আন্তর্জাতিক

স্ত্রী-সন্তানকে মারধরে বাধা নেই

আফগানিস্তানে পারিবারিক সহিংসতার ‘বৈধতা’ দিল তালেবান: স্ত্রী-সন্তানকে মারধরে বাধা নেই

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
নারীদের বিরুদ্ধের একের পর এক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে আফগানিস্তান
নারীদের বিরুদ্ধের একের পর এক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে আফগানিস্তান

আফগানিস্তানের নারীদের ওপর নতুন করে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে তালেবান সরকার। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির সরকার স্বামীদের তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের ওপর শারীরিকভাবে শাস্তি দেওয়ার অনুমোদন দিয়ে একটি নতুন আইন জারি করেছে, যা কার্যত পারিবারিক সহিংসতাকে ‘বৈধতা’ দেওয়ার শামিল।

 

তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা স্বাক্ষরিত ৯০ পাতার এই নতুন দণ্ডবিধিটি পশতু ভাষায় ‘দ্য মাহাকুমু জাজাই উসুলনামা’ (আদালতের ফৌজদারি বা দণ্ডবিধি সংক্রান্ত নিয়মাবলী) নামে পরিচিত। এই নথির একটি অনুলিপি পর্যালোচনা করে ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানিয়েছে, এটি ইতোমধ্যে আফগানিস্তানের আদালতগুলোতে কার্যকর করার জন্য বিতরণ করা হয়েছে।

 

নতুন আইনের বিতর্কিত দিকসমূহ:

 

  • শাস্তির অনুমোদন: নতুন এই দণ্ডবিধিতে স্বামীদের অধিকার দেওয়া হয়েছে যে, তারা চাইলে তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের শারীরিকভাবে শাসন বা শাস্তি দিতে পারবেন।

  • শাস্তির সীমা: আইনের একটি অদ্ভুত শর্তে বলা হয়েছে, মারধরের ফলে যদি ভুক্তভোগীর ‘হাড় ভেঙে যায়’ কিংবা শরীর ‘জখম’হয়, তবেই কেবল স্বামী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি শাস্তির আওতায় আসবেন। অর্থাৎ, হাড় না ভাঙা পর্যন্ত বা বড় কোনো ক্ষত না হওয়া পর্যন্ত শারীরিক নির্যাতনকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে না।

  • মানবাধিকার উদ্বেগ: মানবাধিকার কর্মীদের মতে, এই আইনের ফলে আফগান নারীরা ঘরের ভেতরে চরম অনিরাপদ হয়ে পড়বেন। আগে যেখানে ঘরোয়া নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের কিছুটা সুযোগ ছিল, এই দণ্ডবিধি সেই পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দিল।

 

২০২১ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকে তালেবান সরকার একের পর এক নারী অধিকারবিরোধী আইন জারি করে আসছে। এর আগে নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং জনসমক্ষে চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। নতুন এই ফৌজদারি আইনটি আফগানিস্তানে নারী অধিকারের কফিনে শেষ পেরেক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, তালেবান তাদের তথাকথিত কঠোর শাসনব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই ৯০ পাতার দণ্ডবিধি কার্যকর করেছে, যা দেশটিকে মধ্যযুগীয় বর্বরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
নারীদের বিরুদ্ধের একের পর এক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে আফগানিস্তান
আফগানিস্তানে পারিবারিক সহিংসতার ‘বৈধতা’ দিল তালেবান: স্ত্রী-সন্তানকে মারধরে বাধা নেই

