রাজনীতি

বিপিএনকে শফিকুর রহমানের কড়া বার্তা

জুলাইকে অস্বীকার করা মানে শহিদদের অপমান: বিপিএনকে শফিকুর রহমানের কড়া বার্তা

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও নবনিযুক্ত বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়া ‘জুলাই অভ্যুত্থান’ ও শহিদদের আকাঙ্ক্ষাকে অপমান করার শামিল। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মিরপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকায় একটি পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। বিএনপির শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর জামায়াত আমিরের এই প্রকাশ্য অবস্থান দেশের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

 

ডা. শফিকুর রহমান জুলাই বিপ্লবের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “জুলাইর কারণেই আজ দেশে নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই গণঅভ্যুত্থান না হলে তারেক রহমান সাহেব প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না, আর আমিও বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না। সুতরাং জুলাইকে আমাদের অবশ্যই স্বীকৃতি ও সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে।” তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে যেসব সংস্কার প্রস্তাব সামনে এসেছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করা এই সংসদের পবিত্র দায়িত্ব। সরকারি দল সংস্কারের উদ্যোগ নিলে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে, অন্যথায় জনগণের দাবি আদায়ে রাজপথে সোচ্চার থাকবে।

 

কেবল রাজপথ বা সংসদ নয়, সমাজ ও মানুষের মন থেকেও ‘আবর্জনা’ দূর করার আহ্বান জানান জামায়াত আমির। মিরপুরের সড়কে পরিচ্ছন্নতা কাজে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটি পরিচ্ছন্ন সমাজ গড়া। পরিবেশ সুন্দর থাকলে তার ইতিবাচক প্রভাব মানুষের মনোজগতে পড়ে। আমরা এমন এক সমাজ চাই যেখানে মানুষ দায়িত্ববোধ সম্পন্ন ও দরদী হবে।” এই অভিযানের মাধ্যমে তিনি দেশবাসীকে সামাজিক ও নৈতিক পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

 

এ সময় তার সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ও সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত আমিরের এই বক্তব্য মূলত সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে বিএনপির অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে, যা আগামী দিনে সংসদীয় বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

রাজনীতি

View more
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট’ বাতিলের দাবি গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পাদিত ‘রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট’ বাতিলের দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। সংগঠনটির নেতারা এই চুক্তিকে বৈষম্যমূলক ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে চুক্তির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের অপসারণের দাবিও তুলেছেন তারা।   সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে এসব দাবি জানানো হয়। বক্তারা বলেন, চুক্তিটি দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক স্বাধীনতার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বর্তমান সরকারের কাছে এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানাতেও আহ্বান জানান তারা।   সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তিতে সাধারণত দুই দেশের মধ্যে সমতা বজায় থাকে। তবে চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে সেই ভারসাম্য অনুপস্থিত। তার দাবি, জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগে গোপনে তড়িঘড়ি করে চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে, যা স্বচ্ছতার প্রশ্ন তোলে।   তিনি আরও বলেন, চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের ৬ হাজারের বেশি পণ্যে শুল্ক ছাড় দিতে হবে, বিপরীতে বাংলাদেশ পাবে তুলনামূলকভাবে কম পণ্যে সুবিধা। এতে করে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ শুল্ক রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কহার কিছুটা কমানো হলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।   বক্তারা অভিযোগ করেন, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য আমদানির সুযোগ সীমিত হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে গম, তুলা, জ্বালানি ও শিল্পখাতে ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলনামূলক বেশি দামে কিনতে হতে পারে।   সমাবেশে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে একাধিক উড়োজাহাজ কেনার চুক্তিও এই প্রক্রিয়ার অংশ। দীর্ঘমেয়াদি কিস্তিতে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে, যা অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে মত দেন বক্তারা। তারা উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়া বড় অঙ্কের রাষ্ট্রীয় চুক্তি সম্পাদন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।   সমাবেশে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাসদ এবং অন্যান্য বামপন্থী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা চুক্তিটি পুনর্বিবেচনা এবং জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির বিরুদ্ধে সংকট সৃষ্টির অভিযোগ জামায়াত সেক্রেটারি পরওয়ারের

ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা | ছবি: সংগৃহীত

ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রিভার জামিন মঞ্জুর

রাজধানীর গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এখন চরম দুর্দশা। আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পর লুটপাট চালানো হয় ভবনটিতে। এখন নিচতলায় প্রস্রাব করেন পথচলতি মানুষ। ওপরের তলাগুলোতে থাকেন ভবঘুরে অনেকে । ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকছে, এর প্রভাব কেমন হবে

বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য। ছবি: সংগৃহীত
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে জামায়াতসহ ১১ দলের বিক্ষোভ; রাজপথে বিরোধী দল

সরকার গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য। নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এই প্রথম সংসদের প্রধান বিরোধী দল রাজপথে কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি পালন করল। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।   বিকেল সোয়া পাঁচটায় কর্মসূচি শুরুর আগে থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যানার ও ফেস্টুনসহ খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন। সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন এবং সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান। বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, জনগণের রায়কে উপেক্ষা করার পরিণাম শুভ হবে না।   জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন সমাবেশে অভিযোগ করেন, নির্বাচনের পর বিএনপি জনগণের রায়কে উদ্দেশ্যমূলকভাবে উপেক্ষা করছে। তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করাকে যদি বৈধ বলা হয়, তবে সেই একই জনগণের ভোটে হওয়া সংস্কারকে কেন অবৈধ বলা হচ্ছে—এমন দ্বিচারিতা দেশের মানুষ মেনে নেবে না। তিনি সরকারের এই অবস্থানকে স্ববিরোধী বলে উল্লেখ করেন।   জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ তার বক্তব্যে বলেন, গণভোটকে অবজ্ঞা করার মাধ্যমে বিএনপি পুরো জাতিকে অপমান করেছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, সরকার যদি জনস্বার্থের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তবে রাজপথ এবং সংসদ—উভয় জায়গাতেই কঠোর প্রতিবাদ গড়ে তোলা হবে। সমাবেশের পর নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি সংকট নিয়ে সরকার ‘লুকোচুরি’ করছে: জামায়াত আমির

নতুন রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে | ছবি: সংগৃহীত

নতুন রাজনৈতিক দল ‘জেডিপি’র আত্মপ্রকাশ; ৭২-এর সংবিধান বাতিলের দাবি

ছবি: সংগৃহীত

‘বেগম জিয়ার আমলে মানুষ ভালো থাকায় বিএনপিকে ১৭ বছর ভুগতে হয়েছে’—চিফ হুইপ

ছবি: সংগৃহীত
সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনার পদত্যাগপত্র পাওয়ার কথা রাষ্ট্রপতি স্বীকার করেছিলেন: জামায়াত আমির

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর পদত্যাগপত্র সরাসরি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু স্বীকার করেছিলেন বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে ওয়াকআউটের পর তিনি সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান।   ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার সীমাহীন ত্যাগের পর যে রাজনৈতিক পরিবর্তন এসেছে, তার পরবর্তী সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণের প্রেক্ষিতে তারা বঙ্গভবনে বসেছিলেন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় তিনি জানান, “তিনি (রাষ্ট্রপতি) সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগপত্র পেয়েছেন এবং মঞ্জুর করেছেন।” এ আলোচনার পর তারা দ্রুত নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক শাসনের দিকে ফেরার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলেন।   তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার সংস্কারের জন্য ছয়টি কমিশন গঠন করেছিল এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তারা প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর ধরে যে ফ্যাসিবাদী শাসন চলেছে, তা নিরসনে জনগণের রায় বা গণভোটের দাবি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   বিরোধীদলীয় নেতা সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের বাস্তবায়নের জন্য সরকারের মনোভাবকে সমালোচনা করেন। তিনি জানান, যেহেতু সংসদে জনগণের ন্যায্য দাবি সম্মানিত হচ্ছে না, তাই আমরা জনগণের কাছে ফিরে যাব এবং গণভোটের মাধ্যমে রায় আদায়ের পথ অনুসরণ করব।   সংবাদ সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান আরও ঘোষণা দেন যে, গণভোট ও সংবিধান সংস্কারের দাবিতে সংসদ এবং রাজপথ উভয় ক্ষেত্রেই বিরোধী দল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। শিগগিরই সমমনা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তিনি জানান।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ফাইল ছবি

নিজেকে ‘শহীদ পরিবারের সন্তান’ দাবি করলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন। ফাইল ছবি

সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে সংসদে তুমুল বিতর্ক, হট্টগোলের পর মঙ্গলবার আলোচনার সিদ্ধান্ত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংবাদ সম্মেলন।

ঢাকাসহ ৫ সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা এনসিপির

0 Comments