আন্তর্জাতিক

লেবাননে সংঘর্ষে দুই ইসরাইলি সেনা নিহত

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৮, ২০২৬ 0
লেবাননে সংঘর্ষে দুই ইসরাইলি সেনা নিহত
লেবাননে সংঘর্ষে দুই ইসরাইলি সেনা নিহত

দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযানের সময় দুই ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। রোববার (৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

 

বাহিনী জানায়, নিহতদের একজনের নাম মাহের খাতার (৩৮)। তিনি ইসরাইল অধিকৃত গোলান মালভূমির মাজদাল শামস এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। সেনাবাহিনীর যুদ্ধ প্রকৌশল ইউনিটে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

 

পরে জানানো হয়, দক্ষিণ লেবাননের একই এলাকায় আরও একজন ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

 

গত সপ্তাহে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর এবং ইসরাইলের বিমান হামলা বাড়ার পর এই প্রথম তাদের সেনা নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটল।

 

ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি ইসরাইলি সেনাবাহিনী। এদিকে ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইসরাইল-লেবানন সীমান্ত এলাকায় সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

 

সূত্র: আল জাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
হামলা আরও তীব্র হবে বলে জানাল ইরানের আইআরজিসি
হামলা আরও তীব্র হবে বলে জানাল ইরানের আইআরজিসি

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের ‘ট্রু প্রমিস ফোর’ অভিযানের ২৮তম ধাপের হামলা চালানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে এই হামলার মাত্রা আরও বাড়ানো হবে।   তাসনিম নিউজের বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, আইআরজিসির আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট নতুন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরাইলের তেল আবিব ও বির আল সাবা এলাকায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের আল আযরাক বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে।   ‘আমিরুল মুমিনিন (আ.)’ নামে পরিচালিত এই অভিযানে ড্রোন ও বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের আল আযরাক বিমানঘাঁটি তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমান পরিচালনা কেন্দ্র। এই ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে কয়েক দফায় হামলা চালানো হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।   অন্যদিকে ইসরাইলের তেল আবিব ও বির আল সাবা এলাকার সামরিক স্থাপনাগুলোতে ইরান তাদের শক্তিশালী ‘খাইবার শেকান’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।   আইআরজিসি এক বিবৃতিতে আরও বলেছে, আগামী কয়েক ঘণ্টা ও দিনে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের ওপর হামলার পরিসর বাড়ানো হবে এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে ধাপে ধাপে ইরানের জনগণকে জানানো হবে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ড্রোন হামলার পর ধোঁয়া উড়ছে। ফাইল ছবি

ড্রোন হামলায় কাঁপল বাহরাইন, আহত ৩২

ছবি: সংগৃহীত

উদ্ধার হওয়া ইরানি নাবিকদের সাময়িক আশ্রয় ও ফ্রি ভিসা শ্রীলংকায়

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতি চাই না, হামলাকারীদের শাস্তি পেতেই হবে: ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার

ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবে ইরানি হামলায় মার্কিন সেনা নিহত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলায় আহত এক মার্কিন সেনাসদস্যের মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড।   সেন্ট্রাল কমান্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানি বাহিনীর হামলার সময় গুরুতর আহত হওয়া ওই সেনাসদস্য রোববার রাতে মারা যান। গত ১ মার্চ সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার সময় তিনি গুরুতরভাবে আহত হয়েছিলেন।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চলমান সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে এ নিয়ে মোট সাতজন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।   মার্কিন সেনাবাহিনীর নিয়ম অনুযায়ী, নিহত সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর ২৪ ঘণ্টা পর তাঁর পরিচয় প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।   সূত্র: আল জাজিরা

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে হামলা বন্ধের আহ্বান ম্যাক্রোঁর, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ারও দাবি

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনির ছেলে মোজতাবার নাম আলোচনায়, বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্যের দাবি

তেহরানের তেলের ডিপোতে ইসরায়েলি বিমান হামলার পর বড় আকারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এই নারকীয় পরিস্থিতির মধ্যেই এক ব্যক্তি বাইক ছুটিয়েছেন সড়কে। ছবি: এএফপি

ইসরায়েলের হামলায় তেহরানের জ্বালানি ডিপোতে আগুন

ছবি: সংগৃহীত
ইরানে শাসন পরিবর্তন সহজ নয়, যুক্তরাষ্ট্র সফল হবে কিনা সন্দেহ: মাইক মুলেন

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান মাইক মুলেন বলেছেন, ইরানে শাসন পরিবর্তন ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র সফল হবে কিনা তা নিয়ে তার গুরুতর সন্দেহ রয়েছে। তিনি বলেন, অতীত অভিজ্ঞতা দেখায় যে বাইরে থেকে হস্তক্ষেপ করে কোনো দেশের সরকার পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন কাজ।   এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরাক ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না। তার ভাষায়, ইরাক ও আফগানিস্তানে আমরা নেতা নির্বাচন করেছি, কিন্তু ফল ভালো হয়নি। তাই ইরানে শাসন পরিবর্তন করা খুবই কঠিন কাজ হবে।   মুলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসনের সময় দায়িত্ব পালন করেছেন, যখন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান ও ইরাকে যুদ্ধ চালাচ্ছিল। এদিকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানে শাসন পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা বলেছেন এবং নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন।   মুলেন বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হলেও শুধু একজন ব্যক্তির মৃত্যু মানেই পুরো শাসনব্যবস্থার পতন নয়। তার মতে, ইরান সরকার টিকে থাকার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতেও প্রস্তুত থাকবে। তিনি আরও সতর্ক করেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তা অপ্রত্যাশিতভাবে পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর ভয়াবহ রকেট হামলা

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘রাসায়নিক যুদ্ধের’ অভিযোগ ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে লাশের মিছিল: কোন দেশে কত প্রাণহানি?

0 Comments