আফগানিস্তানের নারীদের ওপর নতুন করে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে তালেবান সরকার। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির সরকার স্বামীদের তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের ওপর শারীরিকভাবে শাস্তি দেওয়ার অনুমোদন দিয়ে একটি নতুন আইন জারি করেছে, যা কার্যত পারিবারিক সহিংসতাকে ‘বৈধতা’ দেওয়ার শামিল।   তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা স্বাক্ষরিত ৯০ পাতার এই নতুন দণ্ডবিধিটি পশতু ভাষায় ‘দ্য মাহাকুমু জাজাই উসুলনামা’ (আদালতের ফৌজদারি বা দণ্ডবিধি সংক্রান্ত নিয়মাবলী) নামে পরিচিত। এই নথির একটি অনুলিপি পর্যালোচনা করে ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানিয়েছে, এটি ইতোমধ্যে আফগানিস্তানের আদালতগুলোতে কার্যকর করার জন্য বিতরণ করা হয়েছে।   নতুন আইনের বিতর্কিত দিকসমূহ:   শাস্তির অনুমোদন: নতুন এই দণ্ডবিধিতে স্বামীদের অধিকার দেওয়া হয়েছে যে, তারা চাইলে তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের শারীরিকভাবে শাসন বা শাস্তি দিতে পারবেন। শাস্তির সীমা: আইনের একটি অদ্ভুত শর্তে বলা হয়েছে, মারধরের ফলে যদি ভুক্তভোগীর ‘হাড় ভেঙে যায়’ কিংবা শরীর ‘জখম’হয়, তবেই কেবল স্বামী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি শাস্তির আওতায় আসবেন। অর্থাৎ, হাড় না ভাঙা পর্যন্ত বা বড় কোনো ক্ষত না হওয়া পর্যন্ত শারীরিক নির্যাতনকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে না। মানবাধিকার উদ্বেগ: মানবাধিকার কর্মীদের মতে, এই আইনের ফলে আফগান নারীরা ঘরের ভেতরে চরম অনিরাপদ হয়ে পড়বেন। আগে যেখানে ঘরোয়া নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের কিছুটা সুযোগ ছিল, এই দণ্ডবিধি সেই পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দিল।   ২০২১ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকে তালেবান সরকার একের পর এক নারী অধিকারবিরোধী আইন জারি করে আসছে। এর আগে নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং জনসমক্ষে চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। নতুন এই ফৌজদারি আইনটি আফগানিস্তানে নারী অধিকারের কফিনে শেষ পেরেক হিসেবে দেখা হচ্ছে।   আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, তালেবান তাদের তথাকথিত কঠোর শাসনব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই ৯০ পাতার দণ্ডবিধি কার্যকর করেছে, যা দেশটিকে মধ্যযুগীয় বর্বরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা

ভারত তেল আমদানি কমায়নি, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ওড়াল রাশিয়া

ইতালিতে তিন বছরের জন্য শ্রমিক নিয়োগের প্রথম ধাপ শেষ

ইতালিতে তিন বছরের জন্য শ্রমিক নিয়োগের প্রথম ধাপ শেষ

সবার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন চীনা রাষ্ট্রদূত

সবার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন চীনা রাষ্ট্রদূত

ভারতের আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ
ভারতের আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

ভারতে আয়োজিত এক বৃহৎ আন্তর্জাতিক নৌমহড়ায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৭০টি দেশের নৌবাহিনী অংশ নিয়েছে। বুধবার ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় শহর বিশাখাপত্তম-এ এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।   অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। বাংলাদেশ নৌবাহিনী তাদের ফ্রিগেট যুদ্ধজাহাজ ‘সমুদ্র অভিযান’ মহড়ায় অংশগ্রহণের জন্য পাঠায়। জাহাজটি ১৬ ফেব্রুয়ারি ভারতে পৌঁছায়।   বাংলাদেশের পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ এই মহড়ায় এক বা একাধিক যুদ্ধজাহাজ পাঠায়। ইন্দোনেশিয়ার ফ্রিগেট কেআরআই বুং তোমো-৩৫৭ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুদ্ধজাহাজ আল ইমারাত এতে অংশ নেয়। ভারতের পক্ষে অংশ নেয় বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত।   মহড়া শুরুর আগে দেওয়া বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, এই আয়োজন বিভিন্ন দেশের সামুদ্রিক ঐতিহ্যের প্রতি আস্থা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার প্রতীক। বিভিন্ন পতাকাবাহী জাহাজ ও নৌসদস্যদের উপস্থিতি আন্তর্জাতিক ঐক্যের বার্তা বহন করে। তিনি উল্লেখ করেন, সামুদ্রিক ঐক্যই এই মহড়ার মূল প্রতিপাদ্য, এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম।   আন্তর্জাতিক সমুদ্রনীতির বিষয়ে তিনি আরও বলেন, সমুদ্রে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা বজায় রাখতে সব দেশকেই একযোগে কাজ করতে হবে। ভারতের ‘বিশ্ব পরিবার’ দর্শনের আলোকে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও টেকসই স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে যুক্তরাষ্ট্র ছবি এএফপি

