আমেরিকা

বিমানবন্দরে কি আর থাকবে না সরকারি নিরাপত্তা? ট্রাম্পের প্রস্তাবে নতুন চাঞ্চল্য

শাহারিয়া নয়ন প্রকাশ: এপ্রিল ৬, ২০২৬ ১৬:২৩
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, পরিবহন নিরাপত্তা প্রশাসনের অধীন নিরাপত্তা স্ক্রিনিং কার্যক্রম ধীরে ধীরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে।

 

সম্প্রতি প্রকাশিত এই বাজেট প্রস্তাবটি ব্যবস্থাপনা ও বাজেট দপ্তরের মাধ্যমে কংগ্রেসে জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রশাসনের ভবিষ্যৎ নীতিগত অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ছোট বিমানবন্দরগুলোকে একটি বিশেষ অংশীদারিত্ব কর্মসূচির আওতায় এনে বেসরকারি কর্মীদের মাধ্যমে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২০টি বিমানবন্দরে বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীরা সরকারি তত্ত্বাবধানে দায়িত্ব পালন করছেন। এই ব্যবস্থায় নিরাপত্তা মানদণ্ড একই থাকলেও কর্মী নিয়োগ ও বেতন নির্ধারণের দায়িত্ব থাকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওপর।

 

প্রস্তাবের পেছনের কারণ

সাম্প্রতিক আংশিক সরকারি অচলাবস্থার সময় অনেক নিরাপত্তাকর্মী বেতন না পাওয়ায় বিভিন্ন বিমানবন্দরে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়। তবে যেসব বিমানবন্দরে বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু ছিল, সেখানে এই ধরনের সমস্যা তুলনামূলক কম দেখা গেছে। প্রশাসনের দাবি, বেসরকারিকরণের মাধ্যমে বছরে উল্লেখযোগ্য অর্থ সাশ্রয় সম্ভব এবং এতে একটি সমস্যাগ্রস্ত সংস্থার সংস্কারও শুরু হবে।

 

 কী পরিবর্তন আসতে পারে

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ছোট বিমানবন্দরগুলোতে বেসরকারি নিরাপত্তা স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক হতে পারে। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম ও প্রশিক্ষণ সরকারি সংস্থার অধীনেই থাকবে। ফলে যাত্রীদের জন্য নিরাপত্তা প্রক্রিয়ায় বড় কোনো পরিবর্তন নাও আসতে পারে।

 

 বিরোধিতা ও উদ্বেগ

এই উদ্যোগের বিরোধিতা করছে সরকারি কর্মচারীদের একটি সংগঠন। তাদের আশঙ্কা, বেসরকারিকরণ হলে নিরাপত্তার মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং মুনাফা অর্জনের প্রবণতা বাড়বে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

 

সমালোচকেরা মনে করিয়ে দেন, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দর নিরাপত্তা পুরোপুরি বেসরকারি খাতে ছিল, যা পরবর্তীতে বড় ধরনের নিরাপত্তা প্রশ্নের জন্ম দেয়।

 

 আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট

বিশ্বের অনেক দেশেই বিমানবন্দর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বেসরকারি খাত যুক্ত রয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও মনে করছেন কেউ কেউ।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
সম্মান গ্রহণের মুহূর্তে আফরিন মাহমুদ । ছবি: সংগৃহীত
টেক্সাসে স্যালুটেটোরিয়ান বাংলাদেশি আফরিন, চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় অস্টিনে যাত্রা

