আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয়ে ইসরাইল এখন ইরান-এর বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি শক্ত অবস্থানে রয়েছে। বিষয়টি জানিয়েছে আল জাজিরা

 

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইসরাইলি হামলায় ইরানের কয়েকজন শীর্ষ পারমাণবিক বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

 

নেতানিয়াহুর মতে, সাম্প্রতিক হামলার ফলে ইরান তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিরাপদে ভূগর্ভে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়নি। তিনি মন্তব্য করেন, “ইরান এখন আর আগের মতো অবস্থায় নেই।”

 

সংবাদ সম্মেলনে ইরানের নতুন নির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এবং হিজবুল্লাহ-এর নেতা নাঈম কাসেম সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি তাদের কাউকে সরাসরি জীবননাশের হুমকি দিতে চান না। তবে তিনি দাবি করেন, খামেনি মূলত রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রভাবের মধ্যে রয়েছেন এবং প্রকাশ্যে খুব কমই দেখা যাচ্ছেন।

 

ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন—বিশেষ করে গত জানুয়ারির বিক্ষোভকারীরা—তাদের প্রতি ইসরাইল সমর্থন জানায়। তবে তিনি এটিও বলেন যে, শেষ পর্যন্ত দেশটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত ইরানের জনগণের হাতেই।

 

নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নতুন আঞ্চলিক জোট গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং সে লক্ষ্যে ইসরাইল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান উপসাগরীয় কয়েকটি এলাকায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এসব হামলার কারণে কয়েকটি তেল টার্মিনাল সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে এবং এতে অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
যুক্তরাষ্ট্রের তেল বিক্রির অনুমোদন, রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের তেল বিক্রির অনুমোদন, রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর গোয়েন্দা শাখা মধ্যপ্রাচ্যের জনগণের কাছে আহ্বান জানিয়েছে, তারা মার্কিন সেনাদের অবস্থান শনাক্ত করতে সাহায্য করুক। বিষয়টি জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই, ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজকে উদ্ধৃত করে।   আইআরজিসি’র গোয়েন্দা শাখার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হাজার হাজার মার্কিন সেনা হোটেল, ব্যক্তিগত আবাস বা বাসাবাড়িতে অবস্থান করছে। বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ওয়াশিংটন “আমাদের আরব ভাইদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে।”   বার্তায় বলা হয়েছে, “আমরা বাধ্য হচ্ছি মার্কিন সেনাদের শনাক্ত করতে এবং লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে। তাই হোটেলগুলোতে তাদের আশ্রয় না দেওয়াই ভালো এবং তাদের অবস্থান থেকে অন্যদের দূরে থাকা উচিত।”   বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “মার্কিন সেনাদের লুকিয়ে থাকার স্থানগুলো সঠিকভাবে জানানো মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ জনগণের ইসলামী দায়িত্ব। সেই তথ্য আমাদের কাছে টেলিগ্রামে পাঠাতে হবে।”   সূত্র: মিডল ইস্ট আই।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলে রাতভর ইরানের হামলা, আহত ৩০

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

ছবি: সংগৃহীত

ইরাকে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত

ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঁড়ালো কাতার

ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নতুন মাত্রা পাওয়ার মধ্যে লেবাননে ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলাকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে।   সংঘাতের বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের পাশে দাঁড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মিত্রদেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানে হামলা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। এর জবাবে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি কাতারে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। একই সময়ে ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে আক্রমণ শুরু করলে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক হামলা চালায়।   এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ছয় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন।   শুক্রবার এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। তারা এসব হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের শামিল বলে উল্লেখ করে।   বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ইসরাইলকে যেন লেবাননের ওপর ধারাবাহিক হামলা বন্ধ করতে এবং আন্তর্জাতিক আইন ও কনভেনশন মেনে চলতে বাধ্য করা হয়।   কাতার আরও জানায়, লেবাননের ঐক্য, সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি তাদের সমর্থন অটুট থাকবে। একই সঙ্গে দেশটির স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নেওয়া সব উদ্যোগকে তারা সমর্থন জানায়।   এদিকে গত সোমবার থেকে লেবাননে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৬৮৭ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে ৯৮ জন শিশু রয়েছে। পাশাপাশি এসব হামলার ফলে প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার মানুষ নিজ ঘরবাড়ি ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরাকের কুর্দিস্তানে হামলায় ফরাসি সেনা নিহত: ম্যাক্রোঁ

ফরাসি সেনাদের একটি দল। ছবি: সংগৃহীত

কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা: ফরাসি সেনা নিহত

ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধে ইরানের প্রস্তুতি অবমূল্যায়ন করেছিল পেন্টাগন
হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধে ইরানের প্রস্তুতি অবমূল্যায়ন করেছিল পেন্টাগন

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান পরিকল্পনার সময় ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিতে পারে—এই সম্ভাবনাকে পেন্টাগন ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়নি বলে জানিয়েছেন বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত একাধিক সূত্র। মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার জবাবে তেহরান যে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ বন্ধ করার মতো কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে, তা পরিকল্পনার সময় পুরোপুরি অনুমান করা হয়নি।   হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ, যেখানে দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বে ব্যবহৃত তেলের বড় একটি অংশ পরিবহন হয়। সাম্প্রতিক সংঘাত শুরু হওয়ার পর ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং কয়েকটি জাহাজে হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সরাসরি বড় আকারের যুদ্ধে না গিয়ে অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ সৃষ্টি করার কৌশল হিসেবে হরমুজ প্রণালীকে ব্যবহার করতে পারে। এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং ইতিমধ্যে তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে।   পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ওয়াশিংটনে, কারণ সামরিক অভিযানের পরিকল্পনার সময় ইরানের প্রতিক্রিয়ার মাত্রা কম করে ধরার ফলে বর্তমান সংঘাত আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

নুরুল্লাহ সাইদ মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নেতানিয়াহু: “ইরান আর আগের ইরান নয়, পারমাণবিক ও সামরিক সক্ষমতা সীমিত”

ছবি: সংগৃহীত

দেড়শ রকেট হামলার পর লেবানন দখলের হুমকি ইসরায়েলের

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অংশ না নেওয়ায় সৌদি আরবকে হুঁশিয়ারি মার্কিন সিনেটর গ্রাহামের

0 Comments