strike Eagle ভুলবশত কুয়েতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুলিতে ভূপাতিত হয়। তবে ওই ঘটনায় বিমানগুলোর ছয়জন ক্রু সদস্য নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।   এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশটির ভেতরে যুদ্ধবিরোধী মনোভাবও বাড়ছে। বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম সংঘাত যেখানে শুরু থেকেই জনসমর্থন তুলনামূলক কম।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঁড়ালো কাতার

ছবি: সংগৃহীত

ইরাকের কুর্দিস্তানে হামলায় ফরাসি সেনা নিহত: ম্যাক্রোঁ

ফরাসি সেনাদের একটি দল। ছবি: সংগৃহীত

কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা: ফরাসি সেনা নিহত

ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র হওয়ার মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।   মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, বিশেষ লাইসেন্সের মাধ্যমে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত জাহাজে লোড করা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন ও তদারকির দায়িত্বে থাকা ট্রেজারির অধীন সংস্থা অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়।   এর আগে ইউক্রেন যুদ্ধে আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে নতুন পরিস্থিতিতে সেই নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছে।   মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কৌশলের অংশ। একই সঙ্গে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার কারণে তেলের দাম যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেটিও এই পদক্ষেপের অন্যতম লক্ষ্য।   ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে হয়। ফলে পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি বাজারে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত মজুত থেকে ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণাও দিয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা তাদের সদস্য দেশগুলোকে সরকারি মজুত থেকে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে, যা সংস্থাটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমন্বিত মজুত ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   এদিকে বিভিন্ন সূত্র বলছে, চলমান সংঘাতের মধ্যেও ইরান তাদের তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। পারস্য উপসাগরে অন্য দেশগুলোর তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের তেলের মূল্য আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধে ইরানের প্রস্তুতি অবমূল্যায়ন করেছিল পেন্টাগন

হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধে ইরানের প্রস্তুতি অবমূল্যায়ন করেছিল পেন্টাগন

ছবি: সংগৃহীত

নেতানিয়াহু: “ইরান আর আগের ইরান নয়, পারমাণবিক ও সামরিক সক্ষমতা সীমিত”

ছবি: সংগৃহীত

দেড়শ রকেট হামলার পর লেবানন দখলের হুমকি ইসরায়েলের

0 Comments