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য গর্বের এক অর্জন এনে দিয়েছেন আফরিন মাহমুদ অনুশকা। চলতি বছরের গ্র্যাজুয়েটিং ব্যাচে “স্যালুটেটোরিয়ান” বা শ্রেণির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করেছেন তিনি। তার এই সাফল্যে পরিবার, বন্ধু ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে।   টেক্সাসের হাটো মেমোরিয়াল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে আফরিন বিশেষ সম্মানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের একজন হিসেবে মঞ্চে বক্তব্য দেন। কয়েক হাজার দর্শকের সামনে তার স্যালুটেটোরিয়ান বক্তৃতা ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।   আফরিন মাহমুদ তিন ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয়। তার বাবা ডা. আরিফ মাহমুদ বাংলাদেশ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে মরগান স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন। মা শেহেরিন জামানও সন্তানদের শিক্ষা ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে পরিবারের ঘনিষ্ঠরা জানান।   পরিবারটির শিক্ষাগত সাফল্যের ধারাবাহিকতাও নজর কেড়েছে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির। আফরিনের বড় বোন জারিন মাহমুদ ও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলি থেকে অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে কলেজ জীবন সম্পন্ন করেছেন। তিনিও ভবিষ্যতে চিকিৎসাবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এছাড়া পরিবারের ছোট ভাইও বর্তমানে পড়াশোনায় মনোযোগী।   পরিবারের সদস্যরা জানান, ছোটবেলা থেকেই আফরিন ছিলেন অত্যন্ত মনোযোগী, পরিশ্রমী ও শৃঙ্খলাবদ্ধ। দীর্ঘদিনের অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস এবং বিনয়ী মনোভাব তাকে এই অর্জনের পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। তারা বলেন, “একসময় যে মেয়ে হাত ধরে হাঁটত, আজ সে নিজ যোগ্যতায় সবার সামনে সম্মানের সঙ্গে দাঁড়িয়েছে।”   শুধু পড়াশোনায় নয়, সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ছিলেন আফরিন। তিনি এইচওএসএ (HOSA), লিও ক্লাবসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে কমিউনিটি সেবায় শত শত ঘণ্টা কাজ করেছেন। স্থানীয় বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগেও তার অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।   ভবিষ্যতে চিকিৎসক হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আফরিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিনে বায়োকেমিস্ট্রি ও প্রি-মেড নিয়ে পড়াশোনা শুরু করতে যাচ্ছেন। পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আশা, তিনি ভবিষ্যতে চিকিৎসা ও মানবসেবার মাধ্যমে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।   প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকেই আফরিনের এই অর্জনকে নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে অভিনন্দন ও শুভকামনায় ভাসাচ্ছেন শুভানুধ্যায়ীরা।

নীলুফা নিশাত প্রকাশ: মে ২২, ২০২৬ ১:৬
ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কবাসীর জন্য ৫০ ডলারে বিশ্বকাপ টিকিট, যেভাবে আবেদন করবেন

আটলান্টা শহরের দৃশ্য | ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে খারাপ ট্রাফিকের শহরের তালিকায় আবারও আটলান্টা

ছবি: সংগৃহীত

মেমোরিয়াল ডে-র ছুটি: আটলান্টা বিমানবন্দরে রেকর্ড ৩০ লাখ যাত্রীর ভিড়ের আশঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্ক ও লস অ্যাঞ্জেলেসকে পেছনে ফেলে যুক্তরাষ্ট্রের সেরা বাসযোগ্য শহর কার্মেল

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৬–২০২৭ সালের জন্য প্রকাশিত “আমেরিকার সেরা ২৫০ বাসস্থান” তালিকায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের ছোট শহর কার্মেল। ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্টের এই তালিকায় গত বছর দ্বিতীয় স্থানে থাকা শহরটি এবার এক নম্বরে উঠে এসেছে। ইন্ডিয়ানাপলিস থেকে প্রায় ২০ মাইল উত্তরে অবস্থিত এই শহরটি সামগ্রিক জীবনমান, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ভারসাম্যের ভিত্তিতে শীর্ষে স্থান পেয়েছে।   তালিকায় কার্মেলের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে একই অঙ্গরাজ্যের প্রতিবেশী শহর ফিশার্স। একই কাউন্টির আরেক শহর নোবেলসভিল ১৮তম স্থানে রয়েছে। প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ দুই বাসযোগ্য শহর একে অপরের পাশাপাশি অবস্থিত শহর হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।   ৮৫৯টি শহরের মধ্যে মূল্যায়নে কার্মেল জীবনমান সূচকে ১৫তম, কর্মসংস্থানে ৪০তম, আকর্ষণীয়তায় ৯০তম এবং মূল্যমান সূচকে ১১৪তম অবস্থানে রয়েছে। সব সূচক মিলিয়ে সামগ্রিক স্কোরে শহরটি শীর্ষে উঠে আসে।   শহরটির জনসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার ৭৬৮ জন। গড় যাতায়াত সময় ২১ মিনিট, মধ্যম বাড়ির দাম প্রায় ৪ লাখ ৭৭ হাজার ৬২৫ ডলার এবং গড় মাসিক ভাড়া ১ হাজার ৪৫৭ ডলার। গড় পারিবারিক আয় ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬১৫ ডলার বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   স্থানীয় বাসিন্দারা কার্মেলকে শান্ত, নিরাপদ এবং পরিবারবান্ধব শহর হিসেবে বর্ণনা করেন। শহরটির ডাউনটাউন এলাকা হাঁটার উপযোগী এবং এখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় পাবলিক স্কুলগুলোর কিছু অবস্থিত।   দীর্ঘদিন ধরে বসবাসরত রিয়েল এস্টেট এজেন্ট ক্যারি হলে কার্মেলকে “আমাদের ছোট্ট স্বর্গ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। শহরটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি নির্বাহী পেশাজীবী মাসুম মাহবুব জানান, এখানকার শিক্ষা ব্যবস্থা, পরিবেশ এবং প্রতিবেশীদের আন্তরিকতা জীবনযাত্রাকে সহজ ও স্বস্তিদায়ক করে তুলেছে।   কার্মেলের মেয়র সু ফিনকাম এই অর্জনকে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের যৌথ প্রচেষ্টার ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইউএস নিউজের ভোক্তা বিশ্লেষক এরিকা জিওভানেটি বলেন, কম খরচে উচ্চমানের জীবনযাত্রা কার্মেল ও ফিশার্সকে বড় শহরগুলোর তুলনায় এগিয়ে নিয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, র‌্যাঙ্কিং নির্ধারণে চারটি প্রধান বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে। সেগুলো হলো আবাসন ব্যয়, জীবনমান, দৈনন্দিন পরিবেশ এবং কর্মসংস্থান পরিস্থিতি। জীবনমান সূচকে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বায়ুর মান এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

