রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে তারেক রহমান

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
তারেক রহমান
তারেক রহমান

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান শীর্ষ অবস্থানে রয়েছেন বলে দাবি করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিশ্বখ্যাত সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’। গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এক বিশেষ বিশ্লেষণে সাময়িকীটি বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জনমতের প্রতিফলন তুলে ধরে এই তথ্য জানিয়েছে।

 

ইকোনমিস্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের ১৫ বছরের দুঃশাসন ও দুর্নীতির অবসানের পর এটিই হবে বাংলাদেশের প্রথম প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন। সাময়িকীটি তারেক রহমানকে ‘খ্যাতানামা রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান’ ও ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শীর্ষ দাবিদার’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর আগে টাইম ম্যাগাজিন ও ব্লুমবার্গের মতো প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও তারেক রহমানের রাজনৈতিক উত্থান ও জনপ্রিয়তা নিয়ে একই ধরনের বিশ্লেষণ প্রচার করেছিল।

 

প্রতিবেদনে গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে যে, ২০০৮ সালের পর থেকে বাংলাদেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। ফলে দেশের প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটারের মধ্যে ৪০ শতাংশই আগে কখনো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পায়নি। এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীর বড় অংশই এখন পরিবর্তনের আশায় বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে।

দ্য ইকোনমিস্ট জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান অবস্থান নিয়েও বিশ্লেষণ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামায়াত নির্বাচনে কোনো নারী প্রার্থী না দেওয়ায় এবং দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতায় পিছিয়ে থাকায় শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে এক ধরনের সংশয় কাজ করছে। আর এই শূন্যস্থানটিকেই তারেক রহমানের জন্য বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে সাময়িকীটি।

 

তারেক রহমানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে ইকোনমিস্ট লিখেছে, তিনি কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নই দেখাচ্ছেন না, বরং দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি নির্দিষ্ট রোডম্যাপ তুলে ধরছেন। তার উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে:

  • তরুণদের বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

  • বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

  • পানি সংকট মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং বছরে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণ।

  • মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

 

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, তারেক রহমান রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে বেরিয়ে আসার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন। তিনি ইকোনমিস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ২০২৪ সালের বিপ্লব প্রমাণ করেছে যে জনবিচ্ছিন্ন সরকারের পরিণতি কী হয়। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার তিনি করবেন না, কারণ ‘প্রতিশোধপরায়ণ হওয়া কারো জন্যই মঙ্গল বয়ে আনে না।’

 

দ্য ইকোনমিস্টের এই বিশ্লেষণ বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারী ও কূটনীতিকদের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। প্রতিবেদনে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পূর্ণ প্রত্যাবর্তন কেবল অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরই উন্নতি ঘটাবে না, বরং প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান টানাপোড়েনের সম্পর্ক মেরামতেও সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

রাজনীতি

View more
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে ভারতের শুভেচ্ছা, সম্পর্ক জোরদারে আশাবাদ

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিক্রম মিশ্রি। নতুন বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ায় ভারতের পক্ষ থেকে তাকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।   মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।   হাইকমিশন জানায়, পররাষ্ট্রসচিব দুই দেশের জনগণ-কেন্দ্রিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে ডা. শফিকুর রহমানকে তার নতুন দায়িত্বের জন্য অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের প্রতি ভারত-এর দীর্ঘস্থায়ী সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।   অপরদিকে ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান গভীর সভ্যতাগত বন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   সৌজন্য সাক্ষাৎকে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0

বুধবার জামায়াতের ‘ক্লিন ঢাকা মহানগরী’ কর্মসূচি, সকালেই শুরু পরিচ্ছন্নতা অভিযান

‘বিএনপিতে ফেরার সম্ভাবনা নেই’— শপথের পর স্পষ্ট বার্তা ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার

বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি

জামায়াত আমিরের সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের বিশেষ সাক্ষাৎ

বাবা-মায়ের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মোনাজাত করলেন তারেক রহমান

আজ এক ঐতিহাসিক ও আবেগপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষী হলো দেশবাসী। বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর রাতে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।   মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি উপস্থিত হন। সেখানে স্ত্রী জোবায়দা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমানকে সাথে নিয়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে বিশেষ মোনাজাত করেন।   বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, কবর জিয়ারত শেষে তিনি পরিবারের সদস্য ও উপস্থিত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন।    এর আগে বিকেলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথবাক্য পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। একই অনুষ্ঠানে ৪৯ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীও শপথ গ্রহণ করেছেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0

নির্বাসন থেকে রাষ্ট্রনায়ক: তারেক রহমানের হার না মানা মহাকাব্য

মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল: উপদেষ্টা হলেন মির্জা আব্বাস ও রিজভীসহ ১০ জন

বাবা-মায়ের কবরের শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

তারেক রহমানকে মোদির অভিনন্দন, ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ

বাংলাদেশের সদ্য সমাপ্ত সংসদীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।   মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।   চিঠিতে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের আপনার নেতৃত্বের ওপর গভীর আস্থা এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে দেশ এগিয়ে নেওয়ার স্বপ্নের প্রতিফলন।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।   দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মোদি বলেন, ‘ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর। উন্নয়নের অগ্রাধিকারগুলোতে আমাদের দারুণ মিল রয়েছে, যা ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।’   তিনি কানেকটিভিটি, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, জ্বালানি, স্বাস্থ্য ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন খাতে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বলেন, দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের টেকসই উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি হতে পারে।   অভিনন্দন বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবারে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমি আপনাকে, ডা. জুবাইদা রহমান এবং আপনার কন্যা জাইমা রহমানকে সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ভারতে আপনাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’   বার্তায় তিনি বাংলাদেশের জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
নতুন মন্ত্রিপরিষদ

নতুন মন্ত্রিপরিষদে আলোচিত ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের বাদ পড়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্য

ছাত্রনেতা

রাজপথ থেকে সংসদে: প্রথমবার জাতীয় সংসদে ১৮ সাবেক ছাত্রনেতা

সরজিস আলম

'জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সাথে গাদ্দারি': বিএনপিকে নিয়ে সারজিস আলমের বিস্ফোরক মন্তব্য

0 Comments