আন্তর্জাতিক

ইরানে হামলায় বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের সহযোগী ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করছে।

 

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই হামলায় সারাদেশে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকাগুলোতে আঘাত করা হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, হামলাগুলো ইরানের বাইরেও অর্থনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।

 

বাঘাই বলেন, হামলার প্রভাব বিশ্ববাজারে দেখা যাচ্ছে; জ্বালানির দাম বেড়ে যাচ্ছে, মুদ্রার মান অস্থিতিশীল হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে। তবে ইরানের জনগণের জন্য এই প্রভাব বিশেষভাবে মারাত্মক। তিনি বলেন, ‘আমাদের জনগণকে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে, কারণ আক্রমণকারীরা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন স্থানগুলো লক্ষ্য করছে যেখানে সর্বোচ্চ কষ্ট এবং প্রাণহানি ঘটানো সম্ভব।’

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে না জড়ানোর অবস্থান অটল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি সমালোচনা এবং প্রবল চাপের মধ্যেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার ইরান ইস্যুতে যুদ্ধে না জড়ানোর সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইরান অভিমুখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে যুক্তরাজ্য অংশ নেবে না এবং ব্রিটিশ বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতিও দেওয়া হবে না।   বৃহস্পতিবার এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে স্টারমার বলেন, “আমার লক্ষ্য জাতীয় স্বার্থে শান্ত ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব দেওয়া। পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক, আমাদের নিজেদের মূল্যবোধ ও নীতির পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর শক্তি থাকতে হবে।” বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ট্রাম্পের চাপের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী বার্তা।   স্টারমার স্পষ্ট করেছেন, যুক্তরাজ্য ইরান ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার পথে অগ্রসর হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রথম দফার হামলায় অংশ না নেওয়া একটি জাতীয়ভাবে বিবেচিত সিদ্ধান্ত। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘দ্য সান’-কে এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটেনের এই অবস্থান নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন।   ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সব সমালোচনা উপেক্ষা করে দেশের জাতীয় স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন এবং এ অবস্থান অটল রাখার সংকল্প জানিয়েছেন।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার ৪ রণতরী ক্ষতিগ্রস্ত

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে বড় চমক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ

ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে প্রাণহানি ১৩০০ ছাড়াল, কোন দেশে কতজন নিহত?

ছবি: সংগৃহীত।
পারস্য উপসাগরে আটকা পড়েছেন ২০ হাজার নাবিক ও ১৫ হাজার পর্যটক

পারস্য উপসাগরে চলমান সংঘাতের জেরে এক ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখে পড়েছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) জানিয়েছে, ওই অঞ্চলে বর্তমানে প্রায় ২০ হাজার নাবিক এবং ১৫ হাজার প্রমোদতরীর (ক্রুজ শিপ) যাত্রী আটকা পড়ে আছেন।  ইরান কর্তৃক কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার ফলে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আইএমও-র মহাসচিব আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "আইএমও বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত নাবিকদের নিরাপত্তা ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত।"  তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, নির্দোষ নাবিকদের ওপর কোনো ধরনের আক্রমণ কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। এটি কেবল অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, বরং একটি বড় ধরনের মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। উল্লেখ্য, গত শনিবার সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ওই অঞ্চলে জাহাজে অন্তত সাতটি হামলার ঘটনা রেকর্ড করেছে আইএমও। এসব হামলায় এখন পর্যন্ত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও সাতজন। বিশ্ববাজারে মোট অপরিশোধিত তেলের এক-পঞ্চমাংশ এবং বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই হরমুজ প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়।  এই রুটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ডমিঙ্গুয়েজ সকল শিপিং কোম্পানিকে এই যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে হামলায় বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে হামলায় বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

ছবি: সংগৃহীত

সাইরেন বাজার আগেই খবর দেবে ওয়েবসাইট ইসরায়েলে ‘আগাম আতঙ্ক’ প্রযুক্তি!

ইসরাইলি বোমায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ইরানের জনপদ। ছবি অনলাইন
ইরানকে গাজার মতো ধ্বংস করতে চাইছে ইসরাইল: বিশ্লেষক

ইরান আক্রমণে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই হামলায় ইরানের বেসামরিক এলাকা ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।   স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিশু ও শিক্ষকসহ প্রায় ১৮০ জন মারা গেছে একটি বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনায়। ৫ মার্চ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১,২০০ ছাড়িয়ে গেছে। ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও হামলার প্রভাব সীমিত রাখা সম্ভব হয়নি।   জি-ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক আমজাদ ইরাকি বলেন, ইসরাইল ইরানে গাজার মতো ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে, স্কুল, মসজিদ, মাজার ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষতি করছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ও কূটনৈতিক নিরাপত্তার কারণে ইসরাইল স্বাধীনভাবে হামলা চালাতে পারছে।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর ২৩ ড্রোন ও রকেট হামলার দাবি

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে তুরস্ককে পূর্ণ সমর্থন যুক্তরাষ্ট্রের

ছবি: সংগৃহীত

সামরিক বাজেট ৭ শতাংশ বাড়াচ্ছে চীন

0 Comments