শাহারিয়া নয়ন প্রকাশ: মে ২১, ২০২৬ ১৬:৪৮
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আরও ২৫ নতুন স্টোর খুলছে ট্রেডার জো’স

ছবি: মন্ত্রী মহোদয়ের হাতে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র তুলে দিচ্ছেন আয়োজক কমিটি

৪০তম ফোবানা কনভেনশনে যোগ দিচ্ছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

ছবি: সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রথম শাখা খুলছে কানাডার বিখ্যাত এশিয়ান সুপারশপ ‘টিঅ্যান্ডটি’

ছবি: সংগৃহীত
লস অ্যাঞ্জেলসে ৪০তম ফোবানা কনভেনশনে থাকছেন দেশ-বিদেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা

উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন ফোবানা (ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা) আগামী বছর তাদের ৪০তম কনভেনশনের আয়োজন করতে যাচ্ছে ক্যালিফোর্নিয়ায়। আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৪, ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সাল সিটির ইউনিভার্সাল হিলটন হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে তিনদিনব্যাপী এ সম্মেলন।   “উন্নয়নের পথে আগামী প্রত্যয়ে প্রবাস বাংলাদেশ” — এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এবারের কনভেনশনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও পেশাগত সংযোগ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আয়োজকরা বলছেন, উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেবেন।   আয়োজকরা আরও জানিয়েছেন, এবারের অনুষ্ঠানে থাকছে ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং, সেমিনার, সাহিত্য ও কবিতা আসর, যুব ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশবিষয়ক আলোচনা, ট্যালেন্ট শো, ফোবানা স্কলারশিপ কার্যক্রম এবং দেশীয় খাবার ও কারুশিল্প প্রদর্শনী। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেওয়ার জন্য দেশ বিদেশের জনপ্রিয় একাধিক শিল্পীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।   আমন্ত্রিত শিল্পীদের তালিকায় রয়েছেন লুইপা, ঋতুপর্ণা, মিলা, সাগর বাউল, নকিব খান, রবি চৌধুরী, রোমেল খান, মুজা ও আলিফ। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সময়ের সঙ্গে আরও শিল্পীর নাম ঘোষণা করা হবে।   এবারের ফোবানা কনভেনশনের আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়া (বিএসি)। আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রবিউল করিম বেলাল, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি খালেদ রউফ, কনভেনর ড. জয়নুল আবেদীন এবং মেম্বার সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল।   প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং বাংলা সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে ফোবানা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। প্রতি বছরের এ কনভেনশনকে ঘিরে উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়।   অনুষ্ঠান সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য ও নিবন্ধনের জন্য আয়োজকদের ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: মে ১৯, ২০২৬ ১৮:২৭
অভিবাসন আবেদনপত্রে স্বাক্ষর যাচাই প্রক্রিয়ার প্রতীকী চিত্র

স্বাক্ষর ত্রুটিতে বাতিল হতে পারে এইচ-১বি ও গ্রিন কার্ড আবেদন

যুক্তরাষ্ট্রে সড়কে পুলিশের তল্লাশির সময় সতর্কতা অবলম্বনের একটি দৃশ্য । ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশ গাড়ি থামালে করণীয় কী? জানুন নাগরিক অধিকার

ছবি: সংগৃহীত

তিন যুগের ভালোবাসা: নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা

0 Comments