ইরান সংকটের মাঝেই সিরিয়া থেকে সেনা কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার সাথে যৌথ মহড়া ও রকেট নিক্ষেপের ঘোষণা ইরানের, বন্ধ আকাশপথ!

গাজার শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা মাইসুন আল-বারবারাউইর ছেলের হাতে ধরা লন্ঠন। ছবি: আল জাজিরা

রমজানে গাজাবাসী: যুদ্ধ ও ইসরায়েলের হুমকির মধ্যেও আশা ও প্রার্থনা

ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা চরমে: বড় যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ট্রাম্প প্রশাসন

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম Axios–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, Donald Trump প্রশাসন ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য বৃহৎ সামরিক সংঘাতের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। আলোচনায় অচলাবস্থা অব্যাহত থাকলে কয়েক সপ্তাহব্যাপী পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়, সম্ভাব্য এই সামরিক অভিযানটি কেবল সীমিত হামলা হবে না; বরং এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বড় আকারের অভিযান হতে পারে। এর পরিধি গত বছরের স্বল্পমেয়াদি সংঘাতের তুলনায় অনেক বড় হবে এবং ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার জন্য এটি অস্তিত্বের লড়াই হয়ে উঠতে পারে।   বিশ্লেষকদের মতে, এমন সংঘাত পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে এবং ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদের বাকি সময়জুড়েও এর প্রতিক্রিয়া থাকবে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে সম্ভাব্য এই সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে তেমন জনআলোচনা দেখা যাচ্ছে না।   কূটনৈতিক অচলাবস্থা অব্যাহত গত কয়েক মাস ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা চললেও এখনো বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি। সম্প্রতি জেনেভায় ট্রাম্পের উপদেষ্টা Jared Kushner ও Steve Witkoff ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi–এর সঙ্গে বৈঠক করেন। উভয় পক্ষ আলোচনায় কিছু অগ্রগতির কথা বললেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে।   এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance জানিয়েছেন, আলোচনায় কিছু ইতিবাচক দিক থাকলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্ধারিত ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত শর্ত এখনো মেনে নেয়নি ইরান। ফলে কূটনৈতিক সমাধানের পথ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে।   সামরিক প্রস্তুতি জোরদার বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সেখানে দুটি বিমানবাহী রণতরী, একাধিক যুদ্ধজাহাজ, শত শত যুদ্ধবিমান এবং উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও যুদ্ধবিমান ওই অঞ্চলের দিকে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।   পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী বিশ্লেষকদের মতে, এত বড় সামরিক প্রস্তুতি কেবল কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশল নয়; বরং প্রয়োজন হলে সরাসরি হামলার ইঙ্গিতও হতে পারে।   যুদ্ধের সম্ভাবনা কতটা ইসরায়েলি সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দ্রুত সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে। তবে কিছু মার্কিন কর্মকর্তা মনে করছেন, চূড়ান্ত হামলার আগে আরও কিছু সময় লাগতে পারে।   মার্কিন সিনেটর Lindsey Graham বলেছেন, সম্ভাব্য হামলা শুরু হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ এক উপদেষ্টা দাবি করেছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি।   বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যদি কূটনৈতিক সমঝোতা না হয়, তবে সংঘাত প্রায় অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং আলোচনা ব্যর্থ হলে এর পরিণতি হতে পারে অত্যন্ত ভয়াবহ।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন সরকারের অভিবাসন নীতির জনসমর্থন ইতিহাসের সর্বনিম্ন

ছবি: সংগৃহীত

মুসলিমদের রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন হুমকির জবাব দিতে ইরানের পাশে রাশিয়া

0 Comments