জাতীয়

২৬ দিনে নয়বার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ: বড় কোনো মহাবিপর্যয়ের পূর্বাভাস?

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
২৬ দিনে নয়বার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ বড় কোনো মহাবিপর্যয়ের পূর্বাভাস
২৬ দিনে নয়বার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ বড় কোনো মহাবিপর্যয়ের পূর্বাভাস

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের ভূ-প্রকৃতিতে এক অস্বাভাবিক অস্থিরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। মাত্র ২৬ দিনের ব্যবধানে নয়বার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় জনমনে এখন তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

 

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঘন ঘন এই ভূ-কম্পনকে আসন্ন কোনো বড় দুর্যোগের ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।


ফেব্রুয়ারির কম্পনচিত্র: এক নজরে


চলতি মাসের শুরু থেকেই দেশের মাটির নিচে অস্থিরতা শুরু হয়:

 

১ ফেব্রুয়ারি: সিলেটে ৩ মাত্রার মৃদু কম্পন।

 

৩ ফেব্রুয়ারি: একদিনেই তিনবার কম্পন (সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রা এবং মিয়ানমারে ৫.৯ ও ৫.২ মাত্রা)।

 

৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি: সিলেটে আরও দুবার ভূ-কম্পন।

 

১৯ ফেব্রুয়ারি: সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প।

 

২৫ ফেব্রুয়ারি: সর্বশেষ মিয়ানমারে ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্প।

 

২৬ ফেব্রুয়ারি: রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৮। এর উৎপত্তিস্থল ভারতের সিকিম অঞ্চলে।


বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ ও ভূ-তাত্ত্বিক ঝুঁকি


ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশ মূলত ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যা ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি সতর্ক করে বলেন, "ছোট ও মাঝারি মাত্রার এই ঘন ঘন কম্পন বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। ভূত্বকের নিচে দীর্ঘদিন ধরে শক্তি জমা হয়ে থাকলে তা বড় বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি করে।"


উল্লেখ্য, গত নভেম্বরে ৫.৭ মাত্রার এক ভূমিকম্পে দেশে ১০ জনের মৃত্যু এবং শতাধিক আহতের ঘটনা ঘটেছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের প্রস্তুতি এখনো উদ্ধার তৎপরতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অবকাঠামোগত ঝুঁকি কমাতে বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। বড় দুর্যোগ মোকাবিলায় নাগরিক সচেতনতা ও ভূমিকম্প-সহনশীল স্থাপনা নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

জাতীয়

View more
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী
৫ মামলায় জামিন পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে পৃথক পাঁচটি মামলায় জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।   বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এই আদেশ প্রদান করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই পাঁচটি মামলার মধ্যে চারটি ছিল হত্যা মামলা। মামলাগুলো ফতুল্লা থানায় দায়ের করা হয়েছিল—যার মধ্যে বাসচালক আবুল হোসেন মিজি হত্যা, আব্দুর রহমান হত্যা, মো. ইয়াসিন হত্যা এবং পারভেজ হত্যা মামলা উল্লেখযোগ্য। এছাড়া সদর মডেল থানায় হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা অন্য একটি মামলায়ও তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে। আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন ও মোতাহার হোসেন সাজু। উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ মে ভোররাতে শহরের দেওভোগ এলাকার নিজ বাসভবন 'চুনকা কুটির' থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ইতিপূর্বে হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও পরবর্তীতে আপিল বিভাগে তা স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। সর্বশেষ ১৮ নভেম্বর তাকে আরও পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আজ উচ্চ আদালত থেকে এই জামিনাদেশ এলো।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ফাইল ফটো।

প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্বঃ জামায়াত

কনডম । সংগৃহীত

ছাত্রী হোস্টেলে মিলল বালতিভর্তি কনডম, সুপার ও বিভাগীয় প্রধানকে অব্যাহতি

টিউলিপ সিদ্দিক । ছবি সংগৃহীত

টিউলিপকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নবনিযুক্ত চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বিচারকাজে প্রভাব ফেলবে না: চিফ প্রসিকিউটর

ঢাকা: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের অভ্যন্তরীণ কোনো কলহ বা মতভেদ বিচারিক প্রক্রিয়ায় বিন্দুমাত্র নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন নবনিযুক্ত চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, প্রসিকিউশন টিম একটি পরিবারের মতো। একটি পরিবারে সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য বা অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থাকতেই পারে, কিন্তু সেটি আদালতের বিচারকাজে প্রতিফলিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যতদিন তিনি এই দায়িত্বে আছেন, ততদিন কোনো অভ্যন্তরীণ অভিযোগ বা কোন্দল বিচার প্রক্রিয়াকে স্পর্শ করতে পারবে না। নিজের নীতিগত অবস্থানের কথা তুলে ধরে আমিনুল ইসলাম বলেন, "আমি আপস করতে শিখিনি। আমার মেয়াদে কোনো নির্দোষ মানুষ বিন্দুমাত্র হয়রানির শিকার হবে না—এটি আমি নিশ্চিত করছি। তবে কোনো অপরাধী পার পেয়ে যাবে, এমন চিন্তা করারও কোনো অবকাশ নেই। এটি আমার পক্ষ থেকে একবারে স্পষ্ট বার্তা।" উল্লেখ্য, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মো. তাজুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন মো. আমিনুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছেন।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

একই পরিবারের চাকরি হারানো ব্যাংকারদের পুনর্বহালে এমপির আবেদন

শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পরিবর্তন? শেখ হাসিনার বিকল্প নিয়ে যা ভাবছে হাইকমান্ড

২৬ দিনে নয়বার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ বড় কোনো মহাবিপর্যয়ের পূর্বাভাস

২৬ দিনে নয়বার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ: বড় কোনো মহাবিপর্যয়ের পূর্বাভাস?

ছবি সংগৃহীত
সংসদের প্রথম অধিবেশনে হাসিনার গণহত্যার বর্ণনা সংসদে তুলে ধরবেন রাষ্ট্রপতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামী ১২ মার্চ। সংবিধান অনুযায়ী প্রথম দিনের অধিবেশনেই সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।   এবারের ভাষণে গত সরকারের শাসনামলের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট গুরুত্ব পেতে যাচ্ছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক সূত্র জানিয়েছে।   সংবিধান অনুযায়ী নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন এবং প্রতি বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেন। ওই ভাষণের ওপর সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব আনা হয় এবং সংসদ সদস্যরা এ বিষয়ে আলোচনা করেন। ভাষণটি রাষ্ট্রপতির দপ্তর নয়; বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রস্তুত করে। পরে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পাঠ করেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, ভাষণের খসড়া ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং বর্তমানে তা যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে। অনুমোদনের জন্য এটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। সূত্র জানায়, এবারের ভাষণে গত সরকারের দীর্ঘ সময়ের শাসনামলে সংঘটিত অনিয়ম, দুর্নীতি, গুম-খুন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিবরণ স্থান পাচ্ছে। পাশাপাশি ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটও যুক্ত হয়েছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের বিভিন্ন অঙ্গীকারও ভাষণের উল্লেখযোগ্য অংশজুড়ে থাকবে।   খসড়া প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়েছিল আগেই। সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভাষণের বিষয়বস্তুতে হালনাগাদ তথ্য সংযোজন করা হয়েছে। ভাষণটি প্রায় দেড়শ পৃষ্ঠার হতে পারে। তবে সংসদে রাষ্ট্রপতি এর সংক্ষিপ্ত অংশ পাঠ করবেন; বাকি অংশ স্পিকারের অনুমতি সাপেক্ষে পঠিত বলে গণ্য হবে।   ১২ মার্চের অধিবেশন প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নির্ধারিত তারিখে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে এটুকুই তিনি জানেন। এ বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করেননি।   আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানও রাষ্ট্রপতির ভাষণ বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।   উল্লেখ্য, এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেন। তখনও ভাষণটি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সংসদে উপস্থাপন করা হয়।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ । ছবি সংগৃহীত

নদী–খাল পুনঃখনন কর্মসূচিতে নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস

ফাইল ফটো।

নতুন ধারার রাজনীতিতে ফিরতে চায় আওয়ামী লীগ: অপেক্ষা রাজনৈতিক সুযোগের

ফাইল ফটো।

৬ সিটি কর্পোরেশনে বিএনপির প্রশাসক: নির্বাচন নিয়ে 'অনিশ্চয়তা' কাটবে কবে?

0